<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.banglapedia.org/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Mukbil</id>
	<title>বাংলাপিডিয়া - ব্যবহারকারীর অবদান [bn]</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.banglapedia.org/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Mukbil"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8/Mukbil"/>
	<updated>2026-07-23T15:42:10Z</updated>
	<subtitle>ব্যবহারকারীর অবদান</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.40.0</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2&amp;diff=22041</id>
		<title>পুতুল</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%B2&amp;diff=22041"/>
		<updated>2026-07-22T06:26:45Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;পুতুল&#039;&#039;&#039; একটি লোকজ শিল্প। দেবদেবীর প্রতিকৃতি ও খেলনা হিসেবে পুতুল এদেশের ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। সাধারণত মাটি, কাঠ, শোলা, কাপড়, বেত, কাগজের মন্ড, গাছের পাতা, পাট ও চীনামাটি দিয়ে পুতুল তৈরি করা হয়ে থাকে। তবে মাটি ও কাঠের পুতুলের প্রচলনই সর্বাধিক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কবে থেকে পুতুল তৈরি শুরু হয়েছে সে সম্পর্কে সঠিক ধারণা পাওয়া দুষ্কর। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন থেকে জানা যায় যে, মহেঞ্জোদারোসহ ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যান্য স্থানেও পুতুল তৈরি হতো। বাংলাদেশের সাভার, ময়নামতী, মহাস্থানগড় ও দিনাজপুরে প্রত্নস্থলে স্থাপত্যকর্মে পুতুলের বিভিন্ন কারুকাজ লক্ষ করা যায়। সেসব কাজের মধ্যে দেবদেবীর মূর্তি, সিংহ, মহিষ, বাঘ, হরিণ, শেয়াল, হাতি, ভল্লুক, বানর, মাছ ও হাঁস উল্লেখযোগ্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:Dolls1.jpg|thumb|400px|right|মা ওশিশু]]&lt;br /&gt;
খেলনার উদ্দেশে নির্মিত পুতুলগুলি পরবর্তীকালের ধারণাপ্রসূত। কুমাররা আরাধ্য দেবদেবীর মূর্তি তৈরির সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন ধরণের খেলনা পুতুলও তৈরি করেছে। বাংলাদেশে মূলত মেয়েরাই পুতুল তৈরির কারিগর। তবে বর্তমানে পুরুষরাও এ কাজে লিপ্ত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুতুল দুভাবে তৈরি হয়- হাতে ও ছাঁচে। ছাঁচে পুতুল তৈরির কাজ সহজতর। হাতে তৈরি পুতুলে কারিগরকে নিজস্ব মেধা ও দক্ষতা প্রয়োগ করতে হয়। এধরণের পুতুলের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হাতের সাহায্যেই গড়ে তোলা হয়। মাটির বুটি দিয়ে বা কাঠির রেখা টেনে পুতুলের  [[অলঙ্কার|অলঙ্কার]] ও পোশাকের আভাস ফুটিয়ে তোলা হয়। হাতে তৈরি পুতুলে রঙের ব্যবহার হয় না; রোদে শুকিয়ে অল্প আগুনে পোড়ানো হয় মাত্র।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পুতুল তৈরির ছাঁচ কুমাররা নিজেরাই তৈরি করে বংশপরম্পরায় ব্যবহার করে আসছে। যুগের চাহিদা অনুযায়ী বর্তমানে ছাঁচের নতুন নতুন আঙ্গিক তৈরি হচ্ছে। কাঁচামাটি দিয়ে তৈরি ছাঁচের পুতুল প্রথমে রোদে শুকিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়। পরে বিভিন্ন রঙের মাধ্যমে পুতুলের পোশাক-পরিচ্ছদ ও চোখ-মুখের ভাব ফুটিয়ে তোলা হয়। রঙের মধ্যে সাদা, নীল, হলুদ, গোলাপী, সবুজ ও কালো রং প্রাধান্য পায়। পূর্বে গুড়া রং কিনে তেঁতুলের বিচির আঠার সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহারোপযোগী রং তৈরি করা হতো। বর্তমানে বাজারের রং ব্যবহার করা হয়। মাটির পুতুল তৈরিতে ময়মনসিংহ অঞ্চল প্রসিদ্ধ, তবে ঢাকার সাভার, ধামরাই ও রায়ের বাজারেও বিভিন্ন ধরণের পুতুল তৈরি হয়। এসব পুতুলের মধ্যে দেবদেবী ও খেলনা পুতুল ছাড়াও গৃহসজ্জার পুতুলও রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এককাঠের পুতুল বাংলাদেশের অপর ঐতিহ্য। এধরণের পুতুল তৈরিতে কদম, আমড়া, জিওল, শ্যাওড়া, ছাতিম, শিমুল প্রভৃতি কাঠ ব্যবহূত হয়। কারিগররা প্রথমে মাপমতো কাঠ কেটে ত্রিকোণাকৃতি বা অর্ধগোলাকার নারীমূর্তি তৈরি করে এবং পরে তাতে উজ্জ্বল রঙের সাহায্যে অলঙ্কার, পোশাক, হাত, পা, চোখ ও মুখ অঙ্কন করে। রঙের মধ্যে এক্ষেত্রে প্রাধান্য পায় হলুদ, লাল, সবুজ ও কালো রং। এধরণের খেলনা পুতুলের নির্মাণপদ্ধতি ও রঙের ব্যবহার একান্তই সহজ-সরল, কিন্তু বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। কাঠের তৈরি এই তিনকোণা মেয়ে পুতুল মিশরের মমির মতো দেখতে বলে এগুলিকে ‘মমি পুতুল’ও বলা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:DollAmanulHuq.jpg|thumb|400px|left|কাপড়ের তৈরি পুতুল]]&lt;br /&gt;
চার চাকাওয়ালা কাঠের ঘোড়া এবং হাতি পুতুলও বেশ জনপ্রিয়। সাধারণত এক টুকরা কাঠ খোদাই করে ঘোড়া বা হাতির অবয়ব তৈরি করা হয় এবং উজ্জ্বল রঙের সাহায্যে সেসবের অঙ্গসজ্জা করা হয়। পরে চারটি চাকা লাগানো হয়। এ ধরণের পুতুল তৈরিতে সোনারগাঁওয়ের শাহ্পুর গ্রাম প্রসিদ্ধ। এ গ্রামের জনৈক সূত্রধর বর্তমানে এককাঠের তিনকোণা মেয়ে ও ছেলে পুতুলও তৈরি করছেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নাচের পুতুল মাটি ও কাঠের তৈরি। এসব পুতুলের ওপরের অর্ধাংশে রঙের সাহায্যে চোখ, নাক, মুখ ইত্যাদি ফুটিয়ে তোলা হয় এবং নিচের অংশে কাপড়ের পোশাক ব্যবহার করা হয়। সাধারণত পাট বা কৃত্রিম অাঁশ দিয়ে চুল বানানো হয়। নাচের পুতুলের পোশাক-পরিচ্ছদ দৃশ্য অনুযায়ী তৈরি করা হয়। এধরণের পুতুল তৈরির প্রধান উপকরণ ভাঁটশোলা, ন্যাকড়া, কাদামাটি, লোহার তার, কাঠ, রং ইত্যাদি। নাচের পুতুল তৈরিতে এক সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কান্দিপাড়া গ্রাম প্রসিদ্ধ ছিল। সেখানকার কারিগরেরা প্রধানত হিন্দু সম্প্রদায়ের হলেও বর্তমানে কিছু কিছু মুসলমানও এধরণের পুতুল তৈরি করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শোলার খেলনা পুতুল ফরিদপুর ও রাজশাহী অঞ্চল এবং ঢাকার শাঁখারি বাজারে তৈরি হয়। কারিগররা শোলা কেটে বা জোড়া দিয়ে বিভিন্ন আকৃতির পুতুল তৈরি করে। পুতুল তৈরি হওয়ার পর রঙের সাহায্যে সেগুলিকে আকর্ষণীয় করে তোলা হয়। এসব পুতুল দীর্ঘস্থায়ী হয় না বলে এগুলির ব্যবহারও কম। সাধারণত বৈশাখী মেলাসহ বিভিন্ন গ্রাম্যমেলা উপলক্ষে শোলার পুতুল তৈরি ও বেচাকেনা হয়। কাপড়ের পুতুল শিশুদের কাছে অধিক জনপ্রিয়। এধরণের পুতুল তৈরি হয় হাতে। বর্তমানে বিভিন্ন সংস্থা গৃহসজ্জার জন্য নানা ধরণের কাপড়ের পুতুল তৈরি করছে। পোশাক-পরিচ্ছদ ও অলঙ্কারে বৈচিত্র্য থাকায় এসব পুতুল শুধু দেশে নয়, বিদেশেও সমাদর লাভ করছে। এগুলির মধ্যে বর-কনে, বেদেনি, উপজাতীয় ও মণিপুরী নাচের পুতুল উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে পাটের তৈরি পুতুল গৃহসজ্জার নিদর্শন হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এগুলি প্রায় প্রতি জেলায় পাওয়া যায়। কাগজের মন্ড দিয়েও পুতুল তৈরি হয়। কাগজ ভিজিয়ে মন্ড তৈরি করে ছাঁচের সাহায্যে এধরণের পুতুল তৈরি করা হয়। বর্তমানে বিভিন্ন সিরামিক প্রতিষ্ঠান চীনামাটির পুতুল তৈরি করছে।এসব পুতুল প্রধানত গৃহসজ্জার কাজেই ব্যবহূত হয়।ঢাকার লালবাগ, ধামরাই ও সাভারে ধাতু দিয়ে বিভিন্ন ধরণের পুতুল ও দেবদেবীর মূর্তি তৈরি হচ্ছে। এক সময় এগুলির প্রধান কারিগররা ছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের, বর্তমানে অনেক মুসলমান কারিগরও এধরণের ধাতব পুতুল তৈরি করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে মাটি ও কাঠের পুতুলের চাহিদা দেশে ও বিদেশে বৃদ্ধি পাওয়ায় কুমাররা বিভিন্ন আঙ্গিকে পুতুল তৈরি করছে। বাজারজাত করনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা, ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তি, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই শিল্পের মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।   [জিনাত মাহরুখ বানু]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Dolls]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Dolls]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Dolls]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Dolls]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=22040</id>
		<title>ইটখোলা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BE&amp;diff=22040"/>
		<updated>2026-07-22T05:29:49Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;ইটখোলা&#039;&#039;&#039;  বিশেষ মানের কাদামাটি পুড়িয়ে ইট তৈরির কারখানাকে ইটভাটা বা ইটখোলা বলা হয়। বাংলাদেশে নির্মাণ কাজে ব্যবহারোপযোগী পাথর সুলভ না হওয়ায় এবং দেশের অধিকাংশ অঞ্চল পলিগঠিত হওয়ায় নির্মাণ-উপাদান হিসেবে কাদামাটির তৈরি ইটের ওপর নির্ভরতা অত্যধিক। প্রাচীনকালেও নির্মাণকাজে ইটের ব্যাপক ব্যবহারের কথা জানা যায়। খ্রিস্টপূর্ব চার শতকে নির্মিত নগরী  [[পুন্ড্রবর্ধন|পুন্ড্রবর্ধন]] বা  [[মহাস্থানগড়|মহাস্থানগড়]]এর বিভিন্ন নির্মাণকাজে পোড়ানো ইট এবং কাদামাটির তৈরি রোদে শুকানো ইট ব্যবহূত হয়েছিল। সে সময়ে ইট জোড়া দেওয়ার কাজে চুন এবং চিটাগুড়ের মিশ্রণ ব্যবহূত হতো। এ প্রযুক্তি শত শত বছর ধরে ইটের তৈরি স্থাপনাগুলিকে অনড় করে রেখেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:BrickField.jpg|thumb|400px|right|ইটখোলা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে প্রায় ৬,০০০ ইট প্রস্ত্ততকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দেশে বছরে প্রায় ১৮ বিলিয়ন ইট তৈরি হয় বলে ধারণা করা হয়। ইটখোলাগুলি ক্ষুদ্র এবং স্বতন্ত্র উৎপাদনক্ষেত্র হিসেবেই পরিচিত। অধিকাংশ ইটখোলা কেবল শুষ্ক মৌসুমে সচল থাকে। শহরে বা বড় মাপের নির্মাণ কাজের কাছাকাছি জায়গায় সাধারণত ইটখোলাগুলির অবস্থান। প্রতিবছর একই অবস্থানে ইটখোলা গড়ার চেষ্টা করা হয়। কোনো কোনো ইটখোলার নিজস্ব স্থায়ী কারখানার ছাউনি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা আছে। সাধারণত বড় বিনিয়োগ, আধুনিক যন্ত্রপাতি, স্বয়ংক্রিয় কারখানা-সুবিধাসম্পন্ন ইটখোলার বড় বড় প্রতিষ্ঠানে তুলনামূলকভাবে উন্নতমানের ইট প্রস্ত্তত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইটখোলায় ব্যবহূত কাদামাটি সচরাচর সংলগ্ন মাঠ থেকে সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু উপযুক্ত মাটি দূরবর্তী স্থান থেকেও বয়ে আনা হয়। স্বয়ংক্রিয় কারখানা ব্যতিরেকে সাধারণ ইটখোলাগুলিতে কাদামাটি দিয়ে হাতে তৈরি ইট রোদে শুকানোর জন্য প্রাথমিকভাবে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়। ৫ থেকে ১২ দিন রোদে শুকানোর পর ইটখোলা ইটভাটার  ভেতরে পোড়ানোর জন্য সাজানো হয়। ভাটার ভিতরে ইট পোড়ানোর সময় তাপের অপচয় রোধের জন্য ইটের গুড়া দিয়ে আস্তরণ দেওয়া হয়। জ্বালানি গ্যাসের সংযোগবিহীন ইটখোলাগুলিতে ইট পোড়ানো শুরু হয় জ্বালানি কাঠ দিয়ে এবং পরবর্তী সময়ে সেগুলিতে কয়লা ব্যবহূত হয়। অপেক্ষাকৃত সস্তা হওয়ায় ইটখোলায় ব্যবহারের জন্য ভারত থেকে কয়লা আমদানি করা হয়। কয়লার বিকল্প জ্বালানি হিসেবে কাঠের গুড়া, ফার্নেস অয়েল এমনকি গাড়ির বাতিল টায়ারও পোড়ানো হয়।  [[ঢাকা|ঢাকা]],  [[চট্টগ্রাম জেলা|চট্টগ্রাম]] ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার গ্যাস নেটওয়ার্কের কাছাকাছি অবস্থানের প্রায় ২০০টি মাত্র ইটখোলা জ্বালানি হিসেবে  [[প্রাকৃতিক গ্যাস|প্রাকৃতিক গ্যাস]] ব্যবহার করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইটখোলায় জ্বালানি হিসেবে কাঠ পোড়ানো আইনত নিষিদ্ধ হলেও বাস্তবে ব্যাপকভাবেই ইটখোলাগুলিতে কাঠ পোড়ানো হয়। ইটখোলাগুলিতে মানের বিবেচনায় সাধারণত তিন ধরনের ইট উৎপাদিত হয়। ব্যবহূত প্রধান কাঁচামাল, ইট পোড়ানোর মান এবং তৈরি ইটের আকৃতি, ইটের গায়ে ফাটল ইত্যাদি মান নিয়ন্ত্রণের বিবেচ্য উপাদান। প্রথম শ্রেণির ইট ভবন, সড়ক, সেতু ইত্যাদি নির্মাণে, দ্বিতীয় শ্রেণির ইট অপেক্ষাকৃত দুর্বল স্থাপনা নির্মাণে এবং তৃতীয় শ্রেণির ইট অস্থায়ী নির্মাণকাজে ব্যবহূত হয়। স্বয়ংক্রিয় ইট কারখানায় তৈরি ইট প্রধানত প্রথম শ্রেণির ইট, সিরামিক ইট এবং রিফ্রাক্টরি ইট। এগুলি মানসম্মত নির্মাণকাজ ও উচ্চতাপের বয়লারে এবং বিশেষায়িত শিল্পকারখানায় ব্যবহূত হয়। ইটখোলার কারণে শুষ্ক মৌসুমে বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পায়। মূলত নিচু মানের জ্বালানি ও অনুপযুক্ত চিমনি ব্যবহারের কারণে ইটখোলাগুলি সন্নিহিত পরিবেশের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। ইটখোলার চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে ছাই, ধুলা ও সালফার-ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য ক্ষতিকর গ্যাস। আক্রান্ত এলাকায় এসিড বৃষ্টির মতো ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া স্পষ্ট হয়ে উঠছে। এ ছাড়া ইটভাটাগুলি শস্যহানি, ধাতব পদার্থে মরচে সৃষ্টি, বর্ণক্ষয়, ভূমিক্ষয় ও ভূমির উর্বরতা হ্রাসে ইন্ধন যোগায়। ইট পোড়ানোর জায়গা দীর্ঘ সময়ের জন্য কৃষিকাজে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।  [মো. মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Brickfield]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F_%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA&amp;diff=22039</id>
		<title>সিমেন্ট শিল্প</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F_%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AA&amp;diff=22039"/>
		<updated>2026-07-22T05:29:20Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;সিমেন্ট শিল্প&#039;&#039;&#039;  দেশে ক্রমবর্ধমান নির্মাণ কর্মতৎপরতার সাথে সাথে সিমেন্ট শিল্পও অপেক্ষাকৃত দ্রুত বিকাশমান শিল্প হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দীর্ঘকাল ধরেই নির্মাণ কাজে ইটপাথর বা অন্যান্য বস্ত্ত দিয়ে গাঁথার কাজে সিমেন্ট সংযোজক উপাদান হিসেবে ব্যবহূত হয়ে আসছে। প্রচলিত সিমেন্টের মধ্যে পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট বহুল ব্যবহূত যা চুন ও কাদার মিশ্রণ পুড়িয়ে পাউডারের মতো চূর্ণ করে তৈরি করা হয়। বালি ও পানির সাথে সিমেন্ট মিশিয়ে ‘মর্টার’ এবং ইট বা পাথরের টুকরা, সিমেন্ট, বালি ও পানি মিশিয়ে কংক্রিট তৈরি করা হয়। বর্তমানে (২০১০) দেশে বছরে প্রায় ১৫ মিলিয়ন টন সিমেন্ট ব্যবহূত হয়, যা দেশেই উৎপাদিত হয়। সিমেন্ট উৎপাদনে দেশ এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও (ভারত, মিয়ানমার) এখন সিমেন্ট রপ্তানি হচ্ছে। ২০০৯ সালে বাংলাদেশে জনপ্রতি সিমেন্ট ব্যবহার ছিল মাত্র ৬৫ কিলোগ্রাম। বিশেষত পার্শ্ববর্তী ভারত (১৫০ কিলোগ্রাম), ইন্দোনেশিয়া (১২৭ কিলোগ্রাম), মালয়েশিয়া (৫২৯ কিলোগ্রাম) এবং থাইল্যান্ডের (৪২৫ কিলোগ্রাম) তুলনায় এ পরিমাণ খুবই কম।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশে সিমেন্ট ব্যবহার কম। সিমেন্ট তৈরির প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদানও অপর্যাপ্ত। এদেশে গৃহনির্মাণসহ অন্যান্য নির্মাণকাজের প্রধান উপাদান নির্বাচন এমনভাবে করা হয় যাতে সিমেন্টের ব্যবহার সামান্যই হয়। গ্রামাঞ্চলে মানুষ ঘরবাড়ি তৈরির জন্য সচরাচর পাটখড়ি, বাঁশ এবং মাটি প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহার করে। কেবল আর্থিক বিবেচনাই নয় বরং অপেক্ষাকৃত সহজ প্রযুক্তি ও আরামদায়ক গৃহনির্মাণের তাগিদ থেকেও উপর্যুক্ত উপাদান নির্বাচন করা হয়। যারা ইট, সিমেন্ট দিয়ে দীর্ঘস্থায়ী ঘরবাড়ি তৈরি করতে আগ্রহী তাদের অনেকে এর ব্যয়ভার বহনে অপারগ। এসব বিষয়ের মিলিত প্রভাব সিমেন্টের চাহিদাকে সীমিত করে রেখেছে। তবে, সাম্প্রতিককালে পূর্বতন ধারার ভবনগুলির পরিবর্তে আধুনিক বহুতল ভবন নির্মাণের যে প্রবণতা সূচিত হয়েছে তাতে সিমেন্টের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু যেহেতু দেশের অর্থনীতি এখনও কৃষিনির্ভর, শিল্প ও নির্মাণ খাতে এখনও দ্রুত পরিবর্তন আসেনি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন কেবল কিছু নির্বাচিত খাতেই আবর্তিত হচ্ছে বিধায় সিমেন্টের চাহিদা এখনও অনুল্লেখযোগ্যই থেকে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আশির দশকের মধ্য থেকে কিছু বৃহদাকৃতির অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হওয়া ও বর্ধিত নগরায়ণ, শহরাঞ্চলে অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং ও বহুতল দোকানপাট নির্মাণ কাজ সম্প্রসারণ এবং গ্রামের সচ্ছলদের আধুনিক বাড়িঘরের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় সিমেন্টের চাহিদা তুলনামূলকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ সিমেন্ট উৎপাদন এবং আমদানি উভয় কর্মকান্ডে প্রধান ভূমিকা পালন করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় কাঁচামাল এবং আমদানিকৃত ক্লিনকার উভয় উপাদান থেকেই স্থানীয়ভাবে সিমেন্ট তৈরি হয়। দেশীয় কোম্পানিগুলি চীন, থাইল্যান্ড, মালয়শিয়া, ফিলিপিন্স, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত থেকে ক্লিনকার আমদানি করে। দেশের ব্যক্তিমালিকানাধীন সিমেন্ট কারখানাগুলি প্রায় ৬০ শতাংশ এবং বহুজাতিক কোম্পানিগুলি যেমন লাফার্জ মল্লিন্স, সিমেক্স, হলসিম, হিডেলবার্জ বাকি ৪০% সিমেন্ট উৎপাদন করে। দেশে প্রধান প্রধান সিমেন্ট কোম্পানিগুলি হলো শাহসিমেন্ট, আকিজ সিমেন্ট, ফ্রেশ, ক্রাউন, সেভেন সার্কেল, আরামিত এবং রয়েল ইত্যাদি। যে সকল সিমেন্ট কারখানা আমদানিকৃত ক্লিনকার থেকে সিমেন্ট তৈরি করে তাদের অবস্থান মূলত ঢাকা, চট্টগ্রাম ও মংলায়। ২০১০ সালে রেজিস্ট্রিকৃত সিমেন্ট কারখানার সংখ্যা ৭৪ হলেও বর্তমানে উৎপাদনে নিয়োজিত কারখানার সংখ্যা মাত্র ৩০টি। এই সকল সিমেন্ট কারখানার মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা বছরে প্রায় ২১ মিলিয়ন টন। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত প্রতিটি ৫০ কিলোগ্রাম ওজনের সিমেন্টের বস্তা ৩৮০-৪৩০ টাকায় বিক্রয় হয়। স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে সিমেন্ট উৎপাদনের বিষয়টি স্থানীয় উৎসের ওপর নির্ভরশীল। সেন্ট মার্টিন দ্বীপ, জয়পুরহাট ও সিলেট অঞ্চলে চুনাপাথরের খনি রয়েছে। ছাতক ও আয়েনপুর সিমেন্ট ফ্যাক্টরি (সিলেট অঞ্চলে) স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত চুনাপাথর থেকে সিমেন্ট উৎপাদন করে। এ দুটি সিমেন্ট কারখানার মিলিত উৎপাদন ক্ষমতা বছরে প্রায় তিন মিলিয়ন টন। কারখানা দুটি সিমেন্ট উৎপাদনের জন্য জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে। [মো. মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Cement Industry]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Cement Industry]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Cement Industry]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=22038</id>
		<title>সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=22038"/>
		<updated>2026-07-22T05:28:39Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস &#039;&#039;&#039;(সিএনজি)  যানবাহনে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহূত উচ্চ চাপ যুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস। বর্তমানে শহর এলাকায় বায়ু দূষণের সম্প্রসারণের প্রেক্ষিতে, বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাসকে বিবেচনা করা হয় পরিবেশের প্রতি অনুকূল জ্বালানি হিসেবে। যানবাহনে ব্যবহূত অন্যান্য প্রচলিত জ্বালানির তুলনায় এই জ্বালানির দূষণ মাত্রা অনেক কম এবং গ্রিন হাউস প্রভাবে এর ভূমিকা সামান্যই। সিএনজিকে ব্যবহার উপযোগী এবং সহজপ্রাপ্য করা হয় প্রাকৃতিক গ্যাসকে ৩০০০ পিএসআই চাপ প্রয়োগ করে (রান্নার জন্য সরবরাহকৃত প্রচলিত গ্যাসে চুলার কাছে চাপ প্রয়োগের পরিমাণ ২৫ পিএসআই)। প্রাকৃতিক গ্যাসকে সাধারণত পাইপের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্রসমূহে ৩০০০ পিএসআই চাপ প্রয়োগ করে প্রেরণ করা হয়। এক্ষেত্রে বিশেষভাবে তৈরি করা কমপ্রেসারের সাহায্যে যানবাহনের গ্যাস সিলিন্ডার পূর্ণ করা হয়। যে সকল যানবাহনের বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের ব্যবস্থা এবং ট্যাংক (গ্যাস সিলিন্ডার) রয়েছে সেসব সহজেই সিএনজিতে চলতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিবেশের প্রতি বিরাট হুমকি সৃষ্টিকারী যানবাহন থেকে মারাত্মক নির্গমন সমস্যা বাংলাদেশে সিএনজি রূপান্তরিতকরণ স্থাপনা গড়ে তুলতে সাহায্য করেছিল। শহরগুলোতে বায়ুমন্ডল মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে, মৃত্যুবৎ কুয়াশার মতো তা শহর এলাকাকে ঘিরে রেখেছে এবং নির্গত ক্ষতিকর উপাদান ও ক্ষতিকর গ্যাসসমূহ এক নীরব ধ্বংসযজ্ঞ সম্পাদন করছে। এসব কিছুর জন্য মূলত যন্ত্রচালিত যানবাহনসমূহই দায়ী। ডিজেল চালিত যানবাহনগুলি সার্বিক যান সংক্রান্ত দূষণের একটি বিরাট অংশের জন্য দায়ী। সিএনজি রুপান্তরিতকরণ স্থাপনা ঢাকা শহরে বিভিন্ন ধরনের যানগুলোতে জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের একটি সুযোগ সৃষ্টি করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এ পর্যন্ত ঢাকা শহরের পাঁচটি নির্ধারিত স্থানে সিএনজি রূপান্তরিতকরণ, জ্বালানি সরবরাহ ও বিপণন কেন্দ্র চালু হয়েছে। স্থানসমূহ হলো: জোয়ার সাহারা, মহাখালি, মতিঝিল, আসাদ গেট এবং কল্যাণপুর। এসকল কেন্দ্র পেট্রোবাংলার অধীন রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড (আরপিজিসিএল)-এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। প্রথমে পরীক্ষামূলক পর্যায়ে প্রকল্পের জোয়ার সাহারা সরবরাহ কেন্দ্রে ১৬টি পেট্রোল এবং ১৩টি ডিজেল চালিত যানবাহনকে সফলভাবে সিএনজি চালিত যানে পরিণত করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৪-১৯৯৫ সালে ঢাকায় অতিরিক্ত আরো চারটি জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। এই একই অর্থবৎসরে ৭৫০টি পেট্রোল, ২৫০টি ডিজেল কিট এবং ২০০০ সিএনজি সিলিন্ডার আমদানি করা হয় যানবাহনকে সিএনজি ব্যবহার উপযোগী করার জন্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরবর্তী বৎসরে কোম্পানীটি আরও ১০০০ পেট্রোল কিট আমদানি করে। কিন্তু সকল কেন্দ্রই বিভিন্ন কারণে ক্রেতা অথবা ব্যবহারকারীদের সন্তোষজনক সেবা প্রদানে ব্যর্থ হয়েছে। আরপিজিসিএল এ মুহূর্তে যানবাহন সিএনজি চালিতকরণ এবং সিএনজি সরবরাহের চাহিদা পূরণ করতে পারছে না। এ পর্যন্ত (২০০০) মাত্র ১২০০টি যানবাহনকে সিএনজি চালিত যানে রূপান্তরিত করা হয়েছে। ১৯৯৬-৯৭ সালে আরপিজিসিএল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ জল পরিবহণ সংস্থার (বিআইডাবি­উটিসি) মালিকানাধীন একটি কে-টাইপ ডিজেল ফেরিকে সিএনজি ব্যবহার উপযোগী করেছে। আরিচা ফেরিঘাটে একটি সিএনজি জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন আছে। সরকার ঢাকা শহরে আরও ছয়টি সিএনজি জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে এবং এ লক্ষ্যে ১০০০ পেট্রোল কিট এবং ১০০০ সিলিন্ডার আমদানি ও জোয়ার সাহারা কর্মশালার আধুনিকায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়াও ১০টি বেবিটেক্সিকে সিএনজি চালিত করার কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। সংস্থাটির প্রকৌশলিগণ এর নিজস্ব কারখানায় ইতোমধ্যে তিন চাকার যান ‘মিশুক’ ও ‘বেবিট্যাক্সি’কে সিএনজি চালিত যানে পরিণত করার কাজটি সম্পন্ন করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জুলাই ২০০০-এ আরপিজিসিএল চীনের তানজিন মেশিনারি ইমপোর্ট এবং এক্সপোর্ট কোম্পানি (টিএমআইইসি)-র সাথে একটি যৌথ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। সংকুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস বিতরণ সংস্থা (সিডিসি) নামক এই প্রতিষ্ঠানটির সারাদেশে ৫১টি সিএনজি বিতরণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার কর্মসূচি রয়েছে। অংশীদারী এই প্রতিষ্ঠানের ২৫% মালিকানা আরপিজিসিএল-এর, বাকি অংশ টিএমআইইসি’র।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রূপান্তরিতকরণের সুযোগ বৃদ্ধির চাহিদাও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিরাজিত সিএনজি রূপান্তরিতকরণ এবং জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্রগুলির সীমাবদ্ধতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সরকার এ ক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোগকে স্বাগত জানানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে চারটি ব্যক্তিমালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান- ন্যাচারাল গ্যাস রিসোর্স লিমিটেড, ইস্ট কোস্ট গ্রুপ লিমিটেড, টেক্সাস গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড এবং প্রেম ইন্টারন্যাশনালকে কিছু শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দেয়া হয়েছে সিএনজি রূপান্তরিতকরণ, জ্বালানি সরবরাহ ও বিপণন সুবিধা উন্নয়নের জন্য। শর্তসমূহের মধ্যে একটি হলো উলি­খিত প্রতিষ্ঠানসমূহকে পরবর্তী পাঁচ বৎসরের মধ্যে স্ব স্ব উদ্যোগে যানবাহনকে সিএনজি চালিত যানে রূপান্তরিত করার পর্যাপ্ত কারাখানা সুবিধাসহ পাঁচটি করে সিএনজি জ্বালানি সরবরাহ এবং বিপণন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বেসরকারি উদ্যোক্তাগণ আশা করছে, কয়েকটি পর্বে বাংলাদেশের যেখানে যেখানে পাইপের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ সুবিধা রয়েছে সেসব এলাকা সিএনজি জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্রসমূহের আওতাভুক্ত হবে। উদ্যোক্তাদের নিকট জ্বালানি সরবরাহ কেন্দ্র এবং রূপান্তরিতকরণ কিটস ও সিলিন্ডার স্থাপনায় নিউজিল্যান্ড/ইউরোপিয়ান মান বজায় রাখার শর্ত আরোপ করা হয়েছে। সিএনজি উৎপাদন এবং বিক্রয়ে গ্যাসশুল্ক নির্ধারিত হবে সরকার কর্তৃক এবং সময়ে সময়ে তা পরিবর্তনের ক্ষমতা সরকার শর্তবলে সংরক্ষণ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একটি যান (কার)-কে সিএনজি চালিত করতে ব্যয় হবে ২২,০০০-৩০,০০০ টাকা, জ্বালানি ট্যাঙ্কের আকারের উপর ব্যয়ের পরিমাণ নির্ভর করে। যদি জ্বালানি সরবরাহ স্থলে (যেখানে যানবাহনে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়) সিএনজির চাপ প্রয়োজনীয় মাত্রায় রাখা যায় তাহলে ৮০ টাকার সিএনজি (৭.৩৫/ঘনমিটার হারে)-তে ঢাকায় একটি মটরকার ১০০ কিমি সহজেই চলতে পারে (একই গাড়িতে অকটেন ব্যবহার করে একই খরচে সর্বোচ্চ ৩০ কিমি যাওয়া সম্ভব, বিরাজিত জ্বালানি মূল্য অনুযায়ী)। সিএনজি চালিত যানসমূহের প্রধান সীমাবদ্ধতাসমূহের একটি হলো তুলনামূলকভাবে কম শক্তি ঘনত্ব (lower energy density)। সিএনজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে শক্তির অপচয় ঘটে বিশেষ করে ভারি যানবাহনের ক্ষেত্রে। একবার জ্বালানি নিয়ে সিএনজি বাসগুলি সীমিত দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে, (এটি অবশ্য নির্ভর করে সিএনজি সিলিন্ডারের সংখ্যা এবং এদের ধারণক্ষমতার উপর) স্বভাবতই এক্ষেত্রে বার বার জ্বালানি গ্রহণ করতে হয়। সাধারণ ডিজেল চালিত বাস একবার জ্বালানি নিয়ে ৩৫০ কিমি একদিনে চলতে পারে, সে ক্ষেত্রে সিএনজিতে তা যেতে পারবে ২৫০ কিমি।  [মো. মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;আরও দেখুন&#039;&#039; [[প্রাকৃতিক গ্যাস|প্রাকৃতিক গ্যাস]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Compressed Natural Gas]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Compressed Natural Gas]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Compressed Natural Gas]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF,_%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF&amp;diff=22037</id>
		<title>শক্তি, এনার্জি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF,_%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BF&amp;diff=22037"/>
		<updated>2026-07-22T05:26:49Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;শক্তি, এনার্জি&#039;&#039;&#039;  কাজ করার ক্ষমতা। শক্তিকে সুপ্ত শক্তি (পটেনশিয়াল এনার্জি) অর্থাৎ অবস্থান থেকে উদ্ভূত শক্তি (যেমন টানা স্প্রিং-এর ইলাস্টিক এনার্জি), রাসায়নিক শক্তি (বাতাসের অক্সিজেনের উপস্থিতিতে কয়লা বা পেট্রোল পোড়ানোর ফলে  উৎপন্ন শক্তি), বৈদ্যুতিক বা পারমাণবিক শক্তি, গতিশক্তি (চলমান বস্ত্ত দ্বারা উৎপন্ন শক্তি) ইত্যাদি রূপে ভাগ করা হয়। আর্থনীতিক ক্যাটাগরি হিসেবে এনার্জি হচ্ছে রূপান্তরযোগ্য শক্তির সংগ্রহ। এ পরিপ্রেক্ষিতে এনার্জিকে নবায়ন-অযোগ্য (জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন: কয়লা, তেল, গ্যাস ও পরমাণুর ফিউশন জ্বালানি) এবং নবায়নযোগ্য (যেমন বায়ু, স্রোত, ভূত্বকের তাপ) শক্তি হিসেবে বিভক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০১ সালে বাংলাদেশে মাথাপিছু এনার্জি ব্যবহারের পরিমাণ ছিল ২০০ কেজি তেলের সমপরিমাণ। শক্তি ব্যবহার ক্রমতালিকায় এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শেষদিক থেকে কম্বোডিয়া ও নেপালের পরই তৃতীয়। অপরদিকে মাথাপিছু ব্যবহূত শক্তির সিংহভাগ (৬৫.৫%) অবাণিজ্যিক জ্বালানি। এই অবাণিজ্যিক জ্বালানির মূল উপাদান বায়োমাস যা গ্রামাঞ্চলের গৃহস্থালি কাজে ও কারখানায় বিভিন্নভাবে ব্যবহূত হয়। গ্রামের প্রায় সব বাড়িতেই রান্নার কাজে খোলা চুলা (স্টোভ) ব্যবহূত হয় এবং সেগুলিতে শুকনা পাতা, জ্বালানি কাঠ, কৃষিবর্জ্য, ধানের তুষ এবং ঘুঁটে পোড়ানো হয়। অনেক বিত্তবান গ্রামবাসী আজকাল কেরোসিনের চুলা এবং যেখানে বিদ্যুৎ শক্তির সরবরাহ আছে সেখানে রান্নার কাজে &#039;&#039;বিদ্যুৎ ব্যবহার&#039;&#039; করে। কিছু কিছু বাড়িতে আমদানিকৃত কয়লা এবং সামান্য কিছু বাড়িতে স্থানীয়ভাবে তৈরি বায়োগ্যাস প­ান্টের গ্যাস রান্নার কাজে ব্যবহূত হয়। প্রায় ৪% গ্রামবাসী সন্ধ্যার পর আলোর সরবরাহ পেতে কেরোসিন বাতি এবং বহুসংখ্যক কৃষক সেচের জন্য পাম্প চালাতে ডিজেলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে। দেশের পূর্বাঞ্চলের স্বল্পসংখ্যক নগর ও শহরে পাইপ লাইনের সাহায্যে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। দেশের শহর ও গ্রামাঞ্চলের বিপুলসংখ্যক মানুষকে জ্বালানি কাঠ দিয়েই গৃহস্থালি প্রয়োজন মেটাতে হয়। বছরে কেবল রান্নার প্রয়োজনেই দেশে ৪০ মিলিয়ন টন কাঠ ব্যবহূত হয়। এর ফলে দেশের বনাঞ্চল দ্রুত উজাড় হচ্ছে যা প্রতিবেশ ভারসাম্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার বাংলাদেশে নতুন ঘটনা নয়। মানুষ প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন কাজে বায়ু ও  [[সৌরশক্তি|সৌরশক্তি]] ব্যবহার করে আসছে। কাপড়, কৃষিপণ্য, মাছ, লবণ ইত্যাদি শুকানোর কাজে সৌরশক্তি ব্যবহূত হয়। পালতোলা নৌকার জন্য বায়ুশক্তির প্রয়োগ ঘটে। কিন্তু পানির পাম্প বা বায়ুশক্তি চালিত টারবাইন দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো বায়ুশক্তির আধুনিক ব্যবহার এখনও বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় নি। বিভিন্ন সংস্থা দেশের উপকূল অঞ্চলে বিভিন্ন সম্ভাবনাময় স্থান নির্বাচন ও বায়ুশক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন বা পানি পাম্প করার সম্ভাবনা যাচাই করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে গ্রীষ্ম ও শীতকালে প্রতি বর্গমিটার এলাকায় গড়ে সৌরশক্তির বিকিরণের পরিমাণ ৫.০৫ কিলোওয়াট ঘণ্টা। কিছু কিছু সংগঠন মূল্যবান পণ্য, যেমন মসলা ও সবজি সূর্যের আলোতে শুষ্ককরণের সীমিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে। সৌরশক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরীক্ষাগুলি আর্থিকভাবে লাভজনক প্রমাণিত হয় নি। কিন্তু দুর্গম গ্রাম এলাকাগুলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ফটোভোল্টাইক সিস্টেম ক্রমশই গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করছে।  [[পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড|পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড]]  (নরসিংদী পাইলট প্রজেক্ট) ও গ্রামীণ শক্তি ফটোভোল্টাইক সিস্টেম-এর সাহায্যে সৌরশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক আলো জ্বালানো এবং টিভি ও রেডিও চালানোর শক্তি যোগান দেবার মতো প্রাথমিক চাহিদা পূরণের উদ্যোগ নিয়েছে। তদুপরি কাপ্তাইয়ে বৃষ্টির পরিমাণ নিরূপণ কেন্দ্র ও আরিচার পূর্ব-পশ্চিম বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইনের সংযোগস্থানে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-এর (বিপিডিবি) দুটি প্রধান ফটোভোল্টাইক সিস্টেম দিয়ে সৌরশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরের স্থাপনা রয়েছে। কিছু  কিছু বৈদ্যুতিক সঞ্চালন টাওয়ারে, যেমন চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর সংযোগস্থলে সৌরশক্তি রূপান্তরের ফটোভোল্টাইক সিস্টেমের মাধ্যমে আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিপিডিবি পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলায় সৌরশক্তি ব্যবহারের আর্থিক সম্ভাব্যতা জরিপ সম্পন্ন করেছে। ইতোমধ্যে ওই তিন জেলার ২৫টি উপজেলার মধ্যে ২১টিতে বৈদ্যুতিক গ্রিডের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে। অন্য অঞ্চলগুলিতে ডিজেল জেনারেটর দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুতের আংশিক সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে কর্মরত বেসরকারি এলপিজি মার্কেটিং কোম্পানিগুলির হিসাবমতে ২০০১ সালে দেশে এলপি গ্যাসের চাহিদার পরিমাণ আড়াই থেকে তিন লক্ষ টন। সরকারি মালিকানাধীন চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বছরে প্রায় ১৬,০০০ টন এবং সিলেটের কৈলাসটিলায় অবস্থিত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন-এর (বিপিসি) এলপিজি সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণ প­ান্ট বছরে আরও ৫,০০০ টন এলপি গ্যাস উৎপাদন করে। ইস্টার্ন রিফাইনারি ও কৈলাসটিলা প­ান্টে উৎপাদিত এলপিজি বিপিসির বিপণন কোম্পানিগুলির মাধ্যমে বাজারজাত করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে সরকার বেসরকারি কোম্পানিগুলিকে এলপিজি আমদানি, সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিপণনের অনুমতি দেওয়া শুরু করেছে। ইতোমধ্যে ১১টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিপিসি থেকে এলপিজি আমদানি, সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিপণনের লাইসেন্স পেয়েছে। এরূপ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউনিয়ন এলপি গ্যাস লিমিটেড, ‘বসুন্ধরা এলপি গ্যাস’ নামে বছরে ৩৬,০০০ টন এলপি গ্যাস দেশে আমদানি, সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিপণনের অবকাঠামো গড়ে তুলেছে এবং বছরে প্রায় ৮,০০০ টন এলপি গ্যাস বিপণন করছে। অনুমতিপ্রাপ্ত আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সামিট ইন্ডাস্ট্রিয়াল মার্কেটিং, যমুনা স্পেসটেক জয়েন্ট ভেনচার লিমিটেড, মবিল-যমুনা ও অস্ট্রেলিয়ার ওয়েসফার্মারস-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে গঠিত এলপিজি মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ লিমিটেড উলে­খযোগ্য। সামিট বছরে ৬০,০০০ টন, যমুনা স্পেসটেক ২৫,০০০ টন ও এলপিজি মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ লিমিটেড আড়াই লক্ষ টন এলপিজি আমদানি ও বিপণনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের জনসাধারণের ২০% শতাংশেরও কমসংখ্যক মানুষের বাণিজ্যিক জ্বালানি ও প্রায় ৮% শতাংশের হাইড্রোকার্বন (তরল জ্বালানি তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও এলপিজি) ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। বছরে মাথাপিছু বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহের পরিমাণ আনুমানিক ১১০ কিলোওয়াট ঘণ্টা। দেশের জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা অত্যন্ত সীমিত। এখন পর্যন্ত একমাত্র কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাকে বাড়িয়ে সেখানে আরও দুটি ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিট স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে। এছাড়াও ক্ষুদ্রাকার কিছু জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের সম্ভাব্যতা বিষয়ে জরিপ চালানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে তেলের (কনডেনসেট-সহ) প্রমাণিত মজুত আনুমানিক ৬৫ মিলিয়ন ব্যারেল। দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির প্রাথমিক উৎসে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত প্রায় ২৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) যার মধ্যে প্রকৃত আহরণোপযোগী মজুত আনুমানিক ১২.১৯ টিসিএফ। ১৯৫৫ সালে প্রথম গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কারের পর থেকে ২০০০ সালের জুন মাস পর্যন্ত প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট উৎপাদন ছিল ৪.১০ টিসিএফ। সম্প্রতি সরকার প্রণীত গ্যাস খাতের পরিকল্পনা ও ভবিষ্যৎ বিবরণীতে উলে­খ করা হয়েছে যে, ২০১০ সাল নাগাদ কমপক্ষে ৫ টিসিএফ ও ২০২০ সালের মধ্যে আরও অন্তত ৭ টিসিএফ গ্যাস অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদা মেটাতে প্রয়োজন হবে। গত বছরে ৩৩০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এবং গত দশ বছরে ২.৪ টিসিএফ গ্যাস ব্যবহূত হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বছরে গড়ে ৮-১০% শতাংশ হারে গ্যাস ব্যবহার বেড়েছে। দেশে মোট ব্যবহূত গ্যাস সম্পদের আনুমানিক প্রায় ১১% গৃহস্থালি খাতে ব্যবহূত হয়। সাম্প্রতিককালে যমুনা নদীর উপর নির্মিত সেতুর মাধ্যমে গ্যাসপাইপ লাইন দেশের পূর্বাঞ্চল থেকে পশ্চিমাঞ্চলে সম্প্রসারিত হওয়ায় সামগ্রিকভাবে গৃহস্থালি ও অন্যান্য খাতে গ্যাসের ব্যবহার দ্রুত হারে বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। রক্ষণশীল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে বলা হচ্ছে যে, দেশে আগামী ৫০ বছরে গ্যাস চাহিদা দাঁড়াবে কমপক্ষে ৬৫.৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রয়োজন হবে অন্তত ৪২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট ও সার উৎপাদনে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। এ প্রেক্ষাপটে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য বিপুল বিনিয়োগ অবধারিত হয়ে পড়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশের পিট ও কয়লার সঞ্চয় রয়েছে মূলত মাটির গভীরে এবং অবস্থানগত দিক থেকে দেশের দক্ষিণ ও উত্তরাঞ্চলে। সে কারণে পিট ও কয়লা সম্পদ উন্নয়নও জটিল। এখন অবধি বছরে এক মিলিয়ন টনের সীমিত বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাসহ পেট্রোবাংলা দেশের একমাত্র বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি নির্মাণ করছে যার উৎপাদন দিয়ে প্রধানত একই স্থানে ২৫০ মেগাওয়াট শক্তির বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশে বর্তমানে ৬০০ মেগাওয়াট বেসরকারি (আইপিপি) বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসহ মোট স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩,৮০৩ মেগাওয়াট। মূলত তহবিল সংকটের কারণে এবং বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদার সময় ব্যতিরেকে অন্যান্য সময়ে বিপিডিবি &#039;&#039;বিদ্যুৎ ব্যবহার&#039;&#039; চাহিদার সীমাবদ্ধতার জন্য কোন কোন আইপিপি-র অধীন বিদ্যুৎ কেন্দ্র (প্রধানত বার্জমাউন্টেড) তার উৎপাদন ক্ষমতার চেয়ে নিচে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাধ্য হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাম্প্রতিক এক জরিপে বলা হয়েছে যে দেশের মোট জ্বালানি চাহিদার দশ ভাগের প্রায় সাত ভাগ প্রচলিত জ্বালানি উৎস, যেমন বায়োমাস, কাঠ, ছোবড়া ইত্যাদি জ্বালিয়ে পূরণ করা হয়। অবশিষ্টের প্রায় ৭০% শতাংশ প্রাকৃতিক গ্যাস এবং বাকি অংশ তেল পুড়িয়ে যোগান দেওয়া হয়। দেশে এখন প্রতিদিন প্রায় ১,০০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ব্যবহূত হয় যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সার উৎপাদনে এবং প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহূত হয়। আমদানিকৃত জ্বালানি তেল প্রধানত যানবাহনের জ্বালানি (পেট্রোল ও ডিজেল) এবং সামান্য অংশ (কেরোসিন) রান্না ও আলো জ্বালাতে ব্যবহূত হয়। এছাড়াও পেট্রোলিয়াম শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে বিদ্যুৎ উৎপাদনে এবং এভিয়েশন জ্বালানি হিসেবে ব্যবহূত হয়। বিদ্যুতের ব্যবহারকারী খাত বিবেচনায় ৪৩% গৃহস্থালি, ৪২% শিল্প, ১১% বাণিজ্যিক এবং প্রায় ৪% কৃষি কাজে (মূলত সেচ কাজে) ব্যবহূত হয়। বাণিজ্যিক জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ও জ্বালানি তেলের আনুপাতিক বণ্টন হচ্ছে ৭০:৩০।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদন কাঠামো ছাড়াও শিল্প কারখানাগুলির ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থার (ক্যাপটিভ জেনারেশন) অধীনে প্রায় ৫০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ২০০০ সনে প্রায় ৮৫% বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে গ্যাসনির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে। কিন্তু এখনও দেশে প্রকৃত মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন (প্রতিদিনের গড়) ২,৬৫০-২,৮০০ মেগাওয়াট-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে এখনও বাণিজ্যিক জ্বালানির বিপুল পরিমাণ সরবরাহ ঘাটতি বিদ্যমান। সহজলভ্য সরবরাহের সিংহভাগই মূলত শহরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ। দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড এখনও সীমিত পরিমাণ জ্বালানি গ্যাস সরবরাহকেন্দ্রিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে তা অন্যতম প্রতিবন্ধক। বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৬৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ জ্বালানি তেল (পেট্রোলিয়াম) আমদানির জন্য ব্যয় করে। দেশের পল্লী বিদ্যুৎ কর্মসূচির অধীনে প্রতিবছর প্রায় দুই লক্ষ গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ হারে সংযোগ দিতে থাকলে বিদ্যমান পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সংখ্যা দ্বিগুণ করতেই ২০১০ সন পর্যন্ত সময় লেগে যাবে। উল্লেখ্য, দেশের ৮০% মানুষই এখনও বৈদ্যুতিক শক্তি সরবরাহ ছাড়াই বসবাস করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ শতকের নববইয়ের দশকে বিশ্বের অর্থনীতির গতি ও প্রবণতার আলোকে বাংলাদেশেও বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। ১৯৯৭-৯৯ সময়কালে বেসরকারি খাতে ৩৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার বার্জমার্ডন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ জাতীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুতের মূল্য বিশ্বব্যাপী গড় ৬.৫ মার্কিন সেন্ট/কিলোওয়াট ঘণ্টার বিপরীতে বাংলাদেশে বেসরকারি বার্জমাউন্টেড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারিত হয়েছে প্রায় ৫.১ মার্কিন সেন্ট/কিলোওয়াট ঘণ্টা। সম্প্রতি বেসরকারি খাতে আরও ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে যার ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের মূল্য হবে প্রায় ২.৭৫ মার্কিন সেন্ট/কিলোওয়াট ঘণ্টা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প­্যান আগামী ২০ বছরের বিদ্যুৎ চাহিদা হিসাব করেছে। পরিকল্পিত আনুমানিক চাহিদা ২০০৫ সালে ৪,৬০০ মেগাওয়াট, ২০১০ সালে ৬,৮০০ মেগাওয়াট এবং ২০১৫ সাল নাগাদ ১০,০০০ মেগাওয়াট। সরকারের পাওয়ার পলিসি স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, ২০০০ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ চাহিদা ছিল ৩,০০০ মেগাওয়াট যা ২০২০ সাল নাগাদ পাঁচগুণ বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ১৫,০০০ মেগাওয়াটে দাঁড়াবে। ওই পলিসি স্টেটমেন্ট অনুযায়ী সরকার বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২,২৩৮ মেগাওয়াটে সীমিত রাখা সঙ্গত বলে মনে করে। বেসরকারি খাতে ১,১৮৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ইতোমধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং আরও ১,০৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিষয়ে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চলছে। ২০০৭ সাল নাগাদ সরকারি খাতে ৩,০১৯ মেগাওয়াট এবং মিশ্র খাতে কোম্পানি ২০০৪ সালের মধ্যে (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি) অতিরিক্ত ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও ছোট ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে, যেমন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (১৫ মেগাওয়াট), সন্দ্বীপ পাওয়ার নেটওয়ার্ক লিমিটেড (১০ মেগাওয়াট), নারায়ণগঞ্জ রোলস রয়েস (১০ মেগাওয়াট) এবং রহিম স্টিল লিমিটেড (১০ মেগাওয়াট) অন্তত ৬৫ মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ নিকট ভবিষ্যতে উৎপাদনের জন্য কেন্দ্র নির্মাণ করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ সিস্টেমের বিদ্যমান সমস্যা, যেমন: উৎপাদন ঘাটতি, লোড শেডিং, লো ভোল্টেজ ইত্যাদি মূলত সরবরাহ নেটওয়ার্কের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যান্য সমস্যার মধ্যে আছে মেরামতহীন ট্রান্সফরমার, সঞ্চালন লাইন ও বিতরণ ব্যবস্থায় ব্যবস্থাপনা ত্রুটি ইত্যাদি। ২০০১ সালের জুন মাসে দেশের ২৩টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট ৫৮টি উৎপাদন প­ান্টের ৭টি অচল অবস্থায় ছিল। অপরদিকে বিপিডিবি-র বিভিন্ন দূরবর্তী ও দ্বীপাঞ্চলে স্থাপিত অত্যন্ত ব্যয়বহুল ৮টি ডিজেল চালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র তাদের প্রতিষ্ঠিত উৎপাদন ক্ষমতার চেয়ে অনেক কম বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে এবং অত্যধিক উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওভারহলিং করা আশু প্রয়োজন মনে করলেও সুশৃঙ্খলভাবে তা করতে পারছে না, কেননা এ মুহূর্তে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতার কোন রিজার্ভ মার্জিন নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিপিডিবি-র উৎপাদিত বিদ্যুতের ৩০% প্রতিষ্ঠানটি নিজেই বিতরণ করে, ৫০% বিতরণ করে  [[ডেসা|ডেসা]] ও অবশিষ্ট ২০% পল­ী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। বিতরণ পর্যায়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যয় প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টার জন্য দুই টাকার চেয়ে সামান্য বেশি হলেও বিপিডিবি ডেসাকে ১.৯১ টাকা/কিলোওয়াট ঘণ্টা ও পল­ী বিদ্যুৎ বোর্ডকে ১.৮৪ টাকা/কিলোওয়াট ঘণ্টা হারে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। বিপিডিবি ডেসার কাছ থেকে প্রতিমাসে ২৫ কোটি টাকার কাছাকাছি রাজস্ব আদায় করতে পারছে না। অপরদিকে বিপিডিবি-র গ্রাহকদের কাছে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা তিন টাকার বেশি হারে বিদ্যুৎ সরবরাহের সরকারি মূল্য নির্ধারিত হলেও ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের জন্য বিপিডিবি ১.৭৫ টাকা হারে আদায় করেই সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে বিপিডিবি বর্তমানে প্রায় দেউলিয়া হওয়ার উপক্রম। কোন কোন হিসাবে বলা হচ্ছে যে, বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘন ঘন বিঘ্নতার কারণে কেবল শিল্প উৎপাদনের ক্ষতিই দাঁড়াচ্ছে বছরে প্রায় এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সরকার ইতোমধ্যে সিস্টেম লস কমানোর জন্য কিছু সংস্থা গড়ে তুলেছে এবং বেসরকারি খাতে আরও কিছু প্রতিষ্ঠান গঠনের জন্য অনুমতি দিয়েছে। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি গঠনের পথে কিছু অগ্রগতি হলেও সামগ্রিকভাবে এক্ষেত্রে অবলম্বিত সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলি সাধারণভাবে ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক সমীক্ষা অনুযায়ী ২০০০ থেকে ২০১০ সময়কালে বিদ্যুৎ খাতে অন্তত ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ দরকার হবে। সরকারি খাত এর সামান্যই যোগান দিতে সমর্থ। সেকারণে সরকার বেসরকারি খাতকে এ খাতে বিনিয়োগের আহবান জানানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য বৈদেশিক সহায়তা প্রার্থনাও অব্যাহত রয়েছে। বিদ্যুৎ খাতে সংস্কারের আইনগত প্রক্রিয়াকে যথাযথকরণ ও স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ইলেকট্রিসিটি অ্যাক্ট ১৯১০-এর স্থলে ইলেক্ট্রিসিটি রিফর্ম অ্যাক্ট তৈরি করা হয়েছে যা জাতীয় সংসদের অনুমোদনের অপেক্ষাধীন।  [মো. মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Energy]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Energy]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Energy]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=22036</id>
		<title>প্রাকৃতিক গ্যাস</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95_%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8&amp;diff=22036"/>
		<updated>2026-07-22T05:25:50Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;প্রাকৃতিক গ্যাস&#039;&#039;&#039; (Natural Gas)  ভূত্বকে প্রাপ্ত দাহ্য গ্যাসের মিশ্রণ (প্রায়ই খনিজ তেলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে)। কয়লা ও তেল ছাড়া বিশ্বের তিনটি জীবাশ্ম জ্বালানির অন্যতম। অন্যভাবে বলতে গেলে, স্বাভাবিক চাপ ও তাপে গ্যাস বা বাষ্পাকারে অবস্থিত হাইড্রোকার্বনই প্রাকৃতিক গ্যাস। এর প্রধান গুরুত্বপূর্ণ উপাদান মিথেন হলেও ইথেন, প্রোপেন ও অন্যান্য উপাদানও এতে বিদ্যমান থাকতে পারে। প্রচলিত অপদ্রব্যসমূহের মধ্যে নাইট্রোজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও হাইড্রোজেন সালফাইড অন্তর্ভুক্ত। প্রাকৃতিক গ্যাস স্বয়ংসম্পূর্ণ ভাবেও থাকতে পারে আবার তেল সহযোগেও বিদ্যমান থাকতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:NaturalGasBlocks.jpg|thumb|400px|right]]&lt;br /&gt;
সচ্ছিদ্র ও প্রবেশ্য হাইড্রোকার্বনবাহী বালুময় গঠন ও অনন্য ফাঁদ তৈরির উপযোগী শিলাসোপান সম্বলিত একটি বদ্বীপ অঞ্চল হওয়ায় বাংলাদেশকে সবসময় একটি প্রাকৃতিক গ্যাস সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে মনে করা হয়েছে। দেশের পূর্বাঞ্চলে বৃহত্তর সিলেট থেকে শুরু করে বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে এই গ্যাস বলয় সম্প্রসারিত। বঙ্গোপসাগরের উপকূলভাগেও প্রাকৃতিক গ্যাস আবিষ্কৃত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমাদের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক গ্যাস অতিগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পরিবেশ বান্ধব এই জ্বালানি একদিকে যেমন নির্মল শিখায় জ্বলে তেমনি এর দহন ক্রিয়াও কটুগন্ধহীন। গৃহস্থালির রান্নাবান্নার কাজে, কলকারখানায় (ধাতুমলবিদ্যা, মৃৎশিল্প, কাচ, রুটি বিস্কুটের কারখানা, পাওয়ার স্টেশন, সিমেন্ট, স্টিম বয়লার ইত্যাদি) ও কৃষিতে (শুষ্ক ও তপ্তকরণ এবং স্টিম বয়লারের জ্বালানি হিসেবে) এর ব্যবহার ব্যাপক। প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে তরলীকৃতত পেট্রোলিয়াম গ্যাস, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস এবং সঙ্কুচিত প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায় এবং গার্হস্থ্য, শিল্প ও কৃষিকাজে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। রাসায়নিক শিল্পে কৃত্রিম সার, প্লাস্টিক, রজন, রবার, কার্বনব্ল্যাক, নির্মলক (detergents), অ্যামোনিয়া ও নাইট্রিক এসিডের মত বিভিন্ন রাসায়নিক প্রস্ত্ততিতে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহূত হয়।  [মো. এহসানুল্লাহ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;অনুসন্ধান ইতিহাস&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে আসাম রেলওয়ে এন্ড ট্রেডিং কোম্পানি এই উপমহাদেশের পূর্বাঞ্চলে প্রথম রেলপথ নির্মাণ করে। কোম্পানিটি এই ভূখন্ডে ১৮৮৩ সনে প্রথম হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান এবং এ লক্ষ্যে ড্রিলিং শুরু করে। পরবর্তীতে স্থানীয় বাজারে সরবরাহের লক্ষ্যে পেট্রোলিয়াম আমদানি ও বিক্রয়ের জন্য প্রতিষ্ঠিত আসাম অয়েল কোম্পানি পূর্বোক্ত কোম্পানির উত্তরসূরী হিসেবে পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান কর্মকান্ড ১৯১১ সনে শুরু করে। বার্মা অয়েল কোম্পানির অনুসন্ধান কর্মসূচীতে সুরমা বেসিন ও চট্টগ্রাম অঞ্চলও অন্তর্ভুক্ত ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯০৮ থেকে ১৯১৪ সময়কালে ইন্দো-বার্মা পেট্রোলিয়াম কোম্পানি সীতাকুন্ড ঊর্ধ্বভাঁজে কয়েকটি অনুসন্ধান কূপ খনন করে। বাংলাদেশ ভূখন্ডে ১৯১৪ সন থেকে আজ অবধি মোট ৬২টি কূপ খনন করা হয়েছে। দেশি ও বিদেশি বিভিন্ন কোম্পানি গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য এ অঞ্চলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কূপ খনন করেছে। দেশে উপর্যুপরি অনুসন্ধান কর্মকান্ডের ফসল হিসেবে ১টি তেল ও ২৩টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। শুরুর দিকে (১৯১০-১৯৩৩) তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান কূপ মূলত ভাঁজ অঞ্চলের তেলের ঝরণ বা নিঃসরণ এলাকায় স্থাপিত হতো। এসময়ে ৭৬৩ মিটার থেকে ১০৫০ মিটার গভীরতার অনুসন্ধান কূপ খনন করা হতো। উন্নততর প্রযুক্তি সহজলভ্য হবার সাথে সাথে গভীরতর কূপ খনন নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে এবং এতে অনুসন্ধান সাফল্যের হারও বেড়েছে। ১৯৫৫ সনে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ষাট ও সত্তর দশকে অনেকগুলো গ্যাসক্ষেত্রের সফল আবিষ্কার নিশ্চিত হয় কূপ খননের মাধ্যমেই। পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধান কূপ খননের কাজে প্রতি তিনটি ড্রিলিং এর একটিতে সফল হওয়া খুবই উৎসাহ ব্যাঞ্জক বলে বিবেচিত হয়। তবে ১৯১০-১৯৩৩ সনের মধ্যবর্তী সময়কালে এদেশে মোট ৬টি ড্রিলিং হলেও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কোন গ্যাসক্ষেত্রের আবিষ্কার সম্ভব হয় নি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর পাকিস্তানের শুরুর দিকে পেট্রোলিয়াম অনুসন্ধানের নতুন উদ্যোগ গৃহীত হয় এবং ১৯৫১-১৯৭০ সময়কালে মোট ২২টি কূপ খনন করা হয়, যার ফলে ৮টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছিল। তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের তৃতীয় পর্যায়ে (১৯৭২-১৯৯২) মোট ২৪টি কূপ খনন করে ৯টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করা হয় ১৯৯৩-২০০০ সময়কালে মোট ১০টি কূপ খননের মাধ্যমে আরও ৫টি নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশে ১৯৫৯ সনে ছাতক গ্যাসক্ষেত্র থেকে সর্বপ্রথম শিল্পখাতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়। ১৯৬৮ সনে প্রখ্যাত লেখক শওকত ওসমানের ঢাকাস্থ ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বাসায় সর্বপ্রথম পাইপ যোগে রান্নার গ্যাস সংযোগ দেয়া হয়। শিল্পখাতে গ্যাসের প্রধান ব্যবহার হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে। শিল্পখাতে অন্যান্য প্রধান প্রধান গ্যাস ব্যবহারকারী হলো: সার কারখানা, সিমেন্ট ফ্যাক্টরী, পাম্প ও পেপার মিল। এই শিল্প কারখানাগুলো মূলত দেশের পূর্ব ও মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত। বর্তমানে বাংলাদেশের ১৭টি গ্যাসক্ষেত্রের প্রায় ৭৯টি কূপ হতে গ্যাস উৎপাদন হচ্ছে। গ্যাসের দৈনিক গড় উৎপাদন প্রায় ২০০০ মিলিয়ন ঘনফুট, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিসমূহ উৎপাদন করছে প্রায় ৯৬০ মিলিয়ন ঘনফূট গ্যাস। বর্তমানে প্রাকৃতিক গ্যাসের দৈনিক চাহিদা গড়ে প্রায় ২৪০০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এ চাহিদা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিবেশবান্ধব জ্বালানী হিসেবে গৃহস্থালি, পরিবহনব্যবস্থা, শিল্পকারখানা, সারকারখানা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে এর ব্যাপক ব্যবহারই এ চাহিদা বৃদ্ধির কারণ। যেহেতু বাংলাদেশের জ্বালানীখাত মূলত প্রাকৃতিক গ্যাসের উপরই নির্ভরশীল কাজেই গ্যাসক্ষেত্রসমূহ থেকে গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার এবং বিকল্প জ্বালানীর ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে বাংলাদেশকে কঠিন জ্বালানী সংকটে পড়তে হবে। ১৯৬০ সনে গ্যাসের ব্যবহার ছিল দৈনিক গড়ে ১০ মিলিয়ন ঘনফুট।  [বদরুল ইমাম ও মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;গ্যাস প্রবণ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039; (Gas prone)  বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে একটি প্রমাণিত গ্যাস প্রবণ দেশ। গ্যাস মূলত পাওয়া গিয়েছে ভূবন ও বোকাবিল স্তরসমষ্টির শিলায়। মায়োসিন কর্দম শিলা, বিশেষ করে মধ্য ও প্রবীণ ভূবন, যার ঞঙঈ ০.৯% পর্যন্ত, গ্যাস প্রবণ, এবং এটি অবশ্যই প্রান্তিক উৎস শিলার শ্রেণীভুক্ত। মায়োসিন ভূবন ও বোকাবিল স্তরসমষ্টি মাত্র ৩০ লক্ষ থেকে ৪০ লক্ষ বছর আগে গ্যাস উৎপাদী পরিপক্কতা অর্জন করে, বিশেষ করে গভীরতর অববাহিকীয় অঞ্চল ও প্রবীণ ভূবন স্তরসমষ্টিতে। এইসব অবক্ষেপ থেকে উৎপাদিত গ্যাস প্রায় সম্পূর্ণত উত্তলভঙ্গ (anticline) দ্বারা আবদ্ধ যা ঐ সময়ের মধ্যে সুরমা বেসিনে গড়ে উঠেছিল। কিছু ভূতত্ত্ববিদ মনে করেন, ভূবন স্তরসমষ্টির কর্দমশিলা উৎস শিলা হওয়ার মতো যথেষ্ট জৈব পদার্থে পূর্ণ নয়। তারা আরও বিশ্বাস করেন ভূবন স্তরসমষ্টির চাইতে প্রবীণ ওলিগোসিন বরাইল শিলাদলের কর্দমশিলা জৈব পদার্থে পূর্ণ এবং গ্যাস উৎপাদন করে। পরবর্তীতে এই গ্যাস শিলার ঊর্ধ্বমুখী ঢালের দিকে কয়েক কিলোমিটার অভিপ্রয়াণের (migration) পর পরিশেষে ভূবন এবং বোকাবিল স্তরসমষ্টির বেলেপাথর আধারে সঞ্চিত হয়েছে।  [সিফাতুল কাদের চৌধুরী]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  ২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ২৩টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলির মধ্যে ২টি উপকূলের অদূরে বঙ্গোপসাগরে এবং অবশিষ্ট গ্যাসক্ষেত্রগুলি দেশের পূর্ব ভূভাগে অবস্থিত। প্রাথমিক মূল্যায়নে (Total gas initially in place-GIIP) এই ২৩টি গ্যাসক্ষেত্রের মোট মজুত প্রায় ২৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বলে অনুমিত হয়েছে যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত প্রায় ২১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। ২০১০ সালের শেষ নাগাদ প্রায় ৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট মজুতের পরিমাণ প্রায় ১২.১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ১,০০০ থেকে ৩,৫০০ মিটার গভীরতায় মায়োসিন (৫০ লক্ষ থেকে ২ কোটি ৪০ লক্ষ বছর পূর্বে) - প্লায়োসিন (২০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ বছর পূর্বে) সময়কালের বেলেপাথর আধারে এই প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া গিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:NaturalGasField.jpg|thumb|400px|left]]&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাস অধিক বিশুদ্ধ যার মধ্যে প্রায় ৯৫% থেকে ৯৯%-ই মিথেন এবং সালফার প্রায় অনুপস্থিত। প্রাকৃতিক গ্যাসের গড় গঠন হচ্ছে মিথেন ৯৭.৩৩ ভাগ, ইথেন ১.৭২ ভাগ, প্রপেন ০.৩৫ ভাগ এবং অবশিষ্ট ০.১৯ ভাগে রয়েছে উচ্চতর হাইড্রোকার্বনসমূহ। অধিকাংশ গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাসই শুষ্ক, তবে অল্প কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটের উপস্থিতিসহ আর্দ্র গ্যাস পাওয়া গিয়েছে। আর্দ্র গ্যাসক্ষেত্রগুলি হচ্ছে বিয়ানীবাজার (কনডেনসেট ১৬ ব্যারেল/মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস), জালালাবাদ ((কনডেনসেট ১৫ ব্যারেল/মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস) এবং কৈলাশটিলা (কনডেনসেট ১১ ব্যারেল/মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। দেশে কনডেনসেটের মোট অনুমিত মজুত প্রায় ৬ কোটি ৫০ লক্ষ ব্যারেল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশের ভূতাত্ত্বিক গঠন থেকে একটি বিষয় পরিষ্কার যে, ইতিমধ্যে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলি ছাড়াও ভবিষ্যতে আরও গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের সম্ভাবনা অতি উজ্জ্বুল। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্রাকৃতিক গ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলি হচ্ছে সিলেট, ছাতক, তিতাস, রশিদপুর, কৈলাশটিলা, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, সেমুতাং, কুতুবদিয়া, বেগমগঞ্জ, কামতা, ফেনী, বিয়ানীবাজার, ফেঞ্চুগঞ্জ, জালালাবাদ, নরসিংদী, মেঘনা, শাহবাজপুর, সালদানদী, সাংগু, বিবিয়ানা ও মৌলভীবাজার। অধিকাংশ গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের পূর্বাংশের ইন্দোবার্মা ভাঁজুসমূহের সন্নিকটস্থ স্থলভাগে অবস্থিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাধারণত ঊর্ধ্বভঙ্গীয় ধারকে (anticlinal traps) প্রাকৃতিক গ্যাস সঞ্চিত হয়। আধারের প্রবেশ্যতা, সচ্ছিদ্রতা প্রভৃতি গুণাগুণের ভিত্তিতে গ্যাসাধার উত্তম থেকে অতি উত্তম হয়ে থাকে। অনেক গ্যাসক্ষেত্রেই একাধিক বেলেপাথর গ্যাসাধার রয়েছে, এমনকি কোন কোনটিতে ১২টির মতো গ্যাস-বেলেপাথর অঞ্চল বিদ্যমান থাকতে দেখা যায়। বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রসমূহ থেকে প্রাপ্ত গ্যাসের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল থেকে প্রতীয়মান হয় যে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভূভাগের জৈব পদার্থ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপন্ন হয় এবং অয়েল উইন্ডোতে (oil window) সঞ্চিত হয়। গ্যাসের উৎস শিলাসমূহ সাধারণত বরাইল শিলাদলের ওলিগোসিন (বর্তমান কাল থেকে ২ কোটি ৪০ লক্ষ থেকে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ বছর পূর্বে) কর্দমশিলা হয়ে থাকে। এই গ্যাস ওলিগোসিন কর্দম উৎসশিলা থেকে চ্যুতি নালার মধ্য দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী মধ্যম থেকে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করে মায়োসিন বেলেপাথর আধারে সঞ্চিত হয় বলে ভূতত্ত্ববিদদের ধারণা।&lt;br /&gt;
[[Image:103327.jpg|thumb|600px|center]]&lt;br /&gt;
যে সকল গ্যাসক্ষেত্র থেকে বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে সেগুলি হলো তিতাস, সিলেট, কৈলাশটিলা, হবিগঞ্জ, সালদানদী জালালাবাদ এবং সাঙ্গু। উল্লেখিত গ্যাসক্ষেত্রগুলির সংক্ষিপ্ত বর্ণনা নিচে দেওয়া হলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সিলেট গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  সিলেট শহরের ২০ কিমি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (পিপিএল) ১৯৫৫ সালে গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। উক্ত কোম্পানি সর্বমোট ৭টি কূপ খনন করে। তারমধ্যে সিলেট-১ কূপটি ব্লো-আউট হয়ে যায়। বর্তমানে সিলেট-৩ ও সিলেট-৬ নং কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে। সিলেট-৭ নং কূপটিই একমাত্র কূপ যেখান থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত দৈনিক ১০০ থেকে ৩০০ ব্যারেল অশোধিত খনিজ তেল উত্তোলিত হতো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;ছাতক গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি পাকিস্তান পেট্রোলিয়াম লিমিটেড কর্তৃক ১৯৫৯ সালে আবিষ্কৃত হয়। এই গ্যাসক্ষেত্রে ২,১৩৩ মিটার গভীরতা পর্যন্ত কূপ খনন করা হয়। অত্যধিক পানি প্রবাহের কারণে ১৯৮৫ সাল থেকে ছাতক গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:GasField2.jpg|thumb|400px|right|গ্যাসক্ষেত্র]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;তিতাস গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রগুলির মধ্যে একটি এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ&#039;&#039;&#039; &#039;&#039;&#039;গ্যাস উৎপাদনকারী ক্ষেত্র।&#039;&#039;&#039; &#039;&#039;&#039;ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি আবিষ্কার করে। ২০০০ সাল পর্যন্ত এখানে ১৪টি কূপ খনন করা হয়েছে। ৬৪ বর্গ কিলোমিটার ব্যাপী বিস্তৃত এই ক্ষেত্রটির ভূ-গঠন গম্বুজাকৃতির। গ্যাস উৎপাদিত বালুকণাগুলির স্তর অধিকাংশই ২,৬১৬ মিটার থেকে ৩,১২৪ মিটার গভীরতার মধ্যে। তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের মোট অনুমিত মজুত প্রায় ৪.১৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.১ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ২০০০ সালের শেষ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে মোট ১.৭২ টিসিএফ গ্যাস উত্তোলন করা হয়েছে যা মোট উত্তোলনযোগ্য মজুতের প্রায় ৭৫ ভাগ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;রশিদপুর গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬০ সালে আবিষ্কৃত হয়। এই ভূ-গঠনে মোট ৪টি কূপ খনন করা হয়েছে। এখানে গ্যাসের মোট মজুত ২.২৪ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ১.৩০ টিসিএফ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  সিলেট জেলায় অবস্থিত; বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি ১৯৬২ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। এর মোট অনুমিত মজুত ৩.৬৫ টিসিএফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৫২ টিসিএফ গ্যাস। কৈলাশটিলা গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কনডেনসেটও উৎপাদিত হয়ে থাকে। ১৯৮৩ সাল থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  ১৯৬৩ সালে আবিষ্কৃত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। এটি ১১ কিমি দীর্ঘ এবং ৪.৫ কিমি প্রশস্ত। প্রায় ৩০ শতাংশ সচ্ছিদ্রতাবিশিষ্ট হবিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র একটি উন্নতমানের গ্যাসাধার হিসেবে খ্যাত। বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম একটি গ্যাস উৎপাদনক্ষেত্র। আজ পর্যন্ত এই গ্যাসক্ষেত্রে ১০টি কূপ খনন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত। ১৯৬৯ সালে শেল অয়েল কোম্পানি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ১৯৮৪ সালে এখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় এবং ১৯৯৩ সালে এর উৎপাদন সর্বোচ্চে পৌঁছে (দৈনিক ১৯০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস)। তখন থেকে এই গ্যাসক্ষেত্রের চাপ ও উৎপাদনে দ্রুত পতন ঘটে। ২০০০ সালের শেষদিকে এখান থেকে প্রতিদিন মাত্র ৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে যে, বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রটি দ্রুত নিঃশেষ হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার একমাত্র গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় তেল কোম্পানি ও.জি.ডি.সি এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। খননকৃত ৪টি কূপের মধ্যে ৩নং ও ৪নং কূপে কোন গ্যাস পাওয়া যায় নি। এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে কোন গ্যাস উত্তোলিত হয় নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;কুতুবদিয়া গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  চট্টগ্রাম বন্দরের প্রায় ৯২ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিয়ন অয়েল কোম্পানি ১৯৭৬ সালে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। যদিও গ্যাসক্ষেত্রটি ছোট আকৃতির, তবুও এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত। পেট্রোবাংলা ১৯৭৭ সালে এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রটি একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র এবং এর উন্নয়নে এখন পর্যন্ত কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় নি। এখানে খননকৃত দুটি গ্যাসক্ষেত্রের মধ্যে একটি শুষ্ক পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;কামতা গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  ১৯৮১ সালে পেট্রোবাংলা গাজীপুর জেলায় এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ছয় বছর গ্যাস উত্তোলনের পর অত্যধিক পানি প্রবাহের কারণে ১৯৯১ সালে গ্যাসক্ষেত্রটি বন্ধ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;ফেনী গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  ফেনী জেলায় অবস্থিত একটি ছোট আকৃতির গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৮১ সালে পেট্রোবাংলা কর্তৃক এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়। কূপটির গভীরতা ৩০০০ মিটার। বর্তমানে ক্ষেত্রটি উত্তোলনযোগ্য নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  সিলেট জেলায় অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৮১ সালে পেট্রোবাংলা কর্তৃক আবিষ্কৃত। বর্তমানে এর দুটি কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  ১৯৮৮ সালে পেট্রোবাংলা সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জে আবিষ্কার করে। মধ্যম আকৃতির এই গ্যাসক্ষেত্রটিতে রয়েছে বাংলাদেশের গভীরতম কূপ যার গভীরতা ৪,৯৭৭ মি। এই গ্যাসক্ষেত্রে কিছু পরিমাণে অ-বাণিজ্যিক তেল পাওয়া গিয়েছে। এখান থেকে এখনও গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;জালালাবাদ গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  সিলেট জেলায় অবস্থিত। ১৯৮৯ সালে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানি সিমিটার এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। পরবর্তীতে অক্সিডেন্টাল তথা ইউনোক্যাল এই গ্যাসক্ষেত্রের দায়িত্ব গ্রহণ করে। বর্তমানে গ্যাসক্ষেত্রটি থেকে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;নরসিংদী গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  নরসিংদী জেলায় অবস্থিত। ১৯৯০ সালে পেট্রোবাংলার আবিষ্কৃত এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৯৬ সাল থেকে গ্যাস উৎপাদনের আওতায় এসেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;মেঘনা গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের উত্তরে মেঘনা প্লাবনভূমিতে অবস্থিত। মধ্যম আকৃতির এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৯০ সালে পেট্রোবাংলা কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়। ১৯৯৭ সালে এখানে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  ভোলা জেলার শাহবাজপুরে অবস্থিত। ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এটি আবিষ্কার করে। শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয় নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সালদানদী গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত। ১৯৯৬ সালে বাপেক্স গ্যাসক্ষেত্রটি খনন করে যার গভীরতা ২৫১২ মিটার। বর্তমানে এই গ্যাসক্ষেত্রটি থেকে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  একমাত্র উপকূলীয় গ্যাসক্ষেত্র যেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে। ১৯৯৬ সালে কেয়ার্ন এনার্জি এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। বর্তমানে শেল অয়েল কোম্পানি সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র পরিচালনা করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৯৮ সালে ইউনোক্যাল এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। এই গ্যাসক্ষেত্রের মোট অনুমিত গ্যাসের মজুত প্রায় ৫ টি.সি.এফ যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুত ২.৪ টি.সি.এফ। অদূর ভবিষ্যতে ইউনোক্যাল এই গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়ন সাধন করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্র&#039;&#039;  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত এই গ্যাসক্ষেত্রটি মাগুরছড়া গ্যাস উৎক্ষেপণ (ব্লো-আউট) জনিত দুর্ঘটনার জন্য পরিচিতি লাভ করেছে। ১৯৯৮ সালে অক্সিডেন্টাল অয়েল কোম্পানি এখানে প্রথম কূপ খনন করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এর ফলে বায়ুমন্ডলে প্রচুর পরিমাণে গ্যাস বের হয়ে যায়। পরবর্তীতে অক্সিডেন্টালের দায় গ্রহণকারী কোম্পানি ইউনোক্যাল এখানে ২নং কূপ খননকালে গ্যাসের অনুসন্ধান লাভ করে। মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের উন্নয়ন কাজ এখনও অবশিষ্ট রয়েছে।  [বদরুল ইমাম এবং মো. লুৎফর রহমান চৌধুরী]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;গ্যাস পাইপলাইন&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উৎপাদনের পর তা পাইপলাইনের মাধমে সরবরাহ করা হয়। সরবরাহ ও চাহিদা অনুসারে পাইপলাইন স্থাপন করা হয়ে থাকে। এ উদ্দেশ্যে সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানি (Transmission and Distribution Company) গঠন করা হয়েছে। শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং গৃহস্থালি ভোক্তার কাছে গ্যাস সরবরাহের জন্য বাংলাদেশে রয়েছে বিস্তৃত ও দীর্ঘ গ্যাস পাইপলাইন নেটওয়ার্ক। শিল্পক্ষেত্রে গ্যাস ব্যবহারকারীদের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ উৎপাদিত গ্যাসের সিংহভাগ ব্যবহার করে থাকে। সেই সঙ্গে প্রধানত দেশের পূর্ব ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলে অবস্থিত সার ও সিমেন্ট কারখানাসমূহ, পাল্প ও পেপার মিল এবং অন্যান্য শিল্পকারখানাসমূহও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:GasGraph.jpg|thumb|600px|center]]&lt;br /&gt;
বর্তমানে দেশে তিনটি সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানি তিনটি নিজস্ব আওতাভুক্ত এলাকায় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে- (ক) তিতাস গ্যাস সুবিধাভোগী এলাকা (Titas Franchise Area-TFA), (খ) জালালাবাদ গ্যাস সুবিধাভোগী এলাকা (Jalalabad Franchise Area-JFA) এবং (গ) বাখরাবাদ গ্যাস সুবিধাভোগী এলাকা (Bakhrabad Franchise Area-BFA)। তিতাস গ্যাস সুবিধাভোগী এলাকার মধ্যে রয়েছে: আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জিয়া সার কারখানা, যমুনা সার কারখানা, ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানা, ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, জামালপুর ও শেরপুর জেলাসমূহ। জালালাবাদ গ্যাস সুবিধাভোগী এলাকার মধ্যে রয়েছে: কুমারগাঁও বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সিলেট কাগজ ও মন্ড কারখানা, ছাতক সিমেন্ট কারখানা, আইনপুর সিমেন্ট কারখানা, বেসরকারি অন্যান্য সিমেন্ট কারখানাসমূহ; সিলেট, ছাতক, সুনামগঞ্জ জেলা ও তৎসলগ্ন এলাকায় অবস্থিত শিল্প, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও গৃহস্থালি ভোক্তাসমূহ; এবং ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শাহজালাল সার কারখানা, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এলাকাসমূহ (শাহজীবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্র, চা বাগানসমূহ ও অন্যান্য শিল্পকারখানাসমূহ)। বাখরাবাদ গ্যাস সুবিধাভোগী এলাকার মধ্যে রয়েছে: কর্ণফুলী সার কারখানা (কাফকো), চিটাগাং ইউরিয়া সার কারখানা, রাউজান বিদ্যুৎ কেন্দ্র, শিকলবাহা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলী পেপার মিল; চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, লাকসাম ও ফেনী এলাকায় অবস্থিত শিল্প, বাণিজ্যিক ও গৃহস্থালি ভোক্তাসমূহ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড-জিটিসিএল কৈলাশটিলা থেকে আশুগঞ্জ পর্যন্ত ১৭৮ কিমি দীর্ঘ ও ৬০.৯৬ সেমি ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট গ্যাস পাইপলাইন এবং উত্তর-দক্ষিণ গ্যাস ট্রান্সমিশন পাইপলাইন পরিচালনা করছে। ১৯৯৭ সালে স্থাপিত এবং ৫৮ কিমি দীর্ঘ আশুগঞ্জ থেকে বাখরাবাদ পর্যন্ত ৭৬.২০ সেমি ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট পাইপলাইনটিও জিটিসিএল পরিচালনা করছে। জিটিসিএল বর্তমানে বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্র পর্যন্ত এবং যমুনা নদীর পশ্চিমাঞ্চলে গ্যাস পাইপলাইন নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে। জাতীয় গ্যাস গ্রিডের (National Gas Grid) আওতাভুক্ত সকল গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইন ক্রমান্বয়ে জিটিসিএলের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপরোক্ত সকল গ্যাস সুবিধাভোগী এলাকায় গ্যাসের দৈনিক চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে ২৫.৬৫ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়াতে পারে। বর্তমানে নির্মানাধীন বিয়ানীবাজার-কৈলাশটিলা গ্যাস পাইপলাইনে দৈনিক ১.১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হবে। এর ফলে গ্যাসের নিট চাহিদা বৃদ্ধি পেয়ে দৈনিক ২৬.৭৭ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়াবে। অদূর ভবিষ্যতে গ্যাস প্রবাহ দৈনিক অতিরিক্ত ৭.২৮ থেকে ৭.৫৬ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হবে এবং সেই সঙ্গে গ্যাস পাইপলাইনের পরিমাণও বৃদ্ধি করার প্রয়োজন দেখা দেবে।  [মো. লুৎফর রহমান চৌধুরী]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;গ্যাসের বাজারজাতকরণ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  ছাতক গ্যাসক্ষেত্র থেকে ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে পাইপলাইনের সাহায্যে গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে ১৯৬০ সালে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ শুরু হয়। ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানায় সরবরাহের জন্য সিলেটে দ্বিতীয় গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদন শুরু হয়। ১৯৬১ সালে দেশে মোট উৎপাদিত গ্যাসের পরিমাণ ছিল ৩.৫ বিলিয়ন ঘনফুট। এর পর থেকে দেশে গ্যাস উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ উত্তরোত্তর বাড়তে থাকে। ১৯৯৮ সালের শেষ দিকে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২২টিতে দাঁড়ায় যার মধ্যে ১২টিতে উৎপাদন শুরু হয়। ঐ সালে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট উৎপাদন ছিল ২৯৮ বিলিয়ন ঘনফুট। বর্তমানে দেশে দৈনিক গ্যাস উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ১০০০ মিলিয়ন ঘনফুট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০০১ সালে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনের দায়িত্বে রয়েছে পেট্রোবাংলার তিনটি সহায়ক কোম্পানি (বাংলাদেশ গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেড) এবং দুটি আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানি (শেল ও ইউনোকল)। শক্তি স্থাপনা, সার কারখানা ও বিভিন্ন শিল্প, বাণিজ্যিক ও গার্হস্থ্য সংযোগ প্রদানের দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছে বেশ কিছু গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণ কোম্পানি (তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, বাংলাদেশ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড এবং জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ৮০% ব্যবহূত হয় শক্তি উৎপাদন ও সার উৎপাদনের কাজে। দেশের মোট ব্যবহূত গ্যাসের খাতওয়ারি হার হচ্ছে: বিদ্যুৎ উপাদন ৪৫%, সার (৩৫%) এবং শিল্প, বাণিজ্য ও গার্হস্থ্য ২০%। বছরে ১৩.৪% হারে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা বাড়ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপরোল্লিখিত খাত ছাড়া অন্যান্য খাতে প্রাকৃতিক গ্যাসের বিকল্প ব্যবহারের বিষয়টি সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক সংগঠনসমূহের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে। পেট্রোরাসায়নিক শিল্প, এলএনজি বা আরও সাম্প্রতিককালে কৃত্রিম তরল জ্বালানি অর্থাৎ গ্যাস তরলীকরণ প্রযুক্তি বিশ্বের অনেক স্থানে চালু থাকলেও এই সব বিকল্প বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষিতে বিবেচনা করা হচ্ছে না। তৎপরিবর্তে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস রপ্তানির সম্ভাব্যতা গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাইলাইনে গ্যাস রপ্তানির বিকল্পটি বাংলাদেশে গ্যাস অনুসন্ধানে নিয়োজিত বিদেশি তেল কোম্পানিগুলোই খুব জোর দিয়ে বলছে। গ্যাস রপ্তানির উদ্যোক্তাদের মত হচ্ছে স্থানীয়ভাবে সরবরাহের পরিমাণ অপ্রতুল বিধায় প্রতিবেশী ভারতে যে বিশাল গ্যাসের বাজার অপেক্ষা করে রয়েছে বাংলাদেশের উচিত এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা। বলা হচ্ছে ভারতে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি করে নিজের অর্থনীতিকে চাঙা করার প্রয়োজনীয় বিদেশি মুদ্রা বাংলাদেশ এর মাধ্যমে আয় করতে পারে। উদ্যোক্তারা আরও বলছে, অদূর ভবিষ্যতে সৌরশক্তির মত বিকল্প জ্বালানির উৎস আবিষ্কৃত হলে গ্যাস অপেক্ষাকৃত অপ্রয়োজনীয় জ্বালানিতে রূপান্তরিত হবে এবং আজকের এই গুরুত্ব হারিয়ে ফেলবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কিন্তু দেশের বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদদের একটা বড় অংশ ভিন্নমত পোষণ করেন। তাঁরা এ মুহূর্তে পাইপলাইনে গ্যাস রপ্তানি প্রকল্পের ঘোর বিরোধী। তাদের বক্তব্য বিদেশে পাইপলাইনে গ্যাস রপ্তানির কথা বিবেচনার আগে দুটি বিষয় গভীর ভাবে ভেবে দেখা দরকার। প্রথমত ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে সক্ষম যথেষ্ট গ্যাসের মজুত বাংলাদেশে আছে কিনা এবং দ্বিতীয়ত জ্বালানি হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের ভবিষ্যৎ কি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ্যাস রপ্তানির বিরোধীদের মতে, দেশের বর্তমান গ্যাসের মজুত, যা মোটামুটি সন্তোষজনক যা হয়ত তাৎক্ষণিক ভবিষ্যতের চাহিদা পূরণের পক্ষে যথেষ্ট, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে দেশের ভবিষ্যৎ চাহিদা মেটানোর পক্ষে তা পর্যাপ্ত নয়। নিজস্ব একমাত্র বাণিজ্যিক জ্বালানি প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর বাংলাদেশ খুবই নির্ভরশীল। এদেশে তেলের উল্লেখযোগ্য তেমন মজুত নেই এবং ভবিষ্যতে আরও জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সম্ভাবনাও প্রায় শূন্য। পরমাণু শক্তি অর্জনের সম্ভাবনাও সুদূর পরাহত। এই প্রেক্ষিতে এদেশে বাণিজ্যিক জ্বালানির একমাত্র উৎস হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা দীর্ঘদিন বলবৎ থাকবে। তাই বাংলাদেশ যদি এ মুহূর্তে প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি শুরু করে, তা হলে শক্তির বিকল্প কোন উৎস আবিষ্কৃত হওয়ার আগেই হয়ত তার বর্তমান গ্যাসের মজুত শেষ হয়ে যাবে। যা ভবিষ্যৎ জ্বালানি দৃশ্যপটের জন্য হবে ভয়াবহ। তাদের মতে বর্তমানে পাইপলাইন সহযোগে গ্যাস রপ্তানির মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদী অর্থনৈতিক মুনাফা অর্জন হয়ত সম্ভব হবে, কিন্তু মজুত গ্যাস নিঃশেষ করার ঝুঁকির তুলনায় সে লাভ খুবই অকিঞ্চিৎকর হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জ্বালানি হিসেবে গ্যাসের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের অভিমত এই যে, ২০৪০ সাল পর্যন্ত তেল ও গ্যাস জ্বালানির প্রধান উৎস হিসেবে কার্যকর থাকবে, যার পর গ্যাসই জ্বালানি হিসেবে বিশ্বজুড়ে প্রায় একছত্র আধিপত্য কায়েম করবে। প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার ২০৫০ সালে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে। তখন এর ব্যবহার তেল ও গ্যাসের সম্বিলিত ব্যবহারকেও ছাড়িয়ে যাবে। সৌরশক্তি বা অন্য কোন বিকল্প জ্বালানির বিশ্বজনীন প্রচলন বিলম্বিত হবে এবং ২০৫০ সালের আগে শুরু হবে না। বাংলাদেশে গ্যাস রপ্তানির বিরোধীরা তাই যুক্তি দেখাচ্ছেন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃহৎ মজুত আবিষ্কৃত না হওয়া পর্যন্ত গ্যাস রপ্তানি বিবেচনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অপেক্ষা করা উচিত।  [বদরুল ইমাম ও মো. মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;আরও দেখুন&#039;&#039;  [[হাইড্রোকার্বন|হাইড্রোকার্বন]]; [[হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান|হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান]]; [[হাইড্রোকার্বন উৎপাদন|হাইড্রোকার্বন উৎপাদন]]; [[হাইড্রোকার্বন আধার|হাইড্রোকার্বন আধার]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Gas, Natural]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6&amp;diff=22035</id>
		<title>লেখকবৃন্দ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%96%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6&amp;diff=22035"/>
		<updated>2026-07-22T05:23:07Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{| class=&amp;quot;table table-hover raw-table&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|অক্ষরানন্দ, স্বামী  প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক, রামকৃষ্ণ মিশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|অধিকারী, রবীন্দ্রনাথ  সাংবাদিক, খ্রিস্টানপাড়া, গোপালগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|অবধূত, বিজয়ানন্দ  আনন্দমার্গ আশ্রম, পশ্চিমবঙ্গ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আউয়াল, মোহাম্মদ আবদুল  অধ্যাপক (অব), বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আওহাদ, এ.এ.এম  সাংবাদিক, কালিয়া, নড়াইল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আক্তার, বায়েজীদ  ফটোসাংবাদিক, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আককাস, আবু জার মো.  সিনিয়র সাংবাদিক, সাপ্তাহিক হলিডে, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আকন, ইউনুস  ভূতত্ত্ববিদ, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আকন্দ, এম.এ মতিন  সাংবাদিক, বামনা, বরগুনা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আকন্দ, মোবারক আলী  প্রাক্তন পরিচালক, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আকবর, এ.এস.এম রফিকুল  উপপরিচালক, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আকবর, এম আলী  আর্কিভিস্ট, বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভস এবং গ্রন্থাগার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আকবর, মোঃ আলী  গবেষণা ও শিক্ষা অফিসার, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আক্তার, নাসরীন  সহকারী সম্পাদক, বাংলাপিডিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আক্তার, রেজিনা  গ্রন্থাগারিক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আক্তার, শামীমা  গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আক্তার, শামীমা  গবেষণা সহযোগী, বাংলাপিডিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আখতার, শাহীদা  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আখতার, শিরীন  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আখতারুজ্জামান, এ.এফ.এম  বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আখতারুজ্জামান, মো.  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আগরওয়াল, অশ্বিনী  প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস সংস্কৃতি ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আজাদ, আবুল কালাম  ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, বাংলাদেশ ব্যাংক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আজাদী, মোহাম্মদ আলী  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আজিজ, আবদুল  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আজিজ, ইকবাল  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আজিজ, কে.এম.এ  কনসালট্যান্ট, আইসিডিডিআর,বি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আজিজ, মহীবুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আজিজ, সৈয়দ মাহমুদুল  জহুরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আজিম, ফয়েজুল  অধ্যাপক, চারুকলা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আনওয়ারী, মুহাম্মদ আবদুর রহমান  অধ্যাপক, দাওয়া ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আনসারী, ফিরোজ  লেখক ও গবেষক, যশোর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আনিসুজ্জামান, এম  অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আনোয়ার, এম তৌহিদুল  অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আনোয়ার, মো. শফিক  সচিব, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আনোয়ার, সৈয়দ ফারহাত  অধ্যাপক, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আফসার, রীতা  সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আফাজউদ্দিন, মো.  অধ্যাপক, দাওয়া ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আবদুল্লাহ, আবু আহমেদ  বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আবদুল্লাহ, এ.বি.এম  বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আবুবকর, মো.  অধ্যক্ষ, সরকারি দেবেন্দ্র কলেজ, মানিকগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আবুবকর, মো.  প্রাক্তন মহাপরিচালক, জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আবুয়াদি, শাহ মো. হাবিবুল্লাহ  কাঁঠালিয়া, ঝালকাঠি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আবেদিন, কাজী মনোয়ার  অধ্যাপক, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আবেদীন, জয়নাল  অধ্যাপক, মধুপুর কলেজ, টাঙ্গাইল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আমিন, নুরুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আমিন, মো. নুরুল  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আমিন, মো. রুহুল  সহযোগী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আমিন, মো. সদরুল  অধ্যাপক, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আমিন, সোনিয়া নিশাত  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আমিনুজ্জামান, সালাহউদ্দিন এম  অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আমীন, মুহাম্মদ রুহুল  অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আমীন, মো. শহীদুল  অধ্যাপক, স্থাপত্য বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আরিফ, হাকিম  সহযোগী অধ্যাপক, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আল-গালিব, মুহম্মদ আসাদুল্লাহ  অধ্যাপক, আরবী বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, আকসাদুল  সহযোগী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, এ.এফ.এম বদরুল  বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, এ.কে.এম খোরশেদ  পরিচালক, জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, এ.কে.এম তারিকুল  প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বাগেরহাট পৌরসভা, বাগেরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, এ.কে.এম নূরুল  অধ্যাপক, দাওয়া ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, এ.কে.এম নূরুল  পরিচালক, বিআইডব্লিউটিএ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, এম রফিকুল  অধ্যাপক, শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, এম.এন  রোটারিয়ান, গুলশান, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, কাজী রফিকুল  সভাপতি, ঢাকা আহছানিয়া মিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, জাহাঙ্গীর  প্রাক্তন মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট, সাভার, ঢাকা  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, জোবায়ের বিন  সহযোগী অধ্যাপক, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, বদিউল  বাংলা বিভাগ, কালাই ডিগ্রি কলেজ, জয়পুরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, বদিউল  সাংবাদিক, কক্সবাজার &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মমতাজুর  লেখক, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মাহবুবুল  অতিরিক্ত সচিব, সংস্থাপন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মাহবুবুল  প্রাক্তন উপসচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মাহমুদ  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মু. শামসুল  অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ শিক্ষা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মুহম্মদ শামসুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মো. খায়রুল  বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মো. খুরশিদ  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মো. জায়েদুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মো. জাহাঙ্গীর  অধ্যাপক, কীটতত্ত্ব বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মো. জাহাঙ্গীর  পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মো. জিন্নাতুল  অধ্যাপক, কীটতত্ত্ব বিভাগ, বিএসএমআরএইউ, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মো. শফিকুল  পরিচালক (অব), প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মো. শরিফুল  কম্পিউটার বিভাগ, পাবনা ইসলামিয়া কলেজ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মো. শাহ  বাংলা বিভাগ, এস.কে সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, মোহা. শামসুল  অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, শফিউল  প্রাক্তন পরিচালক, ব্যানবেইজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, শরীফ খুরশীদ  এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলম, শাহিদা  বার্তা সম্পাদক, বাংলাদেশ টেলিভিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলমগীর, খন্দকার  পরিচালক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলমগীর, মোহাম্মদ  কীপার (ইনচার্জ), আহসান মঞ্জিল জাদুঘর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আল-হাদী, আবদুল হাই  সাংবাদিক, গোয়াইনঘাট, সিলেট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলি, মো. শাহজাহান  সহকারী অধ্যাপক, অণুজীববিদ্যা বিভাগ, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ, বগুড়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, এ.এম.এম শওকত  প্রাক্তন সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, এ.কে.