<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B7</id>
	<title>কোষকলাচাষ - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B7"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B7&amp;action=history"/>
	<updated>2026-08-28T16:30:28Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.40.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B7&amp;diff=2142&amp;oldid=prev</id>
		<title>NasirkhanBot: Added Ennglish article link</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B7&amp;diff=2142&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2014-05-04T19:52:43Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Added Ennglish article link&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;কোষকলাচাষ&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (Tissue Culture)&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;কৃত্রিমভাবে কোনো জীবের কোষকলা বা বংশবিস্তার ঘটানো। কোষকলাচাষ বলতে সাধারণত উদ্ভিদ কোষকলার কৃত্রিম চাষই বোঝায়। উদ্ভিদকোষের মতো ল্যাবরেটরিতে প্রাণিকোষচাষ ততটা সহজ নয়। উদ্ভিদকোষচাষ বাংলাদেশে শুরু হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৭০-এর দশকে, যা এখন অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সম্প্রসারিত হয়েছে। অতিসম্প্রতি বেসরকারি খাতে প্রযুক্তিটির ব্যবসায়িক প্রয়োগও শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে এক্ষেত্রে অগ্রণী হলো রেশমচাষ গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (মালবেরি),  [[বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট|বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট]] (ধান, আখ, চা ও আঙুর), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাঁধাকপি,  [[কাঁঠাল|কাঁঠাল]], বীজ-কন্দ, বাহারি উদ্ভিদ,  [[অর্কিড|অর্কিড]]),  [[বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট|বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট]] ([[কলা|কলা]],  [[আনারস|আনারস]], কাঁঠাল, স্ট্রবেরি,  [[পেঁপে|পেঁপে]], তরমুজ এবং অর্কিড, গ্লাডিওলাস, চন্দ্রমল্লিকা, ইত্যাদি),  [[বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়|বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়]] (পেঁপে,  [[আলু|আলু]], কলা,  [[পিঁয়াজ|পিঁয়াজ]],  [[রসুন|রসুন]],  [[গোলাপ|গোলাপ]], অর্কিড, গ্লাডিওলাস),  [[বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট|বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট]] ([[বাঁশ|বাঁশ]], সাইকাস, অর্কিড, জ্যাকারান্ডা,  [[নিম|নিম]],  [[সেগুন|সেগুন]], কাঁঠাল) এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (কলা, আম, আলু, আনারস)। কয়েকটি বেসরকারি সংস্থাসহ ৬টি সংস্থা বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে আলু, কলা ও অর্কিডের মাইক্রোপ্রপাগেশন নিয়ে কাজ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাণিকোষ অতি সহজে কৃত্রিম মাধ্যমে আবাদ করা যায় না। অনেক ক্ষেত্রে চাষ-মাধ্যমে অল্প সময়, কয়েক দিন বা মাস বেঁচে থাকে। তবে কিছু প্রাণিকলা স্বকীয় বৈশিষ্ট্য অনুসারে পাতলা একটি স্তর (monolayer) হিসেবে কালচার-পাত্রের ভেতরের গায়ে বাড়ে; ব্যাকটেরিয়ার মতো কালচার মাধ্যমে প্রলম্বন (suspension) হিসেবেও বাড়তে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাষকৃত প্রাণিকোষ কতক প্রয়োজনীয় কাজে লাগে। এগুলি টিকায় ব্যবহার্য ভাইরাস চাষের জন্য ব্যবহূত হতে পারে, যেজন্য উদ্ভিদকোষ মোটেই উপযুক্ত নয়। এভাবে অনেকগুলি ভাইরাসঘটিত টিকা বিভিন্ন কোষ-লাইনে উৎপন্ন হয়, যেমন গবাদি পশুর পা ও মুখ রোগের (FMD) ভাইরাসের জন্য BHK21 কোষ-লাইন, জলাতঙ্ক ভাইরাসের জন্য VERO কোষ-লাইন ইত্যাদি। বাংলাদেশে সরকারি জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট HeLa, VERO, HEp-2, MRC-5, BHK ইত্যাদির মতো কয়েকটি সাধারণ কোষ-লাইন চালু রেখেছে। International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh (ICDDR,B) সংস্থারও কয়েকটি কোষ-লাইনের একটি মজুদ আছে।  [জিয়া উদ্দিন আহমেদ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Tissue Culture]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>NasirkhanBot</name></author>
	</entry>
</feed>