বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স

Mukbil (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১১:১৩, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স  পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স বিলুপ্ত করে ১৯৭২ সালের ৩০ জুন একটি নিবন্ধিত সমিতিরূপে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি আইন ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের সুযোগ করে দেয়। এটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিম্নরূপ : (১) আন্তর্জাতিক রাজনীতি, অর্থবিদ্যা, আইনশাস্ত্রে জ্ঞানের উৎকর্ষ সাধন, এবং সুশাসন, সামর্থ বৃদ্ধি এবং মানব সম্পদ উন্নয়নের সংগে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য এ সকল বিষয়ের বইপত্র অধ্যয়ন, শ্রেণিবিভাগ এবং উন্নয়ন; (২) আন্তর্জাতিক বিষয়ের উপর তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণের উপায় নির্ধারণ এবং বক্তৃতা গোলটেবিল বৈঠক এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বিষয়ে অধ্যয়ন ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা এবং এ লক্ষ্যে গ্রন্থ প্রনয়ন ও প্রকাশ, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রিপোর্ট ও রেকর্ডপত্র মুদ্রণ ও সংরক্ষণ; (৩) আন্তর্জাতিক বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ সৃষ্টি ও উৎসাহ দান, এবং আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির তথ্য, জ্ঞান ও চিন্তার বিনিময় এবং বিভিন্ন জাতি ও বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর অবস্থা ও মতাদর্শ সম্পর্কে পারম্পরিক সমঝোতা সৃষ্টি।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ল’ অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স একটি স্বাধীন, বেসরকারি এবং অলাভজনক গবেষণা কেন্দ্র। বিচারক, মন্ত্রীবর্গ, আইনজীবী, ব্যবহারশাস্ত্রজ্ঞ, কুটনীতিক এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে পেশাদার ব্যক্তিবর্গ অথবা যারা এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন এমন ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এটি গঠিত। প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার জন্য একটি নির্বাহী পরিষদ রয়েছে। নির্বাহী পরিষদ এর নীতি ও গবেষণা কর্মসূচি নির্ধারণ করে থাকে।  [কাজী এবাদুল হক]