"রহমান, আতিকুর" পাতাটির দুইটি সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(Added Ennglish article link)
 
 
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
 
[[Category:বাংলাপিডিয়া]]
 
[[Category:বাংলাপিডিয়া]]
 +
[[Image:RahmanAtiqur.jpg|thumb|right|আতিকুর রহমান]]
 
'''রহমান, আতিকুর''' (১৯৩১-১৯৭১)  চিকিৎসক, শহীদ বুদ্ধিজীবী। জন্ম ১৯৩১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার কোলাপাড়া গ্রামে। তাঁর পিতা মীর জুলফিকার আহমেদ এবং মাতা আমিরুন্নেসা।
 
'''রহমান, আতিকুর''' (১৯৩১-১৯৭১)  চিকিৎসক, শহীদ বুদ্ধিজীবী। জন্ম ১৯৩১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার কোলাপাড়া গ্রামে। তাঁর পিতা মীর জুলফিকার আহমেদ এবং মাতা আমিরুন্নেসা।
  
 
আতিকুর রহমান ১৯৪৭ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ এ.জে মিত্র ইনস্টিটিউশন থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি ঢাকার মিটফোর্ড মেডিকেল স্কুল থেকে এলএমএফ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭০ সালে তিনি এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হয়ে দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন।
 
আতিকুর রহমান ১৯৪৭ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ এ.জে মিত্র ইনস্টিটিউশন থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি ঢাকার মিটফোর্ড মেডিকেল স্কুল থেকে এলএমএফ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭০ সালে তিনি এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হয়ে দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন।
  
আতিকুর রহমান কর্মজীবন শুরু করেন ফরিদপুর জেলা বোর্ডের অধীন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে। পারিবারিক প্রয়োজনে এক পর্যায়ে সরকারি চাকুরি ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন এবং ঢাকার নারিন্দায় ৯নং শাহ সাহেব লেনে প্রাইভেট প্র্যাকটিস শুরু করেন। #
+
আতিকুর রহমান কর্মজীবন শুরু করেন ফরিদপুর জেলা বোর্ডের অধীন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে। পারিবারিক প্রয়োজনে এক পর্যায়ে সরকারি চাকুরি ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন এবং ঢাকার নারিন্দায় ৯নং শাহ সাহেব লেনে প্রাইভেট প্র্যাকটিস শুরু করেন। তাছাড়া তিনি পিপলস্ সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজে খন্ডকালীন চাকুরি করতেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি কোতয়ালী ও সুত্রাপুর এলাকায় গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন। তিনি বাসায়ও একজন আহত মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রোপচার করেন। এছাড়া ঔষধপত্র দিয়ে এবং আর্থিকভাবেও মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেন। এসব কারণে তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের আক্রমণের লক্ষ্যে পরিণত হন। ১৯৭১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য ডাক্তার আতিকুর রহমানকে তাঁর গোপীবাগের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায় নি। [বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ]
 
 
[[Image:RahmanAtiqur.jpg|thumb|right|আতিকুর রহমান]]
 
 
 
তাছাড়া তিনি পিপলস্ সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজে খন্ডকালীন চাকুরি করতেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি কোতয়ালী ও সুত্রাপুর এলাকায় গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন। তিনি বাসায়ও একজন আহত মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রোপচার করেন। এছাড়া ঔষধপত্র দিয়ে এবং আর্থিকভাবেও মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেন। এসব কারণে তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের আক্রমণের লক্ষ্যে পরিণত হন। ১৯৭১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য ডাক্তার আতিকুর রহমানকে তাঁর গোপীবাগের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায় নি।
 
 
 
[বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ]
 
  
 
[[en:Rahman, Atiqur]]
 
[[en:Rahman, Atiqur]]

১৪:৩৬, ৮ মার্চ ২০১৫ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

আতিকুর রহমান

রহমান, আতিকুর (১৯৩১-১৯৭১)  চিকিৎসক, শহীদ বুদ্ধিজীবী। জন্ম ১৯৩১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার কোলাপাড়া গ্রামে। তাঁর পিতা মীর জুলফিকার আহমেদ এবং মাতা আমিরুন্নেসা।

আতিকুর রহমান ১৯৪৭ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ এ.জে মিত্র ইনস্টিটিউশন থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৫৫ সালে তিনি ঢাকার মিটফোর্ড মেডিকেল স্কুল থেকে এলএমএফ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭০ সালে তিনি এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হয়ে দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন।

আতিকুর রহমান কর্মজীবন শুরু করেন ফরিদপুর জেলা বোর্ডের অধীন স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে। পারিবারিক প্রয়োজনে এক পর্যায়ে সরকারি চাকুরি ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন এবং ঢাকার নারিন্দায় ৯নং শাহ সাহেব লেনে প্রাইভেট প্র্যাকটিস শুরু করেন। তাছাড়া তিনি পিপলস্ সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজে খন্ডকালীন চাকুরি করতেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি কোতয়ালী ও সুত্রাপুর এলাকায় গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ক্যাম্পে গিয়ে চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন। তিনি বাসায়ও একজন আহত মুক্তিযোদ্ধার অস্ত্রোপচার করেন। এছাড়া ঔষধপত্র দিয়ে এবং আর্থিকভাবেও মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেন। এসব কারণে তিনি স্বাধীনতা বিরোধীদের আক্রমণের লক্ষ্যে পরিণত হন। ১৯৭১ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য ডাক্তার আতিকুর রহমানকে তাঁর গোপীবাগের বাসা থেকে ধরে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায় নি। [বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ]