<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%2C_%E0%A6%8F%E0%A6%AE_%E0%A6%93%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8</id>
	<title>আলী, এম ওসমান - সংশোধনের ইতিহাস</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?action=history&amp;feed=atom&amp;title=%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%2C_%E0%A6%8F%E0%A6%AE_%E0%A6%93%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80,_%E0%A6%8F%E0%A6%AE_%E0%A6%93%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;action=history"/>
	<updated>2026-05-02T14:35:37Z</updated>
	<subtitle>এই উইকিতে এই পাতার সংশোধনের ইতিহাস</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.40.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80,_%E0%A6%8F%E0%A6%AE_%E0%A6%93%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=1373&amp;oldid=prev</id>
		<title>০৯:১৮, ১৭ জুন ২০১৪-এ Mukbil</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80,_%E0%A6%8F%E0%A6%AE_%E0%A6%93%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=1373&amp;oldid=prev"/>
		<updated>2014-06-17T09:18:08Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p&gt;&lt;b&gt;নতুন পাতা&lt;/b&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;আলী, এম ওসমান&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (১৯০০-১৯৭১)  রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, সমাজসেবক। জন্ম ১৯০০ সালের ১ জানুয়ারি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার জামালকান্দি গ্রামে। পিতা হাজী ডেঙ্গু প্রধান। ওসমান আলী নিজ গ্রামের স্কুলেই প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। তিনি ১৯২০ সালে প্রবেশিকা পাস করেন। অতঃপর তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে ভর্তি হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:AliMOsman.jpg|thumb|400px|right|এম ওসমান আলী]]&lt;br /&gt;
ছাত্রজীবনেই ওসমান আলী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি কলেজ বয়কট করে ১৯২০ সালে খেলাফত আন্দোলন এবং পরে অসহযোগ আন্দোলনে যোগ দেন। এ সময় তিনি অসহযোগ আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতাদের সংস্পর্শে আসেন। ওসমান আলী [[অসহযোগ আন্দোলন|অসহযোগ আন্দোলন]] চলাকালে নারায়ণগঞ্জে এসে রাজনীতির পাশাপাশি পাট ব্যবসা শুরু করেন। এ সময়ে তিনি কম্যুনিস্ট নেতা বেণুধর, বিপ্লবী নেতা অনিল মুখার্জী ও জ্ঞানচক্রবর্তীর সংস্পর্শে আসেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উনিশ শতকের ত্রিশের দশকে নারায়ণগঞ্জের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ব্যবসা-বাণিজ্যে হিন্দু ও মাড়োয়ারীদের প্রাধান্য ছিল। নারায়ণগঞ্জে এ সময় অনেক এজেন্সি ও ব্রোকার হাউস গড়ে ওঠে। এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশই ছিল ইউরোপীয় ও পশ্চিম ভারত থেকে আগত মাড়োয়ারী সম্প্রদায়ের। ব্যবসাক্ষেত্রে বাঙালি মুসলমানদের দৈন্যদশা লক্ষ করে ওসমান আলী নিজে ব্রোকার হাউজ খুলে পাট ব্যবসায়ে আত্মনিয়োগ করেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর ব্যবসার প্রসার ঘটে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তান আন্দোলন শুরু হলে ওসমান আলী নারায়ণগঞ্জে আন্দোলনকে সংগঠিত করেন এবং বামপন্থী ও অন্যান্য স্থানীয় নেতাদের সহযোগিতায় সেখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার চেষ্টা করেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এম ওসমান আলী ১৯৪৬ সালে সাধারণ নির্বাচনে (নারায়ণগঞ্জ দক্ষিণ নির্বাচনী এলাকা) ঢাকার নবাব খাজা হাবিবুল্লাহকে পরাজিত করে বঙ্গীয় প্রাদেশিক আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময় তিনি নারায়ণগঞ্জ শহর মুসলিম লীগের প্রেসিডেন্ট এবং ঢাকা জেলা মুসলিম লীগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি ১৯৪২ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ শহর মুসলিম লীগের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৬ সালে নারায়ণগঞ্জে ‘ঝুলন যাত্রা’ উপলক্ষে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টি হলে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সমঝোতা আনয়নে তিনি বিশেষ ভূমিকা রাখেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর ঢাকা জেলা মুসলিম লীগে ঢাকার নবাবদের সঙ্গে প্রগতিশীল গ্রুপের মতবিরোধ দেখা দেয়। এ বিরোধে ওসমান আলী প্রগতিশীল গ্রুপকে সমর্থন করেন এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে নারায়ণগঞ্জে গণসংবর্ধনা দেন। এম ওসমান আলী ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তানের প্রথম বিরোধী দল আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য ছিলেন। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তাঁর বিশেষ ভূমিকা ছিল। এ জন্য তিনি কারারুদ্ধ হন। ১৯৬২ সালের শাসনতান্ত্রিক আন্দোলন, [[ছয়দফা কর্মসূচি|ছয়দফা]] আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ওসমান আলী সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এম ওসমান আলী সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগী ছিলেন। তাঁর সম্পাদনায় ত্রিশের দশকে নারায়ণগঞ্জ থেকে সবুজ বাঙলা নামে একটি পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকায় লিখতেন [[ঠাকুর, রবীন্দ্রনাথ|রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], কাজী [[ইসলাম, কাজী নজরুল|নজরুল ইসলাম]], [[ঠাকুর, অবনীন্দ্রনাথ|অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর]], [[মজুমদার, মোহিতলাল|মোহিতলাল মজুমদার]], [[জসীমউদ্দীন|জসীমউদ্দীন]], [[আহমদ, আবুল মনসুর|আবুল মনসুর আহমদ]], অধ্যাপক [[মনসুরউদ্দীন, মুহম্মদ|মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন]], [[মিয়া, বন্দে আলী|বন্দে আলী মিয়া]], [[ওদুদ, কাজী আবদুল|কাজী আবদুল ওদুদ]], [[সিদ্দিকা, মাহমুদা খাতুন|মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা]] প্রমুখ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এম ওসমান আলী ১৯৩৮ সালে নিজ গ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন ওসমানিয়া হাইস্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মসজিদ। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জের তানজিম মুসাফিরখানা, রহমতুল্লাহ অডিটোরিয়াম ও গণপাঠাগার নির্মাণে তাঁর অবদান ছিল। এসব জনহিতকর কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ১৯৪০ সালে ‘খান সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে। কিন্তু ব্রিটিশ সরকারের দমননীতির প্রতিবাদে তিনি ১৯৪৪ সালে এ উপাধি বর্জন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ তাঁর মৃত্যু হয়।  [মো. মুকবিল হোসেন]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Ali, M Osman]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
</feed>