<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95</id>
	<title>বৈদেশিক সম্পর্ক - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95&amp;action=history"/>
	<updated>2026-06-13T14:20:10Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.40.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95&amp;diff=21731&amp;oldid=prev</id>
		<title>১৭:২৬, ১৫ অক্টোবর ২০২৩-এ Mukbil</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95&amp;diff=21731&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2023-10-15T17:26:52Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;a href=&quot;//bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95&amp;amp;diff=21731&amp;amp;oldid=18190&quot;&gt;পরিবর্তনসমূহ&lt;/a&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95&amp;diff=18190&amp;oldid=prev</id>
		<title>০৯:৫০, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫-এ Mukbil</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95&amp;diff=18190&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2015-02-25T09:50:59Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;table style=&quot;background-color: #fff; color: #202122;&quot; data-mw=&quot;interface&quot;&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-marker&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-content&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-marker&quot; /&gt;
				&lt;col class=&quot;diff-content&quot; /&gt;
				&lt;tr class=&quot;diff-title&quot; lang=&quot;bn&quot;&gt;
				&lt;td colspan=&quot;2&quot; style=&quot;background-color: #fff; color: #202122; text-align: center;&quot;&gt;← পূর্বের সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;td colspan=&quot;2&quot; style=&quot;background-color: #fff; color: #202122; text-align: center;&quot;&gt;০৯:৫০, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে সংশোধিত সংস্করণ&lt;/td&gt;
				&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot; id=&quot;mw-diff-left-l2&quot;&gt;২ নং লাইন:&lt;/td&gt;
&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot;&gt;২ নং লাইন:&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;বৈদেশিক সম্পর্ক&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; প্রতিবেশী দেশসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন ও গতিপ্রকৃতির ধারাবাহিকতার বৈশিষ্ট্যকে একটি দেশের বৈদেশিক সম্পর্ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নির্ভর করে তার বৈদেশিক সম্পর্ক বা নীতির ওপর। অবশ্য দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ সম্পর্ক দেশের স্বার্থে পরিবর্তনযোগ্য। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর একটি বৈদেশিক সম্পর্ক বা নীতি অনুসরণ করে আসছে, যদিও গত ৪০ বছরে সেই নীতিতে লক্ষণীয় পরিবর্তন ঘটেছে। স্বাধীন রাষ্ট্ররূপে এর অভ্যুদয়ের পূর্বেই মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকার বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কের একটি রূপরেখা প্রণয়ন করেছিল।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;বৈদেশিক সম্পর্ক&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; প্রতিবেশী দেশসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ধরন ও গতিপ্রকৃতির ধারাবাহিকতার বৈশিষ্ট্যকে একটি দেশের বৈদেশিক সম্পর্ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি নির্ভর করে তার বৈদেশিক সম্পর্ক বা নীতির ওপর। অবশ্য দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ সম্পর্ক দেশের স্বার্থে পরিবর্তনযোগ্য। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর একটি বৈদেশিক সম্পর্ক বা নীতি অনুসরণ করে আসছে, যদিও গত ৪০ বছরে সেই নীতিতে লক্ষণীয় পরিবর্তন ঘটেছে। স্বাধীন রাষ্ট্ররূপে এর অভ্যুদয়ের পূর্বেই মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকার বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কের একটি রূপরেখা প্রণয়ন করেছিল।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;−&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #ffe49c; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;বৈদেশিক সম্পর্কে অগ্রাধিকার&#039;&#039;&#039;  দেশের বৈদেশিক সম্পর্ক রচনার ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশ প্রধানত দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম-প্রধান দেশসমূহ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ শিল্পোন্নত ইউরোপীয় দেশসমূহ, জাপান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনকে বেছে নিয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্ক মূলত এ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন সব সরকারের দ্বারাই এসব দেশে পরিচালিত ও বিস্তৃত হয়েছে। প্রতিটি সরকারের পররাষ্ট্রনীতিতে এসব দেশ বা অঞ্চল সমান গুরুত্ব পায় নি, অর্থাৎ ক্ষমতাসীন সরকার তার মতাদর্শ এবং জাতীয় স্বার্থ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তার অগ্রাধিকার ঠিক করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে অগ্রাধিকার তালিকার প্রথমে রাখে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সাহায্য এবং দুদেশের নেতৃত্বের মধ্যে মতাদর্শিক মিলের কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশেষ বন্ধুত্বের প্রসঙ্গটি গুরুত্ব পায়। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন এবং সমকালীন বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চেয়েছিল।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;+&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #a3d3ff; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&lt;ins style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;&#039;&#039;&lt;/ins&gt;&#039;&#039;&#039;বৈদেশিক সম্পর্কে অগ্রাধিকার&lt;ins style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;&#039;&#039;&lt;/ins&gt;&#039;&#039;&#039;  দেশের বৈদেশিক সম্পর্ক রচনার ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশ প্রধানত দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্যসহ মুসলিম-প্রধান দেশসমূহ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ শিল্পোন্নত ইউরোপীয় দেশসমূহ, জাপান এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনকে বেছে নিয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্ক মূলত এ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন সব সরকারের দ্বারাই এসব দেশে পরিচালিত ও বিস্তৃত হয়েছে। প্রতিটি সরকারের পররাষ্ট্রনীতিতে এসব দেশ বা অঞ্চল সমান গুরুত্ব পায় নি, অর্থাৎ ক্ষমতাসীন সরকার তার মতাদর্শ এবং জাতীয় স্বার্থ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তার অগ্রাধিকার ঠিক করেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নকে অগ্রাধিকার তালিকার প্রথমে রাখে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের সাহায্য এবং দুদেশের নেতৃত্বের মধ্যে মতাদর্শিক মিলের কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশেষ বন্ধুত্বের প্রসঙ্গটি গুরুত্ব পায়। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন এবং সমকালীন বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশ সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করতে চেয়েছিল।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;বিএনপি সরকার তার বিবেচনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং মুসলিম বিশ্বকে তাঁর বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। এ সরকারের নীতি নির্ধারকগণ বর্ধিষ্ণু অর্থনৈতিক সহযোগিতার কথা বিবেচনা করে বৈদেশিক সম্পর্কে অধিকতর ভারসাম্য আনয়নের লক্ষ্যে মুসলিম প্রধান দেশসমূহের সঙ্গে গতিশীল সম্পর্ক রচনায় উদ্যোগী হন। স্বাধীনতা যুদ্ধে চীনের বিরোধিতা সত্ত্বেও জিয়া সরকার ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অনুষ্ণ সম্পর্কের কারণে দেশটির বন্ধুত্ব লাভে আগ্রহী ছিল। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় জিয়া সরকারের আমলে।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;বিএনপি সরকার তার বিবেচনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং মুসলিম বিশ্বকে তাঁর বৈদেশিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে। এ সরকারের নীতি নির্ধারকগণ বর্ধিষ্ণু অর্থনৈতিক সহযোগিতার কথা বিবেচনা করে বৈদেশিক সম্পর্কে অধিকতর ভারসাম্য আনয়নের লক্ষ্যে মুসলিম প্রধান দেশসমূহের সঙ্গে গতিশীল সম্পর্ক রচনায় উদ্যোগী হন। স্বাধীনতা যুদ্ধে চীনের বিরোধিতা সত্ত্বেও জিয়া সরকার ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অনুষ্ণ সম্পর্কের কারণে দেশটির বন্ধুত্ব লাভে আগ্রহী ছিল। পূর্ববর্তী সরকারের আমলে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলেও দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয় জিয়া সরকারের আমলে।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot; id=&quot;mw-diff-left-l10&quot;&gt;১০ নং লাইন:&lt;/td&gt;
&lt;td colspan=&quot;2&quot; class=&quot;diff-lineno&quot;&gt;১০ নং লাইন:&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বাইরে বাংলাদেশ জাতিসংঘ, জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন, কমনওয়েলথ, সার্ক এবং ওআইসির মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ এবং এদের কর্মতৎপরতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়। স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের সদস্যপদ লাভ করে। তবে ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ চেয়েও ব্যর্থ হয়েছিল চীনের ‘ভেটো’ প্রয়োগের কারণে। অবশ্য পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের মাধ্যমে এবং চীনের সম্মতিতে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করায় পাকিস্তান এ সংগঠন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। অন্যদিকে ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ায় লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করে বাংলাদেশ সংগঠনটির সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৫ সালে ওআইসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ডি-৮ এবং বিমস্টেক-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এ দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের রূপায়ণ ঘটায়। জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনে বাংলাদেশ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। বাংলাদেশ দুই বছরের জন্য (১৯৭৯-১৯৮০) নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ছিল।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বাইরে বাংলাদেশ জাতিসংঘ, জোটনিরপেক্ষ আন্দোলন, কমনওয়েলথ, সার্ক এবং ওআইসির মতো আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ এবং এদের কর্মতৎপরতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়। স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের সদস্যপদ লাভ করে। তবে ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ চেয়েও ব্যর্থ হয়েছিল চীনের ‘ভেটো’ প্রয়োগের কারণে। অবশ্য পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের মাধ্যমে এবং চীনের সম্মতিতে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করায় পাকিস্তান এ সংগঠন থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। অন্যদিকে ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ায় লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করে বাংলাদেশ সংগঠনটির সদস্যপদ লাভ করে। ১৯৭৫ সালে ওআইসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ডি-৮ এবং বিমস্টেক-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এ দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের রূপায়ণ ঘটায়। জাতিসংঘের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনে বাংলাদেশ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। বাংলাদেশ দুই বছরের জন্য (১৯৭৯-১৯৮০) নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ছিল।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;−&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #ffe49c; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;বৈদেশিক সম্পর্কের বিবর্তন&#039;&#039;&#039; বৈদেশিক সম্পর্ক সৃষ্টির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। ভৌগোলিক অবস্থান, অভিন্ন ইতিহাস, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে দক্ষিণ এশিয়াকে প্রথম বিবেচনায় আনতে হয়। এ অঞ্চলের ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপকে নিয়ে বাংলাদেশ ১৯৮০ সালে সার্কের ধারণাটি তুলে ধরে। সার্কের সূচনালগ্নে বাংলাদেশ প্রণীত পরিকল্পনায় উল্লিখিত ১২টি ক্ষেত্রের মধ্যে যৌথ বিনিয়োগ ও বাজার চালুকরণ ছাড়াও অন্য ১০টি ক্ষেত্রে সহযোগিতা শুরু হয়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot; data-marker=&quot;+&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #a3d3ff; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;&lt;ins style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;&#039;&#039;&lt;/ins&gt;&#039;&#039;&#039;বৈদেশিক সম্পর্কের বিবর্তন&lt;ins style=&quot;font-weight: bold; text-decoration: none;&quot;&gt;&#039;&#039;&lt;/ins&gt;&#039;&#039;&#039; বৈদেশিক সম্পর্ক সৃষ্টির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। ভৌগোলিক অবস্থান, অভিন্ন ইতিহাস, অর্থনৈতিক অবস্থা এবং সর্বোপরি রাষ্ট্রীয় অখন্ডতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে দক্ষিণ এশিয়াকে প্রথম বিবেচনায় আনতে হয়। এ অঞ্চলের ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপকে নিয়ে বাংলাদেশ ১৯৮০ সালে সার্কের ধারণাটি তুলে ধরে। সার্কের সূচনালগ্নে বাংলাদেশ প্রণীত পরিকল্পনায় উল্লিখিত ১২টি ক্ষেত্রের মধ্যে যৌথ বিনিয়োগ ও বাজার চালুকরণ ছাড়াও অন্য ১০টি ক্ষেত্রে সহযোগিতা শুরু হয়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;br/&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;tr&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;সার্ক ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক কাঠামোতে এ অঞ্চলের