আখ


আখ (Sugarcane)  ঘাসজাতীয় উদ্ভিদের গোত্র Gramineae-এর Saccharum গণের প্রধানত গ্রীষ্মপ্রধান এলাকার বহুবর্ষজীবী এক সরু, লম্বা উদ্ভিদ। বাণিজ্যিকভাবে চিনি উৎপাদনের জন্য সারা বিশ্বে তিনটি প্রজাতির আখ চাষ করা হলেও এ কাজে S. officinarum প্রজাতি ব্যাপকভাবে ব্যবহূত হয়। সম্ভবত অনাদিকাল থেকেই আখ তার প্রাচীন নিবাস এশিয়ায় চাষ হয়ে আসছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং আমেরিকায় আঠারো শতকের শুরু থেকে আখ চাষের কথা জানা যায়। বর্তমানে বিশ্বের আর্দ্র ও শুষ্ক এলাকাসমূহে এ ফসলের আবাদ বেশি হয়। S. robustum নামের এক বন্য প্রজাতি নিউগিনিতে প্রচুর জন্মায়। দেখতে আবাদযোগ্য আখের জাতগুলির মতো হলেও এটি তেমন রসালো নয়। এদের অন্য একটি সরু আকৃতির বন্য জ্ঞাতি ভারত উপমহাদেশ, মালয়, ফিলিপাইন এবং পূর্ব ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় ব্যাপকভাবে বিস্তৃত।

বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় ১০০টি দেশে আখের চাষ হয়। তবে প্রধান আখ উৎপন্নকারী দেশগুলি হচ্ছে ভারত, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, বার্বাডোজ, চীন, কিউবা, মেক্সিকো, মিশর, জ্যামাইকা, পেরু, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই, ফ্লোরিডা এবং লুসিয়ানা।

আখ ক্ষেত

বাংলাদেশে আখ অন্যতম এক গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী  ফসল। ২০০৫-০৬ সালে প্রায় ৩,৭৭,০০০ একর জমিতে এর চাষ হয় এবং বার্ষিক উৎপাদন হয় প্রায় ৫৫,১১,০০০ মেট্রিক টন। এ উৎপাদন দেশের চাহিদার তুলনায় বেশ কম।

বেলনাকার, সরু আখ গাছের কান্ড গিঁটযুক্ত, সাধারণত শাখাবিহীন। কান্ডের দুপাশে দু সারিতে সাজানো থাকে তরবারি আকৃতির লম্বা পাতা। কোনো কোনো জাতের আখের কান্ড ৫-৭ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়; ব্যাস হয় জাত ভেদে ভিন্নতর। বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের জেলাগুলিতে যেসব আখের চাষ হয় সেগুলির কান্ড সরু, শক্ত, ব্যাস প্রায় তিন সেমি। এগুলি প্রধানত চিনিকলেই ব্যবহূত হয়। যেসব জাতের আখ দেশের দক্ষিণ এবং পূর্বাঞ্চলে জন্মে সেগুলির অধিকাংশের কান্ড তুলনামূলকভাবে নরম, মোটা এবং ব্যাস প্রায় পাঁচ সেমি। এসব আখ চিবিয়ে খাবার উপযোগী। আখের কান্ড ফাঁপা নয় এবং প্রতিটি ডালের গ্রন্থি থেকে শিকড় বের হয়।

গ্রীষ্মপ্রধান দেশের রৌদ্রোজ্জ্বল উষ্ণ আবহাওয়ায় আর্দ্র মাটিতে আখ সবচেয়ে ভাল জন্মে। বেলে দোঁআশ থেকে শুরু করে এঁটেল পর্যন্ত সব বুনটের সব মাটিতেই আখ চাষ করা সম্ভব হলেও পানি নিকাশের ব্যবস্থাযুক্ত এঁটেল দোঁআশ মাটি আখ চাষের জন্য সর্বোত্তম। সহনীয় উষ্ণ তাপমাত্রা, প্রচুর রৌদ্র ও আলো-বাতাস এবং মাঝে মধ্যে বৃষ্টিপাত আখ চাষের সহায়ক। সারা বছরে ১২৫০-১৫০০ মিমি বৃষ্টিপাত হলে বাড়তি সেচের প্রয়োজন হয় না। অধিকাংশ জাতের আখের জন্য উপযুক্ত পি-এইচ (pH) মান ৬-৭.৫। জলাবদ্ধতা আখের জন্য ক্ষতিকর।

দীর্ঘদিন কোয়েম্বেতর জাতের আখ (Coimbatore varieties) বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে চাষ হতো। এখন বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রায় ৩০টি উন্নত জাতের উচ্চ ফলনশীল আখ উদ্ভব করেছে। এসব জাতের আখ চিনিকলসমূহের নিজস্ব খামারে এবং বাইরেও সাধারণ কৃষকরা চাষ করে থাকে। উদ্ভাবিত জাতগুলির মধ্যে ঈশ্বরদী ১/৫৩, ঈশ্বরদী ১/৫৪, ঈশ্বরদী ১৬, ঈশ্বরদী ১৭, ঈশ্বরদী ১৮, ঈশ্বরদী ১৯, ঈশ্বরদী ২০, ঈশ্বরদী ২৫, ঈশ্বরদী ২৮, এলজেসি (লাতারি-জাভা-সি) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এসব জাতের অধিকাংশের উৎপাদনশীলতা প্রতি হেক্টরে ১১০-১২০ মেট্রিক টন এবং আখের রসে চিনির পরিমাণ শতকরা ১২-১৩ ভাগ। স্থানীয় জাতগুলির মধ্যে মিশ্রিমালা এবং গেন্ডারি প্রধানত চিবিয়ে খাওয়ার জন্যই জন্মানো হয়। যৌন ও অযৌন উভয় পদ্ধতিতেই আখের বংশবিস্তার করা সম্ভব হলেও বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যাপক চাষাবাদের জন্য অযৌন পদ্ধতিই ব্যবহূত হয়। এজন্য ফসল কাটার সময় কান্ডের অগ্রভাগের অপরিপক্ক অংশ কেটে আলাদা করে রাখা হয়। বীজ হিসেবে ব্যবহার্য এ কর্তিত অংশ ‘সেট’ (sett) নামে পরিচিত। পরবর্তী বছরে ক্ষেত তৈরি করে আখের এসব সেট সারিবদ্ধভাবে বপন করা হয়। অনেক সময় আখ কাটার পর মাঠে ফেলে রাখা গোড়ার অংশ বীজ হিসেবে ব্যবহার হয় এবং এ মুড়ি (ratoon) থেকেই ফসল ফলানো হয়। আখের এ পদ্ধতির চাষকে ‘রেটুন ক্রপ’ (ratoon crop) বলা হয়। রেটুন ফসল অনেক আগেই পরিপক্কতা লাভ করলেও ফলন কম হয় এবং এতে রোগবালাই-এর উপদ্রবও তুলনামূলকভাবে বেশি। বাংলাদেশে সাধারণত একক সারি ও দ্বৈত সারি উভয় পদ্ধতিতেই আখের বীজ স্থাপন করা হয়। একক সারি পদ্ধতিতে সারি বরাবর একটি করে বীজ এবং দ্বৈত সারি পদ্ধতিতে প্রতি সারিতে দুসারি বীজ লাগানো হয়।

বাংলাদেশের সর্বত্র কমবেশি আখ জন্মালেও চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ঢাকা, ফরিদপুর, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, যশোর, কুষ্টিয়া, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, পাবনা এবং রাজশাহী আখ চাষের প্রধান এলাকা।

বর্ষজীবী ফসল হওয়ার কারণে প্রায় সারা বছরই মাঠে আখ থাকে। এতে অনেক কৃষক আখের চেয়ে অন্য লাভজনক অর্থকরী ফসল জন্মাতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। ফলে সাম্প্রতিককালে আখের মোট চাষ এলাকা এবং সেসঙ্গে উৎপাদনের মাত্রা কিছুটা হলেও  হ্রাস পেয়েছে। কান্ডের গোড়ায় কেটে আখ ফসল সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশে এ ফসল কাটার সময় অক্টোবর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত। উপযুক্ত বয়সে আখ কাটার ওপর ফলন ও চিনির পরিমাণ নির্ভর করে। এ ছাড়া আখ কাটার পরপরই মাড়াই করতে না পারলে কান্ডে রস ও সেসঙ্গে চিনির পরিমাণ কমতে থাকে। কাটার পর আখ থেকে বীজের জন্য ডগা এবং পাতা পৃথক করে নেওয়া হয়। বাংলাদেশে ১৫টি চিনিকল আছে। চিনি তৈরীর জন্য দেশের চিনিকলগুলি মোট উৎপাদনের প্রায় ৬০ ভাগ আখ ব্যবহার করে। বাকি অংশ গুড় তৈরীতে এবং চিবিয়ে খেতে ব্যবহূত হয়। আখ থেকে উপজাত হিসেবে যেসব সামগ্রী পাওয়া যায় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মদ, অ্যালকোহল, জ্বালানি, আখের ছোবড়া এবং গবাদি পশুর খাদ্য। কান্ডের পরিত্যক্ত অংশ দিয়ে তৈরি করা যায় কাগজ।

বিশ্বের অত্যাধুনিক চিনিকলে আখে বিদ্যমান মোট চিনির শতকরা প্রায় ৮৫-৮৭ ভাগ চিনি নিষ্কাশন করা যায়। বাংলাদেশের চিনির কলগুলিতে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ চিনি উদ্ধার করা সম্ভব হয়। এ দেশে তাই প্রতি ১০০ কেজি আখ থেকে চিনি তৈরি হয় মাত্র ৭-৮ কেজি।

ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ  কয়েক ডজন  কীটপতঙ্গ আখ ফসলকে আক্রমণ করে। কীটপতঙ্গ ছাড়াও  নিমাটোড, মাইট,  ইঁদুর, শিয়াল এবং কয়েক ধরনের পাখি আখের ক্ষতি করে। কীটপতঙ্গের মধ্যে অন্তত ১৫টি প্রজাতি মুখ্য ক্ষতিকারক প্রাণী হিসেবে বিবেচিত। এর মধ্যে আখের ডগার মাজরা পোকা, কান্ডের মাজরা পোকা,  উইপোকা, পাতার শোষক পোকা, এবং  মিলিবাগ (mealybug) বা ছাতরা পোকা উল্লেখযোগ্য। ডগার মাজরা পোকা (Tryporyza nievella) দেশের সর্বত্রই বিস্তৃত এবং একে দমন করাও অত্যন্ত কঠিন। পরিণত বয়সের মথ আখের পাতার অঙ্কীয়ভাগে গুচ্ছে গুচ্ছে ডিম পাড়ে এবং তা পরবর্তী সময়ে ধূসর রঙের রোম দিয়ে ঢেকে দেয়। পরিস্ফুটনের পর লার্ভা অল্পসময় দলবদ্ধ থেকে পরে ধীরে ধীরে ক্ষেতে ছড়িয়ে পড়ে। দ্বিতীয় পর্যায়ের লার্ভা আখ গাছের ডগায় একটি সুবিধাজনক স্থান নির্বাচন করে পাতার মধ্য শিরায় ঢুকে পড়ে। সেখান থেকে ক্রমে কান্ডের অক্ষ বরাবর নিচের দিকে নেমে যায়। এ পতঙ্গ দ্বারা আক্রান্ত গাছের শীর্ষের পাতাটি মরে যায় এবং এতে ক্ষতির যে বৈশিষ্ট্যময় লক্ষণ প্রকাশ পায় তা ‘ডেড হার্ট’ (dead heart) নামে পরিচিত। এক মিটারের কম লম্বা আখ গাছগুলি এর আক্রমণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনুকূল পরিবেশে এ পোকার আক্রমণের মাত্রা শতকরা ১০ থেকে ১২ ভাগ পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।

মথ বোরারদের (moth borer) মধ্যে আখের কান্ডের মাজরাপোকা, Chilo auricilia সম্ভবত সবচেয়ে ক্ষতিকর। দেশের উত্তর অঞ্চলের আখ চাষের এলাকাগুলিতে এ ক্ষতিকর পতঙ্গটি সহজেই চোখে পড়ে। ত্বকে গর্ত করে এদের লার্ভা সরু এক বৃত্তাকার ছিদ্র পথে কান্ডের ভিতরে প্রবেশ করে এবং কান্ডের ভিতরের নরম অংশ খেয়ে ক্রমে বড় হয়। অনেক সময় একটি আখের কান্ডে গুটি কয়েক লার্ভা প্রবেশ করতে পারে। এতে আখটি বড় হলেও তা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। এ ছাড়া মাজরা পোকায় আক্রান্ত গাছে ছত্রাক ঢুকে সহজেই আখের লাল পচা রোগ (red rot) সৃষ্টি করে।

আখের পাইরিলা বা পাতার শোষক পোকা Pyrilla perpusilla আরেকটি অতি ক্ষতিকারক পতঙ্গ এবং দেশের আখ চাষ এলাকায় ব্যাপকভাবে বিস্তৃত। অপরিণত নিম্ফ এবং পরিণত বয়সের পোকা উভয়েই পাতার অঙ্কীয়ভাগ থেকে রস চুষে খায়। আক্রান্ত পাতা ক্রমে বিবর্ণ হয়ে শুকিয়ে যায়। পরিবেশের সার্বিক অবস্থা অনুকূল হলে ক্ষেতে এ পোকার সংখ্যা অল্প সময়ের মধ্যেই মারাত্মকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এমতাবস্থায় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ফসলের দারুণ ক্ষতি হয়। আখের গুণগত মান এবং সেসঙ্গে আখের রসে চিনির পরিমাণ কমে যায়। কয়েক প্রজাতির উইপোকা, ঘাস ফড়িং, মাইট (mite) এবং মিলিবাগ ক্ষেতে বাড়ন্ত গাছের ক্ষতি করে এবং এসব পোকা দেশের প্রায় সর্বত্রই বিস্তৃত।

রোগ  বপনের পর থেকে ফসল কাটার সময় পর্যন্ত আখের কতকগুলি রোগ হয়। এসব রোগের মধ্যে আখের বেশি ক্ষতি হয় লাল পচা (red rot), ঝুল (smut), নেতিয়ে পড়া রোগ (wilt), ক্লোরোসিস (chlorosis) এবং সেট রট বা পাইনঅ্যাপল (sett rot or pineapple) রোগের আক্রমণে। Colletotricum falcatum নামের এক ধরনের ছত্রাক লাল পচা রোগ বা রেড রট রোগের উদ্ভব ঘটায়। সাধারণত এ রোগ দ্বারা আক্রান্ত পরিণত বয়সের গাছকে সহজেই শনাক্ত করা যায়। আখ লম্বালম্বিভাবে কাটলে লাল পচা রোগের লক্ষণ স্পষ্ট চোখে পড়ে। স্মাট বা ঝুল রোগ হয় Ustilago scitaminea নামের এক ছত্রাকের আক্রমণে। আক্রান্ত আখ গাছ সহজে বাড়ে না এবং মূল ডগা থেকে লম্বা, কালো ছড়ির মতো ময়লা ঝুল বের হয়। ‘রেটুন’ ফসলে এ রোগ বেশি হয়।

বাংলাদেশের আখ চাষের অনেক এলাকায় উইল্ট (wilt) বা নেতিয়ে পড়া রোগ সহজেই চোখে পড়ে। এক ধরনের ছত্রাক, Cephalosporium sacchari এ রোগ উৎপাদনের জন্য দায়ী। অনেক সময় আখ গাছ যখন ৪-৫ মাস বয়সের তখন এ রোগ শুরু হয়। আক্রান্ত গাছ এবং পাতা ক্রমে হলদে হয়ে পরে শুকিয়ে মারা যায়।

সেট রট বা পাইনঅ্যাপল রোগ সৃষ্টি হয় Ceratocystis paradoxa নামের এক অনুজীবের আক্রমণে। এটি প্রধানত আখের বীজ বা সেট-এর এক রোগ। রোগজীবাণুর প্রভাবে বাড়ন্ত ডগা মারা যায়, চারা বেঁচে থাকলেও গাছের বৃদ্ধি হ্রাস পায় এবং পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। আক্রান্ত গাছের পচন শুরু হলে আনারসের মতো বৈশিষ্ট্যময় ঘ্রাণ বের হয়, তাই এর নামকরণ করা হয়েছে পাইনঅ্যাপল রোগ। মোসাইক ডিজিস (mosaic disease) দেশের প্রায় সর্বত্রই বিস্তৃত। এ রোগে আক্রান্ত গাছের পাতায় দৈর্ঘ্য বরাবর পর্যায়ক্রমিকভাবে স্বাভাবিক সবুজ এবং হলুদ রঙের ডোরা দাগ তৈরি হয়। এ লক্ষণ ক্রমে পত্রফলক এমনকি কান্ডেও ছড়িয়ে পড়ে।

নিমাটোডদের মধ্যে root knot nematode নামে পরিচিত Meloidogyne javanica আখের মূলের প্রধান ক্ষতিকারক প্রাণী। মূলে বা মূলগুচ্ছে এ নিমাটোড ছোট ছোট গুটিকা উৎপন্ন করে মূলের স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক সময় আক্রান্ত গাছে ক্লোরোফিলের ঘাটতির কারণে ক্লোরোসিস রোগ দেখা দেয় এবং পাতার উপর হলদে ডোরা দাগ সৃষ্টি হয়।

সুস্থ ভাল জাতের বীজ ব্যবহার করলে আখের রোগ-বালাই এমনিতেই কম হয়। উন্নত মানের চাষাবাদের মাধ্যমে ক্ষতিকর কীটপতঙ্গের প্রাদুর্ভাব কমানো যায়। প্রয়োজনে উপযুক্ত কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক সঠিক সময়ে এবং সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করে আখের রোগবালাই নিয়ন্ত্রণে রাখলে ভাল ফসল জন্মানো সম্ভব হয়।  [এস.এম হুমায়ুন কবির এবং আবুল খায়ের]

আরও দেখুন বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট