<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE</id>
	<title>ইসলাম - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE&amp;action=history"/>
	<updated>2026-05-02T16:36:26Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.40.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE&amp;diff=1288&amp;oldid=prev</id>
		<title>০৪:২৫, ১০ জুন ২০১৪-এ Mukbil</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE&amp;diff=1288&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2014-06-10T04:25:07Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;ইসলাম&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  ‘সিল্ম’ ধাতু হতে উৎপন্ন। এর ধাতুগত অর্থ শান্তি, আপোষ, বিরোধ পরিহার। স্বরচিহ্নের তারতম্যে বিভিন্ন আকারে প্রায় একই অর্থে পবিত্র কুরআনে এ ধাতু হতে নিষ্পন্ন কয়েকটি শব্দের ব্যবহার দেখা যায়, যথা: যুদ্ধবিরতির জন্য শান্তির প্রস্তাব (৮:৬১), ইসলামী বিধান (২:২০৮),  যুদ্ধ পরিহারের প্রস্তাব (৪; ৯০:৯১), শান্তি (১০:২৫) অথবা শান্তি কামনামূলক ইসলামী অভিবাদন (৫১:২৫)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিল্ম ধাতু হতে কর্তৃকারকে মুসলিম ইসলাম গ্রহণকারী এবং বহুবচনে মুসলিমূন ও মুসলিমীন ব্যবহূত হয়। ইসলামের পরিভাষাগত অর্থ (১) এক অদ্বিতীয় আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করা (২:১১২), (২) শান্তিস্থাপন তথা বিরোধ পরিহার করা। ইসলাম একটি ‘দীন’ (৩:১৮), একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলামের উৎস দুইটি: (১) কুরআন- দীন ইসলামের প্রথম, প্রধান ও মূল উৎস যা হতে ইসলামের মৌলিক বিধানসমূহ গৃহীত হয়েছে এবং (২) হাদীস- ইসলামের দ্বিতীয় ও মাধ্যমিক উৎস যা হতে ইসলামের শিক্ষাসমূহ গ্রহণ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলাম অন্যান্য ধর্মের ন্যায় মূখ্যত আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব জীবন-দর্শন ও কতিপয় আচার-অনুষ্ঠান সর্বস্ব ধর্ম নয়, বরং এটি একটি সামগ্রিক জীবন ব্যবস্থা, যা জীবনের সকল ক্ষেত্র ও যাবতীয় কার্যকলাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। ইসলাম মানুষের চিরন্তন ধর্ম (৩:১৮)। এর মূল কথা হচ্ছে: (ক) আল্লাহর একত্ব ও অদ্বিতীয়ত্বে বিশ্বাস, (খ) ফিরিশতাগণের প্রতি বিশ্বাস, (গ) আসমানি কিতাবসমূহের প্রতি বিশ্বাস, (ঘ) সকল নবী রাসূলের প্রতি বিশ্বাস, (ঙ) আখিরাত বা পরকালের প্রতি বিশ্বাস, (চ) আল্লাহর সর্বময় নিয়ন্ত্রণ (তাকদীর)-এ বিশ্বাস, (ছ) মৃত্যুপর পুনরুত্থান ও বিচারান্তে অনন্ত পরজীবনে বিশ্বাস, (জ) আমাল-ই-সালিহ বা সৎকর্মে আত্মনিয়োগ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলামের ভিত্তি বা স্তম্ভ পাঁচটি: (১) ঈমান: আল্লাহ ছাড়া কোনো মা‘বুদ (উপাস্য) নেই এবং মুহাম্মদ (সঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল মর্মে সাক্ষ্য দেওয়া; (২) সালাত (নামায) প্রতিষ্ঠা; (৩) যাকাত প্রদান: ধনীর সম্পদে নির্ধনের অধিকার স্বীকৃতিমূলক অপরিহার্য এবং নির্দিষ্ট পরিমাণ দান; (৪) হজ্জ পালন করা: মক্কার কা‘বা ও তৎসন্নিহিত স্থানসমূহে নির্দিষ্ট সময়ে প্রত্যেক সুস্থ ও সম্পন্ন মুসলিমের পক্ষে জীবনে অন্তত একবার একটি বার্ষিক বিশ্ব মহাসম্মেলনে যোগদান এবং আনুষ্ঠানিক ‘ইবাদাত সমাপন; (৫) রামাদান মাসের সাওম (রোযা) পালন (বুখারী: কিতাবু‘ল ঈমান)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
