চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদীপ্রণালী


চট্টগ্রাম অঞ্চলের নদীপ্রণালী (Chittagong Region River System)  চট্টগ্রাম প্রশাসনিক বিভাগের ৫টি জেলা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি এবং খাগড়াছড়ি নিয়ে চট্টগ্রাম অঞ্চল গঠিত। এ অঞ্চলকে ঘিরে রয়েছে দক্ষিণ ও পশ্চিমে  বঙ্গোপসাগর, দক্ষিণপূর্বে মায়ানমারসহ নাফ নদী এবং পূর্বে রয়েছে ভারতের ভূখন্ড। এ অঞ্চল তিনটি পৃথক প্রতিবেশ এলাকা নিয়ে গঠিত: আন্তঃজোয়ারভাটা এলাকা, উপকূলীয় সমভূমি এবং পার্বত্য এলাকা। অঞ্চলটির উত্তর এবং পূর্ব দিকের অংশ পর্বতময় এবং এ অংশ সাধারণভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম নামে পরিচিত। এ এলাকা চিরসবুজ এবং পর্ণমোচী গভীর বন দ্বারা আবৃত যা বিভিন্ন প্রজাতির বন্য জীবজন্তুর আবাসস্থল। উদাহরণস্বরূপ এশীয় হাতি (Elephas maximus), সাদা হাঁস (Cairina scutulata),  বনরুই (Maris crassicaudata),  বনছাগল (Capricornis sumatraensis),  সজারু (Hystrix indica) এবং অন্যান্য কিছু বিপন্ন প্রজাতির জীবজন্তুর কথা বলা যায়। বঙ্গোপসাগরের ১০০ কিমি দীর্ঘ বালুকাময় সমুদ্র সৈকত নিয়ে এ অঞ্চলের উপকূলরেখা গঠিত। অঞ্চলটির অবশিষ্ট অংশ সমভূমি দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলভুক্ত সমগ্র এলাকার আয়তন প্রায় ১৯,৯৫৬ বর্গ কিলোমিটার যার মধ্যে পার্বত্য এলাকা ১,৩০০ বর্গ কিমি জুড়ে।

এই অঞ্চলের পূর্বদিকে অবস্থিত বগাকাইন হ্রদ একটি যথার্থ প্রাকৃতিক গভীর পানির হ্রদ, দৈর্ঘ্য ১.২৫ কিমি এবং বিস্তৃতি ২১.২১ হেক্টর। অপর প্রাকৃতিক হ্রদটির নাম রেইনখেইংকাইন, এটিও পার্বত্য চট্টগ্রামে অবস্থিত। হ্রদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৫৫ কিমি এবং আয়তন ৩২.৬৬ হেক্টর। দেশের সর্বাপেক্ষা বৃহৎ কৃত্রিম হ্রদের নাম  কাপ্তাই লেক; যা এ অঞ্চলের  কর্ণফুলি নদী সংলগ্ন। এ অঞ্চলের প্রধান নদী সমূহের উৎপত্তিস্থল পর্বতশৃঙ্গ। পাহাড় থেকে বয়ে আসা নদীগুলিতে  পলি জমার মাত্রা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।  বনাঞ্চল ধ্বংস করা এবং পার্বত্য এলাকার  জুমচাষ এর অন্যতম কারণ। এ অঞ্চলের প্রধান নদীসমূহ হলো: কর্ণফুলি ও তার উপনদীসমূহ (উদাহরণস্বরূপ রাইনখিয়াং, কাসালং, হালদা, ইছামতী), বাকখালী, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ, ফেনী এবং কুতুবদিয়া চ্যানেল, মহেশখালী চ্যানেল ইত্যাদি।

KarnafuliBasin.jpg

কর্ণফুলি  এ অঞ্চলের মূল নদী। এর উৎপত্তিস্থল মিজোরামের (ভারত) লুসাই পাহাড়ে। রাঙ্গামাটি এবং বন্দর নগরী চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার সন্নিকটে এটি বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। রাঙ্গামাটির উজানে প্রবাহিত রয়েছে অনেকগুলি স্রোতধারা। মিজোরাম-বাংলাদেশ সীমান্তের থেগামুখের সন্নিকট থেকে একটি স্রোতস্বিনী হরিণা, বরকল এবং সুবলং এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। অপর একটি স্রোতধারা মারিস্যা থেকে উৎপন্ন হয়ে ময়নামুখ এবং লংগদুর মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে সুবলং এ পৌঁছেছে। একটি স্রোতস্বিনী ডাঙ্গুমারার মধ্য দিয়ে মাইনিমুখের দিকে প্রবাহিত হয়েছে এবং অন্য একটি স্রোতধারা মহালছড়ি উপজেলার মধ্য দিয়ে রাঙ্গামাটির দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এসকল স্রোতস্বিনীসমূহ রাঙ্গামাটির কাছে এসে কর্ণফুলি নদীর সঙ্গে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহ কর্ণফুলি নামেই বাকি পথ প্রবাহিত হয়েছে। নদীটি উচ্ছল এবং এর দৈর্ঘ্য ১৩১ কিমি। এর প্রধান উপনদীগুলি হলো রাইনখিয়াং, সুবলং, থেগা, কাসালং, ইছামতী এবং হালদা। কর্ণফুলির প্রধান শাখা দুটির নাম সুয়ালক এবং বোয়ালখালী। কাপ্তাই নামক স্থানে এ নদীর উপর  বাঁধ নির্মাণ করে দেশের একমাত্র  জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। বরকল এবং কাপ্তাইয়ের কাছে কর্ণফুলি নাব্য, কিন্তু বরকলের উজানে কর্ণফুলি অগভীর। কাপ্তাই বাঁধ নির্মাণের ফলে কর্ণফুলির স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাপ্রপ্ত হয় এবং একটি বিশাল এলাকা জুড়ে কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়। মানব সৃষ্ট এ হ্রদ সারা বছর অত্র এলাকার অভ্যন্তরীণ  নৌপরিবহণ-এর জন্য ব্যবহূত হয়। শুষ্ক মৌসুমে বাঁধের ভাটিতে খুব সামান্য পানির প্রবাহ থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী মাঝে মাঝে বাঁধের জলকপাট (sluice gates) খুলে দিয়ে জলাধারে জমাকৃত পানি ছেড়ে ভাটির দিকে প্রবাহ ঠিক রাখা হয়। বন্দর নগরী চট্টগ্রাম এ নদীর মোহনায় অবস্থিত।  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো) কোদালা, চট্টগ্রাম এবং পতেঙ্গায় অবস্থিত তিনটি জলপরিমাপন (হাইড্রোমেট্রিক) কেন্দ্রের মাধ্যমে এ নদীর পানির স্তর সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ করে থাকে।

রাইনখিয়াং  মিজোরামের (ভারত) পূর্বাঞ্চলীয় পর্বতশ্রেণী থেকে উৎপন্ন বেশকিছু সংখ্যক ক্ষুদ্র স্রোতধারা একত্রে মিলিত হয়ে রাইনখিয়াং নদীর সৃষ্টি করেছে। নদীটি পাহাড়ি এলাকার গভীর সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে, অনেক বাধা বিঘ্ন অতিক্রম করে বেলাছড়ি (রাঙ্গামাটি) নামক স্থানে কাপ্তাই লেকে পতিত হয়েছে। এ স্থান কর্ণফুলি নদীর সঙ্গে রাইনখিয়াং-এর মূল সঙ্গমস্থল রাইনখিয়াংমুখ থেকে ৩০ কিমি উজানে। নদীটি তরঙ্গমুখর উচ্ছল এবং ৭৭ কিমি দীর্ঘ। গোবাচ্ছরিমুখ পর্যন্ত আর্দ্রমৌসুমে নদীটিতে নৌচলাচলের জন্য প্রয়োজনীয় নাব্যতা থাকে এবং এর আরও উজানে শুধু কাঠের গুঁড়ি এবং  বাঁশ ভাসিয়ে  পরিবহণ করা সম্ভব হয়।

