কণাদ তর্কবাগীশ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(fix: </u>]])
 
সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
১ নং লাইন: ১ নং লাইন:
[[Category:Banglapedia]]
[[Category:Banglapedia]]
'''কণাদ তর্কবাগীশ''' (১৫শ-১৬শ শতক)  সংস্কৃত পন্ডিত ও নৈয়ায়িক। নবদ্বীপে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা [[১০৪২৮৯|জানকীনাথ ভট্টাচার্য চূড়ামণি]] ছিলেন একজন প্রখ্যাত ন্যায়শাস্ত্রবিদ।  
'''কণাদ তর্কবাগীশ''' (১৫শ-১৬শ শতক)  সংস্কৃত পন্ডিত ও নৈয়ায়িক। নবদ্বীপে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা [[ভট্টাচার্য, জানকীনাথ চূড়ামণি|জানকীনাথ ভট্টাচার্য চূড়ামণি]] ছিলেন একজন প্রখ্যাত ন্যায়শাস্ত্রবিদ।  


কণাদ ছিলেন রঘুনাথ শিরোমণির সতীর্থ এবং বঙ্গীয় নব্যন্যায়ে শিরোমণি-যুগের একজন ন্যায়দার্শনিক। তিনি গঙ্গেশ উপাধ্যায়ের তত্ত্বচিন্তামণির ওপর অনুমানমণিব্যাখ্যা নামক টীকা রচনা করে ‘মণিটীকাকার’ নামে খ্যাত হন। তাঁর মৌলিক গ্রন্থ হচ্ছে ভাষারত্নম্, অপশব্দখন্ডনম্ প্রভৃতি। ভাষারত্ন গ্রন্থে তিনি স্বরচিত তর্কবাদার্থমঞ্জরী নামে আরও একখানি গ্রন্থের উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তা এখনও পাওয়া যায় নি। কণাদের ভাষারত্নাদি গ্রন্থের ওপরও টীকা রচিত হয়েছে। সেসব গ্রন্থ ঐসময় ন্যায়শাস্ত্র চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।  
কণাদ ছিলেন রঘুনাথ শিরোমণির সতীর্থ এবং বঙ্গীয় নব্যন্যায়ে শিরোমণি-যুগের একজন ন্যায়দার্শনিক। তিনি গঙ্গেশ উপাধ্যায়ের তত্ত্বচিন্তামণির ওপর অনুমানমণিব্যাখ্যা নামক টীকা রচনা করে ‘মণিটীকাকার’ নামে খ্যাত হন। তাঁর মৌলিক গ্রন্থ হচ্ছে ভাষারত্নম্, অপশব্দখন্ডনম্ প্রভৃতি। ভাষারত্ন গ্রন্থে তিনি স্বরচিত তর্কবাদার্থমঞ্জরী নামে আরও একখানি গ্রন্থের উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তা এখনও পাওয়া যায় নি। কণাদের ভাষারত্নাদি গ্রন্থের ওপরও টীকা রচিত হয়েছে। সেসব গ্রন্থ ঐসময় ন্যায়শাস্ত্র চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।  


কণাদ নামে একজন বৈশেষিক দর্শনকারের নাম পাওয়া যায়। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে কণাদ-দর্শন পদার্থতত্ত্ব-বিশ্লেষণের প্রথম প্রয়াস। [সুরেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]
কণাদ নামে একজন বৈশেষিক দর্শনকারের নাম পাওয়া যায়। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে কণাদ-দর্শন পদার্থতত্ত্ব-বিশ্লেষণের প্রথম প্রয়াস। [সুরেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]

০৪:০৬, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

কণাদ তর্কবাগীশ (১৫শ-১৬শ শতক)  সংস্কৃত পন্ডিত ও নৈয়ায়িক। নবদ্বীপে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা জানকীনাথ ভট্টাচার্য চূড়ামণি ছিলেন একজন প্রখ্যাত ন্যায়শাস্ত্রবিদ।

কণাদ ছিলেন রঘুনাথ শিরোমণির সতীর্থ এবং বঙ্গীয় নব্যন্যায়ে শিরোমণি-যুগের একজন ন্যায়দার্শনিক। তিনি গঙ্গেশ উপাধ্যায়ের তত্ত্বচিন্তামণির ওপর অনুমানমণিব্যাখ্যা নামক টীকা রচনা করে ‘মণিটীকাকার’ নামে খ্যাত হন। তাঁর মৌলিক গ্রন্থ হচ্ছে ভাষারত্নম্, অপশব্দখন্ডনম্ প্রভৃতি। ভাষারত্ন গ্রন্থে তিনি স্বরচিত তর্কবাদার্থমঞ্জরী নামে আরও একখানি গ্রন্থের উল্লেখ করেছেন, কিন্তু তা এখনও পাওয়া যায় নি। কণাদের ভাষারত্নাদি গ্রন্থের ওপরও টীকা রচিত হয়েছে। সেসব গ্রন্থ ঐসময় ন্যায়শাস্ত্র চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

কণাদ নামে একজন বৈশেষিক দর্শনকারের নাম পাওয়া যায়। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে কণাদ-দর্শন পদার্থতত্ত্ব-বিশ্লেষণের প্রথম প্রয়াস। [সুরেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়]