’আমাল-ই-সালিহ সংক্রান্ত বিধান পদ্ধতির সমষ্টি কুরআনে শির‘আ এবং মিনহাজ নামে (৫:৪৮) বা শারী‘আ (৪৫:১৮) নামে অভিহিত। শির‘আ এবং শারী‘আ একই ধাতু হতে উদ্ভূত ও একার্থবোধক। স্থান-কাল পাত্রভেদে নবীদের প্রাপ্ত ও প্রচারিত শারী‘আ-র মধ্যে কিছুটা তফাৎ ছিল। নবীদের প্রচার ও সংগ্রামের সংক্ষিপ্ত ইতিকথা বর্ণনার ক্ষেত্রে কুরআনে নূহ (আঃ) ও তাঁর কাওমের বিদ্রোহের কথা সর্বাগ্রে বিভিন্ন সূরায় বর্ণিত হয়েছে (৭:৫৯); (১০:৭১)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শারী‘আ-র বিষয়বস্ত্ত হলো: (ক) মানুষ এবং আল্লাহর মাঝে ‘আবদ-মাবুদ সম্পর্ক নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণ; (খ) মানুষের সাথে অপর মানুষ ও জীবের সম্পর্ক নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণ এবং এ দুয়ের পরিপ্রেক্ষিতে, (গ) আল্লাহর সৃষ্ট এবং আল্লাহ কর্তৃক জীবের কল্যাণে নিয়োজিত যাবতীয় সামগ্রীর ব্যবহার ও বণ্টন ইত্যাদির নীতিমালা। নবীগণ যুগোপযোগী শারী‘আ লাভ করেছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই পূর্ববর্তী ও পরবর্তী নবীদের শারী‘আতে কিছু প্রভেদ ছিল, কিন্তু তাওহীদ, আখিরাত ও আমাল-ই-সালিহ এ তিনটি মৌলিক বিষয়ে কোনো পরিবর্তন হয়নি। শারী‘আ দীনের অন্তর্ভুক্ত। দীন চিরন্তন কিন্তু শারী‘আ বিবর্তনশীল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;ইসলাম ও মুসলিম পারিভাষিক ব্যবহার&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  কুরআনে ইসলাম ও মুসলিম শব্দদ্বয়ের পারিভাষিক ব্যবহার প্রবর্তন হয়। নূহ (আঃ)-এর অন্যতম প্রসিদ্ধ বংশধর ইব্রাহীম (আঃ) অপেক্ষাকৃত উন্নত শারী‘আতের প্রাপক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছিলেন। ইব্রাহীম (আঃ)-এর দু পুত্র ইস্মাঈল এবং ইস্হাক (আঃ) উভয়ই নবী; উভয়ের বংশে আরও নবী জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ইস্মাঈল-এর শাখায় মুহাম্মদ (সঃ)-এর জন্ম, ইস্হাক-এর শাখায় বানী ইস্রাঈল (য়া‘কুবের অপর নাম) বংশীয় নবীদের উদ্ভব হয়। যেমন মূসা ও ঈসা (আঃ)। সুতরাং তাঁদের সকলের ঊর্দ্ধতন পিতৃপুরুষ ছিলেন ইব্রাহীম (আঃ) এবং ইসলাম তাঁদের সকলেরই পবিত্র উত্তরাধিকার। কুরআনে ঘোষণা হয়: তোমাদের পিতৃপুরুষ ইব্রাহীম-এর দীন বা মিল্লাত। তিনিই তোমাদেরকে ‘মুসলিম’ নামে অভিহিত করেছিলেন (২২:২৮)। পরে তাঁদের অনুসারিগণ নবীর নামে (য়াহুদা হতে য়াহুদি, ক্রাইস্ট হতে খ্রিস্টান ইত্যাদি) নিজেদের নামকরণ করেন এবং উভয় দল ইব্রাহীম (আঃ)-কে তাঁদের স্বধর্মাবলম্বী বলে দাবি করেন। কুরআনের জিজ্ঞাসা, ‘তোমরা কি বলতে চাও ইব্রাহীম, ইস্মাঈল, ইসহাক, য়া’কুব এবং তাঁদের বংশধরগণ য়াহুদি কিংবা নাসারা (খ্রিস্টান) ছিলেন? তোমরা কি আল্লাহ অপেক্ষা অধিকতর জ্ঞানী’ (২:১৪০)? কুরআন দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করে, ‘বরং ইব্রাহীম ছিলেন হানীফ (পরম নিষ্ঠবান) মুসলিম, তিনি মুশরিক ছিলেন না’।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শেষ নবী মুহাম্মদ (সঃ)-এর নুবুওয়াতে কুরআনের মাধ্যমে ইসলামী শারী‘আ পূর্ণত্ব লাভ করে (৫:৩)। পূর্ববর্তী নবীদের শারী‘আতের যে বিধানগুলি প্রশংসাবাদের সাথে অথবা বিরুদ্ধ মন্তব্য ছাড়া কুরআনে উল্লেখিত হয়েছে তা ইসলামী আরী‘আ-এর অঙ্গরূপে গণ্য হয়েছে। যথা: জিহাদ (৩:১৪৫), কিসাস (৫:৪৫); পক্ষান্তরে নিন্দাবাদের সাথে উল্লিখিত পূর্ববর্তী উম্মাহর ক্রিয়াকর্ম ইসলাম বহির্ভূত হয়েছে। যথা: অস্বাভাবিক পন্থায় যৌনকর্ম (৭:৮১) এবং অন্যায়ভাবে অর্জিত অর্থ, সুদ, ঘুষ (৫:৬৩)। সুতরাং ইসলাম সম্পূর্ণ নতুন বা অভিনব দীন নয়, বরং একটি সমন্বিত ক্রমবিবর্তনজাত জীবন ব্যবস্থা যাতে অভিনব যুক্তিনির্ভর অনেক বিধানের সংযোজন হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলামী বিধানের উৎস চারটি:  (১) কুরআন: মহানবী (সঃ)-এর তেইশ বছরের নুবুওয়াতকালে অবতীর্ণ সর্বশেষ, সর্বশ্রেষ্ঠ, সার্বজনীন আসমানী ধর্মগ্রন্থ।  (২) হাদীস: নবী কারীম (সঃ), তাঁর সাহাবী ও তাবি‘য়ীগণের কথা, কাজ এবং অনুমোদন সম্পর্কীয় বর্ণনা। (৩) ইজমা’: সঠিক যোগ্যতা সম্পন্ন ও ন্যায়নিষ্ঠ আলেমীদের শারী‘আতের বিধানের কোনো বিষয়ে কুরআন ও হাদীসের আলোকে ঐকমত্য ও সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত। (৪) কিয়াস; যে বিষয় সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসে কোনো স্পষ্ট বিধিনিষেধ নেই সেক্ষেত্রে কুরআন ও সুন্নাহর মধ্যে প্রদত্ত অনুরূপ প্রশ্নের মীমাংসাকে ভিত্তি করে যুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সিদ্ধান্তগ্রহণ। ইজমা ও কিয়াস ব্যবস্থাপক প্রক্রিয়ার বিধানসম্মত রূপ পরিগ্রহ করার কারণে ইসলাম গতিশীলতা অর্জন করেছে। ইসলাম যুক্তিবহ জীবন বিধান। এতে অন্ধ বিশ্বাসের স্থান নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলামকে মানব ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ বিপ্লবরূপে অমুসলিমরাও স্বীকার করেছে। Rev. Bosworth Smith-এর ভাষায়, ‘Islam is the most sudden, most complete and the most extra ordinary revolution that has ever come over any nation on earth’.  [ আ.ন.ম আবদুল মান্নান খান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;গ্রন্থপঞ্জি&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  Rev. Bosworth Smith, &amp;#039;&amp;#039;Mohammed and Mohammedanism&amp;#039;&amp;#039;, London , 1875, p. 251; &amp;#039;&amp;#039;আল-কুরআন&amp;#039;&amp;#039;; &amp;#039;&amp;#039;সাহীহ আল বুখারী&amp;#039;&amp;#039;; &amp;#039;&amp;#039;ইসলামিক ফাউন্ডেশন, &amp;#039;&amp;#039;ইসলামী বিশ্বকোষ&amp;#039;&amp;#039;।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Islam]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
</feed>