থেগা  কর্ণফুলির প্রধান উপনদীসমূহের একটি। এটি বরকল এবং সুবলং-এর আরও উজানে কর্ণফুলির সঙ্গে মিলিত হয়ে কাপ্তাই লেকে পতিত হয়েছে।

কাসালং  মিজোরামের (ভারত) পূর্বাঞ্চলীয় পর্বতশ্রেণী থেকে উৎসারিত হয়ে কিছু ক্ষুদ্র স্রোতধারা বাঘাইছড়ি (রাঙ্গামাটি) এলাকায় একত্রে মিলিত হয়ে কাসালং নদীর সৃষ্টি করেছে। এটি কেদারমারাতে এসে কর্ণফুলি নদীতে (কাপ্তাই লেক) পতিত হয়েছে। নদীটি খরস্রোতা এবং ৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ।

হালদা  খাগড়াছড়ির বাটনাতলি পাহাড় থেকে উৎসারিত। এটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে মধুনাঘাট (চট্টগ্রাম) এর নিকটে কর্ণফুলির সঙ্গে মিলিত হয়েছে। নদীটি খরস্রোতা এবং এর দৈর্ঘ্য ৮৮ কিমি। এ নদীতে বাপাউবো-এর ১৩টি জলপরিমাপন কেন্দ্র রয়েছে যেগুলির মাধ্যমে এ নদীর পানির স্তর সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়।

ইছামতী  কাউখালির সন্নিকটে (রাঙ্গামাটি) কতিপয় ক্ষুদ্র স্রোতধারা মিলিত হয়ে এ খরস্রোতা নদীটি সৃষ্টি করেছে। এটি কর্ণফুলি নদীর একটি ছোট উপনদী, যার দৈর্ঘ্য মাত্র ৩০ কিমি। নদীটি রাঙ্গুনিয়ার (চট্টগ্রাম) কাছে কর্ণফুলিতে পতিত হয়েছে। বাপাউবো তিনটি জলপরিমাপন কেন্দ্রের মাধ্যমে এ নদীর পানির স্তর সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ করে।

বাকখালী  মিজোরামের (ভারত) দক্ষিণ-পূবাঞ্চলীয় পাহাড় থেকে উৎসারিত কিছু ক্ষুদ্র স্রোত ধারা বান্দরবান জেলার নাইক্ষংছড়িতে মিলিত হয়ে সম্মিলিত ধারা বাকখালী নদীর সৃষ্টি করেছে। এ নদীটি নাইক্ষংছড়ি এবং কক্সবাজার জেলার রামুর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মহেশখালী চ্যানেলে পতিত হয়েছে। এ নদীও খরস্রোতা এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৬৭ কিমি।

মাইনি  ত্রিপুরার (ভারত) পুর্বাঞ্চলীয় পাহাড় থেকে উৎসারিত কিছুসংখ্যক ক্ষুদ্র স্রোতধারা খাগড়াছড়ি জেলার দিঘীনালার সন্নিকটে মিলিত হয়। এ সম্মিলিত প্রবাহই মাইনি নদী নামে পরিচিত। নদীটি দিঘীনালা এবং লংগদু (রাঙ্গামাটি)-এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কেদামারার নিকটে (রাঙ্গামাটি) কাপ্তাই লেকে পতিত হয়েছে। নদীটি ৯১ কিমি দীর্ঘ এবং খরস্রোতা।

চিংগ্রী  ত্রিপুরার (ভারত) পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড় শ্রেণী থেকে উৎসারিত কিছুসংখ্যক ক্ষুদ্র স্রোতধারা খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে এসে মিলিত হয়েছে। এ মিলিত প্রবাহ চিংগ্রী নামে পরিচিত। এ পাহাড়ি নদীটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে পানছড়ি, খাগড়াছড়ি, মহালছড়ি -এর মধ্য দিয়ে রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার কাছে কাপ্তাই লেকে পতিত হয়েছে। নদীটি খরস্রোতা এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৮৫ কিমি।

সাঙ্গু  মায়ানমারের আরাকান পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলাধীন রিমার্কি নামক স্থান দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। নদীটি বান্দরবান জেলার বান্দরবান সদর, রোয়াংছড়ি ও থানচি উপজেলার মধ্যদিয়ে উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়েছে। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালি এবং সাতকানিয়া উপজেলার মধ্য দিয়ে পশ্চিমাভিমুখে প্রবাহিত হয়ে খানখানাবাদ (চট্টগ্রাম) এর কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ২৯৫ কিমি। এর প্রধান উপনদীগুলির নাম চাঁদখালি এবং ধলু খাল। বাপাউবো ৭টি জলপরিমাপন কেন্দ্রের মাধ্যমে নদীটির পানির স্তর সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ করে।

মাতামুহুরী  বান্দরবান জেলাধীন আলিকদম উপজেলায় অবস্থিত ময়ভার পাহাড় থেকে উৎসারিত একটি খরস্রোতা নদী। নদীটি বান্দরবান জেলার আলিকদম ও লামা উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার চকোরিয়া উপজেলার মধ্য দিয়ে উত্তর পশ্চিমাভিমুখে প্রবাহিত হয়ে সাফলাপুরের (চকোরিয়া, কক্সবাজার) কাছে মহেশখালী চ্যানেলে পতিত হয়েছে। মাতামুহুরীর মোট দৈর্ঘ্য ১৪৮ কিমি। ইয়াঞ্চা খাল এবং রামু খাল মাতামুহুরীর ২টি গুরুত্বপূর্ণ উপনদী। বাপাউবো ২টি জলপরিমাপন কেন্দ্রের মাধ্যমে এ নদীর পানির স্তর সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ করে।

নাফ  দেশের সর্বদক্ষিণে মায়ানমার ও বাংলাদেশের মধ্যকার সীমান্তরেখা বরাবর প্রবাহিত ৬২ কিমি দীর্ঘ একটি নদী। নাফ মায়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় পর্বত শ্রেণী থেকে উৎসারিত হয়ে কক্সবাজার জেলাধীন উখিয়া উপজেলার পালংখালির কাছ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। অতঃপর দক্ষিণদিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। ১.৬১ কিমি থেকে ৩.২২ কিমি প্রস্থ বিশিষ্ট এ নদী জোয়ারভাটা প্রবণ।

ফেনী  ত্রিপুরার পূর্বাঞ্চলীয় পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়ে খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার বেলছড়ি নামক স্থান দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশে প্রবেশের পর নদীটি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি ও মিরসরাই এবং ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া, ফেনী সদর ও সোনাগাজী উপজেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। প্রবাহপথের অনেকটুকু জুড়েই নদীটি চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলার সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়েছে। নদীটির মোট দৈর্ঘ্য ১১৬ কিমি। বাপাউবো ৬টি জলপরিমাপন কেন্দ্রের মাধ্যমে নদীটির পানির স্তর সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ ও সংরক্ষন করে।

কুতুবদিয়া চ্যানেল  বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড (কক্সবাজার) এবং  উপকূলবর্তী দ্বীপ কুতুবদিয়ার মধ্যবর্তী  নদীখাত-টি কুতুবদিয়া চ্যানেল নামে পরিচিত। এর দৈর্ঘ্য ২৪ কিমি। নদীখাতটির উভয় প্রান্ত বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।

মহেশখালী চ্যানেল  বাংলাদেশের মূল ভূখন্ড (কক্সবাজার) এবং মহেশখালী দ্বীপের মধ্যবর্তী নদীখাতটির নাম মহেশখালী চ্যানেল। নদীখাতটি মাতামুহুরী নদী ও এর উপনদী সমূহ এবং ভারুয়াখালি খাল, বুড়া মাতামুহুরী, মংলা খাল, মানিকছড়ি খাল ইত্যাদিসহ অন্যান্য কিছুসংখ্যক ছোট ছোট নদীর সম্মিলিত প্রবাহ বহন করে। নদী খাতটির দৈর্ঘ্য ৩৫ কিমি এবং এটি বঙ্গোপসাগরের সঙ্গে সংযুক্ত।  [এইচ.এস মোজাদ্দাদ ফারুক]

আরও দেখুন নদী ও নিষ্কাশন প্রণালী