<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF</id>
	<title>মৃত্তিকা ইকোলজি - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF&amp;action=history"/>
	<updated>2026-06-17T14:07:46Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.40.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF&amp;diff=18613&amp;oldid=prev</id>
		<title>০৪:৫২, ৫ মার্চ ২০১৫-এ Mukbil</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF&amp;diff=18613&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2015-03-05T04:52:39Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;table style=&quot;background-color: #fff; color: #202122;&quot; data-mw=&quot;interface&quot;&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-marker&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-content&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-marker&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-content&quot; /&gt;
				&lt;tr class=&quot;diff-title&quot; lang=&quot;bn&quot;&gt;
				&lt;td colspan=&quot;2&quot; style=&quot;background-color: #fff; color: #202122; text-align: center;&quot;&gt;← পূর্বের সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;td colspan=&quot;2&quot; style=&quot;background-color: #fff; color: #202122; text-align: center;&quot;&gt;০৪:৫২, ৫ মার্চ ২০১৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot; id=&quot;mw-diff-left-l2&quot;&gt;২ নং লাইন:&lt;/td&gt;
&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot;&gt;২ নং লাইন:&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;মৃত্তিকা ইকোলজি&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (Soil Ecology)  জীবন্ত জীব এবং যে পরিবেশে এরা বাস করে এ দুইয়ের মধ্যে বিদ্যমান পারম্পরিক সম্পর্কের বিজ্ঞানসম্মত অনুশীলন। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ মৃত্তিকা বাস্ত্তসংস্থান সম্বন্ধীয় সংগঠন Soil Association সর্বপ্রথম কীটনাশকের বিরুদ্ধে এবং জৈব কৃষি ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করার জন্য প্রচার চালায়। মৃত্তিকা ইকোলজিকে সংজ্ঞায়িত করার লক্ষ্যে প্রথমে ইকোলজি শব্দটির সঙ্গে পরিচিত হওয়া প্রয়োজন। কোনো একটি বাসস্থান এবং এতে বসবাসকারী জীব সম্প্রদায়ের সমন্বয়ে গড়ে উঠা একক কার্যকরী সিস্টেমকে ইকোসিস্টেম বলা হয়। ইকোসিস্টেম জীব সম্প্রদায় এবং সংশ্লিষ্ট ভৌত পরিবেশের সমষ্টি নিয়ে গঠিত। ভৌত পরিবেশের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো মৃত্তিকা, পানি, জলবায়ু, ভূতত্ত্ব, ভূসংস্থান এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের নিচে বা পৃষ্ঠ থেকে উপরে অবস্থিত উচ্চতা। ইকোসিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মৃত্তিকার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। একই সঙ্গে জৈবিক ও অজৈবিক উপাদানের সমন্বয়ে মৃত্তিকা একটি সুনির্দিষ্ট আংশিক ইকোসিস্টেমও গঠন করে এবং গোটা ইকোসিস্টেমের সঙ্গে এর সংযোগ ঘটায়। যখন ইকোসিস্টেমের অবস্থাকে সংশ্লিষ্ট করা হয় এবং ক্ষতিকর প্রক্রিয়াসমূহকে অনুশীলন ও বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করা হয়, তখন মৃত্তিকা ও এর ধর্মাবলির প্রতি বিশেষ দৃষ্টি নিবন্ধ করা উচিত, কারণ এটি হলো একটি মাধ্যমে যা প্রায়ই ইকোসিস্টেমের কার্যাবলি, ধর্মাবলি এবং এমনকি পরিণতি ও সম্ভাব্য উন্নয়নকে নির্ধারণ করে। মৃত্তিকা অধিকাংশ ইকোসিস্টেমের সিংহভাগ দখল করে আছে। কোন একটি ইকোসিস্টেমের মৌলিক ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হলো এই যে, প্রকৃতিতে সকল বস্ত্ত কোন না কোনভাবে সবকিছুর সঙ্গে সম্পর্কিত। এ কারণে মৃত্তিকা ইকোলজিতে এসব সম্পর্ক নিয়ে অনুশীলন করা হয়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;মৃত্তিকা ইকোলজি&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (Soil Ecology)  জীবন্ত জীব এবং যে পরিবেশে এরা বাস করে এ দুইয়ের মধ্যে বিদ্যমান পারম্পরিক সম্পর্কের বিজ্ঞানসম্মত অনুশীলন। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ মৃত্তিকা বাস্ত্তসংস্থান সম্বন্ধীয় সংগঠন Soil Association সর্বপ্রথম কীটনাশকের বিরুদ্ধে এবং জৈব কৃষি ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করার জন্য প্রচার চালায়। মৃত্তিকা ইকোলজিকে সংজ্ঞায়িত করার লক্ষ্যে প্রথমে ইকোলজি শব্দটির সঙ্গে পরিচিত হওয়া প্রয়োজন। কোনো একটি বাসস্থান এবং এতে বসবাসকারী জীব সম্প্রদায়ের সমন্বয়ে গড়ে উঠা একক কার্যকরী সিস্টেমকে ইকোসিস্টেম বলা হয়। ইকোসিস্টেম জীব সম্প্রদায় এবং সংশ্লিষ্ট ভৌত পরিবেশের সমষ্টি নিয়ে গঠিত। ভৌত পরিবেশের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো মৃত্তিকা, পানি, জলবায়ু, ভূতত্ত্ব, ভূসংস্থান এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের নিচে বা পৃষ্ঠ থেকে উপরে অবস্থিত উচ্চতা। ইকোসিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মৃত্তিকার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। একই সঙ্গে জৈবিক ও অজৈবিক উপাদানের সমন্বয়ে মৃত্তিকা একটি সুনির্দিষ্ট আংশিক ইকোসিস্টেমও গঠন করে এবং গোটা ইকোসিস্টেমের সঙ্গে এর সংযোগ ঘটায়। যখন ইকোসিস্টেমের অবস্থাকে সংশ্লিষ্ট করা হয় এবং ক্ষতিকর প্রক্রিয়াসমূহকে অনুশীলন ও বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করা হয়, তখন মৃত্তিকা ও এর ধর্মাবলির প্রতি বিশেষ দৃষ্টি নিবন্ধ করা উচিত, কারণ এটি হলো একটি মাধ্যমে যা প্রায়ই ইকোসিস্টেমের কার্যাবলি, ধর্মাবলি এবং এমনকি পরিণতি ও সম্ভাব্য উন্নয়নকে নির্ধারণ করে। মৃত্তিকা অধিকাংশ ইকোসিস্টেমের সিংহভাগ দখল করে আছে। কোন একটি ইকোসিস্টেমের মৌলিক ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হলো এই যে, প্রকৃতিতে সকল বস্ত্ত কোন না কোনভাবে সবকিছুর সঙ্গে সম্পর্কিত। এ কারণে মৃত্তিকা ইকোলজিতে এসব সম্পর্ক নিয়ে অনুশীলন করা হয়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;−&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #ffe49c; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;মৃত্তিকা ইকোলজির অনুশীলনের প্রাক্করণীয় বিষয় হলো প্রধান প্রধান ইকোসিস্টেম, যথা- সমুদ্র, মোহনা, সমুদ্রতট, স্বাদুপানি সিস্টেম, মরুভূমি, তুন্দ্রা, তৃণভূমি, বনভূমি, আর্দ্রভূমি, সামুদ্রিক আর্দ্রভূমি ইকোসিস্টেম (ম্যানগ্রোভ, জলাভূমি, লবণাক্ত জলাভূমি), প্লাবন ভূমি, বিল, জলাভূমি, বদ্ধজলা ও জলজ ইকোসিস্টেম সম্পর্কে জানা। মৃত্তিকা ইকোলজি প্রদত্ত বিজ্ঞানসম্মত কাঠামোকে ভিত্তি করে মৃত্তিকা সংরক্ষণ প্রোগ্রাম বা দূষণ শনাক্তকরণ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা যায়। মৃত্তিকা বিজ্ঞানের অন্যান্য অধিকাংশ শাখা থেকে মৃত্তিকা ইকোলজি সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। মৃত্তিকা অণুজীব বিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, প্রাণরসায়ন, প্রকৌশল বিজ্ঞান, সংরক্ষণ কৌশল ব্যবস্থাপনা, জীবপ্রযুক্তিবিদ্যা ও কৃষিতত্ত্বের মতো বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় একটি বহু-বিষয়ক-প্রয়াসের মাধ্যমে এ বিষয়টিকে যথাযথভাবে অনুশীলন করা যায়। উল্লিখিত তথ্যের আলোকে বাংলাদেশের ইকোলজির উপর অতি সম্প্রতি অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। ভূমি ব্যবহার ও কৃষি সম্ভাবনার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষিপরিবেশ ও ৮৮টি উপ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। এ বিভক্তির ভিত্তি হচ্ছে (১) ভূ-প্রকৃতি (ভূমিরূপ ও মৃত্তিকা উৎস বস্ত্ত), (২) মৃত্তিকা, (৩) মৌসুম মাফিক প্লাবনের গভীরতা ও স্থায়িত্ব, (৪) খরিফ ও রবিশস্যের সময়ের স্থায়িত্ব, (৫) প্রাক-খরিফ সময়ে অনিশ্চিত বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্ব, (৬) ঠান্ডা শীতকালের স্থায়িত্ব এবং (৭) গ্রীষ্মকালীন অত্যধিক (৪০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রা সংঘটনের মাত্রা। বাংলাদেশের ইকোলজি গবেষণায় দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, মৃত্তিকা গঠনকারী প্রক্রিয়াসমূহ, অধিক সংখ্যক মৃত্তিকার টাইপ ও মৃত্তিকা সিরিজ, কিছু কিছু সমস্যাসঙ্কুল মৃত্তিকার উপস্থিতি এবং মারাত্মক বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভারি বৃষ্টিপাত ও খরার মতো ঘন ঘন ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;+&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #a3d3ff; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;মৃত্তিকা ইকোলজির অনুশীলনের প্রাক্করণীয় বিষয় হলো প্রধান প্রধান ইকোসিস্টেম, যথা- সমুদ্র, মোহনা, সমুদ্রতট, স্বাদুপানি সিস্টেম, মরুভূমি, তুন্দ্রা, তৃণভূমি, বনভূমি, আর্দ্রভূমি, সামুদ্রিক আর্দ্রভূমি ইকোসিস্টেম (ম্যানগ্রোভ, জলাভূমি, লবণাক্ত জলাভূমি), প্লাবন ভূমি, বিল, জলাভূমি, বদ্ধজলা ও জলজ ইকোসিস্টেম সম্পর্কে জানা। মৃত্তিকা ইকোলজি প্রদত্ত বিজ্ঞানসম্মত কাঠামোকে ভিত্তি করে মৃত্তিকা সংরক্ষণ প্রোগ্রাম বা দূষণ শনাক্তকরণ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা যায়। মৃত্তিকা বিজ্ঞানের অন্যান্য অধিকাংশ শাখা থেকে মৃত্তিকা ইকোলজি সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। মৃত্তিকা অণুজীব বিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, প্রাণরসায়ন, প্রকৌশল বিজ্ঞান, সংরক্ষণ কৌশল ব্যবস্থাপনা, জীবপ্রযুক্তিবিদ্যা ও কৃষিতত্ত্বের মতো বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় একটি বহু-বিষয়ক-প্রয়াসের মাধ্যমে এ বিষয়টিকে যথাযথভাবে অনুশীলন করা যায়। উল্লিখিত তথ্যের আলোকে বাংলাদেশের ইকোলজির উপর অতি সম্প্রতি অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। ভূমি ব্যবহার ও কৃষি সম্ভাবনার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষিপরিবেশ ও ৮৮টি উপ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। এ বিভক্তির ভিত্তি হচ্ছে (১) ভূ-প্রকৃতি (ভূমিরূপ ও মৃত্তিকা উৎস বস্ত্ত), (২) মৃত্তিকা, (৩) মৌসুম মাফিক প্লাবনের গভীরতা ও স্থায়িত্ব, (৪) খরিফ ও রবিশস্যের সময়ের স্থায়িত্ব, (৫) প্রাক-খরিফ সময়ে অনিশ্চিত বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্ব, (৬) ঠান্ডা শীতকালের স্থায়িত্ব এবং (৭) গ্রীষ্মকালীন অত্যধিক (৪০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রা সংঘটনের মাত্রা। বাংলাদেশের ইকোলজি গবেষণায় দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, মৃত্তিকা গঠনকারী প্রক্রিয়াসমূহ, অধিক সংখ্যক মৃত্তিকার টাইপ ও মৃত্তিকা সিরিজ, কিছু কিছু সমস্যাসঙ্কুল মৃত্তিকার উপস্থিতি এবং মারাত্মক বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভারি বৃষ্টিপাত ও খরার মতো ঘন ঘন ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে। &lt;ins style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt; &lt;/ins&gt;[মোঃ হারুনর রশীদ খান]&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;−&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #ffe49c; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt; &lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-side-added&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;−&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #ffe49c; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;[মোঃ হারুনর রশীদ খান]&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-side-added&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;[[en:Soil Ecology]]&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;[[en:Soil Ecology]]&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;/table&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF&amp;diff=3856&amp;oldid=prev</id>
		<title>NasirkhanBot: Added Ennglish article link</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE_%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%9C%E0%A6%BF&amp;diff=3856&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2014-05-04T22:47:37Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Added Ennglish article link&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;মৃত্তিকা ইকোলজি&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (Soil Ecology)  জীবন্ত জীব এবং যে পরিবেশে এরা বাস করে এ দুইয়ের মধ্যে বিদ্যমান পারম্পরিক সম্পর্কের বিজ্ঞানসম্মত অনুশীলন। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রিটিশ মৃত্তিকা বাস্ত্তসংস্থান সম্বন্ধীয় সংগঠন Soil Association সর্বপ্রথম কীটনাশকের বিরুদ্ধে এবং জৈব কৃষি ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করার জন্য প্রচার চালায়। মৃত্তিকা ইকোলজিকে সংজ্ঞায়িত করার লক্ষ্যে প্রথমে ইকোলজি শব্দটির সঙ্গে পরিচিত হওয়া প্রয়োজন। কোনো একটি বাসস্থান এবং এতে বসবাসকারী জীব সম্প্রদায়ের সমন্বয়ে গড়ে উঠা একক কার্যকরী সিস্টেমকে ইকোসিস্টেম বলা হয়। ইকোসিস্টেম জীব সম্প্রদায় এবং সংশ্লিষ্ট ভৌত পরিবেশের সমষ্টি নিয়ে গঠিত। ভৌত পরিবেশের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো মৃত্তিকা, পানি, জলবায়ু, ভূতত্ত্ব, ভূসংস্থান এবং সমুদ্র পৃষ্ঠের নিচে বা পৃষ্ঠ থেকে উপরে অবস্থিত উচ্চতা। ইকোসিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে মৃত্তিকার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। একই সঙ্গে জৈবিক ও অজৈবিক উপাদানের সমন্বয়ে মৃত্তিকা একটি সুনির্দিষ্ট আংশিক ইকোসিস্টেমও গঠন করে এবং গোটা ইকোসিস্টেমের সঙ্গে এর সংযোগ ঘটায়। যখন ইকোসিস্টেমের অবস্থাকে সংশ্লিষ্ট করা হয় এবং ক্ষতিকর প্রক্রিয়াসমূহকে অনুশীলন ও বৈশিষ্ট্যমন্ডিত করা হয়, তখন মৃত্তিকা ও এর ধর্মাবলির প্রতি বিশেষ দৃষ্টি নিবন্ধ করা উচিত, কারণ এটি হলো একটি মাধ্যমে যা প্রায়ই ইকোসিস্টেমের কার্যাবলি, ধর্মাবলি এবং এমনকি পরিণতি ও সম্ভাব্য উন্নয়নকে নির্ধারণ করে। মৃত্তিকা অধিকাংশ ইকোসিস্টেমের সিংহভাগ দখল করে আছে। কোন একটি ইকোসিস্টেমের মৌলিক ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মতবাদ হলো এই যে, প্রকৃতিতে সকল বস্ত্ত কোন না কোনভাবে সবকিছুর সঙ্গে সম্পর্কিত। এ কারণে মৃত্তিকা ইকোলজিতে এসব সম্পর্ক নিয়ে অনুশীলন করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মৃত্তিকা ইকোলজির অনুশীলনের প্রাক্করণীয় বিষয় হলো প্রধান প্রধান ইকোসিস্টেম, যথা- সমুদ্র, মোহনা, সমুদ্রতট, স্বাদুপানি সিস্টেম, মরুভূমি, তুন্দ্রা, তৃণভূমি, বনভূমি, আর্দ্রভূমি, সামুদ্রিক আর্দ্রভূমি ইকোসিস্টেম (ম্যানগ্রোভ, জলাভূমি, লবণাক্ত জলাভূমি), প্লাবন ভূমি, বিল, জলাভূমি, বদ্ধজলা ও জলজ ইকোসিস্টেম সম্পর্কে জানা। মৃত্তিকা ইকোলজি প্রদত্ত বিজ্ঞানসম্মত কাঠামোকে ভিত্তি করে মৃত্তিকা সংরক্ষণ প্রোগ্রাম বা দূষণ শনাক্তকরণ পরিকল্পনা প্রণয়ন করা যায়। মৃত্তিকা বিজ্ঞানের অন্যান্য অধিকাংশ শাখা থেকে মৃত্তিকা ইকোলজি সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। মৃত্তিকা অণুজীব বিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, প্রাণরসায়ন, প্রকৌশল বিজ্ঞান, সংরক্ষণ কৌশল ব্যবস্থাপনা, জীবপ্রযুক্তিবিদ্যা ও কৃষিতত্ত্বের মতো বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায় একটি বহু-বিষয়ক-প্রয়াসের মাধ্যমে এ বিষয়টিকে যথাযথভাবে অনুশীলন করা যায়। উল্লিখিত তথ্যের আলোকে বাংলাদেশের ইকোলজির উপর অতি সম্প্রতি অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। ভূমি ব্যবহার ও কৃষি সম্ভাবনার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষিপরিবেশ ও ৮৮টি উপ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে। এ বিভক্তির ভিত্তি হচ্ছে (১) ভূ-প্রকৃতি (ভূমিরূপ ও মৃত্তিকা উৎস বস্ত্ত), (২) মৃত্তিকা, (৩) মৌসুম মাফিক প্লাবনের গভীরতা ও স্থায়িত্ব, (৪) খরিফ ও রবিশস্যের সময়ের স্থায়িত্ব, (৫) প্রাক-খরিফ সময়ে অনিশ্চিত বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্ব, (৬) ঠান্ডা শীতকালের স্থায়িত্ব এবং (৭) গ্রীষ্মকালীন অত্যধিক (৪০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রা সংঘটনের মাত্রা। বাংলাদেশের ইকোলজি গবেষণায় দেশের ভৌগোলিক অবস্থান, মৃত্তিকা গঠনকারী প্রক্রিয়াসমূহ, অধিক সংখ্যক মৃত্তিকার টাইপ ও মৃত্তিকা সিরিজ, কিছু কিছু সমস্যাসঙ্কুল মৃত্তিকার উপস্থিতি এবং মারাত্মক বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভারি বৃষ্টিপাত ও খরার মতো ঘন ঘন ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[মোঃ হারুনর রশীদ খান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Soil Ecology]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Soil Ecology]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Soil Ecology]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Soil Ecology]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>NasirkhanBot</name></author>
	</entry>
</feed>