দেশগুলির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তিনদিকে ভারতের অবস্থান হওয়ায় দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারত একটি স্থায়ী উপাদান হিসেবে কাজ করে। স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদান সত্ত্বেও দেশটির সাথে অচিরে বাংলাদেশ বিভিন্ন ইস্যুতে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। স্বাধীনতার পর সীমান্ত বাণিজ্যচুক্তি, গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা, বাণিজ্যিক ভারসাম্য, সমুদ্র সীমানা চিহ্নিতকরণ বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে অনৈক্য দেখা দেয়ায় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত ২৫ বছর মেয়াদী  [[ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি|ভারত]][[ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি|-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি]] একটি বিতর্কিত বিষয়ে পরিণত হয়। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তন হলে দু’দেশের সরকারের সমস্যা সমাধানে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এবং মতাদর্শগত পার্থক্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সংঘাতময় করে তোলে। বিবাদমূলক ইস্যুগুলির মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টনের সমস্যাটি সর্বাধিক জটিল এবং বাংলাদেশের জন্য এটির আশু সমাধানের প্রয়োজন ছিল। স্বাধীনতার পর থেকেই বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টনের প্রশ্নে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত থাকে এবং ১৯৭৫ সালে ১ বছর মেয়াদি, ১৯৭৭ সালে ৫ বছর মেয়াদি ও ১৯৯৬ সালে ৩০ বছর মেয়াদি  [[গঙ্গার পানিবণ্টন|গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি]] স্বাক্ষরিত হয়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;td class=&quot;diff-marker&quot;&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style=&quot;background-color: #f8f9fa; color: #202122; font-size: 88%; border-style: solid; border-width: 1px 1px 1px 4px; border-radius: 0.33em; border-color: #eaecf0; vertical-align: top; white-space: pre-wrap;&quot;&gt;&lt;div&gt;সার্ক ছাড়াও দ্বিপাক্ষিক কাঠামোতে এ অঞ্চলের দেশগুলির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তিনদিকে ভারতের অবস্থান হওয়ায় দেশের পররাষ্ট্রনীতিতে ভারত একটি স্থায়ী উপাদান হিসেবে কাজ করে। স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদান সত্ত্বেও দেশটির সাথে অচিরে বাংলাদেশ বিভিন্ন ইস্যুতে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। স্বাধীনতার পর সীমান্ত বাণিজ্যচুক্তি, গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা, বাণিজ্যিক ভারসাম্য, সমুদ্র সীমানা চিহ্নিতকরণ বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে অনৈক্য দেখা দেয়ায় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত ২৫ বছর মেয়াদী  [[ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি|ভারত]][[ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি|-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি]] একটি বিতর্কিত বিষয়ে পরিণত হয়। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তন হলে দু’দেশের সরকারের সমস্যা সমাধানে ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি এবং মতাদর্শগত পার্থক্য দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সংঘাতময় করে তোলে। বিবাদমূলক ইস্যুগুলির মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টনের সমস্যাটি সর্বাধিক জটিল এবং বাংলাদেশের জন্য এটির আশু সমাধানের প্রয়োজন ছিল। স্বাধীনতার পর থেকেই বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টনের প্রশ্নে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অব্যাহত থাকে এবং ১৯৭৫ সালে ১ বছর মেয়াদি, ১৯৭৭ সালে ৫ বছর মেয়াদি ও ১৯৯৬ সালে ৩০ বছর মেয়াদি  [[গঙ্গার পানিবণ্টন|গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি]] স্বাক্ষরিত হয়।&lt;/div&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;
&lt;/table&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95&amp;diff=3599&amp;oldid=prev</id>
		<title>NasirkhanBot: Added Ennglish article link</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95&amp;diff=3599&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2014-05-04T22:32:57Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Added Ennglish article link&lt;/p&gt;
&lt;a href=&quot;//bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A7%88%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95&amp;amp;diff=3599&quot;&gt;পরিবর্তনসমূহ&lt;/a&gt;</summary>
		<author><name>NasirkhanBot</name></author>
	</entry>
</feed>