<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8</id>
	<title>সামাজিক স্তরবিন্যাস - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;action=history"/>
	<updated>2026-05-02T23:13:49Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.40.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=20050&amp;oldid=prev</id>
		<title>০৯:৩৩, ২৭ মে ২০১৫-এ Mukbil</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=20050&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2015-05-27T09:33:21Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;table style=&quot;background-color: #fff; color: #202122;&quot; data-mw=&quot;interface&quot;&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-marker&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-content&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-marker&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-content&quot; /&gt;
				&lt;tr class=&quot;diff-title&quot; lang=&quot;bn&quot;&gt;
				&lt;td colspan=&quot;2&quot; style=&quot;background-color: #fff; color: #202122; text-align: center;&quot;&gt;← পূর্বের সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;td colspan=&quot;2&quot; style=&quot;background-color: #fff; color: #202122; text-align: center;&quot;&gt;০৯:৩৩, ২৭ মে ২০১৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot; id=&quot;mw-diff-left-l16&quot;&gt;১৬ নং লাইন:&lt;/td&gt;
&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot;&gt;১৬ নং লাইন:&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;যেসব কৃষিভিত্তিক শ্রেণি ও গোষ্ঠী বংশক্রমানুপাতিক মর্যাদা ও সম্মান নিয়ে গ্রামীণ সমাজ গঠন করে সেগুলি হচ্ছে পুঁজিপতি কৃষক, ধনী চাষি, মাঝারি চাষি, প্রান্তিক চাষি এবং ভূমিহীন। পুঁজিপতি কৃষকরা সম্পদশালী, জমি ও প্রযুক্তির মালিক, বাইরে থেকে শ্রমিক নিয়োগ করে এবং বাজারের জন্য চাষাবাদ করে। ধনী চাষিরাও সম্পদশালী, বাইরের শ্রমিক নিয়োগ করে, তথাপি তারা চাষাবাদেই নিয়োজিত থাকে। মাঝারি চাষি প্রধানত জীবিকার জন্য চাষাবাদ করে, কখনও কখনও বাজারে বেচা-কেনায় অংশ নেয় এবং প্রধানত গৃহস্থালি শ্রমের উপরই নির্ভর করে। প্রান্তিক চাষি বেঁচে থাকা নিশ্চিতকরণকল্পে চাষাবাদ ও শ্রম বিক্রয় করে। ভূমিহীন জনগণ মজুরির ভিত্তিতে শ্রম বিক্রয় করে, প্রধানত কৃষিতে, মাঝে মাঝে অকৃষিজ কাজেও নিয়োজিত হয়। পরিসংখ্যানের দিক থেকে, পল্লী পরিবারের তিন-চতুর্থাংশ প্রান্তিক চাষি এবং ভূমিহীনদের শ্রেণিভুক্ত। যে প্রক্রিয়ায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান ব্যতিরেকে ভূমিহীন পরিবারের উদ্ভব ঘটে তাকে বলা হয় নিঃস্বকরণ এবং গ্রাম-বাংলাদেশে এর প্রভাব বেশ গুরুত্বপূর্ণ। পল্লীর স্তরবিন্যাসে কামার, স্বর্ণকার, মেথর, তাঁতি, কলু (তেলি বা যারা তেল উৎপাদন করে) এবং অন্যান্য যারা ন্যূনতম মর্যাদা পেয়ে থাকে এজাতীয় কতিপয় পুরানো গোষ্ঠী বসবাস করে। তবে ক্রমেই পেশাদার উৎপাদকগণ এ সকল গোষ্ঠীর স্থান দখল করে নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বর্তমানে ভোজ্য তেল আসে কারখানা থেকে।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;যেসব কৃষিভিত্তিক শ্রেণি ও গোষ্ঠী বংশক্রমানুপাতিক মর্যাদা ও সম্মান নিয়ে গ্রামীণ সমাজ গঠন করে সেগুলি হচ্ছে পুঁজিপতি কৃষক, ধনী চাষি, মাঝারি চাষি, প্রান্তিক চাষি এবং ভূমিহীন। পুঁজিপতি কৃষকরা সম্পদশালী, জমি ও প্রযুক্তির মালিক, বাইরে থেকে শ্রমিক নিয়োগ করে এবং বাজারের জন্য চাষাবাদ করে। ধনী চাষিরাও সম্পদশালী, বাইরের শ্রমিক নিয়োগ করে, তথাপি তারা চাষাবাদেই নিয়োজিত থাকে। মাঝারি চাষি প্রধানত জীবিকার জন্য চাষাবাদ করে, কখনও কখনও বাজারে বেচা-কেনায় অংশ নেয় এবং প্রধানত গৃহস্থালি শ্রমের উপরই নির্ভর করে। প্রান্তিক চাষি বেঁচে থাকা নিশ্চিতকরণকল্পে চাষাবাদ ও শ্রম বিক্রয় করে। ভূমিহীন জনগণ মজুরির ভিত্তিতে শ্রম বিক্রয় করে, প্রধানত কৃষিতে, মাঝে মাঝে অকৃষিজ কাজেও নিয়োজিত হয়। পরিসংখ্যানের দিক থেকে, পল্লী পরিবারের তিন-চতুর্থাংশ প্রান্তিক চাষি এবং ভূমিহীনদের শ্রেণিভুক্ত। যে প্রক্রিয়ায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান ব্যতিরেকে ভূমিহীন পরিবারের উদ্ভব ঘটে তাকে বলা হয় নিঃস্বকরণ এবং গ্রাম-বাংলাদেশে এর প্রভাব বেশ গুরুত্বপূর্ণ। পল্লীর স্তরবিন্যাসে কামার, স্বর্ণকার, মেথর, তাঁতি, কলু (তেলি বা যারা তেল উৎপাদন করে) এবং অন্যান্য যারা ন্যূনতম মর্যাদা পেয়ে থাকে এজাতীয় কতিপয় পুরানো গোষ্ঠী বসবাস করে। তবে ক্রমেই পেশাদার উৎপাদকগণ এ সকল গোষ্ঠীর স্থান দখল করে নিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, বর্তমানে ভোজ্য তেল আসে কারখানা থেকে।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;−&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #ffe49c; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;দীর্ঘ সময়ের তথ্য পরীক্ষা করে দেখলে একটি গ্রামীণ পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার গতিশীলতা অনুধাবন করা যায়। গ্রামীণ পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের পেছনে বিভিন্ন ধরনের শক্তি কাজ করে। অনেক উদ্বৃত্ত উৎপাদনকারী গ্রামীণ পরিবার পর্যায়ক্রমে প্রথমে গ্রাসাচ্ছাদনকারী এবং পরবর্তীকালে অসচ্ছল পরিবারে পরিণত হয়। অন্যদিকে অনেক অসচ্ছল পরিবার অবস্থাপন্ন পরিবারে উন্নীত হয়। বাজার ব্যবস্থা, জনসংখ্যার অবস্থা, উত্তরাধিকার আইন, পরিবারসমূহের ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি এই গতিশীলতার পেছনে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশে গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসটি সব সময় অবশ্য জীবনযাত্রা, আচারপ্রথা, নৈতিকতা ও বিভিন্ন শ্রেণির ভাষার পার্থক্যের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়নি। পোশাক-আশাক ও ভাষার ক্ষেত্রে সাধারণ বিষয়গুলি কখনও কখনও সামাজিক মর্যাদার পার্থক্যসমূহকে আড়াল করে ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, লুঙ্গি ও শার্ট হচ্ছে এমন পোশাক যা অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে গ্রামের সকল মানুষ পরিধান করে, যদিও অতি দরিদ্র ব্যক্তিগণ অর্থনৈতিক কারণে শরীরের ঊর্ধ্বাংশ আবৃত করতে পারে না। [[ঈদুল &lt;del style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;ফিত্র&lt;/del&gt;|ঈদুল &lt;del style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;ফিত্র&lt;/del&gt;]] ও [[ঈদুল আযহা|ঈদুল আযহা]]র মতো সামাজিক উৎসব ও অনুষ্ঠানসমূহ সম্প্রীতি চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে চিহ্নিত হয়। পল্লী অঞ্চলে সমাজের চেতনা বা ধারণা সামাজিক বিভাজনের প্রভাবকে কমিয়ে দেয়। পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত সমাজের সুবিধাভোগের সম্পর্কটিও কোন কোন ক্ষেত্রে ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যকার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। খানদান বা বংশানুক্রমিক মর্যাদাকেও হিসেবের মধ্যে রাখা হয়। উদাহরণস্বরূপ, চৌধুরী, খন্দকার, সৈয়দ প্রভৃতি খানদানি গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সময় ধনীরা ধনীকে অগ্রাধিকার দেয়। সামাজিক স্তরবিন্যাসের পার্থক্যকে বস্ত্তগত স্বাচ্ছন্দ্যের পার্থক্য হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। মর্যাদা ও ক্ষমতার সাথে বিলাসবহুল জীবনযাপন ও বিপুল ব্যয় একজনের সম্পদ সম্পর্কে ধারণা দেয়। অবশ্য, সমাজের উপরিস্তর পর্যায়ক্রমে শিক্ষিত হয়ে উঠছে এবং এতে শিক্ষিত ও অশিক্ষিতের মধ্যে একটা সামাজিক পার্থক্য গড়ে উঠেছে। বস্ত্তত, আধুনিক শিক্ষা, আচার ব্যবহার এবং সংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে পল্লী অঞ্চলে একটি ভদ্রলোক শ্রেণি স্বতন্ত্র জীবনধারার ভিত্তিতে আবির্ভূত হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;+&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #a3d3ff; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;দীর্ঘ সময়ের তথ্য পরীক্ষা করে দেখলে একটি গ্রামীণ পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার গতিশীলতা অনুধাবন করা যায়। গ্রামীণ পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তনের পেছনে বিভিন্ন ধরনের শক্তি কাজ করে। অনেক উদ্বৃত্ত উৎপাদনকারী গ্রামীণ পরিবার পর্যায়ক্রমে প্রথমে গ্রাসাচ্ছাদনকারী এবং পরবর্তীকালে অসচ্ছল পরিবারে পরিণত হয়। অন্যদিকে অনেক অসচ্ছল পরিবার অবস্থাপন্ন পরিবারে উন্নীত হয়। বাজার ব্যবস্থা, জনসংখ্যার অবস্থা, উত্তরাধিকার আইন, পরিবারসমূহের ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি এই গতিশীলতার পেছনে কার্যকর ভূমিকা রাখে। বাংলাদেশে গ্রামীণ সামাজিক স্তরবিন্যাসটি সব সময় অবশ্য জীবনযাত্রা, আচারপ্রথা, নৈতিকতা ও বিভিন্ন শ্রেণির ভাষার পার্থক্যের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়নি। পোশাক-আশাক ও ভাষার ক্ষেত্রে সাধারণ বিষয়গুলি কখনও কখনও সামাজিক মর্যাদার পার্থক্যসমূহকে আড়াল করে ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, লুঙ্গি ও শার্ট হচ্ছে এমন পোশাক যা অর্থনৈতিক অবস্থা নির্বিশেষে গ্রামের সকল মানুষ পরিধান করে, যদিও অতি দরিদ্র ব্যক্তিগণ অর্থনৈতিক কারণে শরীরের ঊর্ধ্বাংশ আবৃত করতে পারে না। [[ঈদুল &lt;ins style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;ফিত্‌র&lt;/ins&gt;|ঈদুল &lt;ins style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;ফিত্‌র&lt;/ins&gt;]] ও [[ঈদুল আযহা|ঈদুল আযহা]]র মতো সামাজিক উৎসব ও অনুষ্ঠানসমূহ সম্প্রীতি চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে চিহ্নিত হয়। পল্লী অঞ্চলে সমাজের চেতনা বা ধারণা সামাজিক বিভাজনের প্রভাবকে কমিয়ে দেয়। পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত সমাজের সুবিধাভোগের সম্পর্কটিও কোন কোন ক্ষেত্রে ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যকার সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। খানদান বা বংশানুক্রমিক মর্যাদাকেও হিসেবের মধ্যে রাখা হয়। উদাহরণস্বরূপ, চৌধুরী, খন্দকার, সৈয়দ প্রভৃতি খানদানি গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে তোলার সময় ধনীরা ধনীকে অগ্রাধিকার দেয়। সামাজিক স্তরবিন্যাসের পার্থক্যকে বস্ত্তগত স্বাচ্ছন্দ্যের পার্থক্য হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়। মর্যাদা ও ক্ষমতার সাথে বিলাসবহুল জীবনযাপন ও বিপুল ব্যয় একজনের সম্পদ সম্পর্কে ধারণা দেয়। অবশ্য, সমাজের উপরিস্তর পর্যায়ক্রমে শিক্ষিত হয়ে উঠছে এবং এতে শিক্ষিত ও অশিক্ষিতের মধ্যে একটা সামাজিক পার্থক্য গড়ে উঠেছে। বস্ত্তত, আধুনিক শিক্ষা, আচার ব্যবহার এবং সংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে পল্লী অঞ্চলে একটি ভদ্রলোক শ্রেণি স্বতন্ত্র জীবনধারার ভিত্তিতে আবির্ভূত হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;শহুরে সামাজিক স্তরবিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বৈচিত্র্যে পূর্ণ। অধিকাংশ জেলা শহর এখনও ছোট ও পশ্চাৎপদ, তবে তাদের মধ্যে কিছু কিছু শহর তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং খুলনা এই তিনটি শহর বিবিধ প্রাণবন্ত আর্থিক সেবাখাতের পাশাপাশি বড় বড় শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে গড়ে উঠেছে। এই সকল শহরে বসবাসকারী সম্প্রদায়ের মধ্যে উদার দৃষ্টিভঙ্গি সামাজিক স্তরবিন্যাসের প্রকৃতিকে গড়ে তুলেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের নির্বাহী, বেসামরিক আমলা, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী, শিল্পকর্মী, শিল্পপতি এবং ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে শহরাঞ্চল গড়ে উঠেছে। আধুনিক শ্রেণি আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক উভয় খাতে একটি বিরাট সংখ্যক শ্রমিক শ্রেণি নাগরিক জনসংখ্যার উপাদান হয়ে আছে। সম্পদ এবং শিক্ষার উপরে শহরের সামাজিক মর্যাদা বহুলাংশে নির্ভরশীল। বংশানুক্রমিক পরিচয়ের মতো পুরানো উপাদানের গুরুত্ব এক্ষেত্রে নিম্নতম পর্যায়ে চলে এসেছে। নাগরিক জীবনধারা, পোশাক-আশাক, সৌজন্য, বিনোদনমূলক কার্যক্রম ইত্যাদি শ্রেণির ভিত্তিতে বিভাজিত হয়। ১৯৮০-র শেষার্ধের একটি গবেষণায় জানা যায় যে, ৪৩.৪ শতাংশ পরিবার সরকারি অফিস, সংস্থা, ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বেতনভুক পেশাজীবী ছিলেন: এদের মধ্যে শিক্ষক, ডাক্তার, আইনজীবী এবং অন্যান্যরাও অন্তর্ভুক্ত। বড় ব্যবসায়ী, মাঝারি ব্যবসায়ী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সমন্বয়ে গঠিত শ্রেণিটির বিভাজন ছিল ৩৬.৭ শতাংশ। এর অতিরিক্ত ৭.৪ শতাংশের মধ্যে গৃহবধু, শিক্ষার্থী, বেকার এবং অন্যান্যদের মতো কোন রকম আনুষ্ঠানিক পেশাবিহীনদের পাওয়া যায়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;শহুরে সামাজিক স্তরবিন্যাস গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক বৈচিত্র্যে পূর্ণ। অধিকাংশ জেলা শহর এখনও ছোট ও পশ্চাৎপদ, তবে তাদের মধ্যে কিছু কিছু শহর তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং খুলনা এই তিনটি শহর বিবিধ প্রাণবন্ত আর্থিক সেবাখাতের পাশাপাশি বড় বড় শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে গড়ে উঠেছে। এই সকল শহরে বসবাসকারী সম্প্রদায়ের মধ্যে উদার দৃষ্টিভঙ্গি সামাজিক স্তরবিন্যাসের প্রকৃতিকে গড়ে তুলেছে। ব্যবসা-বাণিজ্যের নির্বাহী, বেসামরিক আমলা, পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী, শিল্পকর্মী, শিল্পপতি এবং ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে শহরাঞ্চল গড়ে উঠেছে। আধুনিক শ্রেণি আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক উভয় খাতে একটি বিরাট সংখ্যক শ্রমিক শ্রেণি নাগরিক জনসংখ্যার উপাদান হয়ে আছে। সম্পদ এবং শিক্ষার উপরে শহরের সামাজিক মর্যাদা বহুলাংশে নির্ভরশীল। বংশানুক্রমিক পরিচয়ের মতো পুরানো উপাদানের গুরুত্ব এক্ষেত্রে নিম্নতম পর্যায়ে চলে এসেছে। নাগরিক জীবনধারা, পোশাক-আশাক, সৌজন্য, বিনোদনমূলক কার্যক্রম ইত্যাদি শ্রেণির ভিত্তিতে বিভাজিত হয়। ১৯৮০-র শেষার্ধের একটি গবেষণায় জানা যায় যে, ৪৩.৪ শতাংশ পরিবার সরকারি অফিস, সংস্থা, ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বেতনভুক পেশাজীবী ছিলেন: এদের মধ্যে শিক্ষক, ডাক্তার, আইনজীবী এবং অন্যান্যরাও অন্তর্ভুক্ত। বড় ব্যবসায়ী, মাঝারি ব্যবসায়ী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সমন্বয়ে গঠিত শ্রেণিটির বিভাজন ছিল ৩৬.৭ শতাংশ। এর অতিরিক্ত ৭.৪ শতাংশের মধ্যে গৃহবধু, শিক্ষার্থী, বেকার এবং অন্যান্যদের মতো কোন রকম আনুষ্ঠানিক পেশাবিহীনদের পাওয়া যায়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;/table&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=551&amp;oldid=prev</id>
		<title>NasirkhanBot: Added Ennglish article link</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=551&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2014-05-04T23:08:55Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Added Ennglish article link&lt;/p&gt;
&lt;a href=&quot;//bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;amp;diff=551&quot;&gt;পরিবর্তনসমূহ&lt;/a&gt;</summary>
		<author><name>NasirkhanBot</name></author>
	</entry>
</feed>