এম ইয়াকুব  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, এম ইউসুফ  বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, এম ইদ্রিস  বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, এম ওয়াজেদ  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, কাজী এম হাসান  গবেষক, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, জীনাত ইমতিয়াজ  অধ্যাপক, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মীর মোবাশ্বের  অধ্যাপক, স্থাপত্য বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মুহম্মদ এ রুমী  উপপরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মো. ইব্রাহিম  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মো. ওয়াজেদ  প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত), পাবনা জিলা স্কুল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মো. ছাবের  সংরক্ষণ রসায়নবিদ, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মো. মাহতাব  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মো. মোকসেদ  লেখক ও গবেষক, দোহার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মো. শাহাদৎ  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মো. সোহরাব  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মো. হযরত  অধ্যাপক, কৃষিতত্ত্ব বিভাগ, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, মোহাম্মদ আনসার  অধ্যাপক (অব), ইতিহাস বিভাগ, সরকারি জগন্নাথ কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, সারোয়ার  বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, সৈয়দ আশরাফ  প্রাক্তন মহাপরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আলী, সৈয়দ সালামত  লেখক ও গবেষক, মোহাম্মদপুর, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আশরাফ, আমিরুল  সাংবাদিক, সাতকানিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আশরাফ, ইয়াসিন  লেখক ও গবেষক, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আশ্রাফ, তানজীল  প্রধান শিক্ষক, আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আসাদুজ্জামান, মো.  সহকারী অধ্যাপক, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, তাহমিনা  প্রাক্তন প্রভাষক, সাভার মহিলা কলেজ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, মাইনউদ্দীন  বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, শ্রীমঙ্গল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, মুনির  পরিচালক, বিচ স্যান্ড এক্র্প্লোয়টেশন প্রজেক্ট, কাপ্তাই&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, আবু তৈয়ব আবু  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, আলী  অধ্যাপক, পশ্চিম ধানমন্ডি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, ইশতিয়াক উদ্দীন  প্রধান বন সংরক্ষক, বন বিভাগ, বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, এ.বি.এম শামসুদ্দীন  অধ্যক্ষ (অব), নাজিমউদ্দিন সরকারি কলেজ, মাদারীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, এমাজউদ্দীন  প্রাক্তন উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, ওয়াকিল  প্রাক্তন উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, কামাল উদ্দীন  অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, তোফায়েল  অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, নওয়াজেশ  কৃষিবিজ্ঞানী ও আলোকচিত্রগ্রাহক &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, বোরহান  সাংবাদিক, দৈনিক জনকণ্ঠ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, মহিউদ্দিন  চেয়ারম্যান, কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট লাইব্রেরী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, মো. মমতাজউদ্দিন  বিচারপতি, হাইকোর্ট ডিভিশন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, মোশতাক  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, রিয়াজ  উপপরিচালক (অডিট), আইএলবিবিএস, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, শবিবর  অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, শামসুদ্-দীন  প্রাক্তন অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ সরকার &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, শামসুদ্দীন  অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, শাহাবুদ্দিন  ডেপুটি এটর্নি জেনারেল, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, সাঈদ  সিনিয়র কো-অর্ডিনেটর, আইন ও সালিশ কেন্দ্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, সালমা  সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, সালেহ উদ্দীন  ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পল্লীকর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমদ, সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন  উপাচার্য, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমাদ, মাসুম  অধ্যাপক, কীটতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমাদ, মোনাওয়ার  অধ্যাপক, কীটতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, আখতার উদ্দিন  পরিচালক, হাউজিং এন্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, আবু   অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, আবু নসর সায়িদ  মানবিক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি, গৌহাটি &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, আর.ইউ  চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, ইকরাম  সদস্য, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, এ.এফ সালাহ্উদ্দিন  অধ্যাপক (অব), ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, এ.ডাব্লিউ নুরুদ্দীন  যুগ্ম সচিব, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, এস শাহনেওয়াজ  অধ্যাপক, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, কাজী মতিন উদ্দিন  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, কাজী সালেহ  প্রাক্তন উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, কে ইফতেখার  স্থাপত্য বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, খান কামাল উদ্দিন  নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, রাঙ্গামাটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, ছমির উদ্দিন  গবেষক, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, জামাল উদ্দিন  অধ্যাপক, ফিন্যান্স বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, জালাল উদ্দিন  হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, জাহেদা  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, জিয়া উদ্দিন  অধ্যাপক, প্রাণরসায়ন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, নইমুদ্দিন  বিচারপতি, ল’ কমিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, নাজিমউদ্দীন  প্রাক্তন পরিচালক, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, পারভীন  চেয়ারম্যান, কারিকা, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, ফরিদ উদ্দিন  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, মঈনউদ্দিন  বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, মাসুদা  অধ্যাপক (অব), ইতিহাস বিভাগ, ইডেন কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, মুনীর উদ্দিন  অধ্যাপক, ফার্মেসি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, মুসলেহ উদ্দিন  অধ্যক্ষ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, মো. মওদুদ  লেখক ও গবেষক, জিয়ানগর, পিরোজপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন  সাংবাদিক, শিবগঞ্জ, নবাবগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, রফিক  অধ্যাপক, ভূগোল ও মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ, উইসকনসিন-লা ক্রোসি বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, লিলীমা  অফিসার, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, শফিউদ্দিন  অধ্যাপক, ডেইরি সায়েন্সেস, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, শফিউদ্দিন  গবেষক, পাথরঘাটা, বরগুনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, শরীফ  অধ্যক্ষ, রফিকুল ইসলাম মহিলা কলেজ, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, শরীফ উদ্দিন  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, শামসুদ্দীন  অধ্যাপক (অব), জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পূনর্বাসন প্রতিষ্ঠান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, সাববীর  সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, সামিনা  প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বিসিএসআইআর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, সুফিয়া  জাতীয় অধ্যাপক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, সুলতান  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, সৈয়দ জামিল  অধ্যাপক, নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহমেদ, হেলাল উদ্দিন  যুগ্মসচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহম্মদ, সৈয়দ সাবিবর  গবেষক, ধানমন্ডি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহম্মেদ, মো. ফরিদ উদ্দিন  ভূবিজ্ঞান বিভাগ, গাজীপুর মহিলা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহম্মেদ, মো. শিবিবর  চিকিৎসক, মোড়েলগঞ্জ, বাগেরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহম্মেদ, রাজীব  সাংবাদিক, কোর্টপাড়া, চুয়াডাঙ্গা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহসান, নাজমুল  নাট্য ও সংস্কৃতিকর্মী, খুলনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহসান, মঞ্জুর  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহসান, মো. ফরিদ  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহসান, রফিকুল  আইনজীবী, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহসান, সৈয়দ আলী  প্রাক্তন উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহসান, সৈয়দ মুহাম্মদ কামরুল  অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|আহাদ, এ.কিউ.এম আবদুল  পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইউছুফ, মোহাম্মদ  অধ্যাপক, আরবী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইউসুফ, হারুন কে.এম  অধ্যাপক, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইকবাল, এম আনোয়ার  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা পরিষদ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইকবাল, মো. আশিক  অফিসার, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইকবাল, শাহরিয়ার জেড.আর  প্রাক্তন মহাপরিচালক, বাংলাদেশ টেলিভিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইনাম, মুহম্মদ ইবনে  অধ্যাপক (অব), ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইবরাহিম, আবু মোহাম্মদ  মৃত্তিকা ও কৃষি বিশেষজ্ঞ, ইজিআইএস, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইব্রাহীম, মোহাম্মদ  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইমাম, আবু  অধ্যাপক (অব), প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইমাম, বদরুল  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইমাম, সৈয়দ আলী  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইয়াকুব, মোহাম্মদ  গবেষক, পরশুরাম, ফেনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইয়াসমিন, নিলুফার  গবেষক, পেকুয়া, কক্সবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইয়াসমিন, সাবিনা  প্রধান শিক্ষক, বরিশাল জিলা স্কুল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইয়েলে, রবার্ট এ  হিস্ট্রি এন্ড রিলিজিয়নস বিভাগ, দি ডিভাইনিটি স্কুল, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইলিয়াছউদ্দিন, মো.  ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইলিয়াস, মো.  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইলু, মো. মমতাজুর আলম  বীরগঞ্জ, দিনাজপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, আজহার  পরিচালক, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, আজহারুল  গবেষক, ফুলবাড়ীয়া, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, আজিজুননাহার  অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, আমিনুল  অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, আমিনুল  প্রাক্তন উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, আরিফা  ইংরেজি বিভাগ, মেজর মাহমুদুল হাসান আদর্শ কলেজ, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, আশরাফুল  উপপরিচালক, নগর উন্নয়ন, রাজউক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, আশা  সহযোগী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এ.এস.এম জহুরুল  জেলা জজ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, যশোর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এ.কে.এম নুরুল  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এ.কে.এম মাজহারুল  প্রভাষক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এ.কে.এম রফিউল  অধ্যাপক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এ.ডব্লিউ.এম শামসুল  অধ্যাপক, পরজীবীবিদ্যা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম আতাহারুল  অধ্যাপক, পরিসংখ্যান প্রাণ পরিসংখ্যান ও তথ্য পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম আমিনুল  এসডিএ, ইউএনডিপি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম আমিনুল  প্রাক্তন উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম আমিরুল  প্রাক্তন মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম জাকিউল  স্থাপত্য বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম নুরুল  কীটতত্ত্ব বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম মাজহারুল  অধ্যাপক, পরিসংখ্যান প্রাণ পরিসংখ্যান ও তথ্য পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম মোফাখ্খারুল  প্রাক্তন উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম শামসুল  বনানী, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম সিরাজুল  চিকিৎসক, বনানী, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এম.এস  বনানী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এস আমিনুল  অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, এস.এম মনোয়ারুল  চক্ষুবিশেষজ্ঞ, আই সেন্টার, রিয়াদ, সৌদি আরব &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, কাজী নাজমুল  লেখক ও গবেষক, মাদারীপুর  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, কাজী নুরুল  অধ্যাপক, বিশ্বধর্মতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, কামরুল  গবেষক, সিরাজগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, কে.এম সাইফুল  হিজলা, বরিশাল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, খালেদা  পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, খোন্দকার সিরাজুল  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, গাজী শহীদুল  সাংবাদিক, দশমিনা, পটুয়াখালী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, জহিরুল  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, জাহিদুল  চিকিৎসক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, জি.এম রবিউল  মনিরামপুর, যশোর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, তসিকুল  বাংলা বিভাগ, শাহ মখদুম কলেজ, রাজশাহী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, নজরুল  অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, নজরুল  প্রাক্তন চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মনু  পূর্ব কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মাজহারুল  প্রোগ্রাম ম্যানেজার, বাংলাদেশ ফ্রিডম ফাউন্ডেশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মাহমুদা  অধ্যাপক, উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মাহমুদুল  এটর্নি জেনারেল, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মুজাহিদুল  অধ্যাপক, ব্যাংকিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মুহম্মদ সাইফুল  সহপরিচালক, গবেষণা উপবিভাগ, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. আনিসুল  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. আনোয়ারুল  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. আশরাফুল  পরিচালক, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সাভার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. আসাদুল  লেখক, বাগমারা, রাজশাহী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. এবাদুল  প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত), ঝিনাইদহ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. ওয়াহিদুল অধ্যাপক, ইনস্টিটিউট অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. জাহিদুল  বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. নজরুল  সহকারী পরিচালক, অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. নজরুল  সাংবাদিক, কাপাসিয়া, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. নূরুল  ফুড টেকনোলজি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. মাজহারুল  লেখক, হোমনা, কুমিল্লা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. রফিকুল  ডক্টরস ল্যাব, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. রফিকুল  লেখক, কাজীপুর, সিরাজগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. রবিউল  অধ্যাপক, রসায়ন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. রুহুল  লেখক ও গবেষক, পবা, রাজশাহী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. শরিফুল  সহকারী কীপার, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. শরীফুল  লেখক, রাজবাড়ী &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. শহীদুল  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. সাইফুল  অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল ফার্মেসী ও ফার্মাকোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. সাইফুল  অধ্যাপক, নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. সাইফুল  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. সিরাজুল  উত্তরা, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. সিরাজুল  বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. সিরাজুল  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. সিরাজুল  ভূমিসম্পদ বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মো. সিরাজুল  লেখক, বগুড়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, মোহাম্মদ আশরাফুল  করবিভাগ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, রফিকুল  অধ্যাপক, ফলিত রসায়ন ও রাসায়নিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, রফিকুল  অধ্যাপক, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, রফিকুল  ফার্স্ট সেক্রেটারী, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, রফিকুল  মেজর (অব) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, শফিকুল  লেখক ও গবেষক &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, শহিদুল  শিবগঞ্জ, বগুড়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, শহীদুল  অধ্যাপক, রসায়ন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, শেখ আমিনুল  ভূতত্ত্ববিদ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্র্প্লোরেশন কোম্পানী লিমিটেড &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, সিরাজুল  প্রধান সম্পাদক, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, সিরাজুল  ব্যুরো চিফ, যায়যায় দিন, সিলেট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ইসলাম, সৈয়দ মঞ্জুরুল  অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|উইলসন, জন ই  ইতিহাস বিভাগ, কিংস কলেজ, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|উদ্দিন, মুহাম্মদ নাসির  গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|উবাইদউল্ল­াহ, এ.এস.এম  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|উমর, বদরুদ্দীন  গবেষক, রাজনৈতিক চিন্তাবিদ ও লেখক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|একরাম, এ.আর.এম সাইফুদ্দীন  রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|এন্তাজউদ্দিন, মো.  লেখক, গুরুদাসপুর, নাটোর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|এমরান, সৈয়দ মোহাম্মদ শাহ  সহকারী পরিচালক (সমন্বয়), বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|এলাহী, কে মওদুদ  অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|এহসান, মোহাম্মদ  সহকারী অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|এহসান, সিরাজুল  সাংবাদিক, মধুখালী, ফরিদপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|এহসানউল্লাহ, এম  ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানী লিমিটেড, পেট্রোবাংলা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওদুদ, শাহ আবদুল  সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওবায়দুল্লাহ, এ.টি.এম  অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওয়াইজ, আনিস  মেজর জেনারেল (অব), বাংলাদেশ সেনাবাহিনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওয়াজিউল্লাহ, এম  আনসার ও ভিডিপি একাডেমী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওয়াট্স, রুথ  স্কুল অব এডুকেশন, বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওয়ায়েজ, রাশেদা  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ইডেন কলেজ  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওয়ারেস, শামসুল  ডীন, স্কুল অব এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স অ্যান্ড ডিজাইন, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসেফিক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওয়াহাব, আবদুল  সহকারী পরিচালক, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওয়াহেদুজ্জামান, সৈয়দ  লেখক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ওসমানী, শিরিন হাসান  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কফ, ডেভিড  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়, আবরানা স্যাম্পেইন, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবির, আনোয়ারা  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবির, আবু সুফিয়ান  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবির, আহমদ  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবির, একরামুল  প্রকৌশলী, কেয়ার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবির, এস.এম হুমায়ুন  অধ্যাপক (অব), প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবির, মো. এনামুল  সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারিন্টেন্ডেন্ট অব পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, রাজশাহী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবিরউল্লাহ, এম  বিসিএসআইআর ল্যাবরেটরিজ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবীর, ফারাহ  কান্ট্রি ডিরেক্টর, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবীর, মুহাম্মদ শাহীনূল  সিনিয়র প্রোগ্রামার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কবীর, মো. গোলাম  অধ্যাপক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কমল, খালিদ হাসান  খন্ডকালীন শিক্ষক, নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়	&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করিম, আবদুল  প্রাক্তন উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করিম, এ.এস.এম এনায়েত  প্রাক্তন পরিচালক, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করিম, কে.এম  প্রাক্তন পরিচালক, বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভস এবং গ্রন্থাগার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করিম, ফয়েজ  গবেষণা সহযোগী, ব্র্যাক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করিম, বি.এম রেজাউল  বাংলা বিভাগ, সাতক্ষীরা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করিম, মো. জহুরুল  অধ্যাপক, পরজীবীবিদ্যা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করিম, মোহা. রেজাউল  সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করিম, রিয়াসত  লেখক, ডোমার, নীলফামারী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করিম, রেজাউল  প্রাক্তন ডেপুটি কীপার, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|করীম, আনোয়ারুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কর্মকার, শ্যামল চন্দ্র  প্রভাষক, পরিসংখ্যান প্রাণ পরিসংখ্যান ও তথ্য পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কলিম, জাবেদ  জিওগ্রাফার, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কস্তা, বেঞ্জামিন  অধ্যক্ষ, নটর ডেম কলেজ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাইউম, এম.এ  প্রাক্তন চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাইউম, নাহীদ  ইংরেজি বিভাগ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাইউম, মোহাম্মদ আবদুল  অধ্যাপক (অব), বাংলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাইয়ুম, আবদুল  যুগ্ম সম্পাদক, দৈনিক প্রথম আলো &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাইয়ুম, জহুরুল  রসায়ন বিভাগ, সাদুল্লাপুর ডিগ্রি কলেজ, গাইবান্ধা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাইয়ূম, এম নূরুল  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাজরী, শরীফুন্ নাহার  গবেষক ও লেখক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাদের, মো. আবদুল  অধ্যাপক, ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এন্ড ফিশারিজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাদের, রোজিনা  এসএসএইচএল বিভাগ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাদের, শফিকুল  ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, আবদুর রহমান ডিগ্রি কলেজ, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাদেরী, ফজলুল কাদের  লেখক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কানিজ-ই-বাতুল  অধ্যাপক, উর্দু  বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কানুনগো, সুনীতি ভূষণ  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামরুজ্জামান, এম  পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামরুজ্জামান, মো.  লেখক, খোকসা, কুষ্টিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামারুজ্জামান, মোহাম্মদ  অধ্যাপক, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামাল, আহমেদ  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামাল, এইচ.এম খালেদ  লেখক, বাগেরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামাল, এ.কে.এম মেজবাহউদ্দিন  বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামাল, বেগম আকতার  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামাল, মেসবাহ  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামাল, মো. মনির হোসেন  সাংবাদিক, বরগুনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামাল, মোহাম্মদ মোস্তফা  সহযোগী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কামালউদ্দিন, মোহাম্মদ  রেডিওথেরাপী বিভাগ, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কায়সার, মো.  লেখক, ভুঞাপুর, টাঙ্গাইল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কায়সারুজ্জামান, এ.কে.এম  ইতিহাস বিভাগ, দুর্গাপুর কলেজ, রাজশাহী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কায়েস, মোহাম্মদ মিজারুল  সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাশেম, এম আবুল  অধ্যাপক, কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাশেম, কাজী আবুল  নির্বাহী পরিচালক, আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাশেমী, আহম্মদ উল্লাহ  চৌহালি, সিরাজগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাসেম, এম.এ  অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কাহালি, অনিরুদ্ধ  সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কিবরিয়া, আরিফাতুল  গবেষণা সহকারী, রুরাল ডেভেলপমেন্ট সেন্টার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কিবরিয়া, গোলাম  প্রাক্তন মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কিবরিয়া, মো. ফয়সল  লেখক ও গবেষক, চুয়াডাঙ্গা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কুতুবী, মো. ওয়াজেদ আলী  লেখক, কুতুবদিয়া, কক্সবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|কোরেশী, মাহমুদ শাহ  অধ্যাপক (অব), বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ক্ষেত্রী, সারিতা  গবেষক, এশিয়াটিক সোসাইটি, কলকাতা  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খন্দকার, খুরশিদা  ইউএনডিপি, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খন্দকার, মনিরুজ্জামান  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খন্দকার, মো. আবু তাহের  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খবিরুজ্জামান, মো.  ত্রিশাল মহিলা ডিগ্রি কলেজ, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খাতুন, শরিফা  অধ্যাপক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খাতুন, শাহিদা  সহকারী পরিচালক, ফোকলোর বিভাগ, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খাতুন, সন্জীদা  অধ্যাপক (অব), বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খাতুন, সৈয়দা মাহমুদা  মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খাতুন, হাফিজা  অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খাতুন, হাবিবা  অধ্যাপক (অব), ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খাতুন, হালিমা  প্রধান শিক্ষক, জামালপুর জিলা স্কুল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আইয়ূব  অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আখতার হোসেন  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আ.ন.ম আবদুল মান্নান  অধ্যাপক (অব), আরবী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আফতাব আলম  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আবদুল মজিদ  প্রাক্তন মন্ত্রী, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আবু সাঈদ  সহকারী সম্পাদক, দৈনিক মানবজমিন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আবুল কাসেম  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আবুল খায়ের  চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আবুল হাশেম  কেন্দুয়া, নেত্রকোনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আব্দুল আওয়াল  প্রাক্তন ডীন, স্কুল অব বিজনেস, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আব্দুল মাবুদ  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, আলী রেজা  কিউরেটর, দুবাই চিড়িয়াখানা, সংযুক্ত আরব আমিরাত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, ইউসুফ শরীফ আহমেদ  অধ্যাপক, সমুদ্রবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, ইশতিয়াক আহমেদ  ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জ লিমিটেড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, উষসী ঈসিকা  লেখক ও গবেষক, বরিশাল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, এম হাসান জামান  অধ্যক্ষ, মেরিন ফিশারিজ একাডেমী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, জয়নাল আবেদিন  কেবি ডিগ্রি কলেজ, মুন্সিগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, টি.এইচ  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, তাকসিম এ  ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা ওয়াসা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, নজরুল ইসলাম  বিআইএলএস, ধানমন্ডি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, নিয়াজ আহমদ  লোকপ্রশাসন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, নুরুর রহমান  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, বি.আর  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, বেনজিন  সাংবাদিক, যশোর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মনিরুল ইসলাম  অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মামুনুল হক  ইউএসএআইডি, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মাসুদুর রহমান  উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, বেলাবো, নরসিংদী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মাহবুবর রহমান  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মিজান আর  সেম্প, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মুইনউদ্দীন আহমেদ  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মুজিবুর রহমান  প্রাক্তন মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মুয়ায্যম হুসায়ন  অধ্যক্ষ (অব), গজারিয়া সরকারি কলেজ, মুন্সিগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. আকতার হোসেন  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. আতাউর রহমান  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. এনামুল হক  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. ওমর ফারুক  ফার্মেসি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. কামরুজ্জামান  অধ্যক্ষ, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ, মোহাম্মদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. কামরুল আলম  পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, সরকারি বাংলা কলেজ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. শহীদুল্ল­াহ  লেখক, ঈশ্বরদী, পাবনা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. শামসুল আলম  প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. সালার  অধ্যাপক, বাংলাদেশ জাতীয় হার্বেরিয়াম, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. হাফিজুল্লাহ  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. হাবিবুর রহমান  বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মো. হারুনর রশীদ  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মোনায়েম  সাংবাদিক, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মোফাখ্খার হোসাইন  কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ওয়াটার্লু ইউনিভার্সিটি, কানাডা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মোবারক হোসেন  প্রাক্তন মহাপরিচালক, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন  তাড়াইল, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, মোহাম্মদ ফরিদউদ্দীন  লেখক এবং গবেষক &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, শরীফ  গবেষক ও পাখি বিশেষজ্ঞ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, শাওয়াল  তথ্য ও প্রকাশন কর্মকর্তা, ডাইরেক্টরেট অব এনএফআই, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, শাজাহান  সাংবাদিক, মাদারীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, সাঈদ আহম্মেদ  লেখক ও গবেষক, চাঁদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, সাদাত উল্ল­াহ  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, সানজিদা  প্রভাষক, ইংরেজি বিভাগ, কিং খালিদ ইউনিভার্সিটি, সৌদি আরব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, সালেহ আতহার  ইতিহাস বিভাগ, সিলেট সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, সালেহ উদ্দিন  লে. কর্নেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, সুরুয  সাংবাদিক, মানিকগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, সৈয়দ আহমেদ  জেনারেল ম্যানেজার (রিসার্চ), বাংলাদেশ ব্যাংক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, সৈয়দ মুজতবা আহমদ  দৌলতখান কলেজ, ভোলা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খান, হুমায়ুন রেজা  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খানম, তাহমিদা  গবেষণা সহকারী, বাংলাপিডিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খানম, নাজিয়া  লেখক এবং গবেষক, লিউটন, ইংল্যান্ড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খানম, মাহফুজা  সহসভাপতি, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খানম, মোবাশ্বেরা  সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খানম, সুলতানা মুস্তাফা  অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খায়ের, আবুল  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খায়ের, সুমাইয়া  অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খালেক, মো. আবদুল  অধ্যক্ষ, হোমনা কলেজ, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|খালেক, মো. আবদুল  শার্শা, যশোর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গঙ্গোপাধ্যায়, কৌশিক  গবেষক, সল্ট লেক, কলকাতা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গঙ্গোপাধ্যায়, মৃণালকান্তি  অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গজনভী, এস.আর  লেখক ও গবেষক, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গণি, আবদুল  অধ্যাপক, ফার্মেসী বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গণি, এম ওসমান  ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গফ্ফার, মো. আবদুল  উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গমেজ, রানী ক্যাথরিন  প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত), হলিক্রস গার্লস হাই স্কুল, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গাইন, স্বপন  লেখক ও গবেষক, গোপালগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গুহ, ডি.কে  প্রাক্তন মহাব্যবস্থাপক, পেট্রো্বাংলা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গুহ, বিমল  কলেজ পরিদর্শক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গোলদার, মো. আশরাফুল ইসলাম  লেখক ও গবেষক, রূপসা, খুলনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|গোস্বামী, নীরঞ্জন  আশুতোষ জাদুঘর, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ঘোষ, জগদীশ চন্দ্র  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ঘোষ, নৃপেন  খ্রিস্টান মিশন হাসপাতাল, রাজশাহী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ঘোষ, প্রদ্যোত  রিডার, বাংলা বিভাগ, মালদহ কলেজ, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ঘোষ, বিশ্বজিৎ  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ঘোষ, মনোরঞ্জন  গবেষক (সংস্কৃত), ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ঘোষ, রতন তনু  সমাজকল্যাণ বিভাগ, মোহাম্মদপুর সেন্ট্রাল কলেজ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ঘোষ, সুচন্দ্রা  সহযোগী অধ্যাপক, প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চকোরী, জাকের উল্ল­াহ  সাংবাদিক, চকোরিয়া, কক্সবাজার &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, এস  ভূতত্ত্ববিদ, জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া, কলকাতা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, কল্যাণী রাণী  লেখক, রাজৈর, মাদারীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, গোপিকারঞ্জন  প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, সাভার কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, তপন কুমার  অ্যাডভোকেট, বরিশাল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, দীনেশনারায়ন  অধ্যাপক (অব), সংস্কৃত বিভাগ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, নির্মাল্যনারায়ণ  দর্শন বিভাগ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, প্রফুল্ল  অধ্যাপক (অব), আইএসআই, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, বরুণকুমার  লোকাচারবেত্তা, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, বরেন  বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, ভাস্কর  ইতিহাস বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, মৃদুলকান্তি  অধ্যাপক, নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, রচনা  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, রণবীর  অধ্যাপক, জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়, নয়াদিল্লি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, রতনলাল  অধ্যাপক (অব), ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, শর্মী  ভূতত্ত্ববিদ, জিওলজিক্যাল সার্বে অব ইন্ডিয়া, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, শ্যামল কান্তি  পরিচালক, ভারতীয় জাদুঘর, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, সত্যনারায়ণ  অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চক্রবর্তী, সুভাষ চন্দ্র  অধ্যাপক, মৎস্য প্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চট্টোপাধ্যায়, প্রণবকুমার  সেন্টার ফর আর্কিওলোজিক্যাল স্টাডিজ এন্ড ট্রেনিং, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চট্টোপাধ্যায়, রূপেন্দ্র কুমার  প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চট্টোপাধ্যায়, সুনীল কুমার  অধ্যাপক, শ্রীরামপুর কলেজ, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চন্দ, জীবন কুমার  অর্থনীতি বিভাগ, আজমিরিগঞ্জ কলেজ, হবিগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চন্দন, মো. হামিদুল হক  লেখক ও গবেষক, বোনারপাড়া, গাইবান্ধা  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চম্পা, মাসুমা সুলতানা  লেখক ও গবেষক, টঙ্গিবাড়ী, মুন্সিগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চাঁন্দ, আহাম্মদ হোসেন  লেখক ও গবেষক, পীরগাছা, রংপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চাকমা, নীরু কুমার  অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চাকমা, শুভ্র জ্যোতি  লেখক ও গবেষক, খাগড়াছড়ি &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চাকমা, সুপ্রিয়  গবেষণা সহকারী, বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চিশতি, এ.এ.এস.এম আসরারুল হক  ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, মানিকগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চীং, মং ছেন  সাংবাদিক, মহালছড়ি, খাগড়াছড়ি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, অচিন্ত্য রায়  লেখক ও গবেষক, বোয়ালমারী, ফরিদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, অলক ঘোষ  লেখক ও গবেষক, সুনামগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, আক্তারউদ্দিন  রাষ্টবিজ্ঞান বিভাগ, বি এম কলেজ, বরিশাল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, আখতারুন নেসা  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, আবদুল মমিন  প্রাক্তন উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, আবুল কাশেম  অধ্যাপক (অব), বাংলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, আমিরুল ইসলাম  প্রাক্তন উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, আশরাফউদ্দিন  অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, আহমেদ আমিন  সহকারী পুলিশ সুপার, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, ইন্দ্রজিৎ  উপপ্রধান সম্পাদক, আনন্দ বাজার পত্রিকা, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, এ কাদির  ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ফনিক্স সিকিউরিটিজ লিমিটেড, দিলকুশা, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, এ.ইউ হায়দার  রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, আলফাডাঙ্গা আদর্শ ডিগ্রি কলেজ, ফরিদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, এ.কে.এ.এইচ  ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বাংলাদেশ জেনারেল ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, এ.বি.এম রফিকুল কাদের  সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, এম. লুৎফর রহমান  জেনারেল ম্যানেজার, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্র্প্লোরেশন কোম্পানী লিমিটেড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, এম.আই  অধ্যাপক, বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, এম.কে.আই কাইয়ুম  বিভাগীয় প্রধান, অর্থোপেডিক্স বিভাগ, বারডেম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, ওয়াজেদ  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, গোপাল দেব  সাংবাদিক, শ্রীমঙ্গল, মৌলবীবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, তৃপ্তি  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, তৌহিদ হোসেন  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, দিলারা  অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, দেওয়ান নূরুল আনোয়ার হোসেন  প্রাক্তন যুগ্ম সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, নুরুল হোসেন  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, বসন্ত  মুদ্রাতত্ত্ববিদ, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, বাসন্তী  গবেষক, বৈষ্ণব ও বেদান্ত দর্শন, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, বিনয়েন্দ্র  এশিয়াটিক সোসাইটি, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, ভীষ্মদেব  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মঞ্জুলা  অধ্যাপক, ভাষা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মাসুদ হাসান  সহকারী সম্পাদক, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মাহফুজা  অধ্যক্ষ, ইডেন মহিলা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মাহমুদ আলম  এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মুনিবুর রহমান  অধ্যাপক, গণিত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মুস্তফা  গবেষক, কানাডা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মো. আবু রাসেল  কসবা, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মো. গিয়াসউদ্দিন আহমেদ  পরিচালক, বাংলাদেশ পানি উন্ন্য়ন বোর্ড  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মো. জাহান উল্ল­াহ  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মো. ফররুখ আহমদ  সাংবাদিক, সিলেট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মোমেন  লোকাচারবেত্তা, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, মোরশেদ  পরিচালক, স্বাস্থ্য বিভাগ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, রাফিয়া আক্তার  গবেষক, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, শফিকুর রহমান  ৫/১ (৪বি) রূপনগর আবাসিক এলাকা, মিরপুর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, শামসুদ্দোহা  সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, শিমুল কুমার  সাংবাদিক, সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, সত্যজিৎ  অধ্যাপক, নইহাটি, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, সাইফুদ্দিন  অধ্যাপক, লোকাচারবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, সিফাতুল কাদের  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, সীমা রায়  ফেলো, সেন্টার ফর আর্কিওলজিক্যাল স্টাডিজ, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, সুশীল  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, সৈয়দ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন  গোলাপবাগ, জামালপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চৌধুরী, স্বাগত  গবেষক, বগুড়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চ্যাটার্জী, অঞ্জলি  কমলা নেহেরু কলেজ, নয়াদিল্লি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চ্যাটার্জী, বাসুদেব  ইতিহাস বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|চ্যাটার্জী, রত্নাবলী  ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ছালামতউল্ল­াহ, এ.কে.এম  অধ্যক্ষ, আযিযুল হক কলেজ, বগুড়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জগলুল, নুরুদ্দিন  কোম্পানীগঞ্জ, নোয়াখালী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জন, জিল্লুর রহমান  মূকাভিনয় গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জলিল, আব্দুল  চৌগাছা, যশোর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জলিল, মুহাম্মদ আব্দুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জসিমউদ্দিন, এ.কে.এম  শাহজাহানপুর, বগুড়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জসীমউদ্দিন, মোহাম্মদ  অর্থনীতি বিভাগ, মহেশখালী কলেজ, কক্সবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জসীমউদ্দীন, এ.কে.এম  বরুড়া, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জহির, এম  ধানমন্ডি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জহির, কাজী সাজ্জাদ আলী  লে. কর্নেল (অব), বাংলাদেশ সেনাবাহিনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জহিরউদ্দিন, মো.  গ্রাফিক্স ডিজাইনার, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জাকারিয়া, সাইমন  পান্ডুলিপি সম্পাদক, ফোকলোর বিভাগ, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জাকের, এস.এম আবু  সাংবাদিক, চন্দনাইশ, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জাফর, আবু  প্রাক্তন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, পিআইডি, তথ্য মন্ত্রণালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জাফর, মোহাম্মদ  অধ্যাপক, সমুদ্রবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জামান, এম.এ  অধ্যাপক, জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জামান, নিয়াজ  অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জামাল, হোসেন  অধ্যাপক, সমুদ্রবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জালালউদ্দিন, এম  রয়েল কমনওয়েলথ সোসাইটি ফর দি ব্লাইন্ড, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জাহাঙ্গীর, এস.এম.এ.কে  পটিয়া, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জাহাঙ্গীর, সৌরভ  ইটনা, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জাহাঙ্গীরি, মাহমুদ নাসির  বাংলা বিভাগ, মিরপুর কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জাহান, মো. সরোয়ার  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জাহান, শাহনাজ হুসনে  অধ্যাপক, জেনারেল এডুকেশন বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জিবরান, শোয়াইব আহমেদ  প্রভাষক, বাংলা স্কুল অব এডুকেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জুবায়ের, শামীম  কে.এম মাকসুদুর রহমান ট্রাস্ট, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জুবেরী, এম ইকবাল  অধ্যাপক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, গণবিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জেংচাম, সুভাষ  লেখক ও গবেষক, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জেরীন, ইফফাত  ইতিহাস বিভাগ, পটুয়াখালী সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জোনস, অ্যালেড জর্জ  অধ্যাপক, ওয়েলস ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|জোহরা, খন্দকার ফাতেমা  অ্যাসোসিয়েট ফ্যাকাল্টি মেম্বর, ব্র্যাক লার্নিং ডিভিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|টিপু, শেখ মো. বদরুল আলম  গবেষক, কুমারখালী, কুষ্টিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|টুকু, এনামুল কবির  সাংবাদিক, নড়াইল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|টুটুল, মেসবাহুর রহমান  প্রকৌশলী, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ঠাকুর, মো. আজাদ উদ্দিন  সাংবাদিক, সরাইল, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ডিও, সেলমন এইচ  অধ্যাপক, অ্যাডভেন্টিস্ট ইউনিভার্সিটি এন্ড সেমিনারী অব বাংলাদেশ, কালিয়াকৈর, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ডি’সিলভা, যোসেফ  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তঞ্চঙ্গ্যা, দীননাথ  প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট, রাঙ্গামাটি বার অ্যাসোসিয়েশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তরু, মাযহারুল ইসলাম  প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, শাহ নিয়ামতুল্লাহ ডিগ্রি কলেজ, নাচোল, নবাবগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তাগাওয়া, মাসাহিকো  টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তারিক, তানভীর আহসান  দুমকি, পটুয়াখালী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তারিক, সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ  চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম ক্লাব&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তালুকদার, আবদুল মোতালেব  ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তালুকদার, এম.এ রহিম  লেখক ও গবেষক, জামালপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তালুকদার, নিক্সন  ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তালুকদার, রিন্টু  বাঘাইছড়ি, রাঙ্গামাটি &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তাহের, এম আবু  ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, তিতুমীর সরকারি কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তুহিন, মেজবাহ উদ্দিন  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|তুহিন, শামসুল আরেফিন  সাংবাদিক, পত্নীতলা, নওগাঁ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ত্রিপুরা, প্রভাংশু  মুখ্য প্রযোজক, বাংলাদেশ বেতার, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ত্রিপুরা, প্রশান্ত কুমার  সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, মাটিরাঙ্গা ডিগ্রি কলেজ, খাগড়াছড়ি &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ত্রিপুরা, বরেন্দ্রলাল  লেখক ও গবেষক, খাগড়াছড়ি &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দত্ত, অভিজিৎ  ইতিহাস বিভাগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দত্ত, অশোক  লেখক ও গবেষক, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দস্তিদার, শিপ্রা  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাশ, তুষার কান্তি  প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত), পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাশ, শংকর লাল  সাংবাদিক, গলাচিপা, পটুয়াখালী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, কালীপ্রসন্ন  সহকারী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, সাভার কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, গোপাল কৃষ্ণ  পরিচালক, প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, গৌরপদ  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, ডি.কে  লেখক ও গবেষক, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, দীপক রঞ্জন  প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, ননীগোপাল  অধ্যাপক, ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এন্ড ফিশারিজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, বিধান চন্দ্র  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, বিভাষ  সাংবাদিক, চিতলমারী, বাগেরহাট &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, রঞ্জিত কুমার  শ্রুতি সাংস্কৃতিক একাডেমী, নারায়ণগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, রবীন্দ্রনাথ  বাউফল, পটুয়াখালী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, সঞ্জয় কিশোর  সাংবাদিক, পানছড়ি, খাগড়াছড়ি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, সন্জীব কান্তি  ফ্রিল্যান্স আর্টিস্ট, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, সুভাষ চন্দ্র  অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাস, সুরঞ্জন  উপাচার্য, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাসগুপ্তা, উমা  অধ্যাপক, ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দাসগুপ্তা, সংযুক্তা  অধ্যাপক, নৃতত্ত্ব বিভাগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দিদার-উল-আলম মো.  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দুগার, প্রদীপ চাঁদ  সহকারী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দে, অমলেন্দু  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দে, তপন কুমার  দেলদুয়ার, টাঙ্গাইল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দে, সচ্চিদানন্দ  সাংবাদিক, কালীগঞ্জ, সাতক্ষীরা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দে, সুনীল কান্তি  সহযোগী অধ্যাপক, স্কুল অব অ্যাডুকেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দেব, অপূর্ব কৃষ্ণ  কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দেব, মিল্টন কুমার  সহকারী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দেব, সুজন কুমার  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দেবনাথ, সমরেশ  সিনিয়র পাবলিকেশন অফিসার, পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|দোহা, এস  ফাউন্ডেশন ফর রিসার্চ অন এডুকেশনাল প্লানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ধর, গৌরাঙ্গ চন্দ্র  মুরাদনগর, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ধর, নির্মলেন্দু  অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ধর, পার্থ প্রতীম  রাউজান, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নওয়াজ, আলি  প্রাক্তন পরিচালক, বাংলা সেল, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নওশীন, হেলেন  লৌহজং, মুন্সিগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নন্দী, প্রফুল্ল কুমার  ভাঙ্গা, ফরিদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নন্দী, বিষ্ণু  সাংবাদিক, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নবী, খন্দকার মো. নূর-উন  মহাপরিচালক, আনসার ও ভিডিপি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নয়ন, তানজিমুল  গবেষক, লালমনিরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নরিস, পল ব্যারন  ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন ফর সিমেট্রিজ ইন সাউথ এশিয়া, লন্ডন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নাঈম, সরদার এ  ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং শল্য-সার্জন, জাপান-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নাজ, শারমিন  প্রভাষক, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নাথ, শ্যামল চন্দ্র  কালিহাতি, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নাদেরুজ্জামান, এ.টি.এম  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নাসরীন, জোবাইদা  সহকারী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নাসিরউদ্দিন  মহেশপুর, ঝিনাইদহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নাসিরউদ্দিন, মীর্জা মো.  উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ, কুড়িগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নাহার, শামসুন  গবেষণা সহকারী, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নিশির, মো. আরিফ  লেখক ও সাংবাদিক, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নিহালউদ্দিন, মো.  পরিচালক, বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নুপু, রঞ্জন বকসী  সাংবাদিক, ভান্ডারিয়া, পিরোজপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নেওয়াজ, অনিক এ  সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নেওয়াজ, এম.জি  সিংড়া, নাটোর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নেওয়াজ, তৌফিক  আইনজীবী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নেছা, ফজিলাতুন  গবেষণা সহযোগী, বাংলাপিডিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|নেহাল, এস.এম রাকিব  গবেষক, কুষ্টিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পবনকর, সীমা  অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পাওয়েল, এভ্রিল এ  স্কুল অব ওরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজ, যুক্তরাজ্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পাটোয়ারী, আর.কে শামীম  গবেষক, ছাগলনাইয়া, ফেনী &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পাটোয়ারী, মাসুম  লেখক, মতলব, চাঁদপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পাঠান, হাবিবুল্লাহ  শিক্ষক ও গবেষক, নরসিংদী &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পান্না, শাহাবুদ্দিন  সাংবাদিক, আমতলী, বরগুনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পারভীন, আসমা  অর্থনীতি বিভাগ, ফকিরহাট শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ, গাইবান্ধা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পারভীন, নিলুফার  সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পারভীন, শায়লা  ৫৩, জে.এন. সাহা রোড, লালবাগ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পারভীন, শাহনাজ  পাঁচবিবি, জয়পুরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পারভীন, সুফিয়া  বোয়ালিয়া, রাজশাহী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পারভীন, সেলিনা  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পারভেজ, আজিজুল  বিয়ানীবাজার, সিলেট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পারভেজ, মো. মাসুদ  সরকারি ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, মুন্সিগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পাল, নিশীথ কুমার  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পাল, প্রিয়ব্রত  অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পাল, বিধানচন্দ্র  সদস্য সচিব, নলেজ অ্যান্ড অ্যাকশন নেটওয়ার্ক- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ট্রাস্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পাল, সমর  লেখক ও গবেষক, জামালপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পালিত, চিত্তব্রত  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পালিত, তপন  সহকারী সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু কোষ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পাশা, মোস্তফা কামাল  অধ্যাপক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পিউরীফিকেশন, ব্রাদার রবি  প্রধান শিক্ষক, সেন্ট গ্রেগরিজ স্কুল, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পিনু, গোলাম কিবরিয়া  সম্পাদক, সুখী পরিবার, বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পুরকায়স্থ, নিবেদিতা দাস  সিনিয়র গবেষক, পিআরআইপি ট্রাস্ট, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পুলক, আবদুল মানিক  লেখক, নবাবগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পুলক, মো. খায়রুল আলম  নন্দীগ্রাম, বগুড়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পেরেরা, ব্রাদার লিও  অধ্যক্ষ (অব.), সেন্ট জোসেফ হাইস্কুল ও কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|পোদ্দার, জ্যোতি  নালিতাবাড়ি, শেরপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|প্রধান, রুহুল আমীন  ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|প্রামানিক, মো. আজিজুল ইসলাম  কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|প্রিন্স, মাসুদুর রহমান  বিসিআইসি, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফওজিয়া, রীনাত  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফয়েজ, মো. আবুল  চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফর্বেস, জেরাল্ডিন  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফাত্তাহ, কাজী আবদুল  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফায়েকউজ্জামান, মোহাম্মদ  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফারুক, এইচ.এস মোজাদ্দাদ  মহাপরিচালক, পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংগঠন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফারুক, এ.কে.এম  প্রাক্তন রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফারুক, মো. আবু হাসান  সাংবাদিক, মেহেরপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফারুক, শাজাহান  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফারুকী, গোফরান  সহকারী পরিচালক, আরপিএটিসি, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফারুকী, মো. ইউনুস  প্রধান শিক্ষক, ময়মনসিংহ জিলা স্কুল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফিঝু, তরুণ চক্রবর্তী  ব্যবস্থাপনা পরিচালক, গণস্বাস্থ্য ফার্মাসিউটিক্যালস্&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফিদা, কাজী আবুল  প্রাক্তন প্রধান প্রকৌশলী, বাংলাদেশ রেলওয়ে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফিরোজ, মোয়াজ্জেম হোসেন  বাংলা বিভাগ, সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ, ফরিদপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ফিরোজ, রওশন আরা  অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বকশ, এম ওয়াহিদ  বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বড়ুয়া, রেবতপ্রিয়  পালি বিভাগ, চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বড়ুয়া, সুকোমল  অধ্যাপক, পালি ও বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বড়ুয়া, সুনীতি রঞ্জন  রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বড়ুয়া, সুমন কান্তি  সহযোগী অধ্যাপক, পালি ও বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বড়ূয়া, সুমঙ্গল  অধ্যাপক, পালি ও বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বণিক, নন্দদুলাল  রিডার, বাংলা বিভাগ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বদরুদ্দোজা, কাজী এম  জাতীয় কৃষি গবেষণা ব্যবস্থা, বার্ক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বদিউজ্জামান  প্রাক্তন উপপরিচালক, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বন্দোপাধ্যায়, শীলা  লেখক ও গবেষক, তেলিনিপাড়া, হুগলি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বন্দোপাধ্যায়, শৈলেস কুমার  গান্ধী স্মারক নিধি, নয়া দিল্লি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়ন্ত  রিডার, বাংলা বিভাগ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বন্দ্যোপাধ্যায়, ধীরেন্দ্রনাথ  রিডার, সংস্কৃত বিভাগ, হুগলি কলেজ, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রতাপ  অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বন্দ্যোপাধ্যায়, সুরেশ চন্দ্র  অধ্যাপক (অব), সংস্কৃত বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বন্দ্যোপাধ্যায়, সুরেশচন্দ্র  অ্যাডভোকেট, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বর্মণ, হরচন্দ্র  নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বসাক, বিষ্ণুপ্রিয়  পরিচালক, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বসাক, শীলা  লোকাচারবেত্তা, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বসু, নিরবান  ইতিহাস বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বসু, রঞ্জিতকুমার  লেখক ও গবেষক, মাগুরা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বসু, রাজ শেখর  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বসুনিয়া, মো. মোতাহার হোসেন  ইতিহাস বিভাগ, সুন্দরগঞ্জ ডি.ডব্লিউ ডিগ্রি কলেজ, গাইবান্ধা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাউৎজে-পিকরণ, ক্লোডিন  অ্যাসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট, সেন্টার ন্যাশনাল দ্য লা রসের্স সায়েনতিফিক, প্যারিস&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাকী, এম.এ  ভূতত্ত্ববিদ, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্র্প্লোরেশন কোম্পানী লিমিটেড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাকী, গাজী আবদুল্লাহেল  রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাকী, মুহম্মদ আবদুল  অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাকী, মোহাম্মদ আবদুল  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাগচী, তপন  গবেষক, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাগচী, তপন  বাংলাদেশ ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাছার, সীতেশ চন্দ্র  অধ্যাপক, ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাতেন, মো. আবু  হিসাববিজ্ঞান বিভাগ, নবীনগর সরকারি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাতেন, মোহাম্মদ আব্দুল  সহকারী পরিচালক, জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাদল, এ.কে.এম আমানউল্ল­াহ  আইনজীবী, ভালুকা, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বানু, ক্বামার  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বানু, জিনাত মাহরুখ  কীপার, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বানু, নাশিদা  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বানু, নাসরীন  প্রধান শিক্ষক, নওগাঁ জিলা স্কুল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বানু, নাসিম  সহযোগী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বানু, ফাত্তাহ খুরশিদা  অধ্যাপক, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বানু, লায়লা আরজুমান্দ  অধ্যক্ষ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বানু, সায়েদা  সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাবর, মো. জহির উদ্দিন  সাংবাদিক, রামগতি, লক্ষ্মীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাবু, প্রবীর গোস্বামী  সাঁথিয়া, পাবনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাবু, মো. হায়দার আলী  সাংবাদিক, কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বারী, এম.এ  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বারী, টিপু সুলতান  হরিণাকুন্ড, ঝিনাইদহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বারী, মোহাম্মদ ফজলুল  অধ্যাপক, পানিসম্পদ ও প্রকৌশল বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বালা, অমৃতলাল  বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বালা, বি.কে  অধ্যাপক, ফার্ম পাওয়ার ও মেশিনারি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বালা, স্বপন কুমার  সহযোগী অধ্যাপক, অ্যাকাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বালা, হীরালাল  প্রাক্তন সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাশার, চপল (শফিকুল বাশার)  সাংবাদিক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বাহার, মো. হাবিবুল্লাহ  উপাধ্যক্ষ, সরকারি আকবর আলী কলেজ, উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিজলী, বেনু বেগম  পাটগ্রাম, লালমনিরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিপুল, হাসান  সিনিয়র উপসম্পাদক, বিডি নিউজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিল্লাহ, আবু মূসা মো. আরিফ  সহযোগী অধ্যাপক, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, উজ্জ্বল  সাংবাদিক, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, জ্যোতি  গবেষক, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, তাপস কুমার  প্রভাষক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, তাপস কুমার  ফকিরহাট ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা ডিগ্রি কলেজ, বাগেরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, নারায়ণচন্দ্র  অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, নিখিল রঞ্জন  অধ্যাপক, ভাষা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, বনানী  গবেষক ও উন্নয়নকর্মী, নাগরিক উদ্যোগ, লালমাটিয়া, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, বাবুল  ওয়াটার ফ্লাওয়ার, ৫০ পুরানা পল্টন লাইন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, মালবিকা  অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, রণজিৎ কুমার  চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, শহীদুল ইসলাম  অধ্যক্ষ, অগ্রণী স্কুল ও কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বিশ্বাস, সাখায়েত হোসেন  প্রধান শিক্ষক, যশোর জিলা স্কুল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগ, মো. আজম  উপপরিচালক, আইএলবিবিএস, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, আয়শা  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, ইয়াস ভানু  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, কামরুন্নেসা  অধ্যাপক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, খুরশিদা  অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, জেড.এন তাহমিদা  অধ্যাপক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, দিলরুবা  গবেষণা কর্মকর্তা, মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, ফেরদৌস আরা  যুগ্ম সচিব, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, মালেকা  প্রধান শিক্ষক, খুলনা জিলা স্কুল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, মোসাম্মৎ রহিমা  লেখক ও গবেষক, চাঁদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, রোকেয়া  অধ্যাপক, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, রোকেয়া আকতার  অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত), ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, সাজেদা  ধনবাড়ী, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, সাহিদা  অ্যাসিস্ট্যান্ট এটর্নি জেনারেল, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, সেলিমা  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, সৈয়দা ফিরোজা  স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, সৈয়দা সেলিনা  কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, হামিদা আখতার  অধ্যাপক, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেগম, হোসনে আরা  প্রধান শিক্ষক, আজিমপুর গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বেবী, সুলতানা নাসরিন  মানচিত্রবিদ, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|বোস, দেবাশিস  বান্ডেল, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ব্যানার্জী, দিলীপ  স্টার পাবলিশিং হাউস, ২৪ সুভাস বসু লেন, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ব্যানার্জী, শিব নাথ  বিধান নগর, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ব্রিস্টো, গ্লে­ন এ  প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, বার্গেন বিশ্ববিদ্যালয়, নরওয়ে &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য, অমরনাথ  রিডার, দর্শন বিভাগ, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য, দেবপ্রিয়  ফেলো, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য, হরিপদ  অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য্য, অমিত  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য্য, অমিতাভ  অধ্যাপক, প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস এবং সংস্কৃতি বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য্য, অশোক কুমার  অধ্যাপক (অব), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য্য, গৌড়েশ্বর  ফ্রি ইউনিভার্সিটি, বার্লিন, জার্মানী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য্য, দিলীপ কুমার  অধ্যাপক, পালি ও বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য্য, নরেন্দ্র নাথ  অধ্যাপক, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য্য, প্রণব কুমার  অধ্যাপক, নর্থ বেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয়, দার্জিলিং&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভট্টাচার্য্য, রণজিৎ কুমার  পরিচালক, নৃতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ, ভারত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভাবুক, প্রফুল্লকুমার  সহযোগী অধ্যাপক (অব), শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী কলেজ, পিরোজপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভুইয়া, মাহমুদুল হক  প্রধান হিসাব কর্মকর্তা, এজিবি অফিস, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভুঁইয়া, বদরুল আমিন  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূইয়া, কামাল উদ্দিন  রেজিস্ট্রার, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূইয়া, গোলাম কিবরিয়া  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূইয়াঁ, মো. হাবিবুর রহমান  লেখক, মেঘনা, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, আবদুল মালেক  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, আব্দুস সালাম  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, ইফতেখার উদ্দিন  বেলাবো, নরসিংদী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, জাকির হোসেন  অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, নূরুল ইসলাম   বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মুহাম্মদ আবু তাহের  সাংবাদিক, ট্যাংক রোড, ফেনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মো. আজিজুর রহমান  লেখক ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মো. আবুল কাশেম  আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মো. জহিরুল ইসলাম  গ্রাফিক্স ডিজাইনার, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মো. মিজানুর রহমান  মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মো. মোশারফ হোসেন  চান্দিনা, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মোকাম্মেল এইচ  সহযোগী অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মোকাম্মেল হোসেন  আড়াইহাজার, নড়াইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মোশাররফ হোসাইন  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান  লেখক ও গবেষক, নোয়াখালী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঁইয়া, সুলতান মাহমুদ  দি আগা খান এডুকেশন সার্ভিস, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূঞা, আজিজুর রহমান  সাংবাদিক, নান্দাইল, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভূট্টো, মো. জুলফিকার আলী  বিপণন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভৌমিক, কল্পনা  উপগ্রন্থাগারিক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভৌমিক, গোপাল চন্দ্র  প্রধান শিক্ষক, কুমিল্লা জিলা স্কুল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|ভৌমিক, দুলাল  অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মঈনউদ্দীন, মো.  সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, টেকনাফ সরকারি কলেজ, কক্সবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মকসুদ, সৈয়দ আবুল  লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজনু, আবু নাসের  গবেষক, মাগুরা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজলিস, নাজমা খান  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজিদ, আলী রেজা মুহম্মদ আব্দুল  অধ্যক্ষ, রাজশাহী সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজিদ, আশরাকুল  বাড়ী ৬৯, সড়ক ৬, সেক্টর ৪, উত্তরা মডেল টাউন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজিদ, মোহাম্মদ আবদুল  প্রাক্তন সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজুমদার, আবু তাহের  অধ্যাপক (অব), ইংরেজি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজুমদার, এম জাহিদুর রহমান  পরমাণু শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সাভার, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজুমদার, পরিমল  অধ্যক্ষ, নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজুমদার, ফরিদ আহম্মেদ  শাহরাস্তি, চাঁদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজুমদার, মধুমিতা  ইতিহাস বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজুমদার, মানস  রিডার, বাংলা বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মজুমদার, শান্তনু  সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মঞ্জুর, মোহাম্মদ আবুল  লোহাগড়া, নড়াইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মন্ডল, কৃষ্ণপদ  সুরকার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মন্ডল, চিত্তরঞ্জন  মহাদেবপুর, নওগাঁ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মন্ডল, পরেশচন্দ্র  অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মন্ডল, মনোরঞ্জন  হরিরামপুর, মানিকগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মন্ডল, রাজীব কুমার  গবেষণা সহকারী, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মন্ডল, রামেশ্বর  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মন্ডল, সোমদত্ত  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মতিন, এ.কে.এম আবদুল  অধ্যাপক, ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এন্ড ফিশারিজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মতিন, মো. আব্দুল  নোয়াখালী জিলা স্কুল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মনসুর, আবুল  অধ্যাপক, ইনস্টিটিউট অব ফাইন আর্টস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মনসুর, নুরুল হুদা আবুল  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মনসুর, মো. হোসেন  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মনিরুজ্জামান, মুহম্মদ  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, দিনাজপুর সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মনিরুজ্জামান, মুহম্মদ  ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, কারমাইকেল কলেজ, রংপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মনিরুজ্জামান, মুহাম্মদ  ঘাটাইল, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মনিরুজ্জামান, মো.  লালপুর, নাটোর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মন্টু, সাইদুল ইসলাম  সাংবাদিক, বেতাগী, বরগুনা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মফিজউদ্দিন, মোহাম্মদ  শহীদ স্মৃতি ডিগ্রি কলেজ, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মমতাজ, আহমদ  সাংবাদিক, মীরসরাই, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মমতাজ, আহমেদ  বাংলা কলেজ, মিরপুর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মর্তুজা, গোলাম  জামালগঞ্জ, সুনামগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মল্লিক, ওয়াহিদা  সহযোগী অধ্যাপক, নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মল্লিক, তৃপ্তি মোহন  লেখক ও গবেষক, সাতক্ষীরা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মল্লি­ক, সন্দীপক  লেখক ও গবেষক, খুলনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মহন্ত, বিবেকানন্দ  সাংবাদিক, জলঢাকা, নীলফামারী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মহন্ত, সমবারু চন্দ্র  সিনিয়র অফিসার, পূবালী ব্যাংক লিমিটেড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মহিউদ্দিন, কে.এম  সহযোগী অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মহিবুল্লাহ, এ.কে.এম  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মহীন, মহিউদ্দীন হোসেন  সাংবাদিক, ছাগলনাইয়া, ফেনী &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মহেববুল্লাহ, মো.  হরিণাকুন্ড, ঝিনাইদহ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাইতি, নন্দলাল  গণিতবিদ, কলকাতা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাওলা, এ.এইচ.এম শফিকুল  অধ্যাপক (অব), অর্থনীতি বিভাগ, টিএন্ডটি কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মান্নান, এ.কে.এম আবদুল  অধ্যাপক, ডেইরী সায়েন্সেস, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মান্নান, মোহাম্মদ আবদুল  বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মামুন, আবদুল্লাহ-আল  ইজিআইএস, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মামুন, মুনতাসীর  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মারুফুজ্জামান, সৈয়দ  পূর্বধলা, নেত্রকোনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মার্শাল, পি.জে  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, কিংস কলেজ, লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাজ্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মালেক, মো. আব্দুল  তারাগঞ্জ, রংপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাশরেক, মো. শায়রুল  অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহবুব, এম.আর  নির্বাহী পরিচালক, দি জেনারেশন ফাউন্ডেশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহবুব, খান  স্বত্বাধিকারী, পলল পাবলিকেশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহমুদ, অনীক  বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহমুদ, এ.কে  উপপরিচালক, বিদ্যুৎ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিদপ্তর, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহমুদ, এ.বি.এম  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহমুদ, নাজিমউদ্দিন  লেখক ও গবেষক, লক্ষ্মীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহমুদ, নূরউদ্দিন  অধ্যাপক, ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এন্ড ফিশারিজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহমুদ, ফয়সাল  সভাপতি, অরণি মোহনা ইন্টারন্যাশনাল, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহমুদ, ফিরোজ  কনসালট্যান্ট, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহমুদা, সিদ্দিকা  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মাহমুদুজ্জামান, মোহাম্মদ  সম্পাদক, রুটস, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিত্র, প্রতীপ কুমার  কীপার, স্টেট আর্কিওলজিক্যাল মিউজিয়াম, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিয়া, এম আবদুল হামিদ  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিয়া, মুহম্মদ মজিরউদ্দীন  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিয়া, মুহাম্মদ আব্দুল কাদের  প্রভাষক, ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সাইন্স বিভাগ, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিয়া, মো. ইসমাইল  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিয়া, মো. তৌহিদ  পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, আলহাজ্ব আমজাদ হোসাইন কলেজ, রাজবাড়ী &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিয়া, মো. মোসলেম উদ্দিন  সিএসও, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিয়া, মো. শামসুল হক  ঢাকা কমার্স কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিয়া, মোহাম্মদ আইয়ুব  উপসচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিয়া, সাজাহান  অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিল্টন, সাকিল আহম্মেদ শাহ্রিয়ার  সাংবাদিক, শেরপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিশ্র, চিত্তরঞ্জন  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মিসবাহউদ্দিন, মীর  ফার্মাকোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখার্জী, অভিজিৎ  উদ্ভিদতত্ত্ববিদ, কলকাতা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখার্জী, বীরেন  সাংবাদিক, শালিখা, মাগুরা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখার্জী, রমারঞ্জন  প্রাক্তন উপাচার্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখার্জী, শ্যাম চাঁদ  প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, ওয়েস্ট বেঙ্গল এস্টেট, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখার্জী, সমীর কে  গবেষক, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখার্জী, সুজাতা  ইতিহাস বিভাগ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখোপাধ্যায়, অঞ্জলিকা  মুরালীধর মহিলা কলেজ, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখোপাধ্যায়, অশোক কুমার  রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখোপাধ্যায়, গণেশ  অধ্যাপক, নাট্য বিশেষজ্ঞ, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুখোপাধ্যায়, হেনা  অধ্যাপক (অব), ইতিহাস বিভাগ, লেডি ব্রাবোর্ন কলেজ, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুছলেহউদ্দীন, আ.ত.ম  অধ্যাপক, আরবী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুজাফ্ফর, এ  কর্নেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুনীর, আসিফ  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুনণী, তানজিনা খান  সহকারী হাউজ টিউটর, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুন্সী, মো. হামিদুল হক  অধ্যক্ষ, আব্দুল হাই ডিগ্রি কলেজ, নড়াইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুমতাজ, তাবাস্সুম  উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুরশিদ, গোলাম  কনসালট্যান্ট, বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুসলিম, সৈয়দ নকীব  পরিচালক, বাংলাদেশ পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুসাফির, মুহাম্মদ নুরুজ্জামান  ভাঙ্গুরা, পাবনা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুস্তাফা, মো. গোলাম  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মুহাম্মদ, আবু  অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মূর্শেদ, সানজিদা  প্রভাষক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মৃধা, অমরেন্দ্র নাথ  দেবহাটা, সাতক্ষীরা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মেসবাহ-উস-সালেহীন  প্রো-উপাচার্য, প্রাইম ইউনিভার্সিটি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোজাম্মেল, মো. মুক্তাদির আরিফ  সিনিয়র গবেষণা সহকারী, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোত্তালিব, মো. আব্দুল  প্রভাষক, ইতিহাস বিভাগ, এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোদক, গৌতম চন্দ্র  রাজস্থলী, রাঙ্গামাটি &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোয়াজ্জাম, ফয়সাল আবদুল­াহ  জাপান-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোরশেদ, আবুল কালাম মঞ্জুর  অধ্যাপক, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোর্শেদ, মো. মাহবুব  সহকারী অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোল্ল­া, মো. আবদুস সাত্তার  চাঁদপুর সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোল্লা, মো. আলাউদ্দিন  সাংবাদিক, পাবনা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোল্লা, মো. তুহীন  যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোল্লা, মো. লোকমান হোসাইন  সচিব, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোস্তফা, মো. গোলাম  বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, কক্র্বাজার &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোস্তাকিম, গোলাম  পরিচালক, বাংলাদেশ পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোহসিন, আমেনা  অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোহসীন, কে.এম  অধ্যাপক (অব), ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোহাম্মদ, বেলাল  কলামিস্ট, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোহাম্মদ, বেলাল  কলামিস্ট, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংগঠক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|মোহাম্মদ, হাসান  অধ্যাপক, রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রইছউদ্দিন, আ.ন.ম  অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রঙ্গনাথ, এস  অধ্যাপক, সংস্কৃত বিভাগ, এন.এম.কে.আর.ভি কলেজ ফর উইমেন, জয়নগর, বাঙ্গালোর, ভারত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রফিক, আব্দুর  প্রাক্তন মহাপরিচালক, কারিগরী শিক্ষা বোর্ড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রফিক, আহমদ  লেখক এবং গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রফিক, রফিকুল ইসলাম  লেখক এবং গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রব, মো. আবদুর  অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রমজান, এম.এ  শিবালয়, মানিকগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশিদ, মামুন-অর  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশিদ, মো. আবদুর  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশীদ, এম হারুনুর  প্রাক্তন পরিচালক, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশীদ, মুহাম্মদ আব্দুর  অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশীদ, মুহাম্মদ হারুন-অর  নকলা, শেরপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশীদ, মো. মামুনূর  সহকারী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশীদ, মো. হারুনুর  অধ্যাপক, প্রাণরসায়ণ ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশীদ, হারুন  সখীপুর, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশীদ, হারুন অর  এফআরজিএস, ইনডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রশীদ, হারুন-অর  বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, আজিজুর  বিয়ানীবাজার, সিলেট &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, আতাউর  সিনিয়র রিসার্চ ফেলো, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, আতিউর  গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, আতিকুর  লেখক ও গবেষক, রাঙ্গামাটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, আমীনুর  সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এ.এইচ.এম হাবিবুর  অধ্যাপক, ফিন্যান্স বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এ.এম মাহমুদুর  বিচারক, আপিল বিভাগ, সুপ্রিম কোর্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এ.এস.এম আতিকুর  অধ্যাপক, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এ.কে.এম মতিয়ার  আইনজীবী ডামুড্যা, শরিয়তপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এ.কে.এম মতিয়ার  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এ.কে.এম হাবিবুর  গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এফ.এম মোস্তাফিজুর  সম্পাদক, শিল্পবার্তা, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এ.বি.এম মোহিববুর  আতাতুর্ক মডেল হাইস্কুল, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এম রেজাউর  রাজারবাগ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এম শামসুর  অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এম সিদ্দিকুর  প্রাক্তন অতিরিক্ত পিআইও, তথ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এম হাফিজুর  প্রভাষক, ইতিহাস বিভাগ, বাগেরহাট সরকারি পিসি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এম হাবিবুর  অধ্যাপক, আইন ও বিচার বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এস.এম মাহফুজুর  অধ্যাপক, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এস.এম সাইফুর  কলাউড়া, সাতক্ষীরা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, এস.এস মোস্তাফিজুর  অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, কাজী মিজানুর  বানারীপাড়া, বরিশাল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, কাজী মো. মোস্তাফিজুর  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, কিউ.এম আরিফুর  প্রাক্তন মহাপরিচালক, জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, গাজী  বাংলা বিভাগ, মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, গাজী মো. মিজানুর  গবেষণা সহকারী, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, গোলাম  অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, জুবায়েরুর  লেখক ও গবেষক, দিনাজপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, তারেক শামসুর  অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, নয়ন  সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, পি.আই.এস মোস্তফিজুর  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, বিলকিস  গবেষক ও লেখক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মতিয়ার  অধ্যাপক, পরিসংখ্যান প্রাণ পরিসংখ্যান ও তথ্য পরিসংখ্যান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মনজুরুর  রেজিস্ট্রার অব কপিরাইট, কপিরাইট অফিস, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মাহফুজুর  সাংবাদিক, বুড়িচং, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মিজান  প্রভাষক, বাংলা বিভাগ, নটর ডেম কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মিজানুর  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, এডওয়ার্ড কলেজ, পাবনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মিজানুর  প্রভাষক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মিজানুর  মনোবিজ্ঞান বিভাগ, বিরল মহিলা কলেজ, দিনাজপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মীর শামসুর  অধ্যাপক, গণবিশ্ববিদ্যালয়, সাভার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মীর শামসুর  অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মু. সায়ীদুর  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মুর্শিদা বিনতে  প্রভাষক, ইতিহাস বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মুশফিকুর  কান্ট্রি ম্যানেজার, এশিয়া এনার্জি কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) প্রাইভেট লিমিটেড &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মুহাম্মাদ মানসুরুর  প্রাক্তন অধ্যক্ষ, মাদ্রাসা-ই-আলীয়া, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. আজিজুর  পৌর কোটচাঁদপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজ, ঝিনাইদহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. খলিলুর  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. খলিলুর  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মনসুর  নট্রা্মস, বগুড়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মসিউর  হিসাববিজ্ঞান বিভাগ, নুরুন্নাহার সরকারি মহিলা কলেজ, ঝিনাইদহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মহিবুর  ডেমরা, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মাকসুদুর  সহকারী অধ্যাপক, গ্রাফিক্স ডিজাইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মাসুদুর  সহকারী অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মাহফুজুর  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মাহবুবর  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মাহবুবুর  লেখক ও গবেষক, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মিজানুর  উজিরপুর, বরিশাল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মোকসেদুর  প্রকৌশলী, চট্টগ্রাম ওয়াসা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মোন্তাজুর  নিয়ামতপুর, নওগাঁ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. মোশফেকুর  লেখক ও গবেষক, বাগেরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. রেজাউর  বাংলাদেশ আনবিক শক্তি কমিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. শফিকুর  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. সাইফুর  লেখক, অভয়নগর, যশোর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. সিদ্দিকুর  মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. হাফিজুর  সারিয়াকান্দি ডিগ্রী কলেজ, বগুড়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. হাফেজুর  অধ্যাপক, পরজীবীবিদ্যা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. হাবিবুর  অধ্যাপক, আইন ও বিচার বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. হাবিবুর  সাংবাদিক, চাটমোহর, পাবনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মো. হাসিনুর  গবেষণা সহকারী, বাংলাপিডিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মোখলেছুর  লেখক, নওগাঁ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, মোহাম্মদ জিল্লুর  উপপরিচালক, গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, লুৎফুর  অধ্যাপক, জীনতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, শাহ্ মো. মুইজুর  পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ, মওলানা মফিজুল হোসেন মহিলা কলেজ, মৌলভীবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, শেখ আতাউর  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, শেখ আমিনুর  গ্রুপ ক্যাপ্টেন, বাংলাদেশ বিমান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, সহীদুর  লেখক, গৌরীপুর, ময়মনসিংহ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, সিদ্দিক মাহমুদুর  পরিচালক, বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউট &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, সিদ্দিক মাহমুদুর  গ্রন্থাগারিক (অব), বারডেম, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, সৈয়দ সাদিকুর  লেখক ও গবেষক, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, হাকিম মো. ফজলুর  সাংবাদিক, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, হাবিবুর  প্রাক্তন সহকারী পরিচালক, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহমান, হুমায়ুন  নাজিরপুর, পিরোজপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহিম, এনায়েতুর  বঙ্গবন্ধু প্রফেসর, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহিম, এম.এ  অধ্যাপক, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রহিম, মহিবুর  প্রভাষক, চিনাইর বিএসএম ডিগ্রি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রাজ, মো. শহীদুজ্জামান  সাটুরিয়া, মানিকগঞ্জ  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রাজবংশী, মনোরঞ্জন  সহকারী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, সাভার কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রাজিয়া, সুলতানা  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রাজু, নাজমুল আহসান  রায়পুর, লক্ষ্মীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রাজ্জাক, রাণা  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রানা, আয়ুব  সাংবাদিক, কালিয়াকৈর, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রানা, মো. মাহবুবুর রহমান  গোমস্তাপুর, নবাবগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রানা, সাইম  সংগীত বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রাবিব, এস.এম ফজলে  মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রাবিব, ফজলে  প্রাক্তন পরিচালক, জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, অনিরুদ্ধ  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, অনিল বরণ  বিশ্বভারতী, শান্তিনিকেতন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, অমিতা  অধ্যাপক (অব),  প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, অলক  অধ্যাপক, চারুকলা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, আর  ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিসটিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, কানাইলাল  অধ্যাপক, ভাষা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, কৃষ্ণেন্দু  রিডার, প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, ক্ষীরোদ চন্দ্র  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, জয়ন্ত সিংহ  বানিয়াচং, হবিগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, তপন কুমার  কাউখালী, পিরোজপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, তুহিন  প্রভাষক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, প্রণব  অধ্যাপক (অব), সংস্কৃত কলেজ, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, প্রদীপ কুমার  অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, প্রীতিমাধব  চন্দননগর, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, বিধুভূষণ  তজমুদ্দিন, ভোলা  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, বিপিন  বারডেম, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, বিভূতি রঞ্জন  সাংবাদিক, আটপাড়া, নেত্রকোনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, মণীন্দ্র কুমার  অধ্যাপক, পরিসংখ্যান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, রঞ্জিত  ইতিহাস বিভাগ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, রাখী  গবেষণা সহকারী, জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, রামদুলাল  সহকারী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, নরসিংদী সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, সন্ধ্যা  পরিচালক, খাদ্য বিভাগ, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, সুরঞ্জন  সহকারী অধ্যাপক, শহীদ আবদুস সালাম ডিগ্রি কলেজ, কালিয়া, নড়াইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, স্বপ্না  লেখক, পিরোজপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়, হরপ্রসাদ  অধ্যাপক (অব), জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়, নয়াদিল্লি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়চৌধুরী, তপন  অধ্যাপক (অব), অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ইংল্যান্ড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রায়হান, মুর্শেদ  গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রাশেদ, মো. আবু  মান্দা, নওগাঁ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রিকাবদার, ফজলুল হক  কৃষি তথ্য সার্ভিস, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রিয়াজ, বায়জীদ খুরশীদ  পরিচালক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রীটা, ভদ্রেশু  প্রভাষক, গ্রাফিক্স ডিজাইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রীতা, তাহেরা বেগম  সুবর্ণচর, নোয়াখালী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রুবাইয়া, তানিয়া  অফিসার, ডাচ্ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড, ঢাকা  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রুবেল, তিলক বড়ুয়া  ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রেজা, তারেক  গবেষক ও লেখক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রেজা, মাসুদ  ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিসিক প্রধান কার্যালয়, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রেজা, মো. মামুন  দিঘলিয়া, খুলনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রেজা, মো. রেজাউল হাবীব  করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|রেজা, মো. সেলিম  সাংবাদিক, দৌলতপুর, কুষ্টিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|র‌্যাডিচি, উইলিয়ম  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লতিফ, এস.এম আবদুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লতিফ, মো. আবদুল  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকা  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লতিফ, মো. আবদুল  শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ, বরিশাল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লস্কর, এ.বি.এম মাসুদ  সাংবাদিক, মাধবপুর, হবিগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লাকী, জায়েদ হোসাইন  সাংবাদিক, নগরকান্দা, ফরিদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লাভলু, মো. নিজাম উদ্দিন  রামগড়, খাগড়াছড়ি &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লাহিড়ী, অরুণ কুমার  পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লিটু, শেখ মোহাম্মদ সাঈদুল্ল­াহ  সাংবাদিক, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লিপি, জাহানারা আকতার  লেখক, নোয়াখালী &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লেয়ার্ড, মাইকেল এ  অধ্যাপক, স্কুল অফ ওরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজ, লন্ডন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|লোহানী, কামাল  নৃত্য গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শফি, মোহাম্মদ  অধ্যাপক এ্যাকুয়াকালচার ও ফিশারীজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শফি, সালমা এ  স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ, সেন্টার ফর আরবান স্টাডিজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শফিকুল্লাহ, মুহাম্মদ  অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শর্মা, দ্বিজেন  অধ্যাপক (অব), উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, নটর ডেম কলেজ, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শর্মা, নন্দলাল  প্রক্টর, মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শহীদ, মো. আব্দুল  বারহাট্টা, নেত্রকোনা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শহীদ, শহীদুল ইসলাম  সাংবাদিক, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শহীদউল্লাহ, এ.বি.এম  কিউরেটর, ঢাকা চিড়িয়াখানা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শহীদুল্লাহ, কাজী  উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শহীদুল্লাহ, মো.  স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাকিল, আবদুস  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শামসুজ্জামান  লেখক ও গবেষক, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শামসুদ্দিন, এ.কে.এম  প্রাক্তন সভাপতি, ফরেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শামসুদ্দীন, মো.  অধ্যাপক, খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শামসুদ্দোহা  এফআরইপিডি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শামীম, মো. মাহমুদ হাসান  জাহাপুর কে.এ কলেজ, মুরাদনগর, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শারমীন, মীর ফারজানা  গবেষণা সহকারী, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাহ, আবু মো. ইকবাল রুমী  ইতিহাস বিভাগ, ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাহ, এম.এস  অধ্যাপক, মৎস্য ও সমুদ্রসম্পদ প্রযুক্তি বিভাগ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাহ, মোহাম্মদ  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাহ্জী, হাবিবুন্নবি শরীফুল হক  সাংবাদিক, কচুয়া, চাঁদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাহজাহান, মো.  অর্থনীতি বিভাগ, লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাহজাহান, রেজা মো.  পারমানবিক শক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সাভার, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাহজাহান, শেখ  প্রধান শিক্ষক, দৌলতপুর মহসিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাহজাহান, সৈয়দ  হাটহাজারী, চট্টগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শাহনাওয়াজ, এ.কে.এম  অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শিকদার, আরিফ মহিউদ্দিন  ব্যবস্থাপনা পরিচালক, জিম টেস্টিং ল্যাবরেটরী, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শিবলী, আতফুল হাই  সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শিরিন, সৈয়দা মমতাজ  প্রিন্সিপাল হাউস টিউটর, শামসুননাহার হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শীরু, মহিউদ্দিন  বালাগঞ্জ, সিলেট &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শেখ, মো. তোফায়েল আহম্মেদ  হাজীগঞ্জ, চাঁদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শেখর, সৌমিত্র  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শেরাম, এ.কে  সভাপতি, বাংলাদেশ মনিপুরী সাহিত্য সংসদ, সিলেট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শেরেজ্জামান, মো.  সহযোগী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শেলী, মিজানুর রহমান  পরিচালক, সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শোকরানা, মোকাররম হোসেন  মিঠামইন, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|শ্যান্ডেল, উইলেম ভ্যান  অধ্যাপক, সাউথ এশিয়া ইনস্টিটিউট, আমস্টারডাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সফিউজ্জামান  অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সফিউল্লাহ, মো.  অধ্যাপক, বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সফিউল্লাহ, মো. অধ্যাপক, ইসলামিক স্ট্যাডিজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সবুর, এ.কে.এম আবদুস  গবেষণা পরিচালক, বাংলাদেশ ইনিস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্ট্রাটেজিক স্টাডিজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, আজাহার  সাংবাদিক, ময়মনসিংহ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, আনসার আলী  পার্বতীপুর, দিনাজপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, আবদুস সামাদ  সহকারী পরিচালক (গবেষণা), বাংলাদেশ ব্যাংক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, আবু তালহা  ক্রীড়া সাংবাদিক, দি ডেইলি ইন্ডিপেন্ডেন্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, আমিনুর রহমান  সহকারী সম্পাদক, দৈনিক দিনকাল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, ইছামুদ্দীন  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, নর্থ বেঙ্গল বিশ্ববিদ্যালয়, দার্জিলিং&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, দুলাল  সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়, শশীকর, মাদারীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, নাথু রাম  এসএসও, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট, সাভার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, নুরজাহান  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, পবিত্র  প্রাক্তন উপাচার্য, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, মন্মথনাথ  মেরিন ফিশারীজ সার্ভে, কক্সবাজার &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, মাহফুজুর রহমান  সহযোগী অধ্যাপক, বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস, অরিগন স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, মো. অহিদুজ্জামান  লেখক ও গবেষক, রায়পুরা, নরসিংদী &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, মো. মোশাররফ হোসেন  শ্রীনগর, মুন্সিগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, মো. সোহরাব উদ্দিন  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, রবীন্দ্রনাথ  সম্পাদক, সৎসঙ্গ আশ্রম, হেমায়েতপুর, পাবনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, শিপ্রা  প্রভাষক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, লালমাটিয়া মহিলা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, সঞ্জয়  সাংবাদিক, নেত্রকোনা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, সন্তোষ কুমার  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, সুশান্ত  সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, স্বপন কুমার  সিনিয়র সহকারী সচিব, সংস্থাপন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সরকার, স্বরোচিষ  সহকারী অধ্যাপক, ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাইফুজ্জামান, এ.কে.এম  হিস্ট্রি এন্ড ক্লাসিক্যাল আর্ট সেকশন, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাইফুল্লাহ, এম  সিনিয়র তথ্য অফিসার, তথ্য অধিদপ্তর, তথ্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাঈদ, খান মো.  প্রধান নির্বাহী, সত্যান্বেষণ, সাভার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাগর, ওবায়দুল্লাহ  লেখক ও গবেষক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাত্তার, আবদুস  বাংলা বিভাগ, বেড়া ডিগ্রি কলেজ, পাবনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাত্তার, মো. আবদুস  বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাত্তার, মো. আবদুস  সাংবাদিক, রংপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাত্তার, মো. আব্দুস  শাহেবাবাদ ডিগ্রি কলেজ, ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সানাউল্লাহ, মোহাম্মদ  মৎস্য অধিদপ্তর, ঝালকাঠি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সান্যাল, এস.কে  গবেষক, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাবু, আবু জাফর  সাংবাদিক, গাইবান্ধা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সামসুন্নাহার, সৈয়দা  অধ্যক্ষ, মুরারী চাঁদ কলেজ, সিলেট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সালাম, মুহম্মদ আবদুস  উপপরিচালক (অব), বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সালাম, মো. আবদুস  বাংলা বিভাগ, মুক্তিযুদ্ধ আদর্শ কলেজ, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সালাম, শেখ আবদুস  অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সালাহউদ্দিন, খালেদা  স্বনির্ভর বাংলাদেশ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সালেহ উদ্দিন, সৈয়দ মোহাম্মদ  ইসলামের ইতিহাস বিভাগ, রামপুরা একরামুন্নেসা ডিগ্রি কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সালেহউদ্দিন, সৈয়দ মো.  কটিয়াদি, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাহা, অমল  সাভার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাহা, পার্থদেব  ফকিরহাট ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা ডিগ্রি কলেজ, বাগেরহাট &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাহা, মধুসূদন  ঘিওর, মানিকগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সাহা, মলয়  মির্জাপুর, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিতারা, সানিয়া  সহকারী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকা, আরিফা  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকা, মোবাররা  সহযোগী অধ্যাপক, ফোকলোর বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিক, ইমন  মুকতিপাড়া, চুয়াডাঙ্গা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকি, গোলাম মোস্তফা  রাজাপুর, ঝালকাঠি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকি, মহিবুল্লাহ  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিক, শাহ  বাটিয়াঘাটা, খুলনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, আশরাফ  লোকাচারবেত্তা, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, এ.আর  সাংবাদিক, শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, এ.বি.এম সাইফুল ইসলাম  অধ্যাপক, আল-কুরআন ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, কামাল  প্রাক্তন সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, জিল্লুর রহমান  প্রাক্তন উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, দিনা মেহনাজ  ভিজিটিং প্রফেসর, দি হান্টার কলেজ, নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি, নিউইয়র্ক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, নাজমা  অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, নিয়াজ আহমেদ  বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, মামুন  গবেষণা কর্মকর্তা, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, মামুন  বাদুরতলা, কুমিল্লা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, মুহম্মদ নূর এ আলম  লাকসাম, কুমিল্লা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, মোহাম্মদ মহিব উল্লাহ  কক্সবাজার &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, লায়লা রশীদা  গবেষক, জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্দিকী, হাফিজ জি.এ  উপাচার্য, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিদ্ধান্ত, শুভেন্দুকুমার  গবেষক, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিনহা, সুতপা  গবেষক, সেন্টার ফর আর্কিওলজিক্যাল স্টাডিজ, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সিরাজুদ্দীন, আসমা  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সুনীথানন্দ, ভিক্ষু  প্রভাষক, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সুফী, হাশেম  লেখক এবং গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সুলতান, টিপু  সাংবাদিক, ফেনী &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সুলতানা, আরিফা  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সুলতানা, জেসমিন  গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সুলতানা, রাজিয়া  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সুলতানা, সাবিহা  অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সুলতানা, সারা  গবেষক, ২৬৮/৪ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সুলতানা, হেনা  সিনিয়র শিক্ষক, ভারতেশ্বরী হোমস, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সূফি, গুলরু বেগম  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সেন, বিপ্লব  বাঘারপাড়া, যশোর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সেন, রঙ্গলাল  জাতীয় অধ্যাপক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সেনগুপ্ত, গৌতম  পরিচালক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, পশ্চিমবঙ্গ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সেলিম, নুরুর রহমান  বাসাইল, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সেলিম, মোস্তফা  সাংবাদিক, বড়লেখা, মৌলভীবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সেলিম, মোহাম্মদ  মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশ গবেষণা ইনস্টিটিউট, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সেলিম, লালা রূখ  সহযোগী অধ্যাপক, ভাস্কর্য বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সৈয়দ, মোহাম্মদ আলী  লন্ডন, যুক্তরাজ্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সোবহান, আ.ন.ম আবদুস  অধ্যক্ষ (অব), সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ, গোপালগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সোবহান, এনায়েত  অষ্টগ্রাম, কিশোরগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সোবহান, এম আব্দুস  পরিচালক, ব্যান্সডক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সোম, শোভন  অধ্যাপক, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সোলায়মান, মো.  ব্যবস্থাপক, কমপ্ল্যায়েন্স, সাউদার্ন সার্ভিসেস লিমিটেড, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সোহরাওয়ার্দী, বি.এইচ  লেখক ও গবেষক, রাঙ্গামাটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|সোহেল, মো. আসাদুজ্জামান  গ্রাফিক্স ডিজাইনার, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|স্টুয়ার্ট, টনি.কে  পরিচালক, সেন্টার ফর সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ, নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, আমানুল  আলোকচিত্র শিল্পী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, আমানুল  নৃত্য পরিচালক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, আমিনুল  প্রাক্তন যুগ্মসচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, এ.কে.এম আমিনুল  অধ্যাপক, লালমাটিয়া, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, এ.কে.এম খাদেমুল  সহকারী অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, এনামুল  প্রাক্তন মহাপরিচালক, বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, এম এনামুল  অধ্যাপক (অব), ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, এম এনামূল  গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, এম নজরুল  বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, এম মাজাহারুল  অধ্যাপক, সেন্টার ফর মেডিক্যাল এডুকেশন, মহাখালী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, এম মোজাম্মেল  অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, এস.এম ইমামুল  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, কাজী এবাদুল  বিচারপতি (অব), অ্যাপিলেট ডিভিশন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, কাজী এম ইমদাদুল  বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট, সাভার, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, কাজী রেজাউল  সহকারী এটর্নি জেনারেল, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, কায়সার এম হামিদুল  অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, খন্দকার মুজাম্মিল   বাংলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, খোন্দকার সিরাজুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, নাজনীন আফরোজ  অধ্যাপক, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, পারভীন  অধ্যাপক, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, ফজলুল  নির্বাহী পরিচালক, বিএলএএসটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, ফাহমিদুল  সহকারী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, বাহারুল  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, ম. ইনামুল  চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মনিরুল  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মফিদুল  ট্রাস্টি, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মহাম্মদ দানীউল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মাজেদুল  গোসাইরহাট, শরিয়তপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মাহবুবুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মাহবুবুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মাহবুবুল  ভিজুয়্যাল এডিটর, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মিয়া মো. সিরাজুল  বৈজ্ঞানিক (অব), বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মীর মঈনুল  সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্রোরেশন কোম্পানী লিমিটেড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মুহাম্মদ লুৎফুল  কর্নেল (অব), বাংলাদেশ সেনাবাহিনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মো. আজিজুল  অধ্যাপক, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মো. আজিজুল  লেখক ও গবেষক, জয়পুরহাট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মো. আনোয়ারুল  ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী সরকারি কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মো. ইমদাদুল  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মো. নজমুল  লেখক ও গবেষক, বগুড়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মো. রমজুল  অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, মো. হাবিবুল  বীজ যাচাই সংস্থা, গাজীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, রাশিমুল  চিকিৎসক, কালকিনি, মাদারীপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, শহীদুল  অধ্যাপক (অব), অর্থনীতি বিভাগ, সরকারি নাজিমুদ্দীন কলেজ, মাদারীপুর  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, শারমিন  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, সাইদুল  হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, বাংলাপিডিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, সানাউল  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, সিরাজুল  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, সৈয়দ আজিজুল  অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, সৈয়দ আজিজুল  জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, সৈয়দ ফজলুল  অধ্যাপক, ক্যানসার ফাউন্ডেশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, সৈয়দ মাঈনুল  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হক, হুসনে আরা  অধ্যাপক (অব), ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাই, এম আবদুল  সমুদ্রবিজ্ঞান ও মৎস্য ইনস্টিটিউট, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাই, কে.এম.এ হুমায়ুন  প্রাক্তন বিশেষজ্ঞ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাই, তাসনিম হাসান  নির্বাহী পরিচালক, হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, মোহাম্মদপুর, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাই, মুহাম্মদ আবদুল  গবেষক এবং সংস্কৃতিকর্মী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাই, সরকার আব্দুল  গাবতলী, বগুড়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাওলাদার, আবদুল আউয়াল  অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাওলাদার, আবদুল জববার  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাওলাদার, এ.আর  অধ্যাপক, হস্তরেখাবিদ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাওলাদার, শামসুল হক  বাংলা বিভাগ, বিক্রমপুর কে.বি ডিগ্রি কলেজ, মুন্সিগঞ্জ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাকিম, মো. আব্দুল  চিলমারী, কুড়িগ্রাম&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাকিম, মো. আব্দুল  জকিগঞ্জ, সিলেট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাদিউজ্জামান, সৈয়দ  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাদী, মোহাম্মদ আবদুল  কার্টোগ্রাফার ও জিআইএস বিশেষজ্ঞ, বাংলাপিডিয়া &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হান্নান, মো. আবদুল  বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হান্নান, মোহাম্মদ  পরিচালক, প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হান্নান, মোহাম্মদ আবদুল  সহযোগী অধ্যাপক, আইন ও বিচার বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাবিব, ফরিদ  অ্যাসিস্ট্যান্ট চীফ অব নেভাল স্টাফ, নেভাল হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাবিব, মো আহসান  ইতিহাস বিভাগ, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার কলেজিয়েট ইনস্টিটিউশন, পঞ্চগড় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাবিব, মো. ওয়াহিদুল  সহকারী অধ্যাপক, নারায়ণগঞ্জ কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাবিবুল্লাহ, এম  অধ্যাপক (অব), একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাবিবুল্লাহ, মো.  সুজানগর, পাবনা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাবীব, আহসান  সাংবাদিক, মেহেন্দীগঞ্জ, বরিশাল &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাবীব, খালেদা  প্রাক্তন অধ্যক্ষ, উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাবীব, মো. আহসান  প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাবীব, মো. গোলাম  বন অধিদপ্তর, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হামিদ, এম.এ  যুগ্ম পরিচালক, বার্ড, কুমিল্লা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হায়দার, এ.আর.এম আলী  অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হায়দার, এস.জেড  অধ্যাপক (অব), রসায়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হায়দার, কেয়া  লেখক ও গবেষক &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হায়দার, মনি  লেখক ও গবেষক, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হায়দার, মোহাম্মদ তৌফিকুল  অধ্যাপক, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হায়াৎ, অনুপম  প্রাক্তন পাবলিক ইনফরমেশন অফিসার, ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হারুন, জসীম উদ্দীন  সাংবাদিক, আগ্রাবাদ, চট্টগ্রাম &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হারুন-অর-রশিদ,  অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হারুন-অর-রশিদ, মির্জা  অধ্যাপক (অব), বাংলা বিভাগ, সরকারি জগন্নাথ কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হারুন-অর-রশিদ, মো.  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হারুন,এ.কে ইউসুফ  বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, চাঁদপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হারূন-অর-রশীদ, মো.  বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হালদার, অপূর্ব লাল  শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত ডিগ্রি কলেজ, আগৈলঝরা, বরিশাল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হালদার, পরিতোষ  রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, মুকসুদপুর কলেজ, গোপালগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হালদার, শাশ্বতী  গবেষক, কানাডা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হালদার, স্বপন কুমার  খ্রিস্টান মিশন হাসপাতাল, রাজশাহী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হালিম, মো. আবদুল  অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাশেম, মোহাম্মদ আবুল  বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসনাত, আবুল  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসমী, তাজুল ইসলাম  অধ্যাপক, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, আসাদুল্ল­াহ মামুন  বাংলা বিভাগ, ইসলামিয়া কলেজ, রাজশাহী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, এ.কে.এম রিয়াজুল  রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, শেরপুর সরকারি কলেজ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, এস রিজওয়ানা  পরিচালক, বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট লইয়্যার্স অ্যাসোসিয়েশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, কামরুল  লেখক ও গবেষক, কক্সবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, খন্দকার মাহমুদুল  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, দেলওয়ার  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, পারভীন  অধ্যাপক (অব), ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, মনজুর  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, মীর মোহাম্মদ  প্রাক্তন পরিচালক, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, মো. আবুল  অধ্যাপক, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, মো. কামরুল  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, মো. জাহিদুল  ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, মো. নাজমুল  মৃত্তিকা গবেষণা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, মো. মাহমুদুল  সহকারী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, মো. শহীদুল  প্রভাষক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, মোহাম্মদ কবিরুল  সহকারী পরিচালক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, লায়লা  নৃত্যশিল্পী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, শেখ মেহেদী  সাংবাদিক ও লেখক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, সৈয়দ মেহেদী  চিকিৎসক, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসান, সৈয়দ রাশেদুল  অধ্যাপক, ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসানুজ্জামান, আল-মাসুদ  অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসানুজ্জামান, এস.এম  কৃষিবিজ্ঞানী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হাসেম, মোহাম্মদ আবুল  অধ্যাপক, রসায়ন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হুদা, কে.এম নূরুল  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হুদা, শামসুল  প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক, এসোসিয়েশন অব ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিজ ইন বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হুদা, শাহনাজ  অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হুসাইন, বিল্লাল  ইসলামের ইতিহাস বিভাগ, আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ, যশোর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হুসেন, মুস্তাফা  উপপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হেফাজউদ্দিন, শেখ  অধ্যাপক, পরজীবীবিদ্যা বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হেলাল, বশীর আল  প্রাক্তন পরিচালক, বাংলা একাডেমী, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হেলালী, মাকসুদ  অধ্যাপক, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হেলালী, মো. হারুন রশীদ  লালমোহন, ভোলা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোছাইন, এ.এইচ.এম. মুজতবা  অধ্যাপক, ইসলামিক স্ট্যাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসাইন, এ.কে.এম ইয়াকুব  অধ্যক্ষ (অব), মাদ্রাসা-ই-আলীয়া, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসাইন, এস.এম আলতাফ  হাতীবান্ধা, লক্ষ্মীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসাইন, মহসিন  গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসাইন, মুহাম্মদ ছহুল  প্রাক্তন সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসাইন, শওকত  অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসাইন, শামসুল  প্রাক্তন ডেপুটি কিউরেটর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, আইয়ুব  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, আকমল  অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, আবু মো. দেলোয়ার  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, আমজাদ  সাংবাদিক, খুলনা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, আশফাক  সহযোগী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, আহমদ  সাংবাদিক, দিনাজপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, উর্মি  গবেষণা সহযোগী, বাংলাপিডিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, এ.টি.এম যায়েদ  প্রভাষক, ইতিহাস বিভাগ, কুমুদিনী সরকারি কলেজ, টাঙ্গাইল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, এ.বি.এম  অধ্যাপক ইমেরিটাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, এ.বি.এম এনায়েত  অধ্যাপক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, এম আলতাফ  অধ্যাপক, প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, এম আশরাফ  অধ্যাপক, ডেন্টাল সার্জারী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, এম দেলওয়ার  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, এস.এম মনোয়ার  বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, খন্দকার আকতার  কমান্ডার ইঞ্জিনিয়ার, বাংলাদেশ নৌবাহিনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, জাকির  লেখক ও গবেষক, মনপুরা, ভোলা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, জাহিদ  প্রাক্তন সদস্য, বোর্ড অব ইনভেস্টমেন্ট  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, তফাজ্জল (টি হোসেন)  প্রাক্তন সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, তাহমিনা  লেখক ও গবেষক, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, দিলদার  সাংবাদিক, ফুলগাজী, ফেনী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, দেলোয়ার  বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঈশ্বরদী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, বিল্লাল  লেখক ও গবেষক, ভেদরগঞ্জ, শরিয়তপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, বেলায়েত  অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মনিরা  সহযোগী অধ্যাপক, স্কুল অব এডুকেশন, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. আনোয়ার  উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. আনোয়ার  প্রোগ্রামার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যলয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. আনোয়ার  সহযোগী অধ্যাপক, সমাজকর্ম বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. আবুল  বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট, কক্সবাজার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. আলমগীর  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. আলী  ইংরেজি বিভাগ, কাহারোল মহিলা ডিগ্রি কলেজ, দিনাজপুর&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. কবির  পরিসংখ্যান বিভাগ, শচিন্দ্র কলেজ, হবিগঞ্জ &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. কামাল  ইতিহাস বিভাগ, কুড়িগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. জাকির  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. ফারুক  গবেষণা সহযোগী, রাজধানী ঢাকার ৪০০ বছর উদযাপন প্রকল্প, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. মনসুর  লেখক ও গবেষক, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. মুকবিল  আইটি অফিসার, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. মুরাদ  লেখক ও গবেষক, মুজিবনগর, মেহেরপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. মোবাশ্বের  লেখক ও গবেষক, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. শাখাওয়াত  সাংবাদিক, লালমোহন, ভোলা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. শাহাদাত  প্রাক্তন পরিচালক, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মো. সাজ্জাদ  অধ্যাপক, ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মোজাফফর  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মোতাহার  প্রাক্তন অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মোফাজ্জল  পরিচালক ও প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মোহাম্মদ  অধ্যাপক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মোহাম্মদ নূর  লেখক ও গবেষক, রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, মোহাম্মদ সুলতান  অধ্যাপক, মৃত্তিকা পানি ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, শওকত  সভাপতি, বাংলাদেশ পাটশিল্প সংরক্ষণ ও উন্নয়ন কেন্দ্র, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, শওকত আরা  অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, শাহানারা  অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, সেলিনা  প্রাক্তন পরিচালক, বাংলা একাডেমী, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|হোসেন, হামিদা  লেখক ও গবেষক, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
[[en:Contributors]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8&amp;diff=22034</id>
		<title>বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6_%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE_%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8&amp;diff=22034"/>
		<updated>2026-07-22T05:20:20Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন&#039;&#039;&#039;-বিপিসি (Bangladesh Petroleum Corporation-BPC)  অপরিশোধিত এবং পরিশোধিত জ্বালানি তেল ও লুব্রিকেন্ট আমদানি, অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন এবং জ্বালানি তেল লুব্রিকেন্ট ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য বিতরণ ও বিপণনের জন্য ১৯৭৬ সালে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ (নং-৮৮, ১৩/ ১১/১৯৭৬) বলে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম অ্যাক্ট (আইন) ১৯৭৪ অনুযায়ী দেশে পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিশোধন এবং বিপণনের ক্ষমতা কেবলমাত্র সরকারের ওপর ন্যস্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আইন অনুযায়ী বিপিসির সুনির্দিষ্ট দায়িত্বসমূহ হলো: অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম এবং অন্যান্য পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ সংগ্রহ ও আমদানি; অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম প্রক্রিয়াকরণ এবং বিভিন্ন মানের পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন; পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি ও সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধাসমূহ প্রতিষ্ঠা করা; বেইসস্টক (basestock) ও প্রয়োজনীয় অ্যাডিটিভসমূহ (aditives) উৎপাদন এবং লুব্রিকেন্টসহ অন্যান্য রাসায়নিক দ্রব্য আমদানি করা; ব্লেন্ডিং-এর মাধ্যমে লুব্রিকেন্ট তেল উৎপাদন; ব্যবহূত লুব্রিকেন্টসমূহ পুনঃ ব্যবহার উপযোগী করার ব্যবস্থা, রিফাইনারির অবশিষ্টসমূহ প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও অবকাঠামো প্রতিষ্ঠা; পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য মজুতের জন্য পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন; আন্তঃমহাদেশীয় তেলবাহী জাহাজ (অয়েল ট্যাংকার) সংগ্রহ ও নির্মাণ; পেট্রোলিয়াম জাতীয় পণ্য বিপণনের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি ও তার সম্প্রসারণ; দেশে পেট্রোলিয়াম আমদানি, মজুত, বিতরণ এবং বিপণনের জন্য কোন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর বা কোন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা প্রতিনিধি হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করা; বিপিসির অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকান্ড সমন্বয় ও পরিবীক্ষণ করা সহ সরকার নির্দেশিত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিপিসির অধীনে আটটি কোম্পানি পরিচালিত হচ্ছে: দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার ইষ্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল); তিনটি তেল বিতরণ ও বিপণন কোম্পানি যথা- পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড, যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এবং মেঘনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড; দুটি লুব্রিকেন্ট ব্লেন্ডিং প্লান্ট- ইষ্টার্ন লুব্রিকেন্ট ব্লেন্ডার্স লিমিটেড ও স্ট্যান্ডার্ড এশিয়াটিক অয়েল কোম্পানি লিমিটেড; একটি এলপিজি বোতলজাতকরণ ও বিতরণ প্লান্ট- এলপি গ্যাস লিমিটেড এবং একটি বিটুমিন উৎপাদন কোম্পানি- অ্যাসফল্টিক বিটুমিন প্লান্ট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিপিসির উপরিউক্ত আটটি অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানে মোট ৩,৪০৮ জন এবং বিপিসিতে মাত্র ১৬৬ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারী কাজ করে। বিপিসি তার অধীনস্থ কোম্পানিসমূহের সহায়তায় দেশের বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি তেল মজুতের ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যাতে সময়মত জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়। বিপিসির অধীনস্থ কোম্পানিসমূহ স্থানীয় বাজারে তার পণ্যসমূহ বিপণনের জন্য মার্কেটিং এজেন্টদের ব্যবহার করে। দেশের প্রধান প্রধান জ্বালানি তেলের মজুতক্ষেত্র বা ডিপোগুলি গোদনাইল (নারায়ণগঞ্জ), দৌলতপুর (খুলনা), ফতুল্লা (ঢাকা) এবং বাঘাবাড়িতে (পাবনা) অবস্থিত। মাঝারি আকৃতির ডিপোসমূহ রয়েছে রংপুর, পার্বতীপুর (দিনাজপুর), ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, ঢাকা, চাঁদপুর, বরিশাল ও ঝালকাঠিতে। ছোট ডিপোসমূহের অবস্থান হলো: চিলহাটি (কুড়িগ্রাম), বালাসি (গাইবান্ধা), রাজশাহী, হরিয়ান, নাটোর, সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। বিপিসির কেন্দ্রীয় মজুতক্ষেত্রসমূহ ২,০৬,০০০ টন এবং দেশের অন্যান্য ডিপোসমূহ প্রায় ৬,৮৮,০০০ টন জ্বালানি তেল মজুত ক্ষমতা গড়ে তুলেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় বাজারের জন্য জ্বালানি তেল আমদানি, পরিশোধন এবং বিতরণের দায়িত্ব ছাড়াও বিপিসি নিকট অতীতে জ্বালানি তেলের মান উন্নয়নে উদ্যোগ নিয়েছে। ১৯৯৯ সালের জুলাই থেকে বিপিসি সীসামুক্ত পেট্রোল তেল এবং সামান্য পরিমাণ সালফার সমৃদ্ধ ডিজেল তেল দেশের বাজারে বিপণনের জন্য আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে।  [মো. মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangladesh Petroleum Corporation]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangladesh Petroleum Corporation]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangladesh Petroleum Corporation]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangladesh Petroleum Corporation]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangladesh Petroleum Corporation]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%A8&amp;diff=22033</id>
		<title>কয়লাস্তর মিথেন</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0_%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%A8&amp;diff=22033"/>
		<updated>2026-07-22T05:18:32Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;কয়লাস্তর মিথেন&#039;&#039;&#039; - সি.বি.এম&#039;&#039;&#039; &#039;&#039;&#039;(Coal Bed Methane - CBM)  কয়লাস্তরে উৎপত্তি লাভকারী বর্ণ ও গন্ধহীন দাহ্য গ্যাস। বাংলাদেশে কয়লাস্তর মিথেনকে দেশের, বিশেষত পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পুরু কয়লাস্তর সমৃদ্ধ প্রধান কয়লাক্ষেত্রগুলি আবিষ্কৃত হয়েছে। এ সকল কয়লাক্ষেত্র মিথেন গ্যাস সমৃদ্ধ এবং খনন কূপের সাহায্যে সে গ্যাস উত্তোলিত হলে তা শিল্প, বাণিজ্য ও গৃহস্থালি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহূত হতে পারে। এভাবে কয়লাস্তর থেকে গ্যাস আহরণ করা হলে তা কয়লাক্ষেত্র থেকে ভবিষ্যতে [[কয়লা|কয়লা]] আহরণ প্রকল্পে বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। ও.ডি.এ (ওভারসিজ ডেভলপমেন্ট এইড) সহায়তা কর্মসূচির অধীনে ব্রিটিশ জিওলজিক্যাল সার্ভে ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সি.বি.এম প্রজেক্টের প্রাক-সম্ভাব্যতা যাচাই করে। এ সমীক্ষার মাধ্যমে জামালগঞ্জ, খালাশপীর ও বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্রের সম্ভাব্য গ্যাস সঞ্চয়ের পরিমাণ নিরূপণ করা হয়েছে। জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রের ১১.৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় ১০৫ কোটি ৩০ লক্ষ টন কয়লা সঞ্চিত রয়েছে এবং ৬৪০-১১৫৮ মিটার গভীরতায় বিদ্যমান বিটুমিনাস কয়লার সঞ্চয়কে সি.বি.এম উন্নয়নের উৎকৃষ্ট সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বৃহৎ কয়লাক্ষেত্র, পুরু কয়লাস্তর, পর্যাপ্ত গ্যাস সমৃদ্ধ কয়লার ইঙ্গিত এবং কয়লাস্তর আচ্ছাদনকারী খনিজসমূহের নগণ্য ভেদ্যতার বৈশিষ্ট্য জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রের সিবিএম আহরণ সম্ভাবনার প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। জাতীয় জ্বালানি নীতিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, জামালগঞ্জে অবস্থিত একটি কয়লাস্তরই ০.৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট পরিমান সি.বি.এম গ্যাস ধারণ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বি.এইচ.পি ইউতাহ ইন্টারন্যাশনাল ইনকরপোরেটেড নামের একটি বহুজাতিক কোম্পানি নববই-এর দশকের শুরুতে জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র থেকে সি.বি.এম আহরণের জন্য প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান ও বাণিজ্যিক উত্তোলনের চুক্তির প্রস্তাব বাংলাদেশ সরকারের কাছে পেশ করে। এ প্রস্তাবে পাঁচটি কারিগরি পর্যায়ের মাধ্যমে মোট ১৪৬টি [[কূপ|কূপ]] সম্ভাব্য ১৫ বছর সময়কালে খননের মাধ্যমে জামালগঞ্জে সি.বি.এম গ্যাস বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব সন্নিবেশিত হয়। এ প্রস্তাবে বছরে ২,৬০০ কোটি (২৬,০০০ মিলিয়ন) ঘনফুট মিথেন গ্যাস আহরণের বাণিজ্যিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে এ প্রস্তাব আলোচিত হলেও বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণার অভাব এবং সরকারের মন্থর প্রতিক্রিয়া বিনিয়োগ প্রস্তাবকারী প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্প বাস্তবায়নে নিরুৎসাহিত করে। তবে বাংলাদেশ সরকার এখনও এ প্রকল্পকে ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে।  [বদরুল ইমাম ও মো. মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Coal Bed Methane]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F&amp;diff=22032</id>
		<title>কন্ডেনসেট</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F&amp;diff=22032"/>
		<updated>2026-07-22T05:16:53Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;কন্ডেনসেট&#039;&#039;&#039; (Condensate)  বর্ণহীন অথবা ঈষৎ হলুদ বর্ণের তরল হাইড্রোকার্বন।  [[প্রাকৃতিক গ্যাস|প্রাকৃতিক গ্যাস]] উৎপাদনকালে ভূগর্ভ থেকে গ্যাসের সঙ্গে কন্ডেনসেট&#039;&#039;&#039; &#039;&#039;&#039;বেরিয়ে আসে। বেশিরভাগ কন্ডেনসেটই হাল্কা গ্যাসোলিন পরিসরে (বিউটেন, পেন্টেন ও হেক্সেন) বিদ্যমান সম্পৃক্ত  [[হাইড্রোকার্বন|হাইড্রোকার্বন]] দ্বারা গঠিত। সাধারণভাবে কন্ডেনসেটের রয়েছে ৫৫°-এর অধিক এ.পি.আই আপেক্ষিক গুরুত্ব (API gravity or American Petroleum Institute gravity)। গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কন্ডেনসেট আহরিত হলে ওই গ্যাসকে ভেজা গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে ৭টি গ্যাসক্ষেত্রকে গ্যাস-কন্ডেনসেট ক্ষেত্র হিসেবে অভিহিত করা হয়। এগুলি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১,৩২৫ ব্যারেল কন্ডেনসেট উৎপাদিত হয় এবং কন্ডেনসেটের মোট মজুত প্রায় ৬৪.৬৯ মিলিয়ন ব্যারেল। এর মধ্যে বিয়ানীবাজার (১.৮২ মিলিয়ন ব্যারেল), কৈলাসটিলা (২৬.৯ মিলিয়ন ব্যারেল), জালালাবাদ (১৫.৭৫ মিলিয়ন ব্যারেল), রশিদপুর (৪.০ মিলিয়ন ব্যারেল), ফেনী (৮.২৩ মিলিয়ন ব্যারেল), বাখরাবাদ (২.০৮ মিলিয়ন ব্যারেল), তিতাস (৩.০২ মিলিয়ন ব্যারেল), সিলেট (০.৮৯ মিলিয়ন ব্যারেল), ফেঞ্চুগঞ্জ (০.৫২ মিলিয়ন ব্যারেল), বেলাবো (০.৩১ মিলিয়ন ব্যারেল), মেঘনা (০.২১ মিলিয়ন ব্যারেল) এবং হবিগঞ্জ (০.০৮ মিলিয়ন ব্যারেল) উল্লেখযোগ্য কন্ডেনসেট সঞ্চয়ক্ষেত্র। প্রধান প্রধান কন্ডেনসেট উৎপাদনক্ষেত্র হলো কৈলাসটিলা, রশিদপুর, জালালাবাদ, হবিগঞ্জ এবং বিয়ানীবাজার। আবিষ্কারক কোম্পানি শেভরন বিবিয়ানা এবং মৌলভীবাজার গ্যাসক্ষেত্র দু’টিতেও কন্ডেনসেটের উল্লেখযোগ্য সঞ্চয় রয়েছে বলে তথ্য প্রকাশ করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত কন্ডেনসেট প্রক্রিয়াকরণ প্লান্টে পরিশোধন করা হয়। আনুমানিক প্রায় ৩৮,০০০ টন কন্ডেনসেট প্রতি বছর বিভিন্ন গ্যাসক্ষেত্র থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারীতে পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম উৎপাদনের জন্য সরবরাহ করা হয়। গ্যাসক্ষেত্রসমূহ থেকে উৎপাদিত কন্ডেনসেট ২০০ কিমি দীর্ঘ এবং ৬´´ ব্যাস বিশিষ্ট পাইপলাইনযোগে আশুগঞ্জ রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কো. লিমিটেডডের স্টোরেজ ট্যাংক পর্যন্ত পরিবাহিত হয়। সেখান থেকে পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারী পর্যন্ত বার্জযোগে কন্ডেনসেট পরিবহণ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে পদ্মা, মেঘনা এবং যমুনা তেল বাজারতাককরণ কোম্পানিগুলো আশুগঞ্জ হতে জাহাজযোগে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পর্যন্ত কন্ডেনসেট পরিবহনের কাজটি করছে। বাখরাবাদ, হবিগঞ্জ, নরসিংদী, মেঘনা, মালদা এবং ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রসমূহে উৎপাদিত কন্ডেনসেটকে আংশিক পাতন প্রক্রিয়ায় মোটর স্পিরিট, পেট্রোল এবং ডিজেলজাতীয় পেট্রোলিয়াম দ্রব্যাদি আহরণ হয় এবং মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড সেগুলো বাজারজাত করে।  [সানজিদা মুর্শেদ ও মো. মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Condensate]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0&amp;diff=22031</id>
		<title>পাহাড়পুর</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0&amp;diff=22031"/>
		<updated>2026-07-22T05:09:40Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;পাহাড়পুর&#039;&#039;&#039;  (প্রত্নতাত্ত্বিক) নওগাঁ জেলা এবং বদলগাছী থানার অধীনস্থ পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল। পাকা সড়কের মাধ্যমে গ্রামটির নিকটস্থ রেলস্টেশন জামালগঞ্জ এবং নওগাঁ জয়পুরহাট জেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা রয়েছে। এ প্রত্নস্থল উত্তরবঙ্গের প্লাবনভূমিতে অবস্থিত। বিস্তীর্ণ একটানা সমভূমির মাঝে এক সুউচ্চ (পার্শ্ববর্তী ভূমি থেকে প্রায় ২৪ মিটার উঁচু) প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ স্বভাবতই একে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। স্থানীয়ভাবে পাহাড় নামে পরিচিত এ ধ্বংসাবশেষের অবস্থান থেকে পাহাড়পুর নামের উৎপত্তি হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পূর্বভারতে জরিপ কাজ পরিচালনাকালে ১৮০৭ ও ১৮১২ সালে বুকানন হ্যামিল্টন সর্ব প্রথম প্রত্নস্থলটি পরিদর্শন করেন। পরবর্তীকালে ওয়েস্টম্যাকট পাহাড়পুর পরিভ্রমণে আসেন। স্যার আলেকজান্ডার [[কানিংহাম, স্যার আলেকজান্ডার|কানিংহাম]] ১৮৭৯ সালে এ স্থান পরিদর্শন করেন ও এই ঢিবিতে ব্যাপক খনন করতে চান। কিন্তু বলিহারের জমিদার কর্তৃক তিনি বাধাপ্রাপ্ত হন। ফলে বিহার এলাকার সামান্য অংশে এবং কেন্দ্রীয় ঢিবির শীর্ষভাগে সীমিত আকারে খননের কাজ চালিয়েই তাঁকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। শেষোক্ত এলাকায় তিনি চারপাশে উদ্গত অংশযুক্ত ২২ ফুট বর্গাকার একটি ইমারত আবিষ্কার করেন। প্রত্নস্থলটি ১৯০৪ সালের পুরাকীর্তি আইনের আওতায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurMonasteryPlan.jpg|thumb|300px|right|ভূমি নকশা, পাহাড়পুর মহাবিহার]]&lt;br /&gt;
ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ, [[বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি|বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি]]এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক যৌথভাবে ১৯২৩ সালে সর্বপ্রথম এখানে ব্যাপক আকারে খনন শুরু হয়। এ যৌথ কার্যক্রম প্রথমে দিঘাপতিয়ার জমিদার বংশের কুমার শরৎ কুমার রায়-এর অর্থানুকূল্যে এবং ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের পশ্চিম অঞ্চলের প্রাক্তন সুপারিনটেনডেন্ট প্রফেসর ডি.আর ভান্ডারকরের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এ সময়ে খনন কাজ বিহারের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের কয়েকটি ভিক্ষু কক্ষে এবং পার্শ্ববর্তী প্রাঙ্গনে সীমাবদ্ধ থাকে। পরে ১৯২৫-২৬ সালে [[বন্দ্যোপাধ্যায়, রাখালদাস|রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]]কেন্দ্রীয় ঢিবির উত্তরাংশে খনন করেন। পরবর্তী মৌসুম (১৯২৬-২৭) থেকে ১৯৩৩-৩৪ সাল পর্যন্ত [[দীক্ষিত, কে.এন|কে]][[দীক্ষিত, কে.এন|.এন দীক্ষিত]]-এর নেতৃত্বে পাহাড়পুরে খনন কাজ অব্যাহত থাকে। তবে মধ্যবর্তী দুই মৌসুমে (১৯৩০-৩২) জি.সি চন্দ্র খনন পরিচালনা করেন। সর্বশেষ মৌসুম দুটিতে (১৯৩২-৩৪) কেন্দ্রীয় মন্দির থেকে ৩৬৪ মিটার পূর্বে [[সত্যপীরের ভিটা, পাহাড়পুর|সত্যপীর ভিটা]]য় খনন করা হয়&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বাধীনতাত্তোরকালে বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ পাহাড়পুরে পুনরায় খনন কাজ পরিচালনা করে। কয়েক পর্বের এ খননের ১ম পর্ব ১৯৮১-৮২ মৌসুমে শুরু হয় এবং ১৯৮৪-৮৫ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। বিরতিসহ দ্বিতীয় পর্বের খনন কাজ ১৯৮৮-৮৯ থেকে ১৯৯০-৯১ পর্যন্ত চালু থাকে। প্রথম পর্যায়ের খননের উদ্দেশ্য ছিল দীক্ষিতের প্রতিবেদনে বর্ণিত বিহারের ভিক্ষু কক্ষে তিনটি নির্মাণ যুগের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া এবং প্রত্নস্থলের পূর্বের স্তরসমূহ আবিষ্কার করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্থাপত্যিক ধ্বংসাবশেষ&#039;&#039; স্বাধীনতা-পূর্ব যুগের খননের ফলে সোমপুর মহাবিহার নামে উত্তর-দক্ষিণে ২৭৪.১৫ মিটার ও পূর্ব-পশ্চিমে ২৭৩.৭০ মিটার পরিমাপ বিশিষ্ট বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রকান্ড এই স্থাপনার চতুর্দিকের ১৭৭টি বসবাস উপযোগী কক্ষ, বিস্তৃত প্রবেশপথ, অসংখ্য নিবেদন-স্তূপ, ছোট ছোট মন্দির, পুকুর ও সংলগ্ন অন্যান্য নিদর্শন ছাড়িয়ে রয়েছে, মাঝে স্থাপত্য-বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সুউচ্চ একটি মন্দির। ধাপবিশিষ্ট এ মন্দির ক্রুশাকৃতি ভূমিপরিকল্পনায় নির্মিত। ক্রুশের প্রতি দুই বাহুর মধ্যবর্তী স্থানে উদ্গত অংশ কৌণিকভাবে বিন্যস্ত। মন্দিরের দেয়ালে গাত্রের কুলুঙ্গিতে পোড়ামাটির ফলক এবং প্রস্তর ভাস্কর্য দ্বারা সুশোভিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurMahavihara.jpg|thumb|400px|left|পাহাড়পুর মহাবিহার]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বিহার&#039;&#039; এক বিরাট চতুষ্কোণ ক্ষেত্র জুড়ে পাহাড়পুর বিহার আজ ভগ্নদশায় বিদ্যমান। বর্তমানে এর চারদিক ৫ মিটার চওড়া এবং ৩.৬-৪.৪ মিটার উঁচু দেয়াল দিয়ে ঘেরা। দেয়ালটি যদিও বেশি উঁচু না; কিন্তু এর পুরুত্ব এবং সংলগ কক্ষগুলোর বিশালতা থেকে ধারণা করা যায় যে, সুউচ্চ কেন্দ্রীয় মন্দিরের সাথে সঙ্গতি রেখে সম্ভবত এগুলি বহুতল বিশিষ্ট ছিল। ভূমি পরিকল্পনায় কক্ষসমূহ শ্রেণীবদ্ধভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। প্রতিটি কক্ষের অভ্যন্তরীণ পরিমাপ ৪.২৬ মি দ্ধ ৪.১১মি। এগুলির সামনে আছে ২.৪৩-২.৭৪ মিটার প্রশস্ত টানা বারান্দা এবং ভেতরের অঙ্গনের সাথে চারবাহুর প্রতিটি বারান্দার মধ্যবর্তীস্থান সিঁড়ি দিয়ে যুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবাহুর মধ্যবর্তী স্থানের কক্ষগুলি ব্যতীত বিহারের ৪ বাহুতে মোট ১৭৭টি কক্ষ আছে। উত্তর বাহুতে ৪৫টি এবং অপর তিন বাহুর প্রতিটিতে ৪৪টি করে কক্ষ রয়েছে। পূর্ব, পশ্চিম এবং দক্ষিণ বাহুর মধ্যবর্তী স্থান বরাবর বহির্দেওয়ালে উদ্গত অংশ রয়েছে এবং অভ্যন্তরভাগে অঙ্গনের দিকে চতুর্দিকে পথসহ পাশাপাশি তিনটি কক্ষ এবং উত্তর বাহুতে একটি বিশাল আয়তনের হলঘর আছে। ৯৬ নং কক্ষে তিনটি মেঝে আবিষ্কৃত হয়েছে। তন্মধ্যে সর্বশেষ (উপরের) মেঝেটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩০ সেমি, দ্বিতীয়টি ১মি এবং সর্বনিম্নটি ৩মি নিচে উন্মুক্ত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধারণা করা হয় যে, মেঝেত্রয়ের এই অনুক্রম বিহারের সকল কক্ষেই বজায় রাখা হয়েছে। খননের পর সর্বোচ্চ মেঝেটি অপসারণ করে দ্বিতীয় মেঝেটি সংরক্ষণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, বিহারের ৯২টি কক্ষে এই মেঝের উপর অলংকৃত বেদি নির্মিত হয়। মূলত কক্ষগুলি ভিক্ষুদের আবাসকক্ষ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু এত বেশি সংখ্যক বেদির অবস্থান থেকে ধারণা করা যায় যে, শেষ যুগে কক্ষগুলি পূজা বা প্রার্থনার জন্য ব্যবহূত হতো। উত্তরদিকে প্রধান তোরণ ছাড়াও এ বাহুর পূর্ব অংশে অপর একটি অপ্রশস্ত আয়তাকার প্রবেশপথ ছিল। পশ্চিম ও দক্ষিণ বাহুতে অনুরূপ কোন পথের ব্যবস্থা না থাকলেও সম্ভবত পূর্ব বাহুর মধ্যস্থল বরাবর একটি ক্ষুদ্রাকার প্রবেশপথ ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurBalram.jpg|thumb|400px|right|বলরাম, প্রস্তরমূর্তি, পাহাড়পুর]]&lt;br /&gt;
কেন্দ্রীয় মন্দির ছাড়াও বিহারের উম্মুক্ত অঙ্গনে আরও অনেক ক্ষুদ্রাকার ইমারতাদির ধ্বংসাবশেষ আছে, যেগুলি বিভিন্ন সময়ে নির্মিত হয়েছিল। তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিভিন্ন আকার ও আয়তনের বেশ কিছু নিবেদন স্তূপ, কেন্দ্রীয় মন্দিরের প্রতিকৃতি, পঞ্চ মন্দির, রন্ধনশালা ও ভোজনশালা, পাকা নর্দমা এবং কূপ। কেন্দ্রীয় মন্দিরের ক্ষুদ্রাকৃতির প্রতিকৃতি বিহারের পূর্ব বাহুর দক্ষিণ অংশে অবস্থিত। এ প্রতিকৃতিতে মন্দির পরিকল্পনাকে আরও নিখুঁত এবং সুসমঞ্জস করা হয়েছে। এ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হলো একটি সোপান শ্রেণি। পূর্ব বাহুর কেন্দ্রস্থলে ৪ মিটার প্রশস্ত এ সোপান শ্রেণি ৯.৭৫ মিটার পর্যন্ত অঙ্গনের দিকে বিস্তৃত। এর শেষের ছয়টি সিঁড়ি পাথরের তৈরি। অঙ্গনের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে কক্ষ নং ৭৩ এবং ৭৪ এর সম্মুখে বিভিন্ন আকৃতির ৫টি মন্দির দেখা যায়। মন্দিরগুলির উপরিভাগ বিশেষভাবে অলংকৃত এবং ভিত্তিবেদিতেও অলঙ্কৃত প্রক্ষেপণযুক্ত অর্ধবৃত্তাকার কার্নিস রয়েছে। এগুলির মধ্যে তারকাকৃতির ষোল কোণ বিশিষ্ট একটি স্থাপত্য সর্বাধিক আকর্ষণীয়। মন্দিরগুলির চতুর্দিকে দেয়াল দ্বারা পরিবেষ্টিত। এর উত্তর দিকে একটি বড় পাতকূয়া আছে। এর অভ্যন্তরীণ ব্যাস ২.৫ মিটার। রন্ধনশালা ও বৃহৎ ভোজনশালাও বিহারের এ অংশে অবস্থিত। ভোজনশালা ও রন্ধনশালার মধ্যে উত্তরদিকে প্রসারিত ৪৬ মিটার দীর্ঘ একটি পাকা নর্দমা আছে এবং এর পশ্চিমে এক সারিতে তিনটি কূপ আছে। এগুলি সম্ভবত উভয় গৃহের প্রয়োজনে ব্যবহূত হতো। অঙ্গনের উত্তর-পশ্চিম অংশে কক্ষ নং ১৬২ থেকে ১৭৪ এর সম্মুখস্থ বারান্দা এলাকা থেকে ইটের দেয়াল পরিবেষ্টিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। বেষ্টনীর ভিতর থেকে পানি নির্গমের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবধানে বেষ্টনী দেয়ালে বেশ কিছু আয়তাকার নালা রয়েছে। এ অঞ্চলের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটি হলো একটি বর্গাকার ইটের কাঠামো যার নিম্নভাগে পানি নিষ্কাশনের জন্য তিনটি খাত রয়েছে। খাতগুলি দেয়াল দ্বারা বিভক্ত এবং উপরিভাগ ক্রমপূরণ (করবেল) পদ্ধতির মাধ্যমে ইট দ্বারা বন্ধ। এরূপ কাঠামো নির্মাণের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে জানা সম্ভব হয় নি। এখান থেকে আরও পশ্চিমে অপেক্ষাকৃত উত্তম অবস্থায় বিদ্যমান একটি পাতকুয়া আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;কেন্দ্রীয় মন্দির&#039;&#039; পাহাড়পুর মহাবিহারের বিশাল উন্মুক্ত অঙ্গনের মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে একটি সুউচ্চ কেন্দ্রীয় মন্দির। ২৭ বর্গমিটার স্থান জুড়ে বিস্তৃত এ মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ এখনও ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ২১ মিটার উঁচু। মন্দিরটি ক্রুশাকৃতির ভূমি পরিকল্পনায় এবং ক্রমহ্রাসমান ঊর্ধ্বগামী তিনটি ধাপে নির্মিত হয়েছে। সর্বোচ্চ কাঠামোর আকার আকৃতি সম্পর্কে আজও জানা যায় নি। ধাপের উপরিস্থিত ঊর্ধ্বমুখী শূন্যগর্ভ বর্গাকার কক্ষটিকে কেন্দ্র করেই বিশাল মন্দিরটি তার আকর্ষণীয় স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে গড়ে উঠেছে। এ কেন্দ্রীয় কক্ষটির চর্তুদিকের দেয়ালের গায়ে (কক্ষের চার কোণের কিছু অংশ বাদ দিয়ে) আড়াআড়ি ভাবে নতুন দেয়াল যুক্ত করে দ্বিতীয় ও প্রথম ধাপের চারদিকে চারটি কক্ষ ও মন্ডপ নির্মাণ করা হয়েছে। এ মন্দির পরিকল্পনার সমান্তরালে চারদিকে দেয়াল বেষ্টিত প্রদক্ষিণ পথ নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে মন্দিরটি ক্রুশের আকার ধারণ করে এবং ক্রুশের প্রতি দুই বাহুর মধ্যবর্তী স্থানে অতিরিক্ত উদ্গত কোণসমূহের সৃষ্টি হয়। ভিত্তি পরিকল্পনার সাথে সঙ্গতি রেখে মন্দিরের চতুর্দিকে একটি বেষ্টনী দেয়াল আছে। এ দেয়াল কেবল উত্তর দিকের সিঁড়ির কাছে ভিন্নরূপ ধারণ করেছে। মন্দিরের ভিত্তিভূমি থেকে শীর্ষদেশ পর্যন্ত সমস্ত পরিকল্পনাটি অন্যান্য উপাদানসহ একই নির্মাণযুগে বাস্তবে রূপ পায় এবং পরবর্তী যুগের ইতস্তত সংস্কার, সংযোগ বা পরিবর্তনের কাজগুলি মন্দিরের মৌলিক পরিকল্পনাকে তেমন ব্যাহত করে নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurSculpture.jpg|thumb|400px|left|প্রস্তরমূর্তি, পাহাড়পুর]]&lt;br /&gt;
মন্দিরের ভিত্তিভূমির দেয়াল ৬৩টি প্রস্তর ভাস্কর্য দ্বারা সুশোভিত। মূর্তিগুলি উদ্গত অংশের কোণে এবং এর মধ্যবর্তী অংশে বিশেষভাবে নির্মিত কুলুঙ্গিসমূহে সংসহাপিত। মন্দিরের দেয়াল ইট ও কাদার সমন্বয়ে গঠিত। দেয়ালগাত্রের বহির্ভাগ অলঙ্কৃত ইটের (পাকানো দড়ি, দাবা খেলার বোর্ড, ধাপকৃত পিরামিড,পদ্ম পাপড়ি ইত্যাদি নকশাযুক্ত) উদ্গত কার্নিস এবং পোড়ামাটির ফলক সারি দ্বারা অলঙ্কৃত। ভিত্তিভূমির চতুর্দিকে এক সারি এবং উপরের দুই ধাপের প্রদক্ষিণ পথের দেয়ালের চতুর্দিকে দুই সারি করে পোড়ামাটির ফলক মন্দিরকে সুশোভিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাহাড়পুরের মন্দিরের ধরনকে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্বে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত বলে প্রায়শই বর্ণনা করা হয়। কিন্তু ভারতীয় প্রত্নতত্ত্বে ‘সর্বোতভদ্র’ হিসেবে অভিহিত এক ধরনের মন্দিরের উল্লেখ দেখা যায়। চতুর্দিকে চারটি প্রবেশপথসহ প্রতিদিকে একটি করে মন্ডপ বিশিষ্ট একটি বর্গাকৃতির মন্দির ‘সর্বোতভদ্র’ মন্দির নামে পরিচিত। পাহাড়পুর খননে আবিষ্কৃত মন্দিরটি তাই সার্বিক ভাবে সর্বোতভদ্র শ্রেণিরই অন্তর্ভুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurBowandArrow.jpg|thumb|400px|right|তীর-ধনুক, পোড়ামাটির ফলক, পাহাড়পুর]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বিহারের বহির্ভাগের সহাপনাসমূহ&#039;&#039; বিহারের দক্ষিণ দেয়াল থেকে ২৭মি. দূরে ৩২ মি দ্ধ ৮ মি পরিমাপের একটি উন্মুক্ত মঞ্চ অবস্থিত। মঞ্চটি বিহারের বহির্দেয়ালের সমান্তরালে প্রসারিত। এটি সংলগ্ন ভূমি হতে প্রায় ৩.৫ মিটার উঁচু এবং বিহারের ১০২ নং কক্ষ থেকে একটি উঁচু বাঁধানো পথ দিয়ে এতে যাওয়া যায়। এই উঁচু পথটি ৫মি প্রশস্ত। এই উঁচু পথ ও বিহার দেয়ালের মাঝখানে দেয়াল সমান্তরালে একটি ধনুকাকৃতির খিলান পথ আছে। সম্ভবত বিহারের বর্হিভাগে অবাধে যাতায়াতের জন্য এ পথ ব্যবহার করা হতো। এ যুগে ধনুক আকৃতির খিলান নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাংলার প্রাচীনতম ধনুক আকৃতির খিলান নির্মাণের একটি দুর্লভ উদাহরণ। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, মুসলমানদের আগমনের পূর্বেই প্রাচীন ভারতে খিলান নির্মাণ কৌশল জানা ছিল। মঞ্চের দক্ষিণ দিকে ১.২ মি. ব্যবধানে সারিবদ্ধভাবে ৩০ সেমি চওড়া ও ১.৩০ মিটার লম্বা অনেকগুলো পানি নিষ্কাশনী রয়েছে। মঞ্চটি সম্ভবত শৌচাগার ও স্নানাগার উভয় রূপেই ব্যবহূত হতো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্নানঘাট&#039;&#039;   বিহারের দেয়াল হতে প্রায় ৪৮ মিটার দূরে দক্ষিণ পূর্ব কোণে একটি স্নানঘাট আছে। এ ঘাট বিহারের দক্ষিণ দেয়ালের হুবহু সমান্তরাল নয়, কিছুটা উত্তরমুখী। ঘাটের দুই পাশের সমান্তরাল দুটি দেয়ালে খাড়া ইট ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা কংক্রিট দিয়ে মজবুত করা হয়েছে। ঘাটটি ৩.৫ মি. প্রশস্ত এবং সর্বোচ্চ ধাপে ইটের গাঁথুনীর সাথে বৃহৎ প্রস্তরখন্ডও ব্যবহার করা হয়েছে। ঘাট ক্রমে ঢালু হয়ে প্রায় ১২.৫ মি. নিচে নেমে গেছে এবং সর্বশেষ স্তর চুনাপাথর দিয়ে বাঁধানো হয়েছে। ঘাটে বালির এক পুরু স্তর দেখা যায়। বালির এই স্তর অতীতে এখানে কোন নদীর অস্তিত্ব নির্দেশ করে। স্থানীয় প্রবাদ এই যে, রাজা মহিদলনের কন্যা সন্ধ্যাবতী প্রতিদিন এই ঘাটে স্নান করতেন। তিনি এই ঘাটে ঐশ্বরিক উপায়ে বিখ্যাত সত্যপীরকে গর্ভে ধারণ করেন। সে অনুযায়ী ঘাটটি সন্ধ্যাবতীর ঘাট নামে পরিচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;গন্ধেশ্বরী মন্দির&#039;&#039;  স্নানঘাট থেকে প্রায় ১২.২ মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত স্থাপত্য নিদর্শনটিকে স্থানীয়ভাবে গন্ধেশ্বরীর মন্দির বলা হয়। মন্দিরের সম্মুখ দেয়ালে ব্যবহূত ইটে পদ্ম ও অন্যান্য ফুলের প্রতিকৃতি এবং গাঁথুনীতে ব্যবহূত উপাদান থেকে মনে হয় মুসলমান যুগের প্রথমদিকে মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। মন্দিরটি ৬.৭ মি. দীর্ঘ ও ৩.৫ মি. প্রস্থ বিশিষ্ট একটি চতুষ্কোণ হলঘর। মন্দিরের প্রায় মধ্যস্থলে ইট নির্মিত অষ্টকোণাকার একটি স্তম্ভের নিম্নাংশ রয়েছে। মন্দিরের পশ্চিম দেয়াল থেকে বাইরের দিকে উদগত ১.৫ মি. বর্গাকৃতির ছোট কক্ষটি পূজার স্থান ছিল। তাছাড়া হলঘরের চারটি কুলুঙ্গিতেও মূর্তি স্থাপনের ব্যবস্থা আছে। মন্দিরের সামনে ৭.৩ মিটার ব্যাস বিশিষ্ট একটি চত্বর আছে। এই চত্বরের মেঝের ইট খাড়া ভাবে গাঁথা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্বাধীনতোত্তরকালের খনন&#039;&#039;  বিহারের কক্ষে দীক্ষিতের আবিষ্কৃত মেঝে ছাড়াও স্বাধীনতোত্তর কালের খননে দুটি নতুন এবং অপ্রত্যাশিত নিদর্শন উন্মোচিত হয়েছে। প্রথমত দীক্ষিতের মূল (?) বিহারের নিচে অপর এক যুগের বিহারের ধ্বংসাবশেষ উন্মোচিত হয়েছে, যা সম্ভবত বিহারের প্রথম যুগের সাথে সম্পৃক্ত। উন্মোচিত নতুন নিদর্শন থেকে ধারণা করা যায় যে, প্রথম যুগে বিহারের আয়তন একই ছিল এবং বহির্দেয়াল ও সম্মুখ দেয়াল একই সারিতে ছিল। প্রথম যুগের নির্মাতারা বেশ কিছু সময় এ বিহার ব্যবহার করেছিল এবং পরবর্তী সময়ে প্রথম যুগের মেঝে অপসারণ করে ও কক্ষ বিভাজিকা দেয়াল নষ্ট করে নুতন দেওয়াল নির্মাণ এবং ভিক্ষু কক্ষসমূহের বিন্যাসে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। এ পুনর্নির্মাণকালে তারা পূর্ববর্তী বিভাজিকা (পার্টিশন) দেয়াল সম্পূর্ণ ধ্বংস করে নতুন দেয়াল নির্মাণ করে। আবার পুরাতন দেয়ালের উপরের অংশ অপসারণ করে নিম্নাংশের উপর নতুন দেয়াল নির্মাণ করে। পূর্ববর্তী যুগের কক্ষগুলির অভ্যন্তরীণ পরিমাপ ছিল ৪.৮৭ মি দ্ধ ৩.৯৬ মি। অর্থাৎ সম্পূর্ণরূপে প্রতিভাত হয় যে মূল বিহারের কক্ষগুলি আয়তনে পরবর্তী কালের বিহার বা দীক্ষিতের প্রথম (?) যুগের বিহারের কক্ষগুলির চেয়ে বড় ছিল। ফলে পরবর্তীকালে বিহারে কক্ষ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurMetalSculpture.jpg|thumb|400px|left|বুদ্ধ, ব্রোঞ্জমূর্তি, পাহাড়পুর]]&lt;br /&gt;
দ্বিতীয়ত, কিছু এলাকায় বিহার এবং মন্দিরের নিচে স্থাপত্যিক ধ্বংসাবশেষ (ইটের দেয়াল, মেঝে, পোড়ামাটির কুয়া) এবং সাংষ্কৃতিক দ্রব্যাদি (প্রচুর পরিমাণ মৃৎপাত্রের টুকরা) উন্মোচিত হয়েছে। দেয়ালগুলির সাথে মন্দির বা বিহারের স্থাপত্যিক কাঠামোর কোন সম্পর্ক নেই। খুবই সীমিত পরিসরে দেয়ালগুলি উন্মোচিত হওয়ায় এদের প্রকৃতি সম্পর্কে কোন ধারণা করা যায় না। উল্লেখ্য যে, দীক্ষিত বিহারের ভিক্ষু কক্ষগুলিতে তিনটি এবং কেন্দ্রীয় মন্দিরে চারটি বসতি যুগের নিদর্শন আবিষ্কার করেছিলেন। সাম্প্রতিক খননে বিহারে আরও একটি যুগের নিদর্শন আবিষ্কৃত হওয়ায় বিহারের ৪ যুগের সাথে মন্দিরের ৪ যুগের সামঞ্জস্য পাওয়া যায়। এখন প্রশ্ন হলো সাম্প্রতিক আবিষ্কৃত প্রথম যুগের বিহার এবং দীক্ষিতের আবিষ্কৃত বিহারের মধ্যে কোনটি ধর্মপাল নির্মাণ করেছিলেন। এখানে উল্লেখ করা খুবই প্রয়োজন যে, দীক্ষিত মনে করতেন মূলত পাহাড়পুরে একটি জৈন বিহার ছিল যার কোন চিহ্ন পাওয়া যায় না। এই জৈন প্রতিষ্ঠানটির উপর পরবর্তীকালে ধর্মপাল কর্তৃক [[সোমপুর মহাবিহার|সোমপুর মহাবিহার]] প্রতিষ্ঠিত হয়। দীক্ষিতের এই মত পরবর্তী অনেক গবেষক সমর্থন করেছেন। তবে দীক্ষিতের আবিষ্কৃত বিহারের নিচে সম্প্রতি উন্মোচিত ধ্বংসাবশেষ জৈন বিহারের অংশ কিনা তা বিহারের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক খননের পরই নিশ্চিত করে বলা যেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;অস্থাবর প্রত্নবস্ত্ত&#039;&#039;  পাহাড়পুর বিহার থেকে আবিষ্কৃত অস্থাবর প্রত্নবস্ত্তসমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা গুরত্বপূর্ণ হল প্রস্তর ভাস্কর্য, পোড়ামাটির ফলকচিত্র, তাম্রশাসন, উৎকীর্ণ লিপিসহ প্রস্তরখন্ড, মুদ্রা, চূনাপাথরের মূর্তি, ধাতব মূর্তি, মৃৎপাত্রের টুকরা ইত্যাদি। মন্দিরের চতুর্দিকে বেষ্টন করে ৬৩টি প্রস্তর মূর্তি আছে। বৌদ্ধ দেবতা পদ্মপাণির মূর্তি ছাড়া আবিষ্কৃত অন্য সব মূর্তিগুলি হিন্দু দেবদেবীর। এই বিরাট বৌদ্ধ বিহারে এতগুলি ব্রাক্ষ্মণ্য দেব-দেবীর মূতির্র উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই সকলের দৃষ্টি আকৃষ্ট করে। মনে হয় এ স্থানের পূর্বের কোন বা পার্শ্ববর্তী কোন স্থাপনা থেকে মূর্তিগুলি সংগ্রহ করে প্রধান মন্দিরের ভিত্তিভূমিতে স্থাপন করা হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রস্তর মূর্তিগুলো বিভিন্ন সময়ের এবং গঠনশৈলী ও শৈল্পিক উৎকর্ষতার ভিত্তিতে এগুলিকে মোটামোটি তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথম ভাগের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মূর্তিতে কৃষ্ণের জীবনের বিভিন্ন দৃশ্য স্থান পেয়েছে। তাছাড়া রামায়ণ ও মহাভারত-এর অতীব জনপ্রিয় উপাখ্যান এবং জনজীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলি চিত্রিত হয়েছে। এ সমস্ত প্রস্তর ভাস্কর্যের বৈশিষ্ট্য এবং বাহ্যিক রূপ স্থূল এবং কখনও কখনও বেশ অপরিণত এবং এগুলির নির্মাণের আনুপাতিক সামঞ্জস্যের অভাব রয়েছে। এ সব ভাস্কর্য নির্মাণ কৌশলের দিক দিয়ে স্থূল ও অপরিপক্ক হলেও এর সামাজিক বিষয়বস্ত্ত প্রগাঢ়ভাবে মানবতাবোধ ও ব্যাপক কর্মতৎপরতার পরিচায়ক এবং শৈল্পিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় শ্রেণির ভাস্কর্যগুলিতে সাধারণ নির্জীবতা বা কাঠিণ্য থাকা সত্ত্বেও কিছু মূর্তিতে সক্রিয়তা এবং গতিশীলতার ছাপ রয়েছে। সে হিসেবে এ জাতীয় মূর্তিগুলি প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণির মূর্তিগুলির মধ্যে সমন্বয় রক্ষাকারী বলা যায়। এগুলি পূর্বাঞ্চলীয় গুপ্ত রীতির ঐতিহ্য বহন করে। তৃতীয় শ্রেণির ভাস্কর্যসমূহে ধ্রুপদী গুপ্ত রীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ, যেমন মূর্তি গঠনের স্বাভাবিক কমনীয়তা, সূক্ষতা ইত্যাদি পরিলক্ষিত হয়। এছাড়াও প্রথম শ্রেণি ও অপর দুই শ্রেণীর মূর্তিগুলির ভঙ্গি, বিষয়বস্ত্ত, প্রকৃতি বা ধাঁচ ইত্যাদির মধ্যে প্রচুর পার্থক্য বিদ্যমান। অপর দুই শ্রেণীর ভাস্কর্যসমূহে সাধারণত ব্রাক্ষ্মণ্য ধর্মের বিভিন্ন শ্রেণির দেব দেবীর মূর্তির প্রাধান্য দেখা যায়। এ সমস্ত ভাস্কর্য শিল্পে ধূসরাভ সাদা দাগ বিশিষ্ট বেলে পাথর এবং ব্যাসাল্ট ব্যবহার করা হয়েছে। দেয়ালে সংস্থাপিত মূর্তি ছাড়া খননে যেসব মূর্তি আগলাভাবে পাওয়া গেছে তম্মধ্যে ভগ্ন অবস্থায় প্রাপ্ত শক্তির সাথে দৃঢ়ভাবে আলিঙ্গনাবদ্ধ হেবজ্র মূর্তিটি সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;পোড়ামাটির ফলক&#039;&#039;  মন্দিরের দেয়ালগাত্র অলঙ্করণে পোড়ামাটির ফলকচিত্রের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। এখনও ২০০০-এরও বেশি ফলকচিত্র মন্দির গাত্রে শোভা পাচ্ছে। এছাড়া খননে প্রায় ৮০০ ফলকচিত্র ইতস্তত বিক্ষিপ্ত অবস্থায় প্রত্নস্থল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। অধিকাংশ ফলকচিত্র মন্দিরের সমসাময়িক। ফলকগুলি মন্দিরে স্থাপনের সময় কোন রকম পরম্পরা রক্ষা করা হয় নি। দেয়ালের বিভিন্ন অংশে সংস্থাপিত ফলকগুলি বিভিন্ন পরিমাপের। কোন কোনটি আকারে বেশ বড় (৪০দ্ধ৩০দ্ধ৬ সেমি), আবার কোন কোনটি মাত্র ১৮ সেমি বর্গাকারের। তবে অধিকাংশ ফলকেরই সাধারণ উচচতা ৩৬ সেমি এবং প্রশস্ততা ২০-২২ সেমি। ধর্মীয় তাৎপর্যপূর্ণ ফলকের সংখ্যা অত্যন্ত অল্প। তন্মধ্যে বৌদ্ধ ও ব্রাক্ষ্মণ দেবদেবীকে সমানভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। এগুলি হলো বিভিন্ন ধরনের শিব মূর্তি ছাড়া ব্রহ্মা, বিষ্ণু, গণেশ, সূর্য ইত্যাদি ব্রাহ্মণ্য দেবতার মূর্তি। বোধিসত্ত্ব, পদ্মপাণি,মঞ্জুশ্রী, তারা ইত্যাদি মহাযান মতবাদের বৌদ্ধ দেবদেবীর মূর্তিও মন্দিরের গায়ে প্রচুর রয়েছে। বিখ্যাত সাহিত্য পঞ্চতন্ত্রের আখ্যান এই লোকশিল্পে অত্যন্ত সজীব হয়ে উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাহাড়পুরের পোড়ামাটির শিল্পে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত নর-নারীর বিচিত্র কার্যকলাপ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। শিল্পীরা তাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রতি অত্যন্ত সচেতন ছিলেন এবং সাধারণ মানব জীবনের প্রতিটি কল্পনাযোগ্য বিষয়বস্ত্তই এই শিল্পে স্থান পেয়েছে। অনুরূপভাবে প্রাণীজগৎ সাপ, হরিণ, সিংহ, বাঘ, হাতি, শূকর, বানর, শিয়াল, খরগোশ, মাছ, পাতিহাঁস, রাজহাঁস নিজস্ব ভঙ্গিমায় চিত্রিত হয়েছে। কিন্তু উদ্ভিদজগৎ তুলনামূলকভাবে কমই স্থান পেয়েছে। কেবল পদ্ম এবং কলাগাছই দেখা যায়। বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় এ শিল্পের মাধ্যমে তদানীন্তন সমাজ জীবনের একটা চিত্র পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;উৎকীর্ণ লিপি&#039;&#039;  পাহাড়পুরে আবিষ্কৃত একটি তাম্রশাসন এবং কিছু শিলালিপির আবিষ্কার এই বিহারের বিভিন্ন যুগের কাল নির্ণয়ে বিশেষ সহায়তা করেছে। বিহারের উত্তর-পূর্ব কোণে প্রাপ্ত তাম্রশাসনটি ১৫৯ গুপ্তাব্দের (৪৭৯ খ্রিস্টাব্দ)। এই তাম্রশাসনে উল্লেখ রয়েছে যে এক ব্রাহ্মণ দম্পতি বটগোহালীতে অবস্থিত বিহারে অইতের পূজা এবং বিশ্রামাগারের জন্য কিছু ভূমি ক্রয় ও দান করেন। এই বিহারের প্রধান ছিলেন বিখ্যাত জৈন গুরু গুহনন্দী। খ্রিস্টীয় ৫ম শতকের এই বিহার নিশ্চিতভাবে এ অঞ্চলের একটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ছিল। উল্লেখ্য যে, বৈগ্রামে প্রাপ্ত ১২৮ গুপ্তাব্দের (৪৪৮ খ্রিস্টাব্দ) অপর একটি ভগ্ন তাম্রশাসনেও বটগোহালীর উল্লেখ আছে। পাহাড়পুর থেকে ৩০ কিমি উত্তরে অবস্থিত বৈগ্রামে প্রাপ্ত তাম্রশাসনে বটগোহালীর উল্লেখ থেকে ধারণা করা যায় বটগোহালী এবং বৈগ্রাম এ দুটি স্থান একে অপর থেকে বেশি দূরে ছিল না। খ্রিস্টীয় সাত শতকে বাংলায় নৈরাজ্য চরমে পৌঁছলে বটগোহালীর গুহনন্দী বিহার পুন্ড্রবর্ধনের অন্যান্য জৈন প্রতিষ্ঠানের ন্যায় নিশ্চতভাবে একই পরিণতি ভোগ করে। অবশেষে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আট শতকে বাংলায় পাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হলে ধর্মপাল কর্তৃক সোমপুরে বিরাট মন্দিরসহ বিশাল একটি বিহার নির্মিত হয়। দীক্ষিত মনে করেন যে, নব নির্মিত বৌদ্ধ বিহারের ভিক্ষুরা জৈন বিহারের অধীনস্থ জমি ভোগ করার এবং সেই সাথে মূল দলিলও কাছে রাখার রাজকীয় অনুমোদন পায়। তাঁর মতানুসারে, এই অনুসিদ্ধান্তই বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে এ [[তাম্রশাসন|তাম্রশাসন]] পাওয়ার ব্যাখ্যার জন্য যথেষ্ট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাপ্ত স্তম্ভলিপিসমূহে বুদ্ধ অথবা ত্রিরত্নের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত দান সংক্রান্ত তথ্যের উল্লেখ রয়েছে। খ্রিস্টীয় দশ থেকে বারো শতকের মধ্যে শিলাস্তম্ভগুলি নির্মিত। প্রায় সকল দাতাদের নামের শেষে ‘গর্ভ’ উপাধি দেখা যায়, যেমন অজয়গর্ভ, শ্রীগর্ভ, দশবলগর্ভ। কেবল একটি ভগ্ন লিপিতে এক দাতার নাম এর উপাধি ‘নন্দী’ উল্লেখ রয়েছে। সম্ভবত পাহাড়পুর বিহারে ভিক্ষুদের ধারাবাহিক বা পর্যায়ক্রমিক বাস ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্টাকো&#039;&#039;  পাহাড়পুর থেকে চুন বালির সংমিশ্রণে নির্মিত কয়েকটি মাথা পাওয়া গেছে। কিন্তু এখানে এই শিল্প গান্ধার শিল্পের মত তত উন্নতি লাভ করে নি। পাহাড়পুরে প্রাপ্ত সকল বুদ্ধের মাথার সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো চোখের প্রসারিত পাতা এবং কোন কোনটির মাথায় কোকড়ানো চুলের থোকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;ধাতব মূর্তি&#039;&#039;  পাহাড়পুরে কয়েকটি মাত্র ধাতব মূর্তি পাওয়া গেছে। প্রাক বাংলাদেশ খননে পাহাড়পুরে প্রাপ্ত মূর্তির মধ্যে অলঙ্কৃত হরগৌরী, দন্ডায়মান একটি নগ্ন জৈন মূর্তি, ব্রোঞ্জের বুদ্ধের আবক্ষমূর্তি আবিষ্কৃত হয়েছে। ধারণা করা হয় বুদ্ধমূর্তিটি দন্ডায়মান বুদ্ধের, তবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় বর্তমানে কেবল উরুদেশ থেকে উর্ধ্বাংশ বর্তমানে সুরক্ষিত রয়েছে। বিদ্যমান অংশের পরিমাপ (১.২৭ মিটার) থেকে এও ধারণা করা যায় যে, সমগ্র মূর্তিটি ২.৪০ মিটার উঁচু ছিল। নির্মাণশৈলী এবং প্রাপ্তিস্থানের স্তরগত পর্যালোচনা থেকে মূর্তিটি আনুমানিক নয়-দশ শতকের বলে অনুমাণ করা যায়। বার্মিংহাম জাদুঘরের আর্টগ্যালারিতে প্রদর্শিত বিহারের সুলতানগঞ্জের ব্রোঞ্জের বুদ্ধ মূর্তিটি আলোচ্য মূর্তির মোটামুটি প্রায় সমসাময়িক এবং একই পরিমাপের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;মুদ্রা&#039;&#039;  বিহারের প্রধান তোরণের নিকটবর্তী একটি কক্ষ থেকে ৫টি বৃত্তাকার তাম্র মুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে। তন্মধ্যে তিনটি মুদ্রা বিশেষ ধরনের। এগুলির উপরের পিঠে অত্যন্ত অনিপুণভাবে একটি ষাঁড় এবং নিচের পিঠে তিনটি মাছ চিত্রিত আছে। বাগদাদের খলিফা হারুন-অর রশিদের একটি রৌপ্য মুদ্রায় ১২৭ হিজরি সনের (৭৮৮ খ্রি.) উল্লেখ রয়েছে। অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে ছয়টি [[শেরশাহ|শেরশাহ]]-এর (১৫৪০-৪৫ খ্রি.), ইসলাম শাহ (১৫৪৫-৫৩ খ্রি.)-এর দুইটি, বাহাদুর শাহ (১৬শ শতক)-এর তিনটি, [[দাউদ খান কররানী|দাউদ খান কররানী]]র দুইটি, [[আকবর|আকবর]]-এর একটি এবং জৌনপুরের সুলতান হোসেন শাহ শর্কীর একটি মুদ্রা উল্লেখযোগ্য। শেষোক্তটি তাম্রমুদ্রা। অন্যান্য সব মুদ্রাই রৌপ্য। এসব মুদ্রা কিভাবে বিহারে স্থান পেল সে সম্পর্কে নিশ্চিত বলা দুষ্কর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;মুৎপাত্রের টুকরা&#039;&#039;  পাহাড়পুর খননে প্রচুর পরিমাণ এবং বিভিন্ন ধরনের মৃৎপাত্রের টুকরা সংগৃহীত হয়েছে। এদের অধিকাংশই আনুমানিক দশ শতকের শেষভাগ থেকে বারো শতকের মধ্যবর্তী সময়ের। পালযুগের সূচনা কালের (আনুমানিক নয় শতক) এক শ্রেণির কিছু মৃৎপাত্রের টুকরা পাওয়া গেছে। পাত্রগুলির নিম্নাংশ অথবা পাশেও আড়াআড়ি রেখার নকশা আছে। কিছু ভিক্ষু কক্ষ থেকে বসানো অবস্থায় কয়েকটি বড় সঞ্চয় পাত্র (একটির ভেতর অপর একটি স্থাপিত) পাওয়া গেছে। কক্ষের এক কোণে তৃতীয় যুগের (দীক্ষিতের দ্বিতীয় যুগ) মেঝে কেটে পাত্রগুলি বসানো হয়েছিল। এসব পাত্র মাটি দ্বারা পূর্ণ ছিল। প্রাকবিহার স্তর থেকে পর্যাপ্ত অখন্ড পিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে। এ পাত্রগুলি প্রাক-পাল যুগের (আনুমানিক ছয় থেকে সাত শতক) বলে মনে হয়। সাধারণত মৃৎপাত্রগুলি উত্তমরূপে দগ্ধীভূত এবং রং লাল থেকে পীতাভ সবুজ। এসব মৃৎপাত্রে বন্ধনীয় ন্যায় বা পাত্রের নিম্নাংশ ছাড়া সকল অংশে লাল প্রলেপ রয়েছে। প্রায় সব পাত্রেরই তলদেশ প্রশস্ত এবং মধবর্তী অংশ স্ফীত। কিন্তু বড় সঞ্চয় পাত্রগুলির তলা সূচালো। আধুনিক হাড়ির মতো কিছু পাত্র এবং নলযুক্ত পাত্র বা লোটা ছাড়াও সরু গলা বিশিষ্ট পাত্র এবং মুখসহ চোঙার আকৃতির পাত্রও রয়েছে। এছাড়া প্রচুর ঢাকনা, বড় থালা, পিঁড়ি এবং প্রদীপ পাওয়া গিয়েছে। খননে আবিষ্কৃত অন্যান্য অসংখ্য সাধারণ প্রত্নবস্ত্তর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অনিপুণভাবে নির্মিত কিছু পোড়ামাটির নারীমূর্তি, জীবজন্তুর প্রতিকৃতি, মন্দির চূড়ার ভগ্নাংশ, অগ্রভাগ ছাটা মোচাকৃতি ড্যাগার, চ্যাপ্টা চাকতি, সিলমোহর ও নলাকার গুটিকা। এছাড়া ধাপকৃত পিরামিড, পদ্ম-পাপড়ি, দাবার ছক, অর্ধপ্রস্ফুটিতপদ্মসহ আয়তাকার পদকও সংগৃহীত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সংরক্ষণ&#039;&#039;  বিহার কাঠামোটি আবিষ্কারের সময় (১৯৩৪) এর অবস্থা খুব খারাপ ছিল না। কিন্তু বিগত অর্ধ শতকে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার ফলে এর অবস্থার এতই অবনতি ঘটে যে, স্মৃতিচিহ্নের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে। জলাবদ্ধতা কেন্দ্রীয় মন্দিরের ভিত্তি, ভিত্তিগাত্রে সজ্জিত প্রস্তর মূর্তি এবং পোড়ামাটির ফলকের ক্ষয় ও বিকৃতি সাধন করতে থাকে। ফলে পাহারপুর বিহার ও মসজিদ নগরী বাগেরহাট সংরক্ষণের জন্য  ১৯৭৩ সালে ইউনেস্কোর নিকট আবেদন জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮৩ সালে প্রণীত আন্তর্জাতিক মিশন কর্তৃক গৃহীত মহাপরিকল্পনার অধীনে ১৯৮৫ সালে এ প্রত্নস্থল দুটি বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।  ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কোর সহায়তায় শুরু হওয়া একটি প্রকল্প তিনপর্বে বাস্তবায়ন করে ২০০২ সলে সম্পন্ন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় বিহারের স্থাপত্য কাঠামো সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, জাদুঘর ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ প্রভৃতি কাজ সম্পন্ন করা হয়। বর্তমানে (২০১১) অধিদপ্তর কর্তৃক পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঐতিহ্য ব্যবস্থাপনা, প্রাচীন ভূমিরূপ সংরক্ষণ ইত্যাদিবিষয় সমাধানকল্পে সম্প্রতি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে।  [মোঃ শফিকুল আলম]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;গ্রন্থপঞ্জি&#039;&#039;&#039;  KN Dikshit, Memoirs of Archaeological Survey of India, Govt. of India;  MS Alam, Paharpur and Bagerhat, Two World Cultural Heritage Sites of Bangladesh, Department of Archaeology, Dhaka.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Paharpur]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0&amp;diff=22030</id>
		<title>পাহাড়পুর</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0&amp;diff=22030"/>
		<updated>2026-07-22T04:43:22Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;পাহাড়পুর&#039;&#039;&#039;  (প্রত্নতাত্ত্বিক) নওগাঁ জেলা এবং বদলগাছী থানার অধীনস্থ পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল। পাকা সড়কের মাধ্যমে গ্রামটির নিকটস্থ রেলস্টেশন জামালগঞ্জ এবং নওগাঁ জয়পুরহাট জেলা শহরের সঙ্গে যোগাযোগের ব্যবস্থা রয়েছে। এ প্রত্নস্থল উত্তরবঙ্গের প্লাবনভূমিতে অবস্থিত। বিস্তীর্ণ একটানা সমভূমির মাঝে এক সুউচ্চ (পার্শ্ববর্তী ভূমি থেকে প্রায় ২৪ মিটার উঁচু) প্রাচীন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ স্বভাবতই একে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। স্থানীয়ভাবে পাহাড় নামে পরিচিত এ ধ্বংসাবশেষের অবস্থান থেকে পাহাড়পুর নামের উৎপত্তি হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পূর্বভারতে জরিপ কাজ পরিচালনাকালে ১৮০৭ ও ১৮১২ সালে বুকানন হ্যামিল্টন সর্ব প্রথম প্রত্নস্থলটি পরিদর্শন করেন। পরবর্তীকালে ওয়েস্টম্যাকট পাহাড়পুর পরিভ্রমণে আসেন। স্যার আলেকজান্ডার [[কানিংহাম, স্যার আলেকজান্ডার|কানিংহাম]] ১৮৭৯ সালে এ স্থান পরিদর্শন করেন ও এই ঢিবিতে ব্যাপক খনন করতে চান। কিন্তু বলিহারের জমিদার কর্তৃক তিনি বাধাপ্রাপ্ত হন। ফলে বিহার এলাকার সামান্য অংশে এবং কেন্দ্রীয় ঢিবির শীর্ষভাগে সীমিত আকারে খননের কাজ চালিয়েই তাঁকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। শেষোক্ত এলাকায় তিনি চারপাশে উদ্গত অংশযুক্ত ২২ ফুট বর্গাকার একটি ইমারত আবিষ্কার করেন। প্রত্নস্থলটি ১৯০৪ সালের পুরাকীর্তি আইনের আওতায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurMonasteryPlan.jpg|thumb|300px|right|ভূমি নকশা, পাহাড়পুর মহাবিহার]]&lt;br /&gt;
ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ, [[বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি|বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি]]এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক যৌথভাবে ১৯২৩ সালে সর্বপ্রথম এখানে ব্যাপক আকারে খনন শুরু হয়। এ যৌথ কার্যক্রম প্রথমে দিঘাপতিয়ার জমিদার বংশের কুমার শরৎ কুমার রায়-এর অর্থানুকূল্যে এবং ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগের পশ্চিম অঞ্চলের প্রাক্তন সুপারিনটেনডেন্ট প্রফেসর ডি.আর ভান্ডারকরের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এ সময়ে খনন কাজ বিহারের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের কয়েকটি ভিক্ষু কক্ষে এবং পার্শ্ববর্তী প্রাঙ্গনে সীমাবদ্ধ থাকে। পরে ১৯২৫-২৬ সালে [[বন্দ্যোপাধ্যায়, রাখালদাস|রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]]কেন্দ্রীয় ঢিবির উত্তরাংশে খনন করেন। পরবর্তী মৌসুম (১৯২৬-২৭) থেকে ১৯৩৩-৩৪ সাল পর্যন্ত [[দীক্ষিত, কে.এন|কে]][[দীক্ষিত, কে.এন|.এন দীক্ষিত]]-এর নেতৃত্বে পাহাড়পুরে খনন কাজ অব্যাহত থাকে। তবে মধ্যবর্তী দুই মৌসুমে (১৯৩০-৩২) জি.সি চন্দ্র খনন পরিচালনা করেন। সর্বশেষ মৌসুম দুটিতে (১৯৩২-৩৪) কেন্দ্রীয় মন্দির থেকে ৩৬৪ মিটার পূর্বে [[সত্যপীরের ভিটা, পাহাড়পুর|সত্যপীর ভিটা]]য় খনন করা হয়&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্বাধীনতাত্তোরকালে বাংলাদেশের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ পাহাড়পুরে পুনরায় খনন কাজ পরিচালনা করে। কয়েক পর্বের এ খননের ১ম পর্ব ১৯৮১-৮২ মৌসুমে শুরু হয় এবং ১৯৮৪-৮৫ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। বিরতিসহ দ্বিতীয় পর্বের খনন কাজ ১৯৮৮-৮৯ থেকে ১৯৯০-৯১ পর্যন্ত চালু থাকে। প্রথম পর্যায়ের খননের উদ্দেশ্য ছিল দীক্ষিতের প্রতিবেদনে বর্ণিত বিহারের ভিক্ষু কক্ষে তিনটি নির্মাণ যুগের অস্তিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া এবং প্রত্নস্থলের পূর্বের স্তরসমূহ আবিষ্কার করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্থাপত্যিক ধ্বংসাবশেষ&#039;&#039; স্বাধীনতা-পূর্ব যুগের খননের ফলে সোমপুর মহাবিহার নামে উত্তর-দক্ষিণে ২৭৪.১৫ মিটার ও পূর্ব-পশ্চিমে ২৭৩.৭০ মিটার পরিমাপ বিশিষ্ট বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রকান্ড এই স্থাপনার চতুর্দিকের ১৭৭টি বসবাস উপযোগী কক্ষ, বিস্তৃত প্রবেশপথ, অসংখ্য নিবেদন-স্তূপ, ছোট ছোট মন্দির, পুকুর ও সংলগ্ন অন্যান্য নিদর্শন ছাড়িয়ে রয়েছে, মাঝে স্থাপত্য-বৈশিষ্ট্যপূর্ণ সুউচ্চ একটি মন্দির। ধাপবিশিষ্ট এ মন্দির ক্রুশাকৃতি ভূমিপরিকল্পনায় নির্মিত। ক্রুশের প্রতি দুই বাহুর মধ্যবর্তী স্থানে উদ্গত অংশ কৌণিকভাবে বিন্যস্ত। মন্দিরের দেয়ালে গাত্রের কুলুঙ্গিতে পোড়ামাটির ফলক এবং প্রস্তর ভাস্কর্য দ্বারা সুশোভিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurMahavihara.jpg|thumb|400px|left|পাহাড়পুর মহাবিহার]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বিহার&#039;&#039; এক বিরাট চতুষ্কোণ ক্ষেত্র জুড়ে পাহাড়পুর বিহার আজ ভগ্নদশায় বিদ্যমান। বর্তমানে এর চারদিক ৫ মিটার চওড়া এবং ৩.৬-৪.৪ মিটার উঁচু দেয়াল দিয়ে ঘেরা। দেয়ালটি যদিও বেশি উঁচু না; কিন্তু এর পুরুত্ব এবং সংলগ কক্ষগুলোর বিশালতা থেকে ধারণা করা যায় যে, সুউচ্চ কেন্দ্রীয় মন্দিরের সাথে সঙ্গতি রেখে সম্ভবত এগুলি বহুতল বিশিষ্ট ছিল। ভূমি পরিকল্পনায় কক্ষসমূহ শ্রেণীবদ্ধভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। প্রতিটি কক্ষের অভ্যন্তরীণ পরিমাপ ৪.২৬ মি দ্ধ ৪.১১মি। এগুলির সামনে আছে ২.৪৩-২.৭৪ মিটার প্রশস্ত টানা বারান্দা এবং ভেতরের অঙ্গনের সাথে চারবাহুর প্রতিটি বারান্দার মধ্যবর্তীস্থান সিঁড়ি দিয়ে যুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রতিবাহুর মধ্যবর্তী স্থানের কক্ষগুলি ব্যতীত বিহারের ৪ বাহুতে মোট ১৭৭টি কক্ষ আছে। উত্তর বাহুতে ৪৫টি এবং অপর তিন বাহুর প্রতিটিতে ৪৪টি করে কক্ষ রয়েছে। পূর্ব, পশ্চিম এবং দক্ষিণ বাহুর মধ্যবর্তী স্থান বরাবর বহির্দেওয়ালে উদ্গত অংশ রয়েছে এবং অভ্যন্তরভাগে অঙ্গনের দিকে চতুর্দিকে পথসহ পাশাপাশি তিনটি কক্ষ এবং উত্তর বাহুতে একটি বিশাল আয়তনের হলঘর আছে। ৯৬ নং কক্ষে তিনটি মেঝে আবিষ্কৃত হয়েছে। তন্মধ্যে সর্বশেষ (উপরের) মেঝেটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩০ সেমি, দ্বিতীয়টি ১মি এবং সর্বনিম্নটি ৩মি নিচে উন্মুক্ত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ধারণা করা হয় যে, মেঝেত্রয়ের এই অনুক্রম বিহারের সকল কক্ষেই বজায় রাখা হয়েছে। খননের পর সর্বোচ্চ মেঝেটি অপসারণ করে দ্বিতীয় মেঝেটি সংরক্ষণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, বিহারের ৯২টি কক্ষে এই মেঝের উপর অলংকৃত বেদি নির্মিত হয়। মূলত কক্ষগুলি ভিক্ষুদের আবাসকক্ষ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল। কিন্তু এত বেশি সংখ্যক বেদির অবস্থান থেকে ধারণা করা যায় যে, শেষ যুগে কক্ষগুলি পূজা বা প্রার্থনার জন্য ব্যবহূত হতো। উত্তরদিকে প্রধান তোরণ ছাড়াও এ বাহুর পূর্ব অংশে অপর একটি অপ্রশস্ত আয়তাকার প্রবেশপথ ছিল। পশ্চিম ও দক্ষিণ বাহুতে অনুরূপ কোন পথের ব্যবস্থা না থাকলেও সম্ভবত পূর্ব বাহুর মধ্যস্থল বরাবর একটি ক্ষুদ্রাকার প্রবেশপথ ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurBalram.jpg|thumb|400px|right|বলরাম প্রস্তরমূর্তি, পাহাড়পুর]]&lt;br /&gt;
কেন্দ্রীয় মন্দির ছাড়াও বিহারের উম্মুক্ত অঙ্গনে আরও অনেক ক্ষুদ্রাকার ইমারতাদির ধ্বংসাবশেষ আছে, যেগুলি বিভিন্ন সময়ে নির্মিত হয়েছিল। তন্মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিভিন্ন আকার ও আয়তনের বেশ কিছু নিবেদন স্তূপ, কেন্দ্রীয় মন্দিরের প্রতিকৃতি, পঞ্চ মন্দির, রন্ধনশালা ও ভোজনশালা, পাকা নর্দমা এবং কূপ। কেন্দ্রীয় মন্দিরের ক্ষুদ্রাকৃতির প্রতিকৃতি বিহারের পূর্ব বাহুর দক্ষিণ অংশে অবস্থিত। এ প্রতিকৃতিতে মন্দির পরিকল্পনাকে আরও নিখুঁত এবং সুসমঞ্জস করা হয়েছে। এ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হলো একটি সোপান শ্রেণি। পূর্ব বাহুর কেন্দ্রস্থলে ৪ মিটার প্রশস্ত এ সোপান শ্রেণি ৯.৭৫ মিটার পর্যন্ত অঙ্গনের দিকে বিস্তৃত। এর শেষের ছয়টি সিঁড়ি পাথরের তৈরি। অঙ্গনের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে কক্ষ নং ৭৩ এবং ৭৪ এর সম্মুখে বিভিন্ন আকৃতির ৫টি মন্দির দেখা যায়। মন্দিরগুলির উপরিভাগ বিশেষভাবে অলংকৃত এবং ভিত্তিবেদিতেও অলঙ্কৃত প্রক্ষেপণযুক্ত অর্ধবৃত্তাকার কার্নিস রয়েছে। এগুলির মধ্যে তারকাকৃতির ষোল কোণ বিশিষ্ট একটি স্থাপত্য সর্বাধিক আকর্ষণীয়। মন্দিরগুলির চতুর্দিকে দেয়াল দ্বারা পরিবেষ্টিত। এর উত্তর দিকে একটি বড় পাতকূয়া আছে। এর অভ্যন্তরীণ ব্যাস ২.৫ মিটার। রন্ধনশালা ও বৃহৎ ভোজনশালাও বিহারের এ অংশে অবস্থিত। ভোজনশালা ও রন্ধনশালার মধ্যে উত্তরদিকে প্রসারিত ৪৬ মিটার দীর্ঘ একটি পাকা নর্দমা আছে এবং এর পশ্চিমে এক সারিতে তিনটি কূপ আছে। এগুলি সম্ভবত উভয় গৃহের প্রয়োজনে ব্যবহূত হতো। অঙ্গনের উত্তর-পশ্চিম অংশে কক্ষ নং ১৬২ থেকে ১৭৪ এর সম্মুখস্থ বারান্দা এলাকা থেকে ইটের দেয়াল পরিবেষ্টিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে। বেষ্টনীর ভিতর থেকে পানি নির্গমের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবধানে বেষ্টনী দেয়ালে বেশ কিছু আয়তাকার নালা রয়েছে। এ অঞ্চলের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাটি হলো একটি বর্গাকার ইটের কাঠামো যার নিম্নভাগে পানি নিষ্কাশনের জন্য তিনটি খাত রয়েছে। খাতগুলি দেয়াল দ্বারা বিভক্ত এবং উপরিভাগ ক্রমপূরণ (করবেল) পদ্ধতির মাধ্যমে ইট দ্বারা বন্ধ। এরূপ কাঠামো নির্মাণের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে জানা সম্ভব হয় নি। এখান থেকে আরও পশ্চিমে অপেক্ষাকৃত উত্তম অবস্থায় বিদ্যমান একটি পাতকুয়া আছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;কেন্দ্রীয় মন্দির&#039;&#039; পাহাড়পুর মহাবিহারের বিশাল উন্মুক্ত অঙ্গনের মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে একটি সুউচ্চ কেন্দ্রীয় মন্দির। ২৭ বর্গমিটার স্থান জুড়ে বিস্তৃত এ মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ এখনও ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ২১ মিটার উঁচু। মন্দিরটি ক্রুশাকৃতির ভূমি পরিকল্পনায় এবং ক্রমহ্রাসমান ঊর্ধ্বগামী তিনটি ধাপে নির্মিত হয়েছে। সর্বোচ্চ কাঠামোর আকার আকৃতি সম্পর্কে আজও জানা যায় নি। ধাপের উপরিস্থিত ঊর্ধ্বমুখী শূন্যগর্ভ বর্গাকার কক্ষটিকে কেন্দ্র করেই বিশাল মন্দিরটি তার আকর্ষণীয় স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে গড়ে উঠেছে। এ কেন্দ্রীয় কক্ষটির চর্তুদিকের দেয়ালের গায়ে (কক্ষের চার কোণের কিছু অংশ বাদ দিয়ে) আড়াআড়ি ভাবে নতুন দেয়াল যুক্ত করে দ্বিতীয় ও প্রথম ধাপের চারদিকে চারটি কক্ষ ও মন্ডপ নির্মাণ করা হয়েছে। এ মন্দির পরিকল্পনার সমান্তরালে চারদিকে দেয়াল বেষ্টিত প্রদক্ষিণ পথ নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে মন্দিরটি ক্রুশের আকার ধারণ করে এবং ক্রুশের প্রতি দুই বাহুর মধ্যবর্তী স্থানে অতিরিক্ত উদ্গত কোণসমূহের সৃষ্টি হয়। ভিত্তি পরিকল্পনার সাথে সঙ্গতি রেখে মন্দিরের চতুর্দিকে একটি বেষ্টনী দেয়াল আছে। এ দেয়াল কেবল উত্তর দিকের সিঁড়ির কাছে ভিন্নরূপ ধারণ করেছে। মন্দিরের ভিত্তিভূমি থেকে শীর্ষদেশ পর্যন্ত সমস্ত পরিকল্পনাটি অন্যান্য উপাদানসহ একই নির্মাণযুগে বাস্তবে রূপ পায় এবং পরবর্তী যুগের ইতস্তত সংস্কার, সংযোগ বা পরিবর্তনের কাজগুলি মন্দিরের মৌলিক পরিকল্পনাকে তেমন ব্যাহত করে নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurSculpture.jpg|thumb|400px|left|প্রস্তরমূর্তি, পাহাড়পুর]]&lt;br /&gt;
মন্দিরের ভিত্তিভূমির দেয়াল ৬৩টি প্রস্তর ভাস্কর্য দ্বারা সুশোভিত। মূর্তিগুলি উদ্গত অংশের কোণে এবং এর মধ্যবর্তী অংশে বিশেষভাবে নির্মিত কুলুঙ্গিসমূহে সংসহাপিত। মন্দিরের দেয়াল ইট ও কাদার সমন্বয়ে গঠিত। দেয়ালগাত্রের বহির্ভাগ অলঙ্কৃত ইটের (পাকানো দড়ি, দাবা খেলার বোর্ড, ধাপকৃত পিরামিড,পদ্ম পাপড়ি ইত্যাদি নকশাযুক্ত) উদ্গত কার্নিস এবং পোড়ামাটির ফলক সারি দ্বারা অলঙ্কৃত। ভিত্তিভূমির চতুর্দিকে এক সারি এবং উপরের দুই ধাপের প্রদক্ষিণ পথের দেয়ালের চতুর্দিকে দুই সারি করে পোড়ামাটির ফলক মন্দিরকে সুশোভিত করেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাহাড়পুরের মন্দিরের ধরনকে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্বে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত বলে প্রায়শই বর্ণনা করা হয়। কিন্তু ভারতীয় প্রত্নতত্ত্বে ‘সর্বোতভদ্র’ হিসেবে অভিহিত এক ধরনের মন্দিরের উল্লেখ দেখা যায়। চতুর্দিকে চারটি প্রবেশপথসহ প্রতিদিকে একটি করে মন্ডপ বিশিষ্ট একটি বর্গাকৃতির মন্দির ‘সর্বোতভদ্র’ মন্দির নামে পরিচিত। পাহাড়পুর খননে আবিষ্কৃত মন্দিরটি তাই সার্বিক ভাবে সর্বোতভদ্র শ্রেণিরই অন্তর্ভুক্ত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurBowandArrow.jpg|thumb|400px|right|তীর-ধনুক, পোড়ামাটির ফলক, পাহাড়পুর]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বিহারের বহির্ভাগের সহাপনাসমূহ&#039;&#039; বিহারের দক্ষিণ দেয়াল থেকে ২৭মি. দূরে ৩২ মি দ্ধ ৮ মি পরিমাপের একটি উন্মুক্ত মঞ্চ অবস্থিত। মঞ্চটি বিহারের বহির্দেয়ালের সমান্তরালে প্রসারিত। এটি সংলগ্ন ভূমি হতে প্রায় ৩.৫ মিটার উঁচু এবং বিহারের ১০২ নং কক্ষ থেকে একটি উঁচু বাঁধানো পথ দিয়ে এতে যাওয়া যায়। এই উঁচু পথটি ৫মি প্রশস্ত। এই উঁচু পথ ও বিহার দেয়ালের মাঝখানে দেয়াল সমান্তরালে একটি ধনুকাকৃতির খিলান পথ আছে। সম্ভবত বিহারের বর্হিভাগে অবাধে যাতায়াতের জন্য এ পথ ব্যবহার করা হতো। এ যুগে ধনুক আকৃতির খিলান নির্মাণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাংলার প্রাচীনতম ধনুক আকৃতির খিলান নির্মাণের একটি দুর্লভ উদাহরণ। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, মুসলমানদের আগমনের পূর্বেই প্রাচীন ভারতে খিলান নির্মাণ কৌশল জানা ছিল। মঞ্চের দক্ষিণ দিকে ১.২ মি. ব্যবধানে সারিবদ্ধভাবে ৩০ সেমি চওড়া ও ১.৩০ মিটার লম্বা অনেকগুলো পানি নিষ্কাশনী রয়েছে। মঞ্চটি সম্ভবত শৌচাগার ও স্নানাগার উভয় রূপেই ব্যবহূত হতো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্নানঘাট&#039;&#039;   বিহারের দেয়াল হতে প্রায় ৪৮ মিটার দূরে দক্ষিণ পূর্ব কোণে একটি স্নানঘাট আছে। এ ঘাট বিহারের দক্ষিণ দেয়ালের হুবহু সমান্তরাল নয়, কিছুটা উত্তরমুখী। ঘাটের দুই পাশের সমান্তরাল দুটি দেয়ালে খাড়া ইট ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা কংক্রিট দিয়ে মজবুত করা হয়েছে। ঘাটটি ৩.৫ মি. প্রশস্ত এবং সর্বোচ্চ ধাপে ইটের গাঁথুনীর সাথে বৃহৎ প্রস্তরখন্ডও ব্যবহার করা হয়েছে। ঘাট ক্রমে ঢালু হয়ে প্রায় ১২.৫ মি. নিচে নেমে গেছে এবং সর্বশেষ স্তর চুনাপাথর দিয়ে বাঁধানো হয়েছে। ঘাটে বালির এক পুরু স্তর দেখা যায়। বালির এই স্তর অতীতে এখানে কোন নদীর অস্তিত্ব নির্দেশ করে। স্থানীয় প্রবাদ এই যে, রাজা মহিদলনের কন্যা সন্ধ্যাবতী প্রতিদিন এই ঘাটে স্নান করতেন। তিনি এই ঘাটে ঐশ্বরিক উপায়ে বিখ্যাত সত্যপীরকে গর্ভে ধারণ করেন। সে অনুযায়ী ঘাটটি সন্ধ্যাবতীর ঘাট নামে পরিচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;গন্ধেশ্বরী মন্দির&#039;&#039;  স্নানঘাট থেকে প্রায় ১২.২ মি. দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত স্থাপত্য নিদর্শনটিকে স্থানীয়ভাবে গন্ধেশ্বরীর মন্দির বলা হয়। মন্দিরের সম্মুখ দেয়ালে ব্যবহূত ইটে পদ্ম ও অন্যান্য ফুলের প্রতিকৃতি এবং গাঁথুনীতে ব্যবহূত উপাদান থেকে মনে হয় মুসলমান যুগের প্রথমদিকে মন্দিরটি নির্মিত হয়েছিল। মন্দিরটি ৬.৭ মি. দীর্ঘ ও ৩.৫ মি. প্রস্থ বিশিষ্ট একটি চতুষ্কোণ হলঘর। মন্দিরের প্রায় মধ্যস্থলে ইট নির্মিত অষ্টকোণাকার একটি স্তম্ভের নিম্নাংশ রয়েছে। মন্দিরের পশ্চিম দেয়াল থেকে বাইরের দিকে উদগত ১.৫ মি. বর্গাকৃতির ছোট কক্ষটি পূজার স্থান ছিল। তাছাড়া হলঘরের চারটি কুলুঙ্গিতেও মূর্তি স্থাপনের ব্যবস্থা আছে। মন্দিরের সামনে ৭.৩ মিটার ব্যাস বিশিষ্ট একটি চত্বর আছে। এই চত্বরের মেঝের ইট খাড়া ভাবে গাঁথা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্বাধীনতোত্তরকালের খনন&#039;&#039;  বিহারের কক্ষে দীক্ষিতের আবিষ্কৃত মেঝে ছাড়াও স্বাধীনতোত্তর কালের খননে দুটি নতুন এবং অপ্রত্যাশিত নিদর্শন উন্মোচিত হয়েছে। প্রথমত দীক্ষিতের মূল (?) বিহারের নিচে অপর এক যুগের বিহারের ধ্বংসাবশেষ উন্মোচিত হয়েছে, যা সম্ভবত বিহারের প্রথম যুগের সাথে সম্পৃক্ত। উন্মোচিত নতুন নিদর্শন থেকে ধারণা করা যায় যে, প্রথম যুগে বিহারের আয়তন একই ছিল এবং বহির্দেয়াল ও সম্মুখ দেয়াল একই সারিতে ছিল। প্রথম যুগের নির্মাতারা বেশ কিছু সময় এ বিহার ব্যবহার করেছিল এবং পরবর্তী সময়ে প্রথম যুগের মেঝে অপসারণ করে ও কক্ষ বিভাজিকা দেয়াল নষ্ট করে নুতন দেওয়াল নির্মাণ এবং ভিক্ষু কক্ষসমূহের বিন্যাসে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। এ পুনর্নির্মাণকালে তারা পূর্ববর্তী বিভাজিকা (পার্টিশন) দেয়াল সম্পূর্ণ ধ্বংস করে নতুন দেয়াল নির্মাণ করে। আবার পুরাতন দেয়ালের উপরের অংশ অপসারণ করে নিম্নাংশের উপর নতুন দেয়াল নির্মাণ করে। পূর্ববর্তী যুগের কক্ষগুলির অভ্যন্তরীণ পরিমাপ ছিল ৪.৮৭ মি দ্ধ ৩.৯৬ মি। অর্থাৎ সম্পূর্ণরূপে প্রতিভাত হয় যে মূল বিহারের কক্ষগুলি আয়তনে পরবর্তী কালের বিহার বা দীক্ষিতের প্রথম (?) যুগের বিহারের কক্ষগুলির চেয়ে বড় ছিল। ফলে পরবর্তীকালে বিহারে কক্ষ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:PaharpurMetalSculpture.jpg|thumb|400px|left|বুদ্ধ, ব্রোঞ্জমূর্তি, পাহাড়পুর]]&lt;br /&gt;
দ্বিতীয়ত, কিছু এলাকায় বিহার এবং মন্দিরের নিচে স্থাপত্যিক ধ্বংসাবশেষ (ইটের দেয়াল, মেঝে, পোড়ামাটির কুয়া) এবং সাংষ্কৃতিক দ্রব্যাদি (প্রচুর পরিমাণ মৃৎপাত্রের টুকরা) উন্মোচিত হয়েছে। দেয়ালগুলির সাথে মন্দির বা বিহারের স্থাপত্যিক কাঠামোর কোন সম্পর্ক নেই। খুবই সীমিত পরিসরে দেয়ালগুলি উন্মোচিত হওয়ায় এদের প্রকৃতি সম্পর্কে কোন ধারণা করা যায় না। উল্লেখ্য যে, দীক্ষিত বিহারের ভিক্ষু কক্ষগুলিতে তিনটি এবং কেন্দ্রীয় মন্দিরে চারটি বসতি যুগের নিদর্শন আবিষ্কার করেছিলেন। সাম্প্রতিক খননে বিহারে আরও একটি যুগের নিদর্শন আবিষ্কৃত হওয়ায় বিহারের ৪ যুগের সাথে মন্দিরের ৪ যুগের সামঞ্জস্য পাওয়া যায়। এখন প্রশ্ন হলো সাম্প্রতিক আবিষ্কৃত প্রথম যুগের বিহার এবং দীক্ষিতের আবিষ্কৃত বিহারের মধ্যে কোনটি ধর্মপাল নির্মাণ করেছিলেন। এখানে উল্লেখ করা খুবই প্রয়োজন যে, দীক্ষিত মনে করতেন মূলত পাহাড়পুরে একটি জৈন বিহার ছিল যার কোন চিহ্ন পাওয়া যায় না। এই জৈন প্রতিষ্ঠানটির উপর পরবর্তীকালে ধর্মপাল কর্তৃক [[সোমপুর মহাবিহার|সোমপুর মহাবিহার]] প্রতিষ্ঠিত হয়। দীক্ষিতের এই মত পরবর্তী অনেক গবেষক সমর্থন করেছেন। তবে দীক্ষিতের আবিষ্কৃত বিহারের নিচে সম্প্রতি উন্মোচিত ধ্বংসাবশেষ জৈন বিহারের অংশ কিনা তা বিহারের ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক খননের পরই নিশ্চিত করে বলা যেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;অস্থাবর প্রত্নবস্ত্ত&#039;&#039;  পাহাড়পুর বিহার থেকে আবিষ্কৃত অস্থাবর প্রত্নবস্ত্তসমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা গুরত্বপূর্ণ হল প্রস্তর ভাস্কর্য, পোড়ামাটির ফলকচিত্র, তাম্রশাসন, উৎকীর্ণ লিপিসহ প্রস্তরখন্ড, মুদ্রা, চূনাপাথরের মূর্তি, ধাতব মূর্তি, মৃৎপাত্রের টুকরা ইত্যাদি। মন্দিরের চতুর্দিকে বেষ্টন করে ৬৩টি প্রস্তর মূর্তি আছে। বৌদ্ধ দেবতা পদ্মপাণির মূর্তি ছাড়া আবিষ্কৃত অন্য সব মূর্তিগুলি হিন্দু দেবদেবীর। এই বিরাট বৌদ্ধ বিহারে এতগুলি ব্রাক্ষ্মণ্য দেব-দেবীর মূতির্র উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই সকলের দৃষ্টি আকৃষ্ট করে। মনে হয় এ স্থানের পূর্বের কোন বা পার্শ্ববর্তী কোন স্থাপনা থেকে মূর্তিগুলি সংগ্রহ করে প্রধান মন্দিরের ভিত্তিভূমিতে স্থাপন করা হয়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রস্তর মূর্তিগুলো বিভিন্ন সময়ের এবং গঠনশৈলী ও শৈল্পিক উৎকর্ষতার ভিত্তিতে এগুলিকে মোটামোটি তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়। প্রথম ভাগের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মূর্তিতে কৃষ্ণের জীবনের বিভিন্ন দৃশ্য স্থান পেয়েছে। তাছাড়া রামায়ণ ও মহাভারত-এর অতীব জনপ্রিয় উপাখ্যান এবং জনজীবনের বিভিন্ন ঘটনাবলি চিত্রিত হয়েছে। এ সমস্ত প্রস্তর ভাস্কর্যের বৈশিষ্ট্য এবং বাহ্যিক রূপ স্থূল এবং কখনও কখনও বেশ অপরিণত এবং এগুলির নির্মাণের আনুপাতিক সামঞ্জস্যের অভাব রয়েছে। এ সব ভাস্কর্য নির্মাণ কৌশলের দিক দিয়ে স্থূল ও অপরিপক্ক হলেও এর সামাজিক বিষয়বস্ত্ত প্রগাঢ়ভাবে মানবতাবোধ ও ব্যাপক কর্মতৎপরতার পরিচায়ক এবং শৈল্পিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় শ্রেণির ভাস্কর্যগুলিতে সাধারণ নির্জীবতা বা কাঠিণ্য থাকা সত্ত্বেও কিছু মূর্তিতে সক্রিয়তা এবং গতিশীলতার ছাপ রয়েছে। সে হিসেবে এ জাতীয় মূর্তিগুলি প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণির মূর্তিগুলির মধ্যে সমন্বয় রক্ষাকারী বলা যায়। এগুলি পূর্বাঞ্চলীয় গুপ্ত রীতির ঐতিহ্য বহন করে। তৃতীয় শ্রেণির ভাস্কর্যসমূহে ধ্রুপদী গুপ্ত রীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ, যেমন মূর্তি গঠনের স্বাভাবিক কমনীয়তা, সূক্ষতা ইত্যাদি পরিলক্ষিত হয়। এছাড়াও প্রথম শ্রেণি ও অপর দুই শ্রেণীর মূর্তিগুলির ভঙ্গি, বিষয়বস্ত্ত, প্রকৃতি বা ধাঁচ ইত্যাদির মধ্যে প্রচুর পার্থক্য বিদ্যমান। অপর দুই শ্রেণীর ভাস্কর্যসমূহে সাধারণত ব্রাক্ষ্মণ্য ধর্মের বিভিন্ন শ্রেণির দেব দেবীর মূর্তির প্রাধান্য দেখা যায়। এ সমস্ত ভাস্কর্য শিল্পে ধূসরাভ সাদা দাগ বিশিষ্ট বেলে পাথর এবং ব্যাসাল্ট ব্যবহার করা হয়েছে। দেয়ালে সংস্থাপিত মূর্তি ছাড়া খননে যেসব মূর্তি আগলাভাবে পাওয়া গেছে তম্মধ্যে ভগ্ন অবস্থায় প্রাপ্ত শক্তির সাথে দৃঢ়ভাবে আলিঙ্গনাবদ্ধ হেবজ্র মূর্তিটি সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;পোড়ামাটির ফলক&#039;&#039;  মন্দিরের দেয়ালগাত্র অলঙ্করণে পোড়ামাটির ফলকচিত্রের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। এখনও ২০০০-এরও বেশি ফলকচিত্র মন্দির গাত্রে শোভা পাচ্ছে। এছাড়া খননে প্রায় ৮০০ ফলকচিত্র ইতস্তত বিক্ষিপ্ত অবস্থায় প্রত্নস্থল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। অধিকাংশ ফলকচিত্র মন্দিরের সমসাময়িক। ফলকগুলি মন্দিরে স্থাপনের সময় কোন রকম পরম্পরা রক্ষা করা হয় নি। দেয়ালের বিভিন্ন অংশে সংস্থাপিত ফলকগুলি বিভিন্ন পরিমাপের। কোন কোনটি আকারে বেশ বড় (৪০দ্ধ৩০দ্ধ৬ সেমি), আবার কোন কোনটি মাত্র ১৮ সেমি বর্গাকারের। তবে অধিকাংশ ফলকেরই সাধারণ উচচতা ৩৬ সেমি এবং প্রশস্ততা ২০-২২ সেমি। ধর্মীয় তাৎপর্যপূর্ণ ফলকের সংখ্যা অত্যন্ত অল্প। তন্মধ্যে বৌদ্ধ ও ব্রাক্ষ্মণ দেবদেবীকে সমানভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে। এগুলি হলো বিভিন্ন ধরনের শিব মূর্তি ছাড়া ব্রহ্মা, বিষ্ণু, গণেশ, সূর্য ইত্যাদি ব্রাহ্মণ্য দেবতার মূর্তি। বোধিসত্ত্ব, পদ্মপাণি,মঞ্জুশ্রী, তারা ইত্যাদি মহাযান মতবাদের বৌদ্ধ দেবদেবীর মূর্তিও মন্দিরের গায়ে প্রচুর রয়েছে। বিখ্যাত সাহিত্য পঞ্চতন্ত্রের আখ্যান এই লোকশিল্পে অত্যন্ত সজীব হয়ে উঠেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাহাড়পুরের পোড়ামাটির শিল্পে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত নর-নারীর বিচিত্র কার্যকলাপ সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। শিল্পীরা তাদের পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রতি অত্যন্ত সচেতন ছিলেন এবং সাধারণ মানব জীবনের প্রতিটি কল্পনাযোগ্য বিষয়বস্ত্তই এই শিল্পে স্থান পেয়েছে। অনুরূপভাবে প্রাণীজগৎ সাপ, হরিণ, সিংহ, বাঘ, হাতি, শূকর, বানর, শিয়াল, খরগোশ, মাছ, পাতিহাঁস, রাজহাঁস নিজস্ব ভঙ্গিমায় চিত্রিত হয়েছে। কিন্তু উদ্ভিদজগৎ তুলনামূলকভাবে কমই স্থান পেয়েছে। কেবল পদ্ম এবং কলাগাছই দেখা যায়। বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় এ শিল্পের মাধ্যমে তদানীন্তন সমাজ জীবনের একটা চিত্র পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;উৎকীর্ণ লিপি&#039;&#039;  পাহাড়পুরে আবিষ্কৃত একটি তাম্রশাসন এবং কিছু শিলালিপির আবিষ্কার এই বিহারের বিভিন্ন যুগের কাল নির্ণয়ে বিশেষ সহায়তা করেছে। বিহারের উত্তর-পূর্ব কোণে প্রাপ্ত তাম্রশাসনটি ১৫৯ গুপ্তাব্দের (৪৭৯ খ্রিস্টাব্দ)। এই তাম্রশাসনে উল্লেখ রয়েছে যে এক ব্রাহ্মণ দম্পতি বটগোহালীতে অবস্থিত বিহারে অইতের পূজা এবং বিশ্রামাগারের জন্য কিছু ভূমি ক্রয় ও দান করেন। এই বিহারের প্রধান ছিলেন বিখ্যাত জৈন গুরু গুহনন্দী। খ্রিস্টীয় ৫ম শতকের এই বিহার নিশ্চিতভাবে এ অঞ্চলের একটি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান ছিল। উল্লেখ্য যে, বৈগ্রামে প্রাপ্ত ১২৮ গুপ্তাব্দের (৪৪৮ খ্রিস্টাব্দ) অপর একটি ভগ্ন তাম্রশাসনেও বটগোহালীর উল্লেখ আছে। পাহাড়পুর থেকে ৩০ কিমি উত্তরে অবস্থিত বৈগ্রামে প্রাপ্ত তাম্রশাসনে বটগোহালীর উল্লেখ থেকে ধারণা করা যায় বটগোহালী এবং বৈগ্রাম এ দুটি স্থান একে অপর থেকে বেশি দূরে ছিল না। খ্রিস্টীয় সাত শতকে বাংলায় নৈরাজ্য চরমে পৌঁছলে বটগোহালীর গুহনন্দী বিহার পুন্ড্রবর্ধনের অন্যান্য জৈন প্রতিষ্ঠানের ন্যায় নিশ্চতভাবে একই পরিণতি ভোগ করে। অবশেষে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং আট শতকে বাংলায় পাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হলে ধর্মপাল কর্তৃক সোমপুরে বিরাট মন্দিরসহ বিশাল একটি বিহার নির্মিত হয়। দীক্ষিত মনে করেন যে, নব নির্মিত বৌদ্ধ বিহারের ভিক্ষুরা জৈন বিহারের অধীনস্থ জমি ভোগ করার এবং সেই সাথে মূল দলিলও কাছে রাখার রাজকীয় অনুমোদন পায়। তাঁর মতানুসারে, এই অনুসিদ্ধান্তই বৌদ্ধ বিহারের ধ্বংসাবশেষের মধ্যে এ [[তাম্রশাসন|তাম্রশাসন]] পাওয়ার ব্যাখ্যার জন্য যথেষ্ট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রাপ্ত স্তম্ভলিপিসমূহে বুদ্ধ অথবা ত্রিরত্নের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত দান সংক্রান্ত তথ্যের উল্লেখ রয়েছে। খ্রিস্টীয় দশ থেকে বারো শতকের মধ্যে শিলাস্তম্ভগুলি নির্মিত। প্রায় সকল দাতাদের নামের শেষে ‘গর্ভ’ উপাধি দেখা যায়, যেমন অজয়গর্ভ, শ্রীগর্ভ, দশবলগর্ভ। কেবল একটি ভগ্ন লিপিতে এক দাতার নাম এর উপাধি ‘নন্দী’ উল্লেখ রয়েছে। সম্ভবত পাহাড়পুর বিহারে ভিক্ষুদের ধারাবাহিক বা পর্যায়ক্রমিক বাস ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্টাকো&#039;&#039;  পাহাড়পুর থেকে চুন বালির সংমিশ্রণে নির্মিত কয়েকটি মাথা পাওয়া গেছে। কিন্তু এখানে এই শিল্প গান্ধার শিল্পের মত তত উন্নতি লাভ করে নি। পাহাড়পুরে প্রাপ্ত সকল বুদ্ধের মাথার সাধারণ বৈশিষ্ট্য হলো চোখের প্রসারিত পাতা এবং কোন কোনটির মাথায় কোকড়ানো চুলের থোকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;ধাতব মূর্তি&#039;&#039;  পাহাড়পুরে কয়েকটি মাত্র ধাতব মূর্তি পাওয়া গেছে। প্রাক বাংলাদেশ খননে পাহাড়পুরে প্রাপ্ত মূর্তির মধ্যে অলঙ্কৃত হরগৌরী, দন্ডায়মান একটি নগ্ন জৈন মূর্তি, ব্রোঞ্জের বুদ্ধের আবক্ষমূর্তি আবিষ্কৃত হয়েছে। ধারণা করা হয় বুদ্ধমূর্তিটি দন্ডায়মান বুদ্ধের, তবে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় বর্তমানে কেবল উরুদেশ থেকে উর্ধ্বাংশ বর্তমানে সুরক্ষিত রয়েছে। বিদ্যমান অংশের পরিমাপ (১.২৭ মিটার) থেকে এও ধারণা করা যায় যে, সমগ্র মূর্তিটি ২.৪০ মিটার উঁচু ছিল। নির্মাণশৈলী এবং প্রাপ্তিস্থানের স্তরগত পর্যালোচনা থেকে মূর্তিটি আনুমানিক নয়-দশ শতকের বলে অনুমাণ করা যায়। বার্মিংহাম জাদুঘরের আর্টগ্যালারিতে প্রদর্শিত বিহারের সুলতানগঞ্জের ব্রোঞ্জের বুদ্ধ মূর্তিটি আলোচ্য মূর্তির মোটামুটি প্রায় সমসাময়িক এবং একই পরিমাপের।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;মুদ্রা&#039;&#039;  বিহারের প্রধান তোরণের নিকটবর্তী একটি কক্ষ থেকে ৫টি বৃত্তাকার তাম্র মুদ্রা আবিষ্কৃত হয়েছে। তন্মধ্যে তিনটি মুদ্রা বিশেষ ধরনের। এগুলির উপরের পিঠে অত্যন্ত অনিপুণভাবে একটি ষাঁড় এবং নিচের পিঠে তিনটি মাছ চিত্রিত আছে। বাগদাদের খলিফা হারুন-অর রশিদের একটি রৌপ্য মুদ্রায় ১২৭ হিজরি সনের (৭৮৮ খ্রি.) উল্লেখ রয়েছে। অন্যান্য মুদ্রার মধ্যে ছয়টি [[শেরশাহ|শেরশাহ]]-এর (১৫৪০-৪৫ খ্রি.), ইসলাম শাহ (১৫৪৫-৫৩ খ্রি.)-এর দুইটি, বাহাদুর শাহ (১৬শ শতক)-এর তিনটি, [[দাউদ খান কররানী|দাউদ খান কররানী]]র দুইটি, [[আকবর|আকবর]]-এর একটি এবং জৌনপুরের সুলতান হোসেন শাহ শর্কীর একটি মুদ্রা উল্লেখযোগ্য। শেষোক্তটি তাম্রমুদ্রা। অন্যান্য সব মুদ্রাই রৌপ্য। এসব মুদ্রা কিভাবে বিহারে স্থান পেল সে সম্পর্কে নিশ্চিত বলা দুষ্কর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;মুৎপাত্রের টুকরা&#039;&#039;  পাহাড়পুর খননে প্রচুর পরিমাণ এবং বিভিন্ন ধরনের মৃৎপাত্রের টুকরা সংগৃহীত হয়েছে। এদের অধিকাংশই আনুমানিক দশ শতকের শেষভাগ থেকে বারো শতকের মধ্যবর্তী সময়ের। পালযুগের সূচনা কালের (আনুমানিক নয় শতক) এক শ্রেণির কিছু মৃৎপাত্রের টুকরা পাওয়া গেছে। পাত্রগুলির নিম্নাংশ অথবা পাশেও আড়াআড়ি রেখার নকশা আছে। কিছু ভিক্ষু কক্ষ থেকে বসানো অবস্থায় কয়েকটি বড় সঞ্চয় পাত্র (একটির ভেতর অপর একটি স্থাপিত) পাওয়া গেছে। কক্ষের এক কোণে তৃতীয় যুগের (দীক্ষিতের দ্বিতীয় যুগ) মেঝে কেটে পাত্রগুলি বসানো হয়েছিল। এসব পাত্র মাটি দ্বারা পূর্ণ ছিল। প্রাকবিহার স্তর থেকে পর্যাপ্ত অখন্ড পিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে। এ পাত্রগুলি প্রাক-পাল যুগের (আনুমানিক ছয় থেকে সাত শতক) বলে মনে হয়। সাধারণত মৃৎপাত্রগুলি উত্তমরূপে দগ্ধীভূত এবং রং লাল থেকে পীতাভ সবুজ। এসব মৃৎপাত্রে বন্ধনীয় ন্যায় বা পাত্রের নিম্নাংশ ছাড়া সকল অংশে লাল প্রলেপ রয়েছে। প্রায় সব পাত্রেরই তলদেশ প্রশস্ত এবং মধবর্তী অংশ স্ফীত। কিন্তু বড় সঞ্চয় পাত্রগুলির তলা সূচালো। আধুনিক হাড়ির মতো কিছু পাত্র এবং নলযুক্ত পাত্র বা লোটা ছাড়াও সরু গলা বিশিষ্ট পাত্র এবং মুখসহ চোঙার আকৃতির পাত্রও রয়েছে। এছাড়া প্রচুর ঢাকনা, বড় থালা, পিঁড়ি এবং প্রদীপ পাওয়া গিয়েছে। খননে আবিষ্কৃত অন্যান্য অসংখ্য সাধারণ প্রত্নবস্ত্তর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অনিপুণভাবে নির্মিত কিছু পোড়ামাটির নারীমূর্তি, জীবজন্তুর প্রতিকৃতি, মন্দির চূড়ার ভগ্নাংশ, অগ্রভাগ ছাটা মোচাকৃতি ড্যাগার, চ্যাপ্টা চাকতি, সিলমোহর ও নলাকার গুটিকা। এছাড়া ধাপকৃত পিরামিড, পদ্ম-পাপড়ি, দাবার ছক, অর্ধপ্রস্ফুটিতপদ্মসহ আয়তাকার পদকও সংগৃহীত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সংরক্ষণ&#039;&#039;  বিহার কাঠামোটি আবিষ্কারের সময় (১৯৩৪) এর অবস্থা খুব খারাপ ছিল না। কিন্তু বিগত অর্ধ শতকে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার ফলে এর অবস্থার এতই অবনতি ঘটে যে, স্মৃতিচিহ্নের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়ে। জলাবদ্ধতা কেন্দ্রীয় মন্দিরের ভিত্তি, ভিত্তিগাত্রে সজ্জিত প্রস্তর মূর্তি এবং পোড়ামাটির ফলকের ক্ষয় ও বিকৃতি সাধন করতে থাকে। ফলে পাহারপুর বিহার ও মসজিদ নগরী বাগেরহাট সংরক্ষণের জন্য  ১৯৭৩ সালে ইউনেস্কোর নিকট আবেদন জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮৩ সালে প্রণীত আন্তর্জাতিক মিশন কর্তৃক গৃহীত মহাপরিকল্পনার অধীনে ১৯৮৫ সালে এ প্রত্নস্থল দুটি বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।  ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কোর সহায়তায় শুরু হওয়া একটি প্রকল্প তিনপর্বে বাস্তবায়ন করে ২০০২ সলে সম্পন্ন করা হয়। প্রকল্পের আওতায় বিহারের স্থাপত্য কাঠামো সংরক্ষণ, পানি নিষ্কাশন, জাদুঘর ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ প্রভৃতি কাজ সম্পন্ন করা হয়। বর্তমানে (২০১১) অধিদপ্তর কর্তৃক পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়ন, ঐতিহ্য ব্যবস্থাপনা, প্রাচীন ভূমিরূপ সংরক্ষণ ইত্যাদিবিষয় সমাধানকল্পে সম্প্রতি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করেছে।  [মোঃ শফিকুল আলম]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;গ্রন্থপঞ্জি&#039;&#039;&#039;  KN Dikshit, Memoirs of Archaeological Survey of India, Govt. of India;  MS Alam, Paharpur and Bagerhat, Two World Cultural Heritage Sites of Bangladesh, Department of Archaeology, Dhaka.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Paharpur]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A6&amp;diff=22029</id>
		<title>খনিজ সম্পদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%96%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%9C_%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%A6&amp;diff=22029"/>
		<updated>2026-07-14T09:18:25Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
[[Image:MineralResource.jpg|thumb|400px|right]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;খনিজ সম্পদ&#039;&#039;&#039; (Mineral Resources)  ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে বাংলাদেশের ভূভাগের বেশিরভাগই বঙ্গীয় অববাহিকার (Bengal Basin) অন্তর্গত। দেশের উত্তর, উত্তরপূর্ব ও পূর্বাংশে এ অববাহিকা টারশিয়ারি যুগের ভাঁজযুক্ত পাললিক শিলাস্তর দ্বারা গঠিত (প্রায় ১২ভাগ)। উত্তরপশ্চিম, মধ্য-উত্তর ও মধ্য-পশ্চিমাংশে অববাহিকার প্রায় ৮ ভাগ প্লাইসটোসিন যুগে উত্থিত  [[পলল|পলল]] এবং অবশিষ্ট ৮০ শতাংশ ভূভাগ অসংহত বালি, পলি ও কর্দম দ্বারা গঠিত হলোসিন যুগের সঞ্চয়ন দ্বারা আবৃত। বাংলাদেশে প্যালিওসিন মহাকালের তুরা স্তরসমষ্টিকে প্রাচীনতম উন্মুক্ত শিলাস্তর হিসেবে শনাক্ত করা গিয়েছে। দেশের উত্তরপশ্চিমাংশে খননকার্য পরিচালনাকালে প্রাচীনতর শিলাস্তর যেমন, মেসোজোয়িক ও প্যালিওজোয়িক স্তরসমষ্টি এবং প্রি-ক্যাম্ব্রিয়ান ভিত্তিস্তরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূ-পৃষ্ঠে অথবা ভূগর্ভের কোনো স্থানে সঞ্চিত খনিজ সম্পদের অবস্থান মূলত সংশ্লিষ্ট স্থানের ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ও সময়কাল দ্বারা নির্ণীত হয়ে থাকে। ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভূতাত্ত্বিক পরিবেশে সঞ্চিত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদসমূহ হচ্ছেঃ প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, নুড়িপাথর, গন্ডশিলা (Boulder), কাচবালি, নির্মাণকার্যে ব্যবহূত বালু, চীনামাটি, ইটের মাটি, পিট এবং সৈকত বালি ভারি মণিক (Beach Sand Heavy Minerals)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশের অয়েল ও গ্যাস উইন্ডোর মধ্যে বিদ্যমান টারশিয়ারি বরাইল শিলাদল থেকে উৎপন্ন হয়েছে প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেল। উৎপন্ন হওয়ার পর এ প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল উপরের দিকে বহু কিলোমিটারব্যাপী বিস্তৃত শিলাস্তর ভেদ করে উত্থিত হয়ে নিওজিন ভূবন ও বোকাবিল স্তরসমষ্টির মধ্যস্থিত সুবিধাজনক বেলেপাথর আধারে সঞ্চিত হয়। নুড়িপাথর, কাচবালি, নির্মাণ বালি, পিট ও সৈকত বালি প্রভৃতি খনিজ হলোসিন পললে পাওয়া যায়। দেশের উত্তরাঞ্চলের ক্ষুদ্র পাহাড়সমূহে বিদ্যমান প্লাইসটোসিন পললে পাওয়া যায় চীনামাটি বা কেওলিন। দেশের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে ভূ-পৃষ্ঠের অল্প গভীরতায়ও চীনামাটি ও কাচবালির মজুত আবিষ্কৃত হয়েছে। সীমিত মাত্রার উত্তোলনের মাধ্যমে চুনাপাথর, নির্মাণ বালি, কাচবালি, নুড়িপাথর, চীনামাটি ও সৈকত বালি আহরণ করা হচ্ছে। অন্তর্ভূপৃষ্ঠীয় মজুত থেকে চীনামাটি ও কাচবালি এখনও উত্তোলন করা হয় নি। তবে অন্তর্ভূপৃষ্ঠীয় কয়লা ও কঠিন শিলা উত্তোলনের কাজ এগিয়ে চলেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;তেল ও গ্যাস&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বাংলাদেশে এ পর্যন্ত বিভিন্ন আকৃতির ২২টি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। এদের মধ্যে ২০টি গ্যাসক্ষেত্রে পরিমাপকৃত গ্যাসমজুতের পরিমাণ প্রায় ২৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। অধিকাংশ গ্যাসক্ষেত্রের গ্যাসে কন্ডেনসেটের উপস্থিতি অল্প বা অতি অল্প বিধায় এদেরকে শুষ্ক গ্যাস (dry gas) বলা হয়। অল্প কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্রে গ্যাসের সঙ্গে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ  [[কন্ডেনসেট|কন্ডেনসেট]] পাওয়া যায় এবং এদেরকে ভেজা গ্যাস (wet gas) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এ ভেজা গ্যাসক্ষেত্রসমূহ হচ্ছে: বিয়ানীবাজার (প্রতি মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসে ১৬ ব্যারেল কন্ডেনসেট), জালালাবাদ (প্রতি মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসে ১৫ ব্যারেল কন্ডেনসেট) এবং কৈলাশটিলা (প্রতি মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসে ১৩ ব্যারেল কন্ডেনসেট)। বর্তমানে দেশে ব্যবহূত মোট বাণিজ্যিক জ্বালানির ৭০ ভাগই প্রাকৃতিক গ্যাসের দ্বারা মেটানো হচ্ছে এবং ভবিষ্যত জ্বালানি চাহিদার সিংহভাগ এ খাত থেকেই পূরণ হবে। প্রাকৃতিক গ্যাসের সর্বাধিক ব্যবহার হচ্ছে বিদ্যুৎ খাতে যার পরিমাণ মোট ব্যবহারের ৪৪ শতাংশ, যার মাধ্যমে মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৬৮ শতাংশ পাওয়া যায়। এর পরেই রয়েছে  [[সার|সার]] উৎপাদনে গ্যাসের ব্যবহার যার পরিমাণ মোট ব্যবহারের ২৮ শতাংশ এবং  শিল্প, গৃহস্থালী, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য খাতে গ্যাসের ব্যবহার ২২ শতাংশ। সরকারি ও বেসরকারি খাতে ১২টি গ্যাসক্ষেত্র থেকে বর্তমানে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে এবং দৈনিক উৎপাদনের পরিমাণ ৯০০ থেকে ৯৩০ মিলিয়ন ঘনফুট।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:MineralResourcesOilfield.jpg|thumb|400px|left|তৈলকূপ, হরিপুর, সিলেট]]&lt;br /&gt;
দেশের একমাত্র খনিজ তেলক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। এ তেলক্ষেত্রে তেলের মোট মজুতের পরিমাণ প্রায় ১০ মিলিয়ন ব্যারেল যার মধ্যে উত্তোলনযোগ্য মজুতের পরিমাণ প্রায় ৬ মিলিয়ন ব্যারেল। ১৯৮৭ সালের জানুয়ারি মাসে হরিপুর তেলক্ষেত্র থেকে তেল উৎপাদন শুরু হয়। উৎপাদন শুরুর পরবর্তী সাড়ে ছয় বছরে এ তেলক্ষেত্র থেকে ০.৫৬ মিলিয়ন ব্যারেল খনিজ তেল উৎপাদন করা হয়। ১৯৯৪ সালের জুলাই মাস থেকে তেল উৎপাদন স্থগিত হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞগণের মতে, হরিপুর তেলক্ষেত্রটিকে যথার্থভাবে মূল্যায়ন করা হয় নি এবং সঠিক উপায়ে মূল্যায়নকার্য পরিচালনার পর পূর্ণমাত্রায় তেল উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:MineralResources1.jpg|thumb|400px|right|গ্যাসক্ষেত্র, ফেঞ্চুগঞ্জ]]&lt;br /&gt;
কৈলাশটিলা ও ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্রে আরও দুটি তেলবাহী শিলাস্তরের সন্ধান পাওয়া গেলেও অর্থনৈতিকভাবে এ দুটি ক্ষেত্র থেকে তেল উৎপাদন লাভজনক হবে কিনা সে বিষয়ে এখনও সম্পূর্ণ জরিপকার্য পরিচালনা করা হয় নি। সাম্প্রতিককালে দেশে একাধিক সংখ্যক আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানি  [[হাইড্রোকার্বন|হাইড্রোকার্বন]] অনুসন্ধানে নিয়োজিত রয়েছে। এ সকল কোম্পানির সঙ্গে পেট্রোবাংলার আওতাভুক্ত এবং দেশের একমাত্র তেল-গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান  [[বাপেক্স|বাপেক্স]] সফলভাবে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে নিয়োজিত রয়েছে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;কয়লা&#039;&#039;&#039;  ১৯৫৯ সালে ভূ-পৃষ্ঠের অত্যধিক গভীরতায় সর্বপ্রথম কয়লা আবিষ্কৃত হয়।  [[জিওলজিক্যাল সার্ভে অব বাংলাদেশ|বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর]] (জি.এস.বি)-এর অব্যাহত প্রচেষ্টায় ৪টি কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ার যৌথ কোম্পানি বি.এইচ.পি-মিনারেলস আরও একটি কয়লাখনি আবিষ্কার করলে দেশে কয়লাখনির মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ৫টিতে। আবিষ্কৃত সকল কয়লাখনিই দেশের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। নিচের সারণিতে এ সকল কয়লাখনির বিস্তারিত তথ্য ও কয়লার গুণাগুণ উপস্থাপন করা হয়েছে। আবিষ্কৃত পাঁচটি কয়লাখনির মধ্যে অন্যতম বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি উন্নয়নের কাজ শুরু হয় ১৯৯৬ সালে এবং ২০০১ সালের মে মাসে তা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও খনির নকশাজনিত কিছু পরিবর্তন আনয়নের দরুন তা শেষ হতে আরও কিছু সময় লাগবে। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উত্তোলনযোগ্য মজুত ৬৪ মিলিয়ন টন এবং বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ মিলিয়ন টন। উত্তোলিত কয়লা ব্যবহার করে ৩০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র খনির অদূরে স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সারণি&#039;&#039; কয়লাখনির বিস্তারিত তথ্য ও কয়লার গুণাগুণ।&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;table table-bordered table-hover&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| কয়লাক্ষেত্র || স্তরের গভীরতা (মিটার)|| স্তরের গড় পুরুত (মিটার)|| কয়লাক্ষেত্রের বিস্তৃতি (বর্গ কিমি) || মজুত মিলিয়ন টন || কার্বনের পরিমাণ (%) || উদ্বায়ী পদার্থ (%) || ভস্মের পরিমাণ (%) || সালফারের পরিমাণ (%) || ক্যালরি মান (বিটিউ/পাউন্ড)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| জামালগঞ্জ || ৬৪০-১১৫৮ || ৬৪ || ১১.০৬ || ১০৫৩ || ৪৭ (গড়) || ৩৮ (গড়) || ২২ (গড়) || ০.৬২ (গড়) || ১১০০০ (গড়)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| বড়পুকুরিয়া || ১২৯-৫০৬ || ৫১ ||৫.২৫ ||৩০০ ||৪৫.৫-৫৪.৭ ||২.২৮-৩.৬০ ||১১.৭৯-২৩.৭১ ||০.৪৩-১.৩৩ ||১০৫৪৭-১২৫২৯&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| খালাশপীর ||২৫৭-৪৮৩ ||৫০ ||১২.৫৬ ||১৪৩ ||৩২.০-৮০.৮ ||২.৯৩-৩০.৪৭ ||৭.৬-৫০.৫১ ||০.২৪-৩.১৫ ||৭৩৮৮-১৩৮৮০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| দীঘিপাড়া ||৩২৮-৪০৭ ||৬১ ||নির্ণীত হয় নি || নির্ণীত হয় নি || ৫১.৩-৬৫.৬ || ২৫.২৯-৩৮.২৩ || ২.৬৪-২০.০৫ || ০.৫১-১.০২ || ১০২০০-১৪৭৭৫&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ফুলবাড়ী || ১৫১ || --- || --- || ৩৮৬ || --- || --- || --- || --- || ---&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:MineralResourcesCoal.jpg|thumb|left|কয়লা, বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর]]&lt;br /&gt;
বি.এইচ.পি- মিনারেলস নামক কোম্পানি ফুলবাড়ী কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে। পরবর্তীতে এ কয়লাখনির উন্নয়নের দায়িত্ব অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি এশিয়া এনার্জি কর্পোরেশন (এ.ই.সি)-এর কাছে অর্পণ করা হয়। এ.ই.সি বর্তমানে খনিটিকে একটি উন্মুক্ত কয়লাখনিতে (open-pit mine) রূপান্তর করার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছে। এ কয়লাখনি থেকে প্রারম্ভিক পর্যায়ে বছরে ২.৯ মিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে যা পরবর্তীতে ৯ মিলিয়ন টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ভারত, চীন ও ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি করে প্রধানত ইটখোলা ও অন্যান্য শিল্প কারখানায় ব্যবহার করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:MineralResourcesLimestone.jpg|thumb|400px|right|চুনাপাথর, সিলেট]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;চুনাপাথর&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  ১৯৬০-এর দশকের প্রথমভাগে দেশের উত্তর-পূর্বভাগে অবস্থিত টাকেরঘাট এলাকায় ইয়োসিনযুগীয় চুনাপাথরের একটি ক্ষুদ্র মজুত থেকে চুনাপাথর আহরণ করে তা একটি সিমেন্ট ফ্যাক্টরীতে সরবরাহ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রকৃতপক্ষে এটিই ছিল দেশের প্রথম খনি যেখান থেকে খনিজ সম্পদ আহরণ করা হয়। একই সময় জিওলজিক্যাল সার্ভে অব পাকিস্তান (জি.এস.পি) জয়পুরহাট জেলায় ভূ-পৃষ্ঠের ৫১৫ থেকে ৫৪১ মিটার গভীরতায় ১০০ মিলিয়ন টন মজুতবিশিষ্ট চুনাপাথরের অন্য আরেকটি খনি আবিষ্কার করে। প্রতিষ্ঠানটি তুলনামূলকভাবে অল্প গভীরতায় চুনাপাথরের মজুত অনুসন্ধানের লক্ষ্যে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে। জি.এস.পি-এর উত্তরসূরী প্রতিষ্ঠান জি.এস.বি ১৯৯০-এর দশকের মধ্যভাগে নওগাঁ জেলার জাহানপুর ও পরানগর এলাকায় যথাক্রমে ভূ-পৃষ্ঠের ৪৯৩ থেকে ৫০৮ মিটার ও ৫৩১ থেকে ৫৪৮ মিটার গভীরতায় চুনাপাথর আবিষ্কার করে। চুনাপাথরের এ মজুত দুটির পুরুত্ব যথাক্রমে ১৬.৭৬ মিটার এবং ১৪.৩২ মিটার।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:MineralResourcesHardRock.jpg|thumb|400px|left|কঠিন শিলা,  দিনাজপুর]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;কঠিন শিলা&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  নির্মাণ সামগ্রীর সংকটপূর্ণ এ দেশে রয়েছে প্রিক্যাম্ব্রিয়ান যুগীয় গ্রানোডায়োরাইট, কোয়ার্জ ডায়োরাইট, নিস প্রভৃতি কঠিন শিলার বিশাল মজুত। জি.এস.বি দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া নামক স্থানে ভূ-পৃষ্ঠের ১৩২ মিটার থেকে ১৬০ মিটার গভীরতায় এ সকল কঠিন শিলার মজুত আবিষ্কার করে। এ শিলাসমূহের বিশুদ্ধ অবস্থায় আর.কিউ.ডি (Rock Quality Designation) ৬০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। উত্তর কোরিয়া সরকারের সহায়তায় এ খনির উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হচ্ছে। এ খনি থেকে উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে ২০০২ সালে এবং বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১.৬৫ মিলিয়ন টন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:MineralResourcesPeat.jpg|thumb|400px|right|পিট]]&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের উত্তরপূর্ব, মধ্য ও দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের জলাভূমিতে পিটের মজুত রয়েছে। মোট মজুতের পরিমাণ ১৭ কোটি টনের বেশি। পিটের তাপোৎপাদক মান পাউন্ড প্রতি ৬০০০ থেকে ৭০০০ বিটিইউ। বাংলাদেশে গার্হস্থ্য কাজে, ইটের ভাটায়, বয়লারের জ্বালানি হিসেবে পিট ব্যবহূত হয়। নিম্নের সারণিতে পিট মজুতের বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হলো। অবশ্য দেশিয় মজুত থেকে পিট উত্তোলন এখনও শুরু হয় নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সারণি&#039;&#039;  বাংলাদেশে পিট মজুতের বিস্তারিত বিবরণ।&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;table table-bordered table-hover&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| মজুত  || গভীরতা .মি || পুরুত্ব .মি || অঞ্চল বর্গ কিমি || মজুত (কোটি টন || কার্বনের পরিমাণ (%) || ভস্মের পরিমাণ (%) || আর্দ্রতার পরিমাণ (%) || উদ্বায়ী বস্ত্ত (%)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| বাঘিয়া-চান্দা  || ০-৪.০ || ০.৬-৩.৩ || ৫০০ || ১৫০ || ২৪ || ১৬.৬৩  || ১৭.১০ || ৪২.৩০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| কোলামৌজা || ০.০৪-২.৫ || ০.২-৪.০ || ২৫ || ৮ || ২৯.২ || ২৪.৮০ || ১৩.৭০ || ৪২.৩০&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| মৌলভীবাজার  || ০-১.৩ || ১.৬  || ৯.৬ || ৩ || ১৭.৮৩ || ৩৬.০৭ || ১৫.৫২  || ৩০.৫৮&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| চলনবিল || ০.৫-৪.৭৫ || ৩.৩৫-৭.৬৫  || --- || ৬.২ || ১৪.৮০ || ৪৬.১৩ || ৮.৫৩ || ৫৪.১৩&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| চরকাই || ০-০.৮ || ০.১৩-২.৬  || ১১ || ৩ || ১৮.৩২ || ১৭.৬০  || ২৭.৭৭ || ---&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| পাগলা || ---|| ---|| ---|| ১৩.২ || ১৬.৩৭ || ২৫.৯০ || ৩৭.৭০ || ৪৩.৩&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;ধাতব খনিজ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  খনিজ মজুত অনুসন্ধান চালিয়ে জি.এস.বি বেশ কটি সম্ভাব্য ধাতব খনিজ বলয় চিহ্নিত করতে সমর্থ হয়েছে। দেশের উত্তরপশ্চিম অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ নমুনা থেকে  [[চ্যালকোপাইরাইট|চ্যালকোপাইরাইট]], বোর্নাইট, চ্যালকোসাইট, কোভেলাইন, গ্যালেনা, স্ফালারাইটের মতো ধাতব খনিজ পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;নির্মাণ কাজের বালি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  দেশের বিভিন্ন নদনদীর তলদেশে এ বালি পাওয়া যায়। প্রধাণত মাঝারী থেকে মোটা দানাদার কোয়ার্টজ সমন্বয়ে এ বালি গঠিত। দালান, সেতু, রাস্তা ইত্যাদি নির্মাণে এ বালি ব্যাপকভাবে ব্যবহূত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;নুড়িপাথর&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  দেশের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় হিমালয়ের পাদদেশ বরাবর নুড়িপাথর পাওয়া যায়। বর্ষাকালে উজান এলাকা থেকে এসব নুড়িপাথর নদী দ্বারা বাহিত হয়ে আসে। নুড়িপাথর মজুতের মোট পরিমাণ প্রায় ১ কোটি কিউবিক মিটার। এ মজুত উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যবহার করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;গন্ডশিলা&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বাংলাদেশের বৃহত্তর রংপুর ও দিনাজপুর জেলার গন্ডশিলাসমুহ মূলত পাললিক শিলাজাত। অপরদিকে বৃহত্তর সিলেট জেলার জৈন্তাপুর ও ভোলাগঞ্জ এলাকার গন্ডশিলাসমূহের উৎসশিলা হলো আগ্নেয় বা রূপান্তরশিলা। এ সব অঞ্চল ছাড়াও সংলগ্ন পর্বতমালা থেকে উৎসারিত অসংখ্য পাহাড়ি নদীর তলদেশে ও নদীর কাছাকাছি এলাকায়ও গন্ডশিলা মজুত হয়। সিলেট, চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে এইসব পাহাড়ের অধিকাংশ অবস্থিত। টেকনাফের সমভূমি অঞ্চলের তিনটি স্থানে এবং উখিয়া উপজেলার ইনানীতে গন্ডশিলা সঞ্চিত আছে। টেকনাফ-কক্সবাজার সমুদ্রতীরের ৭টি স্থানে গন্ডশিলার আলাদা আলাদা মজুত রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;চীনামাটি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বাংলাদেশে চীনামাটির উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে। ভূ-পৃষ্ঠের উপরে বা ভূ-পৃষ্ঠের সামান্য নিচে নেত্রকোণা জেলার বিজয়পুর (২৫ লক্ষ ৭ হাজার টন), শেরপুর জেলার ভুরুংগা (১৩ হাজার টন) ও চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও, কাঞ্চপুর, এলাহাবাদ (১৮ হাজার টন) এবং ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় (১ কোটি ৫০ লক্ষ টন) চীনামাটির মজুত আবিষ্কৃত হয়েছে। চীনামাটি বলতে মূলত কেয়োলিন কাদা মণিক দিয়ে গঠিত সিরামিক শিল্পে ব্যবহার্য উন্নতমানের কাদাকে বোঝানো হয়ে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:MineralResourcesGlassSand.jpg|thumb|400px|right|কাচবালি, কুমিল্লা]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;কাচবালি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বাংলাদেশে কাচবালির উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে। ভূ-পৃষ্ঠের উপরে বা ভূ-পৃষ্ঠের সামান্য নিচে বালিজুরী (৬ লক্ষ ৪০ হাজার টন), শাহজিবাজার (১০ লক্ষ ৪০ হাজার টন) ও চৌদ্দগ্রামে (২ লক্ষ ৮৫ হাজার টন) এবং ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে মধ্যপাড়ায় (১ কোটি ৭২ লক্ষ টন) ও বড়পুকুরিয়ায় (৯ কোটি টন) কাচবালির মজুত আবিষ্কৃত হয়েছে। কাচবালি হলুদ থেকে ধুসর এবং সূক্ষ্ম থেকে মাঝারী আকারের কোয়ার্টজ দিয়ে গঠিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের উপকূলীয় বলয় ও উপকূলীয় দ্বীপসমূহে সৈকত বালির মজুত চিহ্নিত করা হয়েছে। এ সৈকত বালিতে বিভিন্ন ধরনের ভারী মনিকের মজুত রয়েছে, যেমন: জিরকন (১,৫৮,১১৭ টন), রূটাইল (৭০,২৭৪ টন), ইলমেনাইট (১০,২৫,৫৫৮ টন), লিউকক্সিন (৯৬৭০৯ টন), কায়ানাইট (৯০,৭৪৫ টন), গারনেট (২,২২,৭৬১ টন), ম্যাগনেটাইট (৮০,৫৯৯ টন) ও মোনাজাইট (১৭,৩৫২ টন)। একটি অস্ট্রেলীয় কোম্পানি এ বালি উত্তোলনের লক্ষ্যে সম্ভাব্যতা জরিপ চালানোর অনুমতি চেয়ে সরকারের কাছে আবেদন করেছে।&lt;br /&gt;
[[Image:MineralResourcesWhiteClay.jpg|thumb|400px|left|সৈকত বালি, নেত্রকোনা]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;ইটের মাটি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী জেলার প্লাইসটোসিন ও হলোসিন যুগীয় ইটের মাটির খনিজতাত্ত্বিক, রাসায়নিক ও প্রকৌশলগত গুণাগুণ বহুল প্রমাণিত। হলোসিন ও প্লাইসটোসিন এমনকি নবীন টারশিয়ারি নমুনার সামগ্রিক রাসায়নিক ও প্রকৌশলগত গুণাগুণ উত্তম মানের ইট প্রস্ত্ততের জন্য সন্তোষজনক।  [সিফাতুল কাদের চৌধুরী এবং এ.কে.এম খোরশেদ আলম]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;বাংলাদেশের খনি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  ভূগর্ভ অথবা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কয়লা, আকরিক, মূল্যবান পাথর, কঠিন শিলা ইত্যাদি উত্তোলনের প্রক্রিয়া। অবিভক্ত বাংলায় প্রথম খনি থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয় ১৭৭৪ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাণীগঞ্জ কয়লাখনি থেকে। এরপর ভারতের ঝরিয়া, বোকরাও ও করণপুরাতে অবস্থিত কয়লা খনিসমূহ থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়। ১৮৫৭ সাল থেকে ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত সময়কালে ভূতত্ত্ববিদগণ বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে কয়লাখনির অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনা ব্যক্ত করেন। ভূতাত্ত্বিকগণের উপরিউক্ত মতামতের ভিত্তি ছিল পশ্চিমবঙ্গের রাণীগঞ্জের কয়লাসমৃদ্ধ অঞ্চল এবং বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ভূগর্ভের ভূতাত্ত্বিক সামঞ্জস্য। এ সম্ভাবনা সত্ত্বেও পাকিস্তান আমলে এ অঞ্চলে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানকার্য ছিল অবহেলিত। ১৯৫৯ সালে আমেরিকার স্ট্যান্ডার্ড ভ্যাকুয়াম অয়েল কোম্পানি- স্ট্যানভাক (STANVAC) কর্তৃক তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশে তেল অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেশের বিভিন্ন স্থানে  [[কূপ|কূপ]] খনন করার সময় এদেশে উন্নতমানের খনিজ সম্পদ প্রাপ্তির অনুমান যথার্থ বলে প্রমাণিত হয়। ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে, ১৯৮৯ সালে রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে এবং ১৯৯৫ সালে দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে এবং ১৯৯৭ সালে একই জেলার জেলার ফুলবাড়ীতে কয়লাখনি আবিষ্কৃত হয়। ১৯৭৪-৭৫ সালে দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া নামক স্থানে ও সংলগ্ন এলাকায় ভূ-পৃষ্ঠের অতি অল্প গভীরতায় কঠিন শিলার খনি পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;খনি বিপর্যয়&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  খনি খনন কর্মকান্ডে মানুষ ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নানা বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশে খনি নির্মাণে পরিবেশ ও শ্রমনিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের বিষয়গুলি সাধারণভাবে খনি থেকে নিষ্কাশিত পানি দ্বারা সৃষ্ট দূষণ, পানি প্রবাহ পথে পলি ও তলানি জমা হওয়া, শব্দদূষণ, ভূমিকম্প, বায়ুদূষণ, আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডে বিঘ্ন সৃষ্টি, কৃষি জমির ক্ষতি,  [[ভূমিধস|ভূমিধস]], অগ্নিকান্ডের সম্ভাবনা ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বড়পুকুরিয়া ও মধ্যপাড়া খনি দুটির কোনোটিতেই এখন অবধি পূর্ণাঙ্গ পরিবেশের প্রভাব নিরূপণ সমীক্ষা (Environmental Impact Assesment) পরিচালিত হয় নি। খনি কর্মকান্ডের ফলে কিছু সমস্যা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রবলভাবে দেখা দিয়েছে। সেখানে ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ নির্মাণ প্রক্রিয়ার অনুষঙ্গ হিসেবে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে খনিজ বর্জ্য উত্তোলিত হয়েছে যা সন্নিহিত এলাকায় স্ত্তপাকারে জমা করা হয়েছে। খনিজ বর্জ্যের এ স্ত্তপগুলি ওই এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে খনি দুটি থেকে প্রতিদিন কয়েকশত ঘনমিটার পানি নিষ্কাশিত হচ্ছে। খনির উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে পানি নিষ্কাশনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়তে থাকবে। যদি খনির পানি যথাযথ পরিবীক্ষণ ও পরিশোধন ছাড়াই পার্শ্ববর্তী এলাকায় ফেলা অব্যাহত রাখা হয় তাহলে সেখানকার পরিবেশের ওপর এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে বাধ্য। ১৯৯৮ সালের ৫ এপ্রিল বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে আকষ্মিকভাবে ঘণ্টায় ৬০০-৮০০ ঘনমিটার হারে পানির ঢল নেমে আসায় খনি খননে বড় ধরনের বাধার সৃষ্টি হয়। ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গ বা টানেল নির্মাণের প্রয়োজনে বিষ্ফোরণ ঘটানোর পরপরই এ দুর্ঘটনা ঘটে। সুড়ঙ্গের উপরের অংশ থেকে বড় আকৃতির ভূমিধ্বস হওয়ার পর উপরের স্তরের পানি অকষ্মাৎ প্রবল বেগে নেমে এলে কর্মরত কর্মীরা তা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়। এ দুর্ঘটনার পর বড়পুকুরিয়া খনি কয়েক মাসের জন্য পানিতে নিমজ্জিত থাকে এবং পরবর্তীতে খনি থেকে পানি অপসারণের জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে বড়পুকুরিয়া খনির ভূগর্ভ থেকে প্রতি ঘণ্টায় ৩৫০-৪৫০ ঘনমিটার হারে পানি উত্তোলন অব্যাহত রেখে খনিকে আবারও নিমজ্জন থেকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। এ দুর্ঘটনার কারণে কর্তৃপক্ষ খনির নকশা পরিবর্তনে বাধ্য হয়েছে। খনির নকশা পুনরায় নির্ধারণ করায় খনির নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করতে বেশি সময় লাগবে এবং আহরণ উপযোগী কয়লা সম্পদের পরিমাণ কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কয়লা খনি অবধারিতভাবেই ধুলা ও গ্যাস সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। বড়পুকুরিয়া কয়লায় গ্যাসের উপস্থিতি নগণ্য বিধায় খনন প্রক্রিয়ায় মিথেন গ্যাস নিঃসরণ ও মিথেন গ্যাস সম্পর্কিত ঝুঁকি কম। খনি থেকে কয়লা উত্তোলনের সময় প্রচুর কয়লার গুড়াও উৎপাদিত হবে। কিন্তু উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হলে কয়লার গুড়া ও ধুলা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। খনির বায়ুদূষণ একটি উদ্বেগজনক বিষয়। কয়লা, জ্বালানি তেল ও লুব্রিকেন্ট দহনের ফলে ভূগর্ভস্থ ও ভূ-পৃষ্ঠের বাতাস দূষিত হতে পারে। কয়লা ও কঠিনশিলার খনি থেকে খনিজ আহরণ, খনিতে বিষ্ফোরণ, পরিবহণ প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত ধুলা সাধারণভাবে খনিতে কর্মরতদের ও সন্নিহিত এলাকায় বসবাসকারীদের জন্য উদ্বেগের বিষয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি স্ব-প্রজ্জ্বলন সম্ভাবনার বিবেচনায় মধ্যম ঝুঁকির পর্যায়ভুক্ত। কয়লার স্ব-প্রজ্জ্বলন একটি স্বতঃস্ফুর্ত প্রক্রিয়া, যাতে খনির কয়লা বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে সংযোজিত হয়ে তাপ, আলো এবং কার্বন-ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড ও বাষ্পের মতো বিষাক্ত গ্যাস নিঃসরণ করে। এজাতীয় স্ব-প্রজ্জ্বলন সংঘটিত হলে বড়পুকুরিয়া খনি ও তার সংলগ্ন পরিবেশে মারাত্মক বিপদ ঘটতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে গৃহীত খনন পদ্ধতিতে বড়পুকুরিয়ায় গড়ে প্রায় ৩৬ মিটার পুরু ৬নং স্তর থেকে কয়লা উত্তোলনের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। কিন্তু কয়লা উত্তোলনের ফলে ভূগর্ভে সৃষ্ট শূন্যস্থান ভরাট করার কোনো ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত পরিকল্পিত হয় নি। ভূগর্ভে সৃষ্ট শূন্যতাজনিত কারণে ভূ-উপরিস্তরের ধ্বস কিভাবে মোকাবেলা করা হবে তা স্পষ্ট নয়। কয়লাস্তরের উপরে প্রায় ১০০ মিটারেরও বেশি পুরু অদৃঢ় বালিময় ভূগর্ভস্থ টারশিয়ারী ডুপি টিলা স্তরসমষ্টির উপস্থিতির কারণে কয়লাস্তরে সৃষ্ট শূন্যতা অপূর্ণ থাকলে তা খনি ধ্বসজনিত সমস্যার সম্ভাব্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে। কয়লা আহরণে সৃষ্ট শূন্যতা পূরণের ব্যবস্থা না করলে বড়পুকুরিয়া ও সন্নিহিত এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত ভূমিধ্বস সৃষ্টি ও পরিবেশগত বিপর্যয় ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বড়পুকুরিয়া ও মধ্যপাড়া খনিতে সুড়ঙ্গ ও অন্যান্য ভূগর্ভস্থ উন্নয়ন কাজে বিপুল পরিমাণ বিষ্ফোরক ব্যবহারের ফলে খনি ও সন্নিহিত এলাকায় উল্লেখযোগ্য কম্পন সৃষ্টি হচ্ছে। মধ্যপাড়ায় প্রতিদিন ৫,৫০০ টন পাথর উৎপাদন নিশ্চিত করতে প্রায় ২,৬৭০ কিলোগ্রাম বিষ্ফোরক ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। নিয়মিত বিষ্ফোরণের কারণে খনির উপরে সন্নিহিত এলাকার পুরানো কাঠামোগুলি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ১৯৭৭-এ খনি প্রকল্পসমূহকে লাল শ্রেণিভুক্ত শিল্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সে কারণে বড়পুকুরিয়া ও মধ্যপাড়া খনি দুটিকেও বিধি অনুযায়ী ছাড়পত্র পেতে হলে পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণ রিপোর্ট, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা, বর্জ্য নিক্ষেপ ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য দলিল-পত্রাদি প্রস্ত্তত করে তা বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তরে পেশ করা প্রয়োজন।  [মো. মুশফিকুর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;আরও দেখুন&#039;&#039;  [[সৈকত বালি ভারি মণিক|সৈকত বালি ভারি মণিক]]; [[কয়লা|কয়লা]]; [[প্রাকৃতিক গ্যাস|প্রাকৃতিক গ্যাস]]; [[কঠিন শিলা|কঠিন শিলা]]; [[হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান|হাইড্রোকার্বন অনুসন্ধান]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Mineral Resources]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0&amp;diff=22028</id>
		<title>নগর গবেষণা কেন্দ্র</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0&amp;diff=22028"/>
		<updated>2026-07-09T09:31:19Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;নগর গবেষণা কেন্দ্র&#039;&#039;&#039;  (Centre for Urban Studies-CUS)  ১৯৭২ সালের ১৩ মে প্রতিষ্ঠিত একটি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। নগর গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশে নগরায়ণের সমস্যাবলি, নগরের দারিদ্র্য, বস্তি এবং অনধিকার ভূমি দখল ও বসতিস্থাপন জনিত সমস্যার দিকে নজর দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য কেন্দ্র। এটি দেশের একটি বহুবিষয় সম্পর্কিত কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, বিশেষ করে নগর বিদ্যুৎ এবং এ সম্পর্কিত সমস্যাবলির ওপর। এর প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ হলো শহরায়ন এবং উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যাসমূহ ও বিষয়াবলির উপর বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা পরিচালনা এবং এর উন্নতি বর্ধন; এ ধরনের গবেষণালব্ধ জ্ঞানের প্রচার; নগর ও আঞ্চলিক সমীা, পরিকল্পনা, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ পরিচালনা; নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা। কেন্দ্রটি গবেষণা বিষয়াবলি এবং অন্যান্য সাধারণ পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশের অভ্যন্তরের এবং বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ, বিশেষজ্ঞ, গবেষক ব্যক্তিবর্গ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহকে সহযোগিতা করে থাকে। এটি এর সদস্যগণ এবং অন্যান্য আগ্রহী ব্যক্তিবর্গকে বক্তৃতা,  সেমিনার, কর্মশালা এবং মাঠ পর্যায়ের সমীার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে। এ প্রশিক্ষণের আওতাভুক্ত বিষয় হলো নগর ও আঞ্চলিক সমস্যাবলি সম্পর্কিত তাত্ত্বিক ও পরীামূলক গবেষণার পদ্ধতি ও গবেষণা নকশা। নগর গবেষণা কেন্দ্র নগর ও আঞ্চলিক সমস্যাবলি সম্পর্কে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সংস্থাসমূহ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহকেও পরামর্শ সেবা প্রদান করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নগর গবেষণা কেন্দ্র নগর ও আঞ্চলিক গবেষণা, পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন সম্পর্কিত লেখালেখি, বইপত্র, প্রতিবেদন গবেষণাপত্র সম্বলিত গ্রন্থাগার পরিচালনা করে। গবেষকবৃন্দ এবং অন্যান্য আগ্রহী ব্যক্তিবর্গ অথবা সংগঠনসমূহকে সহায়তা প্রদানের জন্য এর রয়েছে একটি নগর তথ্য ও উপাত্ত কোষ। কেন্দ্রটির এর উদ্দেশ্যের সাথে সম্পর্কিত নিজস্ব প্রকাশনা কর্মসূচি রয়েছে। এটি নগর ও আঞ্চলিক প্রেক্ষিতে সাধারণ ও বিশেষায়িত মানচিত্র তৈরি করে।  [সুলতানা নাসরিন বেবী]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Centre for Urban Studies]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0&amp;diff=22027</id>
		<title>নগর গবেষণা কেন্দ্র</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%97%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0&amp;diff=22027"/>
		<updated>2026-07-09T09:29:31Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;নগর গবেষণা কেন্দ্র&#039;&#039;&#039;  (Centre for Urban Studies-CUS)  ১৯৭২ সালের ১৩ মে প্রতিষ্ঠিত একটি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। নগর গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশে নগরায়ণের সমস্যাবলি, নগরের দারিদ্র্য, বস্তি এবং অনধিকার ভূমি দখল ও বসতিস্থাপন জনিত সমস্যার দিকে নজর দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য কেন্দ্র। এটি দেশের একটি বহুবিষয় সম্পর্কিত কেন্দ্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, বিশেষ করে নগর বিদ্যুৎ এবং এ সম্পর্কিত সমস্যাবলির ওপর। এর প্রধান উদ্দেশ্যসমূহ হলো শহরায়ন এবং উন্নয়ন সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যাসমূহ ও বিষয়াবলির উপর বিজ্ঞানসম্মত গবেষণা পরিচালনা এবং এর উন্নতি বর্ধন; এ ধরনের গবেষণালব্ধ জ্ঞানের প্রচার; নগর ও আঞ্চলিক সমীা, পরিকল্পনা, উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ পরিচালনা; নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদান কার্যক্রম পরিচালনা। কেন্দ্রটি গবেষণা বিষয়াবলি এবং অন্যান্য সাধারণ পেশাগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশের অভ্যন্তরের এবং বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ, বিশেষজ্ঞ, গবেষক ব্যক্তিবর্গ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহকে সহযোগিতা করে থাকে। এটি এর সদস্যগণ এবং অন্যান্য আগ্রহী ব্যক্তিবর্গকে বক্তৃতা,  সেমিনার, কর্মশালা এবং মাঠ পর্যায়ের সমীার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে। এ প্রশিক্ষণের আওতাভুক্ত বিষয় হলো নগর ও আঞ্চলিক সমস্যাবলি সম্পর্কিত তাত্ত্বিক ও পরীামূলক গবেষণার পদ্ধতি ও গবেষণা নকশা। নগর গবেষণা কেন্দ্র নগর ও আঞ্চলিক সমস্যাবলি সম্পর্কে সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সংস্থাসমূহ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহকেও পরামর্শ সেবা প্রদান করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নগর গবেষণা কেন্দ্র নগর ও আঞ্চলিক গবেষণা, পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন সম্পর্কিত লেখালেখি, বইপত্র, প্রতিবেদন গবেষণাপত্র সম্বলিত গ্রন্থাগার পরিচালনা করে। গবেষকবৃন্দ এবং অন্যান্য আগ্রহী ব্যক্তিবর্গ অথবা সংগঠনসমূহকে সহায়তা প্রদানের জন্য এর রয়েছে একটি নগর তথ্য ও উপাত্ত কোষ। কেন্দ্রটির এর উদ্দেশ্যের সাথে সম্পর্কিত নিজস্ব প্রকাশনা কর্মসূচি রয়েছে। এটি নগর ও আঞ্চলিক প্রেেিত সাধারণ ও বিশেষায়িত মানচিত্র তৈরি করে।  [সুলতানা নাসরিন বেবী]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Centre for Urban Studies]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1&amp;diff=22026</id>
		<title>হার্বিসাইড</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1&amp;diff=22026"/>
		<updated>2026-07-05T05:56:07Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;হার্বিসাইড&#039;&#039;&#039; (Herbicide)  বা আগাছানশক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা শস্যক্ষেত ও বাগানে আগাছা হিসেবে জন্মানো উদ্ভিদগুলোকে বেছে বেছে মেরে ফেলে। ১৯৫০-এর দশকে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের ওপর পরিচালিত গবেষণার ফলে এমন কিছু রাসায়নিক আবিষ্কৃত হয়, যা বিভিন্ন উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের ওপর সুনির্দিষ্ট বিষাক্ত প্রভাব প্রদর্শন করে। চওড়া পাতাবিশিষ্ট আগাছা দমনে ব্যবহৃত কিছু সাধারণ আগাছানাশক হলো 2, 4 ফোসামিন (Fosamine), ডাইক্যাম্বা (Dicamba) এবং পিকলোরাম (Picloram)। আবার কিছু আগাছানাশক রয়েছে যা সুনির্দিষ্টভাবে সরু পাতাবিশিষ্ট ঘাস জাতীয় আগাছা ধ্বংস করে, যেমন- ড্যাপালোন (Dapalon)। বেশিরভাগ আগাছানাশক তরল হিসেবে স্প্রে করা হয়, তবে কিছু কিছু রাসায়নিক সারের সাথে দানাদার আকারেও প্রয়োগ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে শস্যক্ষেত থেকে অনাকাক্সিক্ষত আগাছা দূর করার কাজটি দীর্ঘদিন ধরে লাঙল ও কোদালের মতো সনাতন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। এই পদ্ধতিটি বেশ শ্রমঘন, তবে সস্তা শ্রমের সহজলভ্যতার কারণে পাট, রবিশস্য (যেমন- তামাক, টমেটো, বেগুন, মরিচ, সরিষা, ডাল ইত্যাদি) ক্ষেতের আগাছা দমনে তেমন কোনো বিশেষ সমস্যা দেখা দেয়নি। বাংলাদেশে শস্যক্ষেত এবং বাগানের আগাছা এখনো মূলত হাত দিয়েই পরিষ্কার করা হয়, যার ফলে এখানে আগাছানাশকের ব্যবহার বেশ সীমিত। বর্তমানে এর প্রধান প্রয়োগ দেখা যায় চা বাগানগুলোতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৯০-১৯৯১ সালের দিকে বাংলাদেশ প্রায় ২৪,০০০ কেজি আগাছানাশক ও ঘাস মারার ওষুধ আমদানি করেছিল। বাংলাদেশের ধানক্ষেতগুলোতে কোনো আগাছানাশক ব্যবহার করা হয় না; কারণ এ দেশের সমতল ভূপ্রকৃতির কারণে ক্ষেত থেকে পানি সহজে নেমে যেতে পারে না। ফলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কৃষিজমিতে বিষাক্ততার মাত্রা অনেক বেড়ে যাওয়ার একটা বড় ঝুঁকি থাকে। এর পরিবর্তে, সেচযুক্ত ধানক্ষেতে আগাছা নিয়ন্ত্রণের জন্য পানির স্তরকে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে প্রায় ৫০% বেশি ধরে রাখা হয়। [জিয়া উদ্দিন আহমেদ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;আরও দেখুন&#039;&#039;  [[আগাছা|আগাছা]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Herbicide]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1&amp;diff=22025</id>
		<title>হার্বিসাইড</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1&amp;diff=22025"/>
		<updated>2026-07-05T05:53:51Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;হার্বিসাইড&#039;&#039;&#039; (Herbicide)  বা আগাছানশক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা শস্যক্ষেত, বাগানে আগাছা হিসেবে জন্মানো উদ্ভিদগুলোকে বেছে বেছে মেরে ফেলে। ১৯৫০-এর দশকে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের ওপর পরিচালিত গবেষণার ফলে এমন কিছু রাসায়নিক আবিষ্কৃত হয়, যা বিভিন্ন উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের ওপর সুনির্দিষ্ট বিষাক্ত প্রভাব প্রদর্শন করে। চওড়া পাতাবিশিষ্ট আগাছা দমনে ব্যবহৃত কিছু সাধারণ আগাছানাশক হলো 2, 4 ফোসামিন (Fosamine), ডাইক্যাম্বা (Dicamba) এবং পিকলোরাম (Picloram)। আবার কিছু আগাছানাশক রয়েছে যা সুনির্দিষ্টভাবে সরু পাতাবিশিষ্ট ঘাস জাতীয় আগাছা ধ্বংস করে, যেমন- ড্যাপালোন (Dapalon)। বেশিরভাগ আগাছানাশক তরল হিসেবে স্প্রে করা হয়, তবে কিছু কিছু রাসায়নিক সারের সাথে দানাদার আকারেও প্রয়োগ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে শস্যক্ষেত থেকে অনাকাক্সিক্ষত আগাছা দূর করার কাজটি দীর্ঘদিন ধরে লাঙল ও কোদালের মতো সনাতন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। এই পদ্ধতিটি বেশ শ্রমঘন, তবে সস্তা শ্রমের সহজলভ্যতার কারণে পাট, রবিশস্য (যেমন- তামাক, টমেটো, বেগুন, মরিচ, সরিষা, ডাল ইত্যাদি) ক্ষেতের আগাছা দমনে তেমন কোনো বিশেষ সমস্যা দেখা দেয়নি। বাংলাদেশে শস্যক্ষেত এবং বাগানের আগাছা এখনো মূলত হাত দিয়েই পরিষ্কার করা হয়, যার ফলে এখানে আগাছানাশকের ব্যবহার বেশ সীমিত। বর্তমানে এর প্রধান প্রয়োগ দেখা যায় চা বাগানগুলোতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৯০-১৯৯১ সালের দিকে বাংলাদেশ প্রায় ২৪,০০০ কেজি আগাছানাশক ও ঘাস মারার ওষুধ আমদানি করেছিল। বাংলাদেশের ধানক্ষেতগুলোতে কোনো আগাছানাশক ব্যবহার করা হয় না; কারণ এ দেশের সমতল ভূপ্রকৃতির কারণে ক্ষেত থেকে পানি সহজে নেমে যেতে পারে না। ফলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কৃষিজমিতে বিষাক্ততার মাত্রা অনেক বেড়ে যাওয়ার একটা বড় ঝুঁকি থাকে। এর পরিবর্তে, সেচযুক্ত ধানক্ষেতে আগাছা নিয়ন্ত্রণের জন্য পানির স্তরকে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে প্রায় ৫০% বেশি ধরে রাখা হয়। [জিয়া উদ্দিন আহমেদ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;আরও দেখুন&#039;&#039;  [[আগাছা|আগাছা]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Herbicide]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1&amp;diff=22024</id>
		<title>হার্বিসাইড</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1&amp;diff=22024"/>
		<updated>2026-07-05T05:53:35Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;হার্বিসাইড&#039;&#039;&#039; (Herbicide)  বা আগাছানশক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা শস্যক্ষেত, বাগানে আগাছা হিসেবে জন্মানো উদ্ভিদগুলোকে বেছে বেছে মেরে ফেলে। ১৯৫০-এর দশকে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের ওপর পরিচালিত গবেষণার ফলে এমন কিছু রাসায়নিক আবিষ্কৃত হয়, যা বিভিন্ন উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের ওপর সুনির্দিষ্ট বিষাক্ত প্রভাব প্রদর্শন করে। চওড়া পাতাবিশিষ্ট আগাছা দমনে ব্যবহৃত কিছু সাধারণ আগাছানাশক হলো 2, 4 ফোসামিন (Fosamine), ডাইক্যাম্বা (Dicamba) এবং পিকলোরাম (Picloram)। আবার কিছু আগাছানাশক রয়েছে যা সুনির্দিষ্টভাবে সরু পাতাবিশিষ্ট ঘাস জাতীয় আগাছা ধ্বংস করে, যেমন- ড্যাপালোন (Dapalon)। বেশিরভাগ আগাছানাশক তরল হিসেবে স্প্রে করা হয়, তবে কিছু কিছু রাসায়নিক সারের সাথে দানাদার আকারেও প্রয়োগ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে শস্যক্ষেত থেকে অনাকাক্সিক্ষত আগাছা দূর করার কাজটি দীর্ঘদিন ধরে লাঙল ও কোদালের মতো সনাতন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। এই পদ্ধতিটি বেশ শ্রমঘন, তবে সস্তা শ্রমের সহজলভ্যতার কারণে পাট, রবিশস্য (যেমন- তামাক, টমেটো, বেগুন, মরিচ, সরিষা, ডাল ইত্যাদি) ক্ষেতের আগাছা দমনে তেমন কোনো বিশেষ সমস্যা দেখা দেয়নি। বাংলাদেশে শস্যক্ষেত এবং বাগানের আগাছা এখনো মূলত হাত দিয়েই পরিষ্কার করা হয়, যার ফলে এখানে আগাছানাশকের ব্যবহার বেশ সীমিত। বর্তমানে এর প্রধান প্রয়োগ দেখা যায় চা বাগানগুলোতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৯০-১৯৯১ সালের দিকে বাংলাদেশ প্রায় ২৪,০০০ কেজি আগাছানাশক ও ঘাস মারার ওষুধ আমদানি করেছিল। বাংলাদেশের ধানক্ষেতগুলোতে কোনো আগাছানাশক ব্যবহার করা হয় না; কারণ এ দেশের সমতল ভূপ্রকৃতির কারণে ক্ষেত থেকে পানি সহজে নেমে যেতে পারে না। ফলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কৃষিজমিতে বিষাক্ততার মাত্রা অনেক বেড়ে যাওয়ার একটা বড় ঝুঁকি থাকে। এর পরিবর্তে, সেচযুক্ত ধানক্ষেতে আগাছা নিয়ন্ত্রণের জন্য পানির স্তরকে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে প্রায় ৫০% বেশি ধরে রাখা হয়। [জিয়া উদ্দিন আহমেদ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আরও দেখুন  [[আগাছা|আগাছা]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Herbicide]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1&amp;diff=22023</id>
		<title>হার্বিসাইড</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A1&amp;diff=22023"/>
		<updated>2026-07-05T05:52:00Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;হার্বিসাইড&#039;&#039;&#039; (Herbicide)  বা আগাছানশক হলো এমন এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ যা শস্যক্ষেত, বাগানে আগাছা হিসেবে জন্মানো উদ্ভিদগুলোকে বেছে বেছে মেরে ফেলে। ১৯৫০-এর দশকে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের ওপর পরিচালিত গবেষণার ফলে এমন কিছু রাসায়নিক আবিষ্কৃত হয়, যা বিভিন্ন উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও বিকাশের ওপর সুনির্দিষ্ট বিষাক্ত প্রভাব প্রদর্শন করে। চওড়া পাতাবিশিষ্ট আগাছা দমনে ব্যবহৃত কিছু সাধারণ আগাছানাশক হলো 2, 4 ফোসামিন (Fosamine), ডাইক্যাম্বা (Dicamba) এবং পিকলোরাম (Picloram)। আবার কিছু আগাছানাশক রয়েছে যা সুনির্দিষ্টভাবে সরু পাতাবিশিষ্ট ঘাস জাতীয় আগাছা ধ্বংস করে, যেমন- ড্যাপালোন (Dapalon)। বেশিরভাগ আগাছানাশক তরল হিসেবে স্প্রে করা হয়, তবে কিছু কিছু রাসায়নিক সারের সাথে দানাদার আকারেও প্রয়োগ করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশে শস্যক্ষেত থেকে অনাকাক্সিক্ষত আগাছা দূর করার কাজটি দীর্ঘদিন ধরে লাঙল ও কোদালের মতো সনাতন পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। এই পদ্ধতিটি বেশ শ্রমঘন, তবে সস্তা শ্রমের সহজলভ্যতার কারণে পাট, রবিশস্য (যেমন- তামাক, টমেটো, বেগুন, মরিচ, সরিষা, ডাল ইত্যাদি) ক্ষেতের আগাছা দমনে তেমন কোনো বিশেষ সমস্যা দেখা দেয়নি। বাংলাদেশে শস্যক্ষেত এবং বাগানের আগাছা এখনো মূলত হাত দিয়েই পরিষ্কার করা হয়, যার ফলে এখানে আগাছানাশকের ব্যবহার বেশ সীমিত। বর্তমানে এর প্রধান প্রয়োগ দেখা যায় চা বাগানগুলোতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৯০-১৯৯১ সালের দিকে বাংলাদেশ প্রায় ২৪,০০০ কেজি আগাছানাশক ও ঘাস মারার ওষুধ আমদানি করেছিল। বাংলাদেশের ধানক্ষেতগুলোতে কোনো আগাছানাশক ব্যবহার করা হয় না; কারণ এ দেশের সমতল ভূপ্রকৃতির কারণে ক্ষেত থেকে পানি সহজে নেমে যেতে পারে না। ফলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কৃষিজমিতে বিষাক্ততার মাত্রা অনেক বেড়ে যাওয়ার একটা বড় ঝুঁকি থাকে। এর পরিবর্তে, সেচযুক্ত ধানক্ষেতে আগাছা নিয়ন্ত্রণের জন্য পানির স্তরকে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে প্রায় ৫০% বেশি ধরে রাখা হয়। [জিয়া উদ্দিন আহমেদ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Herbicide]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B0_%E0%A6%93_%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF&amp;diff=22022</id>
		<title>হাওর ও জলাভূমি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B0_%E0%A6%93_%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF&amp;diff=22022"/>
		<updated>2026-07-04T09:34:57Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;হাওর ও জলাভূমি&#039;&#039;&#039; (Haors and Wetlands) &#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাশয়সমূহ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বর্ষা আসার পরপরই বাংলাদেশের প্লাবনভূমির একটা বিরাট অংশ পানিতে ডুবে যায় এবং প্রায় চার থেকে ছ’মাস পানিতে ডুবে থাকে। যেসকল স্থান সারাবছর পানির নিচে থাকে যথা নদী, হাওর, বাওড় এবং বিল, এগুলি তার অতিরিক্ত। বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ নিম্নভূমিগুলির একেকটি হাওর নামে পরিচিত। এই এলাকা ভূতাত্বিক ’ডাউকী চ্যুতি’র কারণে ক্রমশঃ বসে গিয়ে নিচু হয়ে গেছে। সুদূর অতীতে বঙ্গোপসাগরের তীর মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে এসে ঠেকতো। ব্রহ্মপুত্র নদ এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের নদীগুলি দিয়ে বয়ে আসা পলি এই নিম্নভূমিকে ভরাট করছিলো, কিন্তু ব্রহ্মপুত্র নদ তার প্রবাহ পথ পশ্চিম দিকে সরিয়ে নিয়েছে। হাওর এবং ঐসকল নিম্নভূমিগুলি শীতকালে শুকিয়ে যায়, কিন্তু এদের মধ্যে অনেক বিল আছে, যেগুলি জলাশয় হিসেবে সারা বছর পানিতে ভরা থাকে। বাওড়গুলি হচ্ছে গঙ্গা নদীর বড় বড় শাখানদী যথা ভৈরব, কালিগঙ্গা, গড়াই ও কুমার নদের পরিত্যক্ত বাঁক। এই বাওড়গুলির সাথে অতীতে তাদের মূল নদীর প্রবাহের নিষ্কাশন সংযোগ ছিলো। কিন্তু ঐ মূল নদীগুলির মৃত্যুর কারণে অধিকাংশ বাওড় এখন সংযোগ হারিয়ে বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিল নামের নিম্নভূমিগুলি সারা দেশে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে, বিশেষ করে বড় নদীগুলোর প্লাবনভূমিতে এবং তাদের বদ্বীপ অঞ্চলে। গঙ্গা নদীর তার গতিপথ পরিবর্তন করে তিনটি বিশাল নিম্নভূমি এলাকা রেখে গেছে, এর একটি উত্তর পশ্চিমে (চলন বিল), অন্যটি মধ্য অঞ্চলে (আড়িয়াল বিল), এবং অন্যটি দক্ষিণ পশ্চিমে (গোপালগঞ্জ এলাকা)। নদীগুলোর গতি পরিবর্তন এবং ভূমি বসে যাওয়া উভয় কারণেই নিম্নভূমিগুলি গঠিত হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদীর গতি পরিবর্তন মেঘনা নদীর গতিপথের দু’ধারে নিম্নভূমি রেখে গেছে। এইসকল এলাকা বর্ষা ও শরৎকালে পানির তলায় চলে যায়। উপকূলীয় নিম্নভূমিগুলির অধিকাংশ বেড়ী বাঁধ দিয়ে ঘিরে পোল্ডার করা থাকে। বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমে সুন্দরবন অবস্থিত যা’ দেশের সবচেয়ে বড় জলাভূমি এলাকা। এখানে অজস্র খাল এবং নদী ছড়িয়ে আছে, যারা জোয়ারের সময় সাগরের লোনা পানি বয়ে নিয়ে আসে। এখানে নানা ধরনের গাছপালা ও গুল্ম জন্মায় যারা লোনা পানি সহ্য করতে পারে। এখানে সাগর এবং খাড়ি উভয় পরিবেশের মাছ পাওয়া যায়, এবং কিছু কিছু জাতের মাছ কেবল এখানেই পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জাতীয় পানিনীতি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  হাওর, বাওড়, এবং বিলগুলি একসময় মাছে পরিপূর্ণ ছিলো এবং জলজ উদ্ভিদ ও অন্যান্য প্রাণীর সমাহারে এই দেশে এক বিশেষ প্রকৃতি ও প্রতিবেশ তৈরী করতো। কিন্তু মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এগুলি নিষ্কাশিত করে চাষযোগ্য করা হয়েছে, এবং আগাম বন্যায় ফসল যাতে না ডুবতে পারে সেজন্যে চারপাশে বাঁধ দিয়ে ঘেরা হয়েছে। এসব প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করেছে, মাছ হারিয়েছে, পাখী এবং জলজ জীবন হারিয়েছে। এই ব্যবস্থা অনেক দু®প্রাপ্য পাখী ও জলজ প্রাণীর বংশ নিশ্চিহ্ন করেছে। বাংলাদেশ সরকার তার জাতীয় পানি নীতি ১৯৯৯ এর ৪.৯ ধারায় হাওর ও জলাভূমির যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের রামসার, ইরান এর জলজপাখী বিষয়ক ঐকমত্য এবং ১৯৯২ সালের রিও, ব্রাজিল এর জীববৈচিত্র বিষয়ক ঐকমত্য এর প্রতি সম্মতি দেয়ায় হারিয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহী এবং নিবেদিত। জাতীয় পানি নীতির ৪.১৩ ধারায় হাওর, বাওড় এবং বিলগুলির গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে, এবং এগুলি সংরক্ষণের জন্যে সরকারের নীতি বিবৃত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;মৌসুমী জলাভূমি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বাংলাদেশে গ্রীষ্ম থেকে বসন্ত বৃষ্টিপাতের কম বেশীর কারণে এর জলাভূমিগুলি আকারও সারাবছর মৌসুমওয়ারী কম বেশী হতে থাকে। শীত ও বসন্তে বৃষ্টিপাত সবচেয়ে কম; তাই মার্চ মাসের মধ্যে সারাদেশের নিম্নভূমি ও হ্রদগুলো থেকে পানি নিষ্কাশিত হয়ে একেবারে তলায় চলে যায়। এপ্রিল মাসে কালবৈশাখীর বৃষ্টিতে আবার এসব নিম্নভূমিগুলি ভরাট হতে শুরু করে। এই মৌসুমে কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাত হলে উত্তর পূর্বের নদীগুলোতে আগাম বন্যা দেখা দেয়। যেহেতু হাওর এলাকাগুলির ভূমির উচ্চতা অনেক কম, তাই আগাম বন্যা যে সকল স্থানে বাঁধ নেই সেসকল স্থান ভরাট করে ফেলে। যদি বন্যার পানির উচ্চতা বেড়ে যায়, তাহলে অল্প উচ্চতার বাঁধগুলি ডুবে যায়, এবং বাঁধের ভেতরের বোরো ফসল ডুবে যায়, এভাবে দেশের সমূহ ক্ষতি হয়ে যায়। মৌসুমী বন্যা আসে বাংলাদেশের দু’টি বড় নদী, গঙ্গা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানির উচ্চতা বাড়লে। এটি হয় বর্ষা ও শরৎকালে। যদিও বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ দেশের বিশাল এলাকা রক্ষা করে, নদীর পানির স্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া বাঁধের বাইরের জমিকে ডুবিয়ে দেয়, যা’ দেশের প্রায় ২০% এলাকা। এভাবে বর্ষা ও শরৎ কালে মৌসুমী জলাভূমি ১০% স্থায়ী জলাভূমির সাথে মিলে দেশের স্বাভাবিক জলাভূমি দাঁড়ায় ৩০% এলাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;প্রধান জলাভূমিসমূহ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  দেশের প্রধান জলাভূমিগুলি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত, যেখানে টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের সবচেয়ে নিচু এলাকা। সুনামগঞ্জ জেলার অন্যান্য জলাভূমিগুলির নাম হচ্ছে, সাংগাইর, জেয়ালডোবা, কালনার, খাই, দেখার, নান্দাইর, নলুয়ার, চাপতির, কালিকোটা, ভরমোহনা, হালির, পাগনার, আঙ্গুরালি, করচার, শনির, মাতিয়ান, গুরমের, কানামাইয়া, পশুয়া এবং রুই হাওর। সিলেটের প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, হাইলকার, জিলকার, পাথরচাউলি, জৈনকার, চাউলধানি, বালাই, মুরিয়া, এরালি এবং দামরির হাওর। মৌলবীবাজার জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, হাকালুকি, কাওয়াদিঘি, কারাইয়া এবং হাইল হাওর। হবিগঞ্জ জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, গুইঙ্গাজুরি, মকর, সোনাডুবি এবং আমাদির হাওর। নেত্রকোণা জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, ঘোড়াডোবা, সিঙ্গের, ডিঙ্গাপোতা, মূরালী, এবং করমোহুরী হাওর। কিশোরগঞ্জ জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, বড় দিঘা, ঢাকির, গোপ দিঘী, বাদলা, সোনাবান্ধা, ধনপুর এবং হুমাইপুর হাওর। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, মেদির, পত্তন এবং আকাশি শাপলা হাওর। হাওর ছাড়াও দেশব্যাপী বেশ কিছু বড় বিল আছে যথা, চাঁদপুরে ঘুঘুরাজলা, খুলনার বিল ডাকাতিয়া, সাতক্ষীরার মথুরা বিল, বাগেরহাটের কেন্দুয়া বিল, গোপালগঞ্জের বাঘিয়া বিল, পিরোজপুরের চাতার বিল, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভেওয়া বিল, রাজশাহী ও নাটোরের চলন বিল, সিরাজগঞ্জের লাউতরার পাথার, পাবনার ঘুঘুদহ বিল ও গন্ডহস্তী বিল এবং ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভূমির মাটি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  মৌসুমী জলাভূমিগুলি যেহেতু নদীর প্লাবনভূমি, তাই এগুলি বালিমাটি বা পলিমাটি বা উভয়ের মিশ্রিত মাটিতে পূর্ণ থাকে। এর কোন কোন অংশে কাদামাটি থাকে যা’ নদীবাহিত হয়ে কোন অংশে এসে জমে। কিন্তু বছরব্যাপী জলাভূমিতে থাকে জৈব উপাদানে পরিপূর্ণ কাদামাটির পুরু স্তর। এর কারণ নদী দূরবর্তী উৎস থেকে সুক্ষ্ম কণা ও কাদা বহন করে এনে নদী থেকে দূরে অভ্যন্তরীণ নিম্নভূমিতে জমা করে। বছরব্যাপী জলাভূমিতে আরও জমে ভাসমান জৈব পদার্থ এবং জলজ উদ্ভিদের মরা ফসিল। যে সকল মাটিতে ফসিলের পরিমাণ বেশী সেসকল মাটিকে পিট কয়লা মিশ্রিত মাটি বলা হয়। এগুলি মরা গাছপালার অর্ধকার্বনিকৃত অশক্ত স্তর, যার মধ্যে ৬০% কার্বন এবং ৩০% অক্সিজেন থাকে। দেশের দু’টি এলাকা, যথা, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট এবং পিরোজপুর এলাকা এবং সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ এলাকায় পিট কয়লার মাটি ভূমির কাছাকাছি কয়েক মিটার গভীরেই পাওয়া যায়। পিট কয়লার মাটি কখনো অন্যান্য জলাভূমিগুলির চারপাশেও কিছুটা পলি বা বালিমাটির তলায় পাওয়া যায়। এগুলি হয় যখন পার্শ্ববর্তী নদী তার প্রবাহপথ ত্যাগ করে নিকটে আসে, এবং বন্যার সময় বালি ও পলি বহন করে এনে ফসিল মাটিকে চাপা দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভূমির উদ্ভিদ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  হাওর এলাকার উদ্ভিদ এরকম যে, তারা পানির তলায় বাঁচতে পারে, অথবা দীর্ঘ বন্যায় টিকে থাকতে পারে। কিছু কিছু উদ্ভিদ দেশের অন্যান্য এলাকার নিম্নভূমিতেও পাওয়া যায়। ডুবে যাওয়া উদ্ভিদগুলি হচ্ছে, পানিকোলা, ঘেচু; ভাসমান উদ্ভিদ হচ্ছে, কচুরিপানা, কুরিপানা; শিকড় গাড়া উদ্ভিদ হচ্ছে, শাপলা, পানিফল, মাখনা; প্লাবনভূমির উদ্ভিদ হচ্ছে, বিন্না, খাগ, নলখাগড়া; জলাভূমির বন হচ্ছে, হিজল, করচ, বরুণ ইত্যাদি। বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল আছে, যেসব স্থান জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাসে ডুবে যায়। এর অধিকাংশ এলাকা বাঁধ দিয়ে ঠেকানো হয়েছে। যেসকল এলাকা ঠেকানো নেই সেখানে বাদাবন আছে। দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সুন্দরবন এই রকমই একটি বন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভুমির পাখি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  উত্তর পূর্বাঞ্চলের জলাভুমিগুলি পরিযায়ী পাখিদের আবাস স্থল হিসেবে বিশ্ব বিখ্যাত। এই বিখ্যাত জলাভূমিগুলি হচ্ছে, টাঙ্গুয়ার হাওর, পশুয়া বিল, গুরমের হাওর, কাকালুকি হাওর, খালিয়াজুরি এলাকা, কোম্পানীগঞ্জ এলাকা, বড় হাওর, কাওয়াদিঘী হাওর এবং বালাই হাওর। রামসার কনভেনশন যা’ জলজ পাখির আবাসস্থল হিসেবে জলাভূমিগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে, তা’ ছিলো ১৯৭১ সালে ইরানের রামসারে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সভার ফল। এই কনভেনশন জলাভূমিতে পাখি গণনার এটি বিশেষ সীমা চূড়ান্ত করে যার ভিত্তিতে কোনগুলিকে আন্তর্জাতিক গুরুত্ব দেয়া যায়। এগুলি হলো যখন কোন জলাভূমি নিয়মিতভাবে ২০,০০০ জলজ পাখি ধারন করে; অথবা নিয়মিতভাবে কয়েকটি পরিবারের বহু সংখ্যক পাখি ধারন করে, যা’ ঐ জলাভূমির গুরুত্বের লক্ষণ, বৈচিত্র এবং ক্ষমতা বিষয় নির্দেশ করে; অথবা যেখানে পাখির গণনা করা হয়, এবং দেখা যায় ঐ জলাভূমি কোন জলজ পাখি পরিবারের ১% পাখির নিয়মিত আবাসস্থল। ফ্লাড একশন প্লান করার সময় (ফ্যাপ ৬) উত্তর পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় ফেব্র“য়ারী-মার্চ ১৯৯২ এবং এপ্রিল-মে ১৯৯২ দু’টি পাখি গণনা করা হয়। দেখা যায়, কেবলমাত্র দু’টি এলাকা যথা, টাঙ্গুয়ার হাওর এবং হাকালুকি হাওর ২০,০০০ এর বেশী জলজ পাখি ধারন করে। টাঙ্গুয়ার হাওর এবং সুন্দরবনকে সংরক্ষণ করার জন্য বর্তমানে তারা রামসার সাইট হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। পরিবেশ অধিদপ্তর ২০০০ সালে হাকালুকি হাওরকে এর জীববৈচিত্র রক্ষার জন্য Environmentally Critical Area হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
Bangladesh Birds Club ১৯৮৭ সাল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পাখি এলাকায় পাখি গণনা করে। এরা ২০০২ থেকে ২০০৪ সালে মোট ৬১টি এই ধরনের সাইটে পাখি গণনা করে যা’ ২০০৭ সালে &#039;&#039;Wetlands International, Malaysia এর Asian Waterbird Census&#039;&#039; শীর্ষক বইয়ে প্রকাশিত হয়েছে। এই ৬১টি সাইটের মধ্যে ২৭টি বরিশাল, ১০টি চট্টগ্রাম, ৭টি ঢাকা, ২টি খুলনা, ৫টি রাজশাহী এবং ১২টি সিলেট বিভাগে অবস্থিত। বাংলাদেশ বার্ডস ক্লাব ২৯৪,৮০৮টি পাখি ২০০২ সালে ৩৩টি সাইটে, ৪২৮,৬৭৪টি পাখি ২০০৩ সালে ৩০টি সাইটে এবং ৫৭০,৮৯৩টি পাখি ২০০৪ সালে ৪২টি সাইটে গণনা করে। তারা এই গণনায় ১০৫টি প্রজাতির জলজ পাখি, ৭টি প্রজাতির মাছরাঙ্গা এবং ১১টি প্রজাতির শিকারী পাখির সন্ধান পায়। তারা দেখে, জলজ পাখিদের প্রধান হুমকিগুলি হচ্ছে অগ্রসরমান কৃষি, জলাভূমির নিষ্কাশন, দেশীয় গাছপালা বিদায় করে দিয়ে বিদেশী গাছপালা লাগানো এবং অবৈধভাবে পাখি ধরা এবং মারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভূমির ফসল&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বাংলা পঞ্জিকা একটি স্পষ্ট ফসলী পঞ্জিকা, যা’ চার মাস করে আউশ, আমন এবং রবি নামের তিনটি ফসলী মৌসুমে ভাগ করা আছে। ঐতিহ্যগতভাবে আউশ ফসল উঁচু ভূমিতে চাষ হয়। আমন ফসল চাষ হয় জলাভূমিগুলির আশে পাশে যেসব এলাকা বন্যার সময় ডুবে যায়। নিম্নভূমিগুলির তলা এবং জলাভূমিগুলিতে জৈব উপাদান জমা হওয়ায় প্রচুর উর্বর থাকে। যে সকল ধান শীতকালে হাঁটুপানির জলাভূমি এলাকায় আবাদ করা হয় তাদেরকে বোরো ধান বলা হয়। জলাভূমিগুলি নিষ্কাশিত করে এবং সেখানকার জমি আবাদযোগ্য করে বোরো ধান করার এলাকা বৃদ্ধি করা যায়। এভাবে, বিভিন্ন উচ্চ ফলনশীল জাতের আউশ ধানকেও বাছাই করে রবি মৌসুমের শেষে অথবা আউশ মৌসুমের পূর্বেই লাগানো হয়ে থাকে। এই ধরনের চাষকে এখন বোরো ধানের চাষ হিসেবেই গণ্য করা হয়। এসব ধানে ভূগর্ভস্থ জল তুলে অথবা পার্শ্ববর্তী নদী থেকে পানি তুলে সেচ দেয়া হয়। সমস্যা হলো, যদি দেরী হয়ে হয়ে যায় তা’হলে এই বোরো ধান গ্রীষ্মের আগাম বন্যায় মার খেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বোরো মৌসুমে যেসকল ধান উৎপন্ন হয়, তাদের মধ্যে হাসি (বিআর-১৭), শাহজালাল (বিআর-১৮) এবং মঙ্গল (বিআর-১৯) প্রজাতির ধান হাওর এলাকায় চাষের জন্যে শ্রেয়। এইসকল প্রজাতির ধানের জীবনকাল কম; তাই, বসন্ত শেষ হবার কালে সম্ভাব্য আগাম বন্যার আগেই কেটে নেয়া যেতে পারে। সাম্প্রতিক কালে বিআর-১৪, বিআর-২৬, বিআর-২৯, ইত্যাদি প্রজাতির কিছু ধান হাওর এলাকায় প্রবেশ করানো হয়েছে, যাদের ফলন অনেক বেশী। কিন্তু এসব ধান চাষে অন্যদের চেয়ে বেশী বন্যার ঝুঁকি নিতে হয়, কারণ তাদের জীবনকাল বেশী। বোরো ধান চাষে উৎপাদন বেশী হয়, যথা এর বর্তমান গড় উৎপাদন ৩.৫৮ টন প্রতি একর, যেখানে আউশ ও আমনের গড় ২.০৬ টন প্রতি একর। এই উৎপাদন ৪.০ থেকে ৫.০ টন প্রতি একর করা যায়, যদি অধিকতর জমিতে বোরো চাষ বিস্তৃত করা যায়, এবং ভালো পানি ব্যবস্থাপনার সাথে প্রতি হেক্টরে বেশী সার দেয়া যায় (৩০০ থেকে ৩৫০ কেজি)। আমাদের দেশে জমিতে সার দেবার বর্তমান গড় পরিমাণ ৬০ কেজি প্রতি হেক্টর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভূমি সংরক্ষণ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  নদীসমূহের উজানে অবস্থিত জলাভূমি ঐ নদীর জলের উৎস এবং আধার। এইসব জলাভূমির নিষ্কাশন পথ থাকে যা’ নদীদের উৎপত্তি স্থল। সকল নদীমুখে একটি তলানি প্রবাহ থাকে, যা’ এত কম হতে পারে যে তা’ নদীর তলদেশের মাটির তলা দিয়েও প্রবাহিত হতে পারে, এবং ভাটিতে কোথায়ও গিয়ে তা’ বেরিয়ে আসবে। যা’হোক, জলাভূমি গুলোর আধার ক্রমশঃ তাদের তীরবর্তী এলাকায় অতি উত্তোলনের ফলে এবং তাদের বাহির পথ দিয়ে অতি নিষ্কাশনের জন্যে ক্ষীয়মান হয়ে যাচ্ছে। ভূপরিস্থ জলাধার থেকে অতি উত্তোলন সাধারণতঃ সেচের জন্যে করা হয়ে থাকে। আর, কোন জলাধারের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে সেচ বা জল সরবরাহের জন্যে যদি ভূগর্ভস্থ জলের অতি উত্তোলন করা হয়, তাহলে জলাধারের পানি মাটির গভীরে বেশী প্রবেশ করবে ও জলাধারের পানির উচ্চতা নেমে যাবে। বাংলাদেশের উত্তর, পশ্চিