বাংলাদেশ চা বোর্ড

Mukbil (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১২:৩৩, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

বাংলাদেশ চা বোর্ড চা চাষ এবং বিক্রয় সংক্রান্ত আইন প্রনয়ণ, চাষ নিয়ন্ত্রণ এবং চা চাষ উৎসাহিত করার লক্ষ্যে গঠিত একটি সংস্থা। ১৯৭৭ সালে চা অধ্যাদেশ অনুযায়ী বোর্ডটি গঠিত হয়। শুধু চা উৎপাদন এবং বিক্রয়ই নয় নতুন চা বাগানসমূহের উন্নয়ন, চা চাষীদের এবং চা বাগানের শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন প্রভৃতিক্ষেত্রেও সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে থাকে। ব্রিটিশ আমলে উপমহাদেশীয় অঞ্চলে চা চাষ নিয়ন্ত্রণ হতো ইন্ডিয়ান টি স্টেট অ্যাক্ট ১৯০৩ অনুযায়ী। পাকিস্থান আমলে ১৯৫০ সালের চা আইন অনুসারে ১৯৫১ সালে ১১ সদস্যবিশিস্ট পাকিস্থান চা বোর্ড গঠিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৭ সালে চা অধ্যাদেশ জারির পরই গঠিত হয় বাংলাদেশ চা বোর্ড। শুরুতে বোর্ডটির তিনজন পূর্ণকালীন  সদস্য ও একটি উপদেষ্টা কমিটি ছিল। ১৯৮৬ সালে অধ্যাদেশ সংশোধনের মাধ্যমে চা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১১ তে উন্নীত করা হয়। বোর্ডের চেয়ারম্যান, ২ জন পূর্ণকালীন সদস্য এবং একজন সচিব ও উপসচিবকে সরকারের পক্ষ থেকে  নিয়োগ দেয়া হয় এবং অন্যান্য সদস্য ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিয়োগ দেয় বোর্ড। ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত বোর্ডের সদরদপ্তর ছিল ঢাকায়। বর্তমানে কার্যালয়টি চট্টগ্রাম জেলার নাসিরাবাদ উপজেলায় অবস্থিত। বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনস্থ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটটি চা শিল্পের সাথে সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক গবেষণা প্রকল্পসমূহ পরিচালনা করে থাকে। এছাড়া PDU (Project Development Unit) নামে আরেকটি সংস্থা চা শিল্পের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজ করছে।  [মোঃ হাসিনুর রহমান]

আরও দেখুন বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট