এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা

Mukbil (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১১:১৯, ৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা  বা এভিয়ান ফ্লু ভাইরাসজনিত মুরগির একটি মারাত্বক সংক্রামক ও ছোঁয়াচে রোগ। অতি তীব্র অবস্থা বা উচ্চ মৃত্যু হারের জন্য এ রোগকে মুরগির প্লেগও বলা হয়। জনপ্রিয় রচনায় রোগটিকে বার্ড ফ্লু বলেও আখ্যায়িত করা হয়েছে। মুরগি, টার্কি, ফিজ্যান্ট, কোয়েল, হাঁস, রাজহাঁস, গিনিফাউল এবং আরও নানা জাতীয় পাখি এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। ধারণা করা হয় বন্য জলচর পাখিরা এ ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে, তবে সাধারণত এরা এ রোগে আক্রান্ত হয়না। সকল বয়সের মুরগি এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে তবে বাচ্চা ও বাড়ন্ত মুরগি বেশি আক্রান্ত হয়। তাছাড়া, এটি একটি জুনোটিক ডিজিজ, যা মানুষকেও আক্রান্ত করতে পারে। ইনফ্লুয়েঞ্জা  ভাইরাস এর ৩টি ধরণ বা প্রকৃতি (টাইপ) আছে। এগুলো হচ্ছে, ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’। ‘এ’ টাইপের ভাইরাস আমাদের প্রকৃতিতে বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে আছে। উড়ন্ত পাখি, হাঁস-মুরগি, ঘোড়া, শুকর, বিড়াল ও মানুষে ভাইরাস ‘এ’ বা এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা সনাক্ত করা হয়েছে। ইনফ্লুয়েঞ্জা ‘বি’ এবং ‘সি’ কেবলই মানুষে পাওয়া যায়। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পোল্ট্রিতে যে ভাইরাসটি ছড়িয়ে আছে সেটি ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত। এটি একটি RNA ভাইরাস যা Orthomyxoviridae গ্রুপের অন্তর্ভূক্ত। ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের প্যাথজেনিসিটিতে বিস্তর পার্থক্য পরিলক্ষিত হতে পারে। কোনো সময় লক্ষণ ছাড়া বা মৃদু লক্ষণ আবার কখনও মারাত্বক লক্ষণ প্রকাশসহ শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ মুরগির মৃত্যু ঘটায়। এ ভাইরাসের দুটো গুরুত্বপূর্ণ এন্টিজেন হচ্ছে হেমাগ্লুটিনিন (Haemagglutinin) এবং নিউরামিনিডেজ (Neuraminidase)। শব্দের আদি অক্ষর এইচ এবং এন দিয়ে এদুটো এন্টিজেন পরিচিত। এইচ এন্টিজেন পোষক কোষের সংগে ভাইরাসটিকে সংযুক্ত করে। অপরদিকে এন এন্টিজেন আক্রান্ত পোষক কোষ থেকে ভাইরাসটিকে অবমুক্ত করে। এইচ এন্টিজেনের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে এটিকে ১৬টি সাব-টাইপে ভাগ করা হয়েছে। যেমন H1 .............H16। আবার এন এন্টিজেনের উপর ভিত্তি করে একে ৯টি সাব-টাইপে বিভক্ত করা হয়েছে। যেমন N1 ...........N9। বাংলাদেশে বর্তমানে যে ভাইরাসটি সচারাচর সনাক্ত করা হচ্ছে সেটি H5N1 প্রকৃতির। এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার এই ভাইরাসটি অত্যন্ত সক্রিয় ও ভয়ঙ্কর। এটি মানুষকেও সংক্রমিত করে। ভাইরাসের রোগ সৃষ্টি করার ক্ষমতার মাপকাটিতে এদের Low pathogenic (LPAI) এবং Highly pathogenic (HPAI) এ দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। LPAI এর ক্ষেত্রে রোগের মারাত্বকতা তেমন প্রকাশ পায় না কিন্তু HPAI এর ক্ষেত্রে তা ভয়াবহ হয়ে থাকে- যেমনটি সাস্প্রতিককালে  পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘটেছে। তবে LPAI কে কখনোই কম গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা যায় না। কারণ বিবর্তনের (mutution) ধারায় এটাই HPAI  হয়ে আর্বির্ভূত হয়ে থাকে। এ ধরনের দৃষ্টান্ত রয়েছে অনেক দেশে।

মৃত ও আক্রান্ত মুরগি (উপরে), ঝুঁটি ও পায়ের লোমহীন অংশে রোগের লক্ষণ (মাঝখানে), বয়লার মুরগির মাথা ও ঝুঁটিতে রোগের লক্ষণ (নিচে)

এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার আগ্রাসন বিশ্বব্যাপী। ১৮৭৮ সালে ইতালীতে সর্ব প্রথম উচ্চ রোগ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস সনাক্ত করা হয়। ১৯৫৯ সাল থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার বিস্তার শুরু হয়। প্রথমে ইউরোপ, অষ্টেলিয়া ও আমেরিকা এবং পরে এশিয়ারও বিভিন্ন দেশে রোগটি ছড়িয়ে পড়ে। এই উপমহাদেশে ১৯৯৫ সালে মধ্য পাকিস্তানে এ রোগের প্রাদূর্ভাব ঘটে। সাম্প্রতিক কালে এশিয়ার অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, হংকং, কম্বোডিয়া, কোরিয়া, চীন, রাশিয়া, মালয়েশিয়া এবং জাপানেও এ রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে। তদুপরি, জাপান ছাড়া এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোতে রোগটি ফিরে ফিরে আসার খবরও পাওয়া গেছে। তাতে প্রায় ২৫ কোটি মুরগি নিহত অথবা নিধন করা হয়েছে।

২০০৩ থেকে জুন ২০০৮ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর ৬৬টি দেশের পোল্ট্রিতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব নিশ্চিত করা হয়েছে। তন্মধ্যে বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশে ৩৮৬ জন মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয় এবং ২৪৩ জন মারা য়ায়। বাংলাদেশে এ রোগের ভাইরাস প্রথম সনাক্ত করা হয় ২০০৭ সালের ১৫ই মার্চ। বাংলাদেশ পশুসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের ল্যাবরেটরীতে কয়েকটি মুরগি থেকে প্রাপ্ত নমুনা আরটি-পিসিআর পদ্ধতিতে বিশ্লেষণ করে এই ভাইরাসের H5 এন্টিজেন সনাক্ত করা হয়। অতঃপর থাইল্যান্ডের একটি ল্যাবরেটরীতে পুনঃ পরীক্ষা করে তাতে H5N1 ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। ২০০৮ সালের ১০ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭টি জেলার ৫৫টি খামারে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ৫২টি খামারে H5N1 এবং ৩টি খামারে H9N2 এন্টিজেন এর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। তবে জুলাই মাস থেকে ডিসেম্বর ২০০৭ পর্যন্ত রোগের প্রাদূর্ভাব হ্রাস পায়।

জানুয়ারি ২০০৮ থেকে দেশে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের প্রাদূর্ভাব দ্রুত বেড়ে যায়। ২০০৮ সালের জানুয়ারী মাসে বাংলাদেশ পশুসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে ৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করে H5 এর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। ফেব্রুয়ারি মাসের ২১ তারিখ পর্যন্ত ৭২টি নমুনায় H5 পাওয়া যায়। জুন ২০০৮নাগাদ দেশের ৪৭টি জেলার ১২৮টি উপজেলা এবং ১৪টি মেট্রোপলিটান থানায় ২৮৭টি খামারে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ে। তাতে ৫০৭টি খামারের ১৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৬৬টি মুরগি নিধন করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য থেকে দেখা যায়, ঢাকা (সাভার), দিনাজপুর, নীলফামারী, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, বরগুনা ও যশোর জেলায় এ বছর রোগের প্রাদূর্ভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়েছে।

এ রোগ পরীক্ষার জন্য পশুসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৬টি মাঠ পর্যায়ের রোগ অনুসন্ধান ল্যাবরেটরী এবং ঢাকায় একটি কেন্দ্রীয় ল্যাবরেটরী আছে। এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের ‘এ’ টাইপ নির্ণয় করা হয় সেখানেই। অতঃপর তা প্রেরণ করা হয় বাংলাদেশ পশুসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে অবস্থিত জাতীয় রেফারেন্স ল্যাবরেটরীতে। এখানে প্রেরিত নমুনার আরটি-পিসিআর পদ্ধতিতে পরীক্ষা করে অতিশয় ক্ষতিকর H5 কিংবা H7 এন্টিজেন যুক্ত ভাইরাসের উপস্থিতি আছে কিনা তা নিশ্চিত হবার পর পশুসম্পদ অধিদপ্তর মুরগি নিধনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বর্তমানে বিএলআরআইতে অবস্থিত রেফারেন্স ল্যাবরেটরীর গুনগত মান অনেক বৃদ্ধি করা হয়েছে। একে সাজানো হয়েছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে। এখানে কর্মরত বিজ্ঞানীদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে উন্নত দেশসমূহের ল্যাবরেটরীতে। তাছাড়া, বিশ্বব্যাংক সাহায্যপুষ্ট একটি প্রকল্পের অধীনে এ ল্যাবরেটরীটি জীব নিরাপত্তা-৩ পর্যায়ে উন্নীত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশে এ রোগের উৎপত্তি, বিস্তার ও আর্থ-সামাজিক প্রভাব খতিয়ে দেখার জন্য ২০০৮ সালে একটি গবেষণার কাজ হাতে নেয়া হয়। বিএলআরআই এর উদ্যোগে পরিচালিত এ গবেষণায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১৭ জন বিজ্ঞানী অংশগ্রহণ করেন। এ গবেষণার ৩টি অংশ যথা- Phylogenetic, Epidemiological এবং Socio-economic বিশ্লেষণ এর কাজ ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে একযোগে সূচীত হয়ে  জুন মাসে তা সমাপ্ত হয়।

