<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF</id>
	<title>স্বরলিপি - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF&amp;action=history"/>
	<updated>2026-05-02T18:47:53Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.40.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF&amp;diff=19850&amp;oldid=prev</id>
		<title>০৫:৫২, ১৬ এপ্রিল ২০১৫-এ Mukbil</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF&amp;diff=19850&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2015-04-16T05:52:36Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;table style=&quot;background-color: #fff; color: #202122;&quot; data-mw=&quot;interface&quot;&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-marker&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-content&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-marker&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-content&quot; /&gt;
				&lt;tr class=&quot;diff-title&quot; lang=&quot;bn&quot;&gt;
				&lt;td colspan=&quot;2&quot; style=&quot;background-color: #fff; color: #202122; text-align: center;&quot;&gt;← পূর্বের সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;td colspan=&quot;2&quot; style=&quot;background-color: #fff; color: #202122; text-align: center;&quot;&gt;০৫:৫২, ১৬ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot; id=&quot;mw-diff-left-l2&quot;&gt;২ নং লাইন:&lt;/td&gt;
&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot;&gt;২ নং লাইন:&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;স্বরলিপি&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  সুর, তাল ও মাত্রা নির্দেশক কতগুলি চিহ্নের মাধ্যমে সঙ্গীতকে লিখিতভাবে প্রকাশ করার পদ্ধতি। ফলে সঙ্গীতের প্রচার ও সংরক্ষণ সহজ হয়েছে। ১৮৬৮ সালে  [[গোস্বামী, ক্ষেত্রমোহন|ক্ষেত্রমোহন গোস্বামী]] দন্ডমাত্রিক নামে প্রথম স্বরলিপি উদ্ভাবন করেন।  [[ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রনাথ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ১৮৮০ সালে কষিমাত্রিক স্বরলিপি প্রবর্তন করেন। ১৮৮৫ সালে প্রতিভা দেবী রেখামাত্রিক স্বরলিপি ব্যবহার করেন। পরে  [[ঠাকুর, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর]] প্রথম সংখ্যামাত্রিক এবং পরে ১৮৮৫ সালে আকারমাত্রিক স্বরলিপি উদ্ভাবন করেন। পন্ডিত বিষ্ণুনারায়ণ ভাতখন্ডে (১৮৬০-১৯৩৬) ভাতখন্ডে স্বরলিপি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। তাছাড়া পন্ডিত বিষ্ণুদিগম্বর পলুস্কর এক নতুন স্বরলিপি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। উল্লিখিত বিভিন্ন ধরণের স্বরলিপির মধ্যে বর্তমানে আকারমাত্রিক পদ্ধতি ও ভাতখন্ডে পদ্ধতির স্বরলিপির প্রচলন বেশি। এ দুয়ের মধ্যে আবার বাংলাদেশে আকারমাত্রিক স্বরলিপিই বহুল প্রচলিত।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;স্বরলিপি&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  সুর, তাল ও মাত্রা নির্দেশক কতগুলি চিহ্নের মাধ্যমে সঙ্গীতকে লিখিতভাবে প্রকাশ করার পদ্ধতি। ফলে সঙ্গীতের প্রচার ও সংরক্ষণ সহজ হয়েছে। ১৮৬৮ সালে  [[গোস্বামী, ক্ষেত্রমোহন|ক্ষেত্রমোহন গোস্বামী]] দন্ডমাত্রিক নামে প্রথম স্বরলিপি উদ্ভাবন করেন।  [[ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রনাথ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ১৮৮০ সালে কষিমাত্রিক স্বরলিপি প্রবর্তন করেন। ১৮৮৫ সালে প্রতিভা দেবী রেখামাত্রিক স্বরলিপি ব্যবহার করেন। পরে  [[ঠাকুর, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর]] প্রথম সংখ্যামাত্রিক এবং পরে ১৮৮৫ সালে আকারমাত্রিক স্বরলিপি উদ্ভাবন করেন। পন্ডিত বিষ্ণুনারায়ণ ভাতখন্ডে (১৮৬০-১৯৩৬) ভাতখন্ডে স্বরলিপি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। তাছাড়া পন্ডিত বিষ্ণুদিগম্বর পলুস্কর এক নতুন স্বরলিপি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। উল্লিখিত বিভিন্ন ধরণের স্বরলিপির মধ্যে বর্তমানে আকারমাত্রিক পদ্ধতি ও ভাতখন্ডে পদ্ধতির স্বরলিপির প্রচলন বেশি। এ দুয়ের মধ্যে আবার বাংলাদেশে আকারমাত্রিক স্বরলিপিই বহুল প্রচলিত।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;−&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #ffe49c; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;আকারমাত্রিক  পদ্ধতিতে ষড়জ, ঋষভ  প্রভৃতি শুদ্ধ স্বরললকে লেখা হয় স র গ ম প ধ ন এভাবে, কিন্তু উচ্চারণ করা হয় সা রে গা মা পা ধা নি বলে। কোমল ঋষভ, গান্ধার প্রভৃতি স্বরকে লেখা হয় ঋ জ্ঞ দ ণ হিসেবে, কিন্তু উচ্চারণ করা হয় রে গা ধি নি বলে। কড়ি বা তীব্র স্বর লেখা হয় হ্ম এভাবে, কিন্তু উচ্চারিত হয় মা বলে। উদারা সপ্তকের স্বরের নিচে ‘হসন্ত’ (&lt;del style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;&amp;amp;amp;&lt;/del&gt;) চিহ্ন দেওয়া হয়, যেমন স্ র্ গ্ ম্ প্ ধ্ ন্। মুদারা সপ্তকে কোনো চিহ্ন নেই, যেমন স র গ ম প ধ ন। তারা সপ্তকের স্বরের ওপরে ‘রেফ’  (র্) চিহ্ন দেওয়া হয়, যেমন র্স র্র র্গ র্ম র্প র্ধ র্ন। এক মাত্রার চিহ্ন একটি আ-কার (া), যেমন সা। এক মাত্রায় একাধিক স্বর হলে তা লেখা হয় সরা, সরগা, সরগমা ইত্যাদি এভাবে। অর্ধমাত্রার চিহ্ন ‘বিসর্গ’ (ঃ)। দুটি অর্ধমাত্রা বোঝাতে লেখা হয়  সরা। চারটি সিকিমাত্রা সরগমা। দুটি সিকিমাত্রা সরঃ। একটি অর্ধমাত্রা ও দুটি সিকিমাত্রা সঃ গরঃ। একটি দেড়মাত্রা ও একটি অর্ধমাত্রা মিলে হয় দুই মাত্রা রাঃ গঃ। স্পর্শ বা কণ্ মূল স্বরের আগে হলে সর এবং পরে হলে রগ লিখতে হয়। কোনো স্বরের মাথার ওপর ডবল দাঁড়ি (।। ) থাকলে সেখানে একবার থামতে হবে বা সেখান পর্যন্ত গাওয়ার পর গানের অন্য লাইন ধরতে হবে। পুনরাবৃত্তির চিহ্ন দ্বিতীয় বন্ধনী {} এবং স্বর বর্জনের চিহ্ন প্রথম বন্ধনী ( )। পুনরাবৃত্তির সময় কোনো স্বরের পরিবর্তন হলে স্বরের ওপর তৃতীয় বন্ধনী [ ] ব্যবহার করে তার ভেতর পরিবর্তিত স্বরগুলি লেখা হয়। অর্থাৎ প্রথমবার দ্বিতীয় বন্ধনীর স্বরগুলি গাওয়ার পর পুনরাবৃত্তির সময় তৃতীয় বন্ধনীর স্বরগুলি গাইতে হবে। মীড়ের চিহ্ন  ‘  ’,  যেমন গা  পা। স্বরের নিচে গানের কোনো অক্ষর থাকলে তার বাঁদিকে ‘হাইফেন’ (-) চিহ্ন এবং গানের পাশে ‘শূন্য’ (০) চিহ্ন দেওয়া হয়। স্বরের নিচে গানের হসন্তযুক্ত অক্ষর থাকলে তার বাঁদিকেও ‘হাইফেন’ (-) চিহ্ন বসে। তালের বিভাগকে বোঝানো হয় একটি ‘দাঁড়ি’ (। ) দিয়ে। তালের আরম্ভে এবং এক আবৃত্তি শেষ হলে দাঁড়ির বদলে একটি ‘রোমান দন্ড’ (ও) চিহ্ন হিসেবে ব্যবহূত হয়। প্রত্যেক লাইন বা কলির আরম্ভে ও শেষে দুটি রোমান দন্ড (ওও) চিহ্ন থাকে। অর্থাৎ চিহ্নের পর স্থায়ীতে ফিরে আসতে হবে। গানের সমাপ্তিতে চারটি রোমান দন্ড (ওওওও) দেওয়া হয়। তালবিভাগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন তালচিহ্ন ১, ২, ৩ সংখ্যা দ্বারা বোঝানো হয়। ফাঁক বা খালির চিহ্ন শূন্য (০), সমের জন্য যোগ (+) চিহ্ন বা এক সংখ্যার ওপর  (১) লেখা হয়। গানের কথায় যুক্তাক্ষর থাকলে স্বরলিপিতে অনেক সময় উচ্চারণ অনুসারে ভেঙ্গে লেখা হয়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;+&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #a3d3ff; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;আকারমাত্রিক  পদ্ধতিতে ষড়জ, ঋষভ  প্রভৃতি শুদ্ধ স্বরললকে লেখা হয় স র গ ম প ধ ন এভাবে, কিন্তু উচ্চারণ করা হয় সা রে গা মা পা ধা নি বলে। কোমল ঋষভ, গান্ধার প্রভৃতি স্বরকে লেখা হয় ঋ জ্ঞ দ ণ হিসেবে, কিন্তু উচ্চারণ করা হয় রে গা ধি নি বলে। কড়ি বা তীব্র স্বর লেখা হয় হ্ম এভাবে, কিন্তু উচ্চারিত হয় মা বলে। উদারা সপ্তকের স্বরের নিচে ‘হসন্ত’ (&lt;ins style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;্&lt;/ins&gt;) চিহ্ন দেওয়া হয়, যেমন স্ র্ গ্ ম্ প্ ধ্ ন্। মুদারা সপ্তকে কোনো চিহ্ন নেই, যেমন স র গ ম প ধ ন। তারা সপ্তকের স্বরের ওপরে ‘রেফ’  (র্) চিহ্ন দেওয়া হয়, যেমন র্স র্র র্গ র্ম র্প র্ধ র্ন। এক মাত্রার চিহ্ন একটি আ-কার (া), যেমন সা। এক মাত্রায় একাধিক স্বর হলে তা লেখা হয় সরা, সরগা, সরগমা ইত্যাদি এভাবে। অর্ধমাত্রার চিহ্ন ‘বিসর্গ’ (ঃ)। দুটি অর্ধমাত্রা বোঝাতে লেখা হয়  সরা। চারটি সিকিমাত্রা সরগমা। দুটি সিকিমাত্রা সরঃ। একটি অর্ধমাত্রা ও দুটি সিকিমাত্রা সঃ গরঃ। একটি দেড়মাত্রা ও একটি অর্ধমাত্রা মিলে হয় দুই মাত্রা রাঃ গঃ। স্পর্শ বা কণ্ মূল স্বরের আগে হলে সর এবং পরে হলে রগ লিখতে হয়। কোনো স্বরের মাথার ওপর ডবল দাঁড়ি (।। ) থাকলে সেখানে একবার থামতে হবে বা সেখান পর্যন্ত গাওয়ার পর গানের অন্য লাইন ধরতে হবে। পুনরাবৃত্তির চিহ্ন দ্বিতীয় বন্ধনী {} এবং স্বর বর্জনের চিহ্ন প্রথম বন্ধনী ( )। পুনরাবৃত্তির সময় কোনো স্বরের পরিবর্তন হলে স্বরের ওপর তৃতীয় বন্ধনী [ ] ব্যবহার করে তার ভেতর পরিবর্তিত স্বরগুলি লেখা হয়। অর্থাৎ প্রথমবার দ্বিতীয় বন্ধনীর স্বরগুলি গাওয়ার পর পুনরাবৃত্তির সময় তৃতীয় বন্ধনীর স্বরগুলি গাইতে হবে। মীড়ের চিহ্ন  ‘  ’,  যেমন গা  পা। স্বরের নিচে গানের কোনো অক্ষর থাকলে তার বাঁদিকে ‘হাইফেন’ (-) চিহ্ন এবং গানের পাশে ‘শূন্য’ (০) চিহ্ন দেওয়া হয়। স্বরের নিচে গানের হসন্তযুক্ত অক্ষর থাকলে তার বাঁদিকেও ‘হাইফেন’ (-) চিহ্ন বসে। তালের বিভাগকে বোঝানো হয় একটি ‘দাঁড়ি’ (। ) দিয়ে। তালের আরম্ভে এবং এক আবৃত্তি শেষ হলে দাঁড়ির বদলে একটি ‘রোমান দন্ড’ (ও) চিহ্ন হিসেবে ব্যবহূত হয়। প্রত্যেক লাইন বা কলির আরম্ভে ও শেষে দুটি রোমান দন্ড (ওও) চিহ্ন থাকে। অর্থাৎ চিহ্নের পর স্থায়ীতে ফিরে আসতে হবে। গানের সমাপ্তিতে চারটি রোমান দন্ড (ওওওও) দেওয়া হয়। তালবিভাগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন তালচিহ্ন ১, ২, ৩ সংখ্যা দ্বারা বোঝানো হয়। ফাঁক বা খালির চিহ্ন শূন্য (০), সমের জন্য যোগ (+) চিহ্ন বা এক সংখ্যার ওপর  (১) লেখা হয়। গানের কথায় যুক্তাক্ষর থাকলে স্বরলিপিতে অনেক সময় উচ্চারণ অনুসারে ভেঙ্গে লেখা হয়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;ভাতখন্ডে পদ্ধতি  এ পদ্ধতিতে সপ্তকের শুদ্ধ স্বরসমূহকে লেখা হয় সা রে গ ম প ধ নি হিসেবে। এতে কোনো প্রকার চিহ্ন থাকে না। কোমল স্বর রে গ ধ নি স্বরের নিচে সরল দাগ থাকে। কড়ি বা তীব্র স্বর মা-এর ওপরে থাকে খাড়া দন্ড। উদারা সপ্তকের স্বর সা র গ ম প ধ নি-র  নিচে থাকে বিন্দুচিহ্ন। মুদারা সপ্তকে কোনো চিহ্ন ব্যবহার করা হয় না, যেমন সা র গ ম প ধ নি। তারা সপ্তকের স্বর সা র গ ম প ধ নি-র ওপরে বিন্দুচিহ্ন থাকে। একমাত্রা সা-এ কোনো চিহ্ন নেই। অর্ধ মাত্রার চিহ্ন সারে-র নিচে থাকে অর্ধচন্দ্র চিহ্ন, অর্থাৎ এক মাত্রায় দুটি স্বর। সিকি মাত্রার ‘  ’, যেমন  সা রে গ মা। এক  মাত্রায়  চারটি স্বর, একটি স্বরে ১/৪ মাত্রা। ছয় ভাগের এক মাত্রা সা রে গ ম প ধ। এক মাত্রায় ছয়টি স্বর, একটি স্বরে ১/৬ মাত্রা। এক মাত্রার অন্তর্গত অনেক স্বর হতে পারে। স্বরকে দীর্ঘ করার জন্য ‘হাইফেন’ (-) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, যেমন সা - - রে। অর্থাৎ সা স্বরে তিন মাত্রা এবং রে স্বরে এক মাত্রা। গানের কথার অক্ষরকে দীর্ঘ করার জন্য ‘অবগ্রহ’ (ঝ) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, যেমন রা ঝ ঝ জা। সম-এর চিহ্ন স্বরের নিচে ‘গুণ’ (দ্ধ) চিহ্ন। ফাঁক বা খালি বোঝাতে ‘শূন্য’ (০) চিহ্ন বসে। তালির স্থানে তালের সংখ্যা  ১, ২, ৩ লেখা হয়। সম, তালি ও ফাঁক চিহ্ন স্বরের নিচে লেখা হয়। তালবিভাগ বোঝানোর জন্য ‘দাঁড়ি’ (। ) চিহ্ন ব্যবহূত হয়। মীড়ের চিহ্ন হচ্ছে ‘  ’। কণ্ বা স্পর্শ স্বরের চিহ্ন মূল স্বরের মাথার বাম পার্শ্বে ক্ষুদ্র স্বর লেখা হয়, যেমন গপ ধপ।  [মোবারক হোসেন খান]&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;ভাতখন্ডে পদ্ধতি  এ পদ্ধতিতে সপ্তকের শুদ্ধ স্বরসমূহকে লেখা হয় সা রে গ ম প ধ নি হিসেবে। এতে কোনো প্রকার চিহ্ন থাকে না। কোমল স্বর রে গ ধ নি স্বরের নিচে সরল দাগ থাকে। কড়ি বা তীব্র স্বর মা-এর ওপরে থাকে খাড়া দন্ড। উদারা সপ্তকের স্বর সা র গ ম প ধ নি-র  নিচে থাকে বিন্দুচিহ্ন। মুদারা সপ্তকে কোনো চিহ্ন ব্যবহার করা হয় না, যেমন সা র গ ম প ধ নি। তারা সপ্তকের স্বর সা র গ ম প ধ নি-র ওপরে বিন্দুচিহ্ন থাকে। একমাত্রা সা-এ কোনো চিহ্ন নেই। অর্ধ মাত্রার চিহ্ন সারে-র নিচে থাকে অর্ধচন্দ্র চিহ্ন, অর্থাৎ এক মাত্রায় দুটি স্বর। সিকি মাত্রার ‘  ’, যেমন  সা রে গ মা। এক  মাত্রায়  চারটি স্বর, একটি স্বরে ১/৪ মাত্রা। ছয় ভাগের এক মাত্রা সা রে গ ম প ধ। এক মাত্রায় ছয়টি স্বর, একটি স্বরে ১/৬ মাত্রা। এক মাত্রার অন্তর্গত অনেক স্বর হতে পারে। স্বরকে দীর্ঘ করার জন্য ‘হাইফেন’ (-) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, যেমন সা - - রে। অর্থাৎ সা স্বরে তিন মাত্রা এবং রে স্বরে এক মাত্রা। গানের কথার অক্ষরকে দীর্ঘ করার জন্য ‘অবগ্রহ’ (ঝ) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, যেমন রা ঝ ঝ জা। সম-এর চিহ্ন স্বরের নিচে ‘গুণ’ (দ্ধ) চিহ্ন। ফাঁক বা খালি বোঝাতে ‘শূন্য’ (০) চিহ্ন বসে। তালির স্থানে তালের সংখ্যা  ১, ২, ৩ লেখা হয়। সম, তালি ও ফাঁক চিহ্ন স্বরের নিচে লেখা হয়। তালবিভাগ বোঝানোর জন্য ‘দাঁড়ি’ (। ) চিহ্ন ব্যবহূত হয়। মীড়ের চিহ্ন হচ্ছে ‘  ’। কণ্ বা স্পর্শ স্বরের চিহ্ন মূল স্বরের মাথার বাম পার্শ্বে ক্ষুদ্র স্বর লেখা হয়, যেমন গপ ধপ।  [মোবারক হোসেন খান]&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;/table&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF&amp;diff=8&amp;oldid=prev</id>
		<title>NasirkhanBot: Added Ennglish article link</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF&amp;diff=8&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2014-05-04T23:14:03Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Added Ennglish article link&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;স্বরলিপি&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  সুর, তাল ও মাত্রা নির্দেশক কতগুলি চিহ্নের মাধ্যমে সঙ্গীতকে লিখিতভাবে প্রকাশ করার পদ্ধতি। ফলে সঙ্গীতের প্রচার ও সংরক্ষণ সহজ হয়েছে। ১৮৬৮ সালে  [[গোস্বামী, ক্ষেত্রমোহন|ক্ষেত্রমোহন গোস্বামী]] দন্ডমাত্রিক নামে প্রথম স্বরলিপি উদ্ভাবন করেন।  [[ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রনাথ|দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর]] ১৮৮০ সালে কষিমাত্রিক স্বরলিপি প্রবর্তন করেন। ১৮৮৫ সালে প্রতিভা দেবী রেখামাত্রিক স্বরলিপি ব্যবহার করেন। পরে  [[ঠাকুর, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ|জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর]] প্রথম সংখ্যামাত্রিক এবং পরে ১৮৮৫ সালে আকারমাত্রিক স্বরলিপি উদ্ভাবন করেন। পন্ডিত বিষ্ণুনারায়ণ ভাতখন্ডে (১৮৬০-১৯৩৬) ভাতখন্ডে স্বরলিপি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। তাছাড়া পন্ডিত বিষ্ণুদিগম্বর পলুস্কর এক নতুন স্বরলিপি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। উল্লিখিত বিভিন্ন ধরণের স্বরলিপির মধ্যে বর্তমানে আকারমাত্রিক পদ্ধতি ও ভাতখন্ডে পদ্ধতির স্বরলিপির প্রচলন বেশি। এ দুয়ের মধ্যে আবার বাংলাদেশে আকারমাত্রিক স্বরলিপিই বহুল প্রচলিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আকারমাত্রিক  পদ্ধতিতে ষড়জ, ঋষভ  প্রভৃতি শুদ্ধ স্বরললকে লেখা হয় স র গ ম প ধ ন এভাবে, কিন্তু উচ্চারণ করা হয় সা রে গা মা পা ধা নি বলে। কোমল ঋষভ, গান্ধার প্রভৃতি স্বরকে লেখা হয় ঋ জ্ঞ দ ণ হিসেবে, কিন্তু উচ্চারণ করা হয় রে গা ধি নি বলে। কড়ি বা তীব্র স্বর লেখা হয় হ্ম এভাবে, কিন্তু উচ্চারিত হয় মা বলে। উদারা সপ্তকের স্বরের নিচে ‘হসন্ত’ (&amp;amp;amp;) চিহ্ন দেওয়া হয়, যেমন স্ র্ গ্ ম্ প্ ধ্ ন্। মুদারা সপ্তকে কোনো চিহ্ন নেই, যেমন স র গ ম প ধ ন। তারা সপ্তকের স্বরের ওপরে ‘রেফ’  (র্) চিহ্ন দেওয়া হয়, যেমন র্স র্র র্গ র্ম র্প র্ধ র্ন। এক মাত্রার চিহ্ন একটি আ-কার (া), যেমন সা। এক মাত্রায় একাধিক স্বর হলে তা লেখা হয় সরা, সরগা, সরগমা ইত্যাদি এভাবে। অর্ধমাত্রার চিহ্ন ‘বিসর্গ’ (ঃ)। দুটি অর্ধমাত্রা বোঝাতে লেখা হয়  সরা। চারটি সিকিমাত্রা সরগমা। দুটি সিকিমাত্রা সরঃ। একটি অর্ধমাত্রা ও দুটি সিকিমাত্রা সঃ গরঃ। একটি দেড়মাত্রা ও একটি অর্ধমাত্রা মিলে হয় দুই মাত্রা রাঃ গঃ। স্পর্শ বা কণ্ মূল স্বরের আগে হলে সর এবং পরে হলে রগ লিখতে হয়। কোনো স্বরের মাথার ওপর ডবল দাঁড়ি (।। ) থাকলে সেখানে একবার থামতে হবে বা সেখান পর্যন্ত গাওয়ার পর গানের অন্য লাইন ধরতে হবে। পুনরাবৃত্তির চিহ্ন দ্বিতীয় বন্ধনী {} এবং স্বর বর্জনের চিহ্ন প্রথম বন্ধনী ( )। পুনরাবৃত্তির সময় কোনো স্বরের পরিবর্তন হলে স্বরের ওপর তৃতীয় বন্ধনী [ ] ব্যবহার করে তার ভেতর পরিবর্তিত স্বরগুলি লেখা হয়। অর্থাৎ প্রথমবার দ্বিতীয় বন্ধনীর স্বরগুলি গাওয়ার পর পুনরাবৃত্তির সময় তৃতীয় বন্ধনীর স্বরগুলি গাইতে হবে। মীড়ের চিহ্ন  ‘  ’,  যেমন গা  পা। স্বরের নিচে গানের কোনো অক্ষর থাকলে তার বাঁদিকে ‘হাইফেন’ (-) চিহ্ন এবং গানের পাশে ‘শূন্য’ (০) চিহ্ন দেওয়া হয়। স্বরের নিচে গানের হসন্তযুক্ত অক্ষর থাকলে তার বাঁদিকেও ‘হাইফেন’ (-) চিহ্ন বসে। তালের বিভাগকে বোঝানো হয় একটি ‘দাঁড়ি’ (। ) দিয়ে। তালের আরম্ভে এবং এক আবৃত্তি শেষ হলে দাঁড়ির বদলে একটি ‘রোমান দন্ড’ (ও) চিহ্ন হিসেবে ব্যবহূত হয়। প্রত্যেক লাইন বা কলির আরম্ভে ও শেষে দুটি রোমান দন্ড (ওও) চিহ্ন থাকে। অর্থাৎ চিহ্নের পর স্থায়ীতে ফিরে আসতে হবে। গানের সমাপ্তিতে চারটি রোমান দন্ড (ওওওও) দেওয়া হয়। তালবিভাগের ক্ষেত্রে বিভিন্ন তালচিহ্ন ১, ২, ৩ সংখ্যা দ্বারা বোঝানো হয়। ফাঁক বা খালির চিহ্ন শূন্য (০), সমের জন্য যোগ (+) চিহ্ন বা এক সংখ্যার ওপর  (১) লেখা হয়। গানের কথায় যুক্তাক্ষর থাকলে স্বরলিপিতে অনেক সময় উচ্চারণ অনুসারে ভেঙ্গে লেখা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভাতখন্ডে পদ্ধতি  এ পদ্ধতিতে সপ্তকের শুদ্ধ স্বরসমূহকে লেখা হয় সা রে গ ম প ধ নি হিসেবে। এতে কোনো প্রকার চিহ্ন থাকে না। কোমল স্বর রে গ ধ নি স্বরের নিচে সরল দাগ থাকে। কড়ি বা তীব্র স্বর মা-এর ওপরে থাকে খাড়া দন্ড। উদারা সপ্তকের স্বর সা র গ ম প ধ নি-র  নিচে থাকে বিন্দুচিহ্ন। মুদারা সপ্তকে কোনো চিহ্ন ব্যবহার করা হয় না, যেমন সা র গ ম প ধ নি। তারা সপ্তকের স্বর সা র গ ম প ধ নি-র ওপরে বিন্দুচিহ্ন থাকে। একমাত্রা সা-এ কোনো চিহ্ন নেই। অর্ধ মাত্রার চিহ্ন সারে-র নিচে থাকে অর্ধচন্দ্র চিহ্ন, অর্থাৎ এক মাত্রায় দুটি স্বর। সিকি মাত্রার ‘  ’, যেমন  সা রে গ মা। এক  মাত্রায়  চারটি স্বর, একটি স্বরে ১/৪ মাত্রা। ছয় ভাগের এক মাত্রা সা রে গ ম প ধ। এক মাত্রায় ছয়টি স্বর, একটি স্বরে ১/৬ মাত্রা। এক মাত্রার অন্তর্গত অনেক স্বর হতে পারে। স্বরকে দীর্ঘ করার জন্য ‘হাইফেন’ (-) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, যেমন সা - - রে। অর্থাৎ সা স্বরে তিন মাত্রা এবং রে স্বরে এক মাত্রা। গানের কথার অক্ষরকে দীর্ঘ করার জন্য ‘অবগ্রহ’ (ঝ) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, যেমন রা ঝ ঝ জা। সম-এর চিহ্ন স্বরের নিচে ‘গুণ’ (দ্ধ) চিহ্ন। ফাঁক বা খালি বোঝাতে ‘শূন্য’ (০) চিহ্ন বসে। তালির স্থানে তালের সংখ্যা  ১, ২, ৩ লেখা হয়। সম, তালি ও ফাঁক চিহ্ন স্বরের নিচে লেখা হয়। তালবিভাগ বোঝানোর জন্য ‘দাঁড়ি’ (। ) চিহ্ন ব্যবহূত হয়। মীড়ের চিহ্ন হচ্ছে ‘  ’। কণ্ বা স্পর্শ স্বরের চিহ্ন মূল স্বরের মাথার বাম পার্শ্বে ক্ষুদ্র স্বর লেখা হয়, যেমন গপ ধপ।  [মোবারক হোসেন খান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Swaralipi]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Swaralipi]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>NasirkhanBot</name></author>
	</entry>
</feed>