<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8_%E0%A7%A7%E0%A7%AF%E0%A7%AB%E0%A7%AA</id>
	<title>নির্বাচন ১৯৫৪ - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8_%E0%A7%A7%E0%A7%AF%E0%A7%AB%E0%A7%AA"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8_%E0%A7%A7%E0%A7%AF%E0%A7%AB%E0%A7%AA&amp;action=history"/>
	<updated>2026-10-20T01:48:18Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.46.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8_%E0%A7%A7%E0%A7%AF%E0%A7%AB%E0%A7%AA&amp;diff=9622&amp;oldid=prev</id>
		<title>১৫:৫৮, ১৭ এপ্রিল ২০১৫-এ Nasirkhan</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%A8_%E0%A7%A7%E0%A7%AF%E0%A7%AB%E0%A7%AA&amp;diff=9622&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2015-04-17T15:58:18Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;[[Category:Banglapedia]]&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;নির্বাচন ১৯৫৪&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ক্ষমতাসীন [[মুসলিম লীগ|মুসলিম লীগ]] এবং পাঁচটি দলের সমন্বয়ে গঠিত [[যুক্তফ্রণ্ট|যুক্তফ্রন্ট]]। যুক্তফ্রন্টের প্রধান শরিক দলগুলো ছিল মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ, এ. কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক পার্টি, মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজামে ইসলাম, হাজী মোহাম্মদ দানেশের নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্রী দল এবং খিলাফতে রববানী পার্টি। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মার্চ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রাদেশিক পরিষদের ৩০৪টি আসনের জন্য ১২৮৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ৫টি আসনে প্রার্থীগণ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত ২২৮টি আসনের জন্য প্রার্থী ছিলেন ৯৮৬ জন, সাধারণ হিন্দুদের জন্য নির্ধারিত ৩০টি আসনের জন্য ১০১ জন প্রার্থী এবং তফসিলী সম্প্রদায়ের জন্য নির্ধারিত ৩৬টি আসনের জন্য প্রার্থী ছিলেন ১৫১ জন। অমুসলিমদের আসনে যারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তাদের মধ্যে পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ পার্টি এবং তফসিলী ফেডারেশনের প্রার্থী ছিলেন। মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ১,৯৭,৪৮,৫৬৮ জন। তাদের মধ্যে ৭৩,৪৪,২১৬ জন ভোটার (৩৭.১৯%) ভোট দেন। অপেক্ষাকৃত কমসংখ্যক লোক ভোট দেওয়ার কারণ ছিল গ্রামাঞ্চলের অনুন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা এবং মুসলিম মহিলাদের ঘরের বাইরে যেতে অনীহা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৮টি আসন লাভ করে। এর মধ্যে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনও ছিল। ১৯৩৭ সাল থেকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ক্ষমতায় আসীন মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৭টি আসন। যুক্তফ্রন্টের ২২৮টি আসনের মধ্যে আওয়ামী মুসলিম লীগ পায় ১৪৩টি আসন, কৃষক শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলাম ২২, গণতন্ত্রী দল ১৩, এবং খেলাফতে রববানী পার্টি পায় ২টি আসন। অমুসলিম আসনে কংগ্রেস পায় ২৫টি, তফসিলী ফেডারেশন ২৭টি এবং সংখ্যালঘুদের যুক্তফ্রন্ট পায় ১৩টি আসন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নির্বাচনী প্রচারণায় যুক্তফ্রন্ট প্রচার করে ২১-দফার একটি ম্যানিফেস্টো। এ দফাগুলির মধ্যে ছিল: বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা, জমিদারি প্রথা বিলোপ, পাট ব্যবসা জাতীয়করণ, সমবায় পদ্ধতিতে চাষবাস, উদ্বাস্ত্তদের পুনর্বাসন, বন্যা প্রতিরোধের স্থায়ী ব্যবস্থা, কৃষির আধুনিকায়ন, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, সকল কালাকানুন রহিতকরণ, সমন্বিত বেতন কাঠামো প্রবর্তন, দুর্নীতি দমন, নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ, ভাষা শহীদদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ, মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষা উন্নয়নের কেন্দ্রে রূপান্তর, ২১শে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ও সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা এবং পূর্ণ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা। এসব দাবি উপস্থাপন করেন [[হক, এ.কে ফজলুল|এ]][[হক, এ.কে ফজলুল|. কে ফজলুল হক]], [[সোহ্‌রাওয়ার্দী, হোসেন শহীদ|হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী]],  [[ভাসানী, মওলানা আবদুল হামিদ খান|মওলানা ভাসানী]] ও [[বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান|শেখ মুজিবুর রহমান]]। বামপন্থী দলগুলির কর্মীদের সহায়তায় ফ্রন্টের নেতাগণ প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়েও নির্বাচনের প্রচারণা চালাতে সক্ষম হন। যুক্তফ্রন্ট যেসব বিষয় জনসমক্ষে তুলে ধরে সেগুলি ছিল ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার জন্য ছাত্রদের আত্মাহুতি এবং লবণ, চাল ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির ক্রমবর্ধমান মূল্য। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির বহু নেতাকর্মীর ধরপাকড়ে জনসাধারণ মুসলিম লীগ সরকারের বিরুদ্ধভাবাপন্ন হয়ে ওঠে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু যুক্তফ্রন্টের বিজয় অতি শীঘ্রই অসার প্রমাণিত হয়। ২৫ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর চৌধুরী খালেকুজ্জামান কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা ফজলুল হককে মন্ত্রিসভা গঠনের আহবান জানান। তিনি ৩ এপ্রিল সরকার গঠন করেন, কিন্তু আওয়ামী মুসলিম লীগকে এতে শরিক করেন নি। এর ফলে ফ্রন্টে একটি সঙ্কট সৃষ্টি হয় এবং ফজলুল হক বাধ্য হয়ে ১৫ মে তাঁর মন্ত্রিসভা সম্প্রসারিত করে আওয়ামী লীগের [[আহমদ, আবুল মনসুর|আবুল মনসুর আহমদ]], [[খান, আতাউর রহমান|আতাউর রহমান খান]], শেখ মুজিবুর রহমান, আবদুস সালাম খান এবং হাশিমুদ্দিনকে এর অন্তর্ভুক্ত করেন। ঐ দিনই নারায়ণগঞ্জের আদমজী পাটকলে বাঙালি ও অবাঙালি শ্রমিকদের মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রায় ১৫০০ শ্রমিক নিহত হয়। এর জন্য কমিউনিস্ট কর্মিদের দায়ী করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ফজলুল হক সরকারকে দায়ী করা হয়। ৩০ মে তাঁর মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করে সরাসরি গভর্নরের শাসন চালু করা হয়। ফ্রন্টের ১৬০০ নেতা-কর্মীকে আটক করে জেলে পাঠানো হয়। এর মধ্যে প্রাদেশিক পরিষদের নবনির্বাচিত ৩০ জন সদস্যও ছিলেন। আওয়ামী লীগ অবশ্য ১৯৫৬ সালের ৩০ আগস্ট ক্ষমতায় আসে। তখন মুখ্যমন্ত্রী হন আতাউর রহমান খান। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁদের পদত্যাগ করতে হয়।  [এনামুল হক]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;!-- imported from file: নির্বাচন ১৯৫৪.html--&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Elections 1954]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Elections 1954]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Elections 1954]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Nasirkhan</name></author>
	</entry>
</feed>