Phylogenetic গবেষণার অধীনে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বাংলাদেশী আইসোলেটের সাথে বিশ্বের অন্যান্য দেশের আইসোলেটের সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য নির্ণয়ের জন্য ভেটেরিনারি ল্যাবরেটরী এজেন্সী, লন্ডন-এ বাংলাদেশের ৪৭টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে প্রাপ্ত ২৫টি নমুনার জ্বিন সিকুয়েন্স পর্যালোচনা করা হয়েছে। ওই ২৫টি নমুনার মধ্যে ১৫টি নমুনা ২০০৭ এবং ১০টি নমুনা ২০০৮ সালে এদেশে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের প্রাদুর্ভাবের সময় নেয়া। ২০০৭ ও ২০০৮ ইং সালের নমুনাগুলোর জ্বিন সিকুয়েন্স পর্যালোচনা করে ২০০৭ ইং সালের নমুনার সাথে ২০০৮ ইং সালের নমুনার ৯৯.১ হতে ১০০% মিল পাওয়া গেছে। ইহা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার একটি মাত্র সাব-টাইপ একবারই প্রবেশ করেছে।

বাংলাদেশের ২৫টি নমুনার জ্বিন সিকুয়েন্স বিশ্বের ২০টি দেশের ৩২টি নমুনার জ্বিন সিকুয়েন্স এর সাথে তুলনা করা হয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, বাংলাদেশী আইসোলেটগুলো সাব-ক্লেড ২.২ অর্থাৎ এগুলো চিয়ানগাই বা ইউরো-এশিয়া-আফ্রিকা লাইনেজের অন্তর্ভূক্ত, যা কুয়েত, মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া এবং আফগানিস্থানের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। ২০০৬ ইং সালের ভারতীয় ৩টি নমুনা একই সাব-ক্লেডের অন্তর্ভূক্ত ছিল। তবে এগুলো বাংলাদেশী আইসোলেটসমূহের অতি নিকটবর্তী নয়।

বাংলাদেশের সাথে কুয়েত, মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া এবং আফগানিস্থানের পোল্ট্রি বা পোল্ট্রিজাত দ্রব্যের কোনো বাণিজ্য নেই। তাই বাংলাদেশী আইসোলেটের সাথে খুবই সাদৃশ্যপূর্ণ ভাইসাসটি অতিথি পাখির মাধ্যমে ওই সকল দেশ থেকে এদেশে এসেছে বলে প্রতীয়মান।

Epidemiological গবেষণায় ধারণা পাওয়া যায় যে, অতিথি পাখির মাধ্যমে রোগটি প্রথমে বাংলাদেশে প্রবেশের পর জলজ পাখির মধ্যে তা ছড়িয়েছে। অতঃপর জলজ পাখির সাথে দেশি হাঁস বা মুরগি সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে প্রথমে দেশি হাঁস মুরগিতে রোগটি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে ভ্রাম্যমান পোল্ট্রি ওয়ার্কার, খাদ্য ও ঔষধ বিক্রেতা, খাদ্য বা ডিম বহনকারী যানবাহন, এগ ট্রে, ওয়েট মার্কেট, দূর্বল জীব নিরাপত্তা ইত্যাদির মাধ্যমে রোগটি বাণিজ্যিক খামারে ছড়িয়েছে। এর পর সারা দেশে তা বিস্তার লাভ করেছে।

Socio-economic বা আর্থ-সামাজিক গবেষণায় দেখা যায় যে, এ রোগের প্রাদুর্ভাবের ফলে দেশের পোল্ট্রি খামারগুলোর ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। কর্মসংস্থান হ্রাস পেয়েছে। সাময়িকভাবে মুরগির মাংস এবং ডিমের ভোগ কমে গেছে। এসবের মূল্যও হ্রাস পেয়েছে। তবে এপ্রিল-মে মাসে রোগের প্রাদুর্ভাব কমে যাবার সংগে তা স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। এর পেছনে BLRI, DLS এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম খুবই সহায়ক ভূমিকা রেখেছে বলে প্রতীয়মান।

এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের প্রাদূর্ভাব ও বিস্তার রোধকল্পে অতিথি পাখীর জন্য অভয়ারণ্য গড়ে তোলা যেতে পারে। আমাদের গৃহপালিত হাঁস-মুরগি যাতে অতিথি পাখীর সংস্পর্শে আসতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দ্রুত রোগ নির্ণয়, আক্রান্ত মুরগি দ্রুত নিধন, আক্রান্ত এলাকা নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও জীব নিরাপত্তা জোরদারকরণের উপর গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। জাতীয় পরিকল্পনা মাফিক টিকা প্রদানের বিষয়েও একটি সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হতে হবে। তাছাড়া আক্রান্ত খামারীদের ক্ষতিপূরণ ও পূনর্বাসনের জন্য যথাযথ আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করা যেতে পারে। সেই সংগে পাখী ও মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়ে ঘনিষ্ট সমন্বয় সাধন করা প্রয়োজন। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা দরকার। [জাহাঙ্গীর আলম ও এম.জে.এফ.এ. তৈমুর]