<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE</id>
	<title>নক্শবন্দিয়া - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE&amp;action=history"/>
	<updated>2026-06-20T11:08:51Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.40.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE&amp;diff=9502&amp;oldid=prev</id>
		<title>NasirkhanBot: Added Ennglish article link</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE&amp;diff=9502&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2014-05-04T21:52:27Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Added Ennglish article link&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;[[Category:Banglapedia]]&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;নক্শবন্দিয়া&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  (নকশাবন্দিয়া)  তাসাওউফের প্রসিদ্ধ ও সুপরিচিত একটি তরিকা। খাজা বাহাউদ্দীন ইব্ন আহমদ আল-বুখারী (র.) এর প্রতিষ্ঠাতা। ‘নক্শবন্দ’ শব্দের অর্থ ‘চিত্রকর’; এ তরিকার সূফীরা আল্লাহর মহিমার চিত্র হূদয়ে ধারণ করেন এ অর্থে তাঁদের বলা হয় নক্শবন্দী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নক্শবন্দিয়া তরিকায় আটটি বিশেষ তাসাওউফি পরিভাষা রয়েছে, যেগুলিকে এ তরিকার ভিত্তি মনে করা হয়। পরিভাষাগুলি হলো: ১. হুশ দার দিখ- মনের বিক্ষিপ্ততা প্রতিরোধে নিঃশ্বাস সংযম; ২. নজ্র বর্ কদম- দৃষ্টির বিক্ষিপ্ততা প্রতিরোধে দৃষ্টি সংযম; ৩. সফর দর্ ওয়াতন- মুকিম হয়েও মুসাফির; ৪. খালওয়াত দর্ আঞ্জুমন- সংসারে থেকেও তার প্রতি নির্লিপ্ত; ৫. ইয়াদ কর্দ- সকল অবস্থায় আল্লাহর স্মরণ-জিকিরে আত্মনিয়োগ; ৬. বাস্ গাশ্ত- প্রতি মুহূর্তে আল্লাহর চিন্তায় নিমগ্ন থাকার প্রক্রিয়া সন্ধান; ৭. নিগাহ্ দাশ্ত- সার্বক্ষণিক আত্মরক্ষার চেষ্টায় অতন্দ্র থাকা এবং ৮. ইয়াদ দাশ্ত- সার্বক্ষণিক আল্লাহর চিন্তায় নিমজ্জিত থাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খাজা বাহাউদ্দীন উপর্যুক্ত বিষয়গুলির সঙ্গে আরও তিনটি বিষয় সংযোজন করেন। সেগুলি হলো: ১. ওয়াকূফ-ই-জামানি- নিজের সময় ও গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ; ২. ওয়াকূফ-ই-কালবি- হূদয় নিয়ন্ত্রণ এবং ৩. ওয়াকূফ-ই-‘আদাদি- জিকির ইত্যাদি বেজোড় সংখ্যায় সম্পন্নকরণ। সম্রাট আকবরের শাসনামলে খাজা বাকী বিল্লাহ (মৃত্যু. ১৬০৩) এ তরিকা ভারত উপমহাদেশে নিয়ে আসেন। তাসাওউফের অপর তিনটি প্রাপ্য প্রসিদ্ধ তরিকা  [[কাদেরিয়া|কাদেরিয়া]], চিশতিয়া ও  [[সোহরাওয়ার্দী, ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী|সুহরাওয়ার্দিয়া]] এর আগেই উপমহাদেশে প্রচারলাভ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নক্শবন্দিয়া তরিকার প্রথম ধারক ও বাহক খাজা বাকী বিল্লাহ তাঁর জীবনের শেষ চার-পাঁচ বছর এ দেশে এর বুনিয়াদকে দৃঢ়রূপে স্থাপন করেন। তবে এটি মূল শক্তি সংগ্রহ করে তাঁর প্রধান মুরিদ হযরত শায়খ আহমাদ সিরহিন্দী-মুজাদ্দিদ-ই-আলফে ছানি (র.)-এর মাধ্যমে, যার ফলে তরিকাটি ‘মুজাদ্দিদি তরিকা’ নামেও প্রসিদ্ধি লাভ করে। হযরত মুজাদ্দিদ আধ্যাত্মিক আমলের বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও ওয়াজিফাকে ভিন্নরূপে বিন্যস্ত করেন। তিনি মানব দেহাভ্যন্তরে ‘ছয় লতিফা’র স্থান নির্ণয় করেন। আকবরের ‘দীন-ই-ইলাহী’র প্রেক্ষাপটে মুজাদ্দিদি তরিকা শরী‘আত, হকীকত ও নবীর সুন্নাতের অনুসরণ এবং চিন্তাজগতে সংস্কার সাধনের চেষ্টা করে। ক্রমে এটি জনপ্রিয় হয়। খাজা মুহাম্মদ মা‘সূম ও অন্যান্য নক্শবন্দী বুজুর্গ খলিফা ও ভক্তের দ্বারা এ তরিকা মধ্য এশিয়া ও আরব দেশসমূহে ছড়িয়ে পড়ে। ভারত উপমহাদেশে এবং মুসলিম বিশ্বের অনেক অঞ্চলে এখনও এ তরিকা বিদ্যমান।  [রুহুল আমিন]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Nakshbandia]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Nakshbandia]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Nakshbandia]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>NasirkhanBot</name></author>
	</entry>
</feed>