ভট্টাচার্য শাস্ত্রী, জানকীনাথ

NasirkhanBot (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ০৪:৩৫, ৫ মে ২০১৪ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ (Added Ennglish article link)
(পরিবর্তন) ← পূর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ → (পরিবর্তন)

ভট্টাচার্য শাস্ত্রী, জানকীনাথ (১৮৮৭-১৯৭১)  সংস্কৃত পন্ডিত। ১৮০৯ শকাব্দের (১৮৮৭) ৩০ ভাদ্র  ফরিদপুর জেলার ধানুকা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ঈশ্বরচন্দ্র ভট্টাচার্য এবং অগ্রজ দ্বারকানাথ ভট্টাচার্যও (ন্যায়শাস্ত্রী) ছিলেন  সংস্কৃত পন্ডিত।

জানকীনাথ প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে বারাণসী যান এবং সেখানকার সেন্ট্রাল হিন্দু কলেজের অধ্যক্ষ চন্দ্রকিশোর তর্কতীর্থসহ বিভিন্ন পন্ডিতের নিকট সংস্কৃত ব্যাকরণ ও কাব্য এবং  সাংখ্য, মীমাংসা ও  বেদান্ত দর্শন অধ্যয়ন করেন। পরে তিনি সিংহলে গিয়ে সন্ন্যাসী অচ্যুতানন্দ সরস্বতীর নিকট কর্মযোগ ও হটযোগ শিক্ষা করেন।

সিংহল থেকে ফিরে জানকীনাথ বিহারের একটি বিদ্যালয়ে সংস্কৃতের শিক্ষকরূপে কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯২০ সালে সরস্বতী ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন। দীর্ঘ ১৫ বছর এ পদে চাকরি করার পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে ১৯৩৫ সালে তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।

জানকীনাথ মাতৃভাষা ভিন্ন সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় অনর্গল বক্তৃতা করতে পারতেন। কলকাতার সংস্কৃত সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠা এবং এর পাঠাগার গঠন ও সংরক্ষণে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে। তিনি অনেক সংস্কৃত পাঠ্যপুস্তক ও ব্যাকরণ রচনা করেন, যা সংস্কৃত চর্চার পথকে সুগম করেছে। Helps to the Study of Sanskrit তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য স্কুলপাঠ্য গ্রন্থ। সংস্কৃত সাহিত্যে অসাধারণ জ্ঞানের জন্য ১৯৬৮ সালে তিনি জাতীয় সম্মানে ভূষিত হন। ১৯৭১ সালের ৫ মে তাঁর মৃত্যু হয়।  [দিলীপকুমার ভট্টাচার্য্য।