কমলনগর উপজেলা


কমলনগর উপজেলা (লক্ষ্মীপুর জেলা)  আয়তন: ১৪৪.২৮ বর্গ কিমি। সীমানা: উত্তরে লক্ষ্মীপুর সদর, দক্ষিণে রামগতি, পূর্বে নোয়াখালী সদর ও সুবর্ণচর উপজেলা, পশ্চিমে দৌলতখান উপজেলা।

জনসংখ্যা ১৬৪২০১; পুরুষ ৮৪৪৮৬, মহিলা ৭৯৭১৫। মুসলিম ১৬০৯৩৭, হিন্দু ৩২৫১ এবং অন্যান্য ১৩।

জলাশয় প্রধান নদী: মেঘনা।

প্রশাসন উপজেলা গঠিত হয় ২০ জুন ২০০৬।

উপজেলা
পৌরসভা ইউনিয়ন মৌজা গ্রাম জনসংখ্যা ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি) শিক্ষার হার (%)
শহর গ্রাম শহর গ্রাম
- ২৫ ৩২ ৬১৮৮৩ ৩৩১৪৭১ ৬৮৯ ৩৮.৭ ২৭.৭
উপজেলা শহর
আয়তন (বর্গ কিমি) মৌজা লোকসংখ্যা ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি) শিক্ষার হার (%)
৭১.৬৪ ৬১৮৮৩ ৮৬৪ ৩৭.৯৩
ইউনিয়ন
ইউনিয়নের নাম ও জিও কোড আয়তন (একর) লোকসংখ্যা শিক্ষার হার (%)
পুরুষ মহিলা
চর কাদিরা ৬৩ ৭৩৪৩ ১১৫৭৮ ১১৭৩২ ২৬.৩০
চর কালকিনি ৭১ ৫১৫১ ১২২৮১ ১১০৩৯ ১৮.৮৩
চর ফ্যালকন ৪৭ ৮২১৭ ১৫৬১৩ ১৫২০২ ২৩.৮৭
চর লরেন্স ৭৯ ৯৭১৬ ১২০২৫ ১১৪৭৩ ২৫.৩৫
চর মার্টিন ১০৫২৩ ৮০২৫ ৭৫৪৬ ২৭.১৭
তোরাবগঞ্জ - ৪৩৭২ ৪২৩৩ ৩০.৫১
পাতারিহাট ৩৭১৩ ১৭৯৪ ৯৮২ ৫.৬৭
সাহেবেরহাট ৬৭৫৯ ১১৪২২ ১০৩৮৫ ১১.৯০
হাজীরহাট ৯৪ ৫১১৭ ১১৭৪৮ ১১২৮৪ ৩৮.২২

সূত্র আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

KamalnagarUpazila.jpg

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন গণকবর ১ (মুন্সিরহাট)।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ হাওলাদার মসজিদ (১৯১৫), তোরাবগঞ্জ জামে মসজিদ (১৯৬০), হাজীর হাট জামে মসজিদ ও করুণানগর সত্য গোপাল মন্দির উল্লেখযোগ্য।

শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ২৬.৬%; পুরুষ ২৯.৫%, মহিলা ২৩.৮%। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: চর জাংগালিয়া এস সি হাইস্কুল (১৯৩২), চর লরেন্স উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৬৮), তোয়াহা স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (১৯৯২), হাজীর হাট মিল্লাত একাডেমি (১৯৫৮), হাজীর হাট হামিদিয়া ফাজিল মা্দ্রাসা (১৯৫০)।

সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান লাইব্রেরি ১।

প্রধান কৃষি ফসল ধান, বাদাম, সরিষা।

যোগাযোগ বিশেষত্ব পাকারাস্তা ১৭ কিমি, আধা-পাকারাস্তা ১২ কিমি, কাঁচারাস্তা ১৬৮ কিমি।

কুটিরশিল্প মৃৎশিল্প, লৌহশিল্প, বাঁশের কাজ।

হাটবাজার ও মেলা হাটবাজার  ৫। লুধুয়া বাজার, হাজীর হাট, চর লরেন্স বাজার ও তোরাবগঞ্জ হাট উল্লেখযোগ্য।

প্রধান রপ্তানিদ্রব্য   ইলিশ মাছ।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ৫।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ ১৯৫৭ সালের বসন্ত ও কলেরায় এ উপজেলার প্রায় ৭০ জন লোক মারা যায়। এছাড়াও ১৯৭০ সালের প্লাবনে এ উপজেলার কয়েক হাজার লোক মারা যায়।

এনজিও প্রয়াস। [নাজিমউদ্দীন মাহমুদ]

তথ্যসূত্র আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১,বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো; কমলনগর উপজেলা সাংস্কৃতিক সমীক্ষা প্রতিবেদন ২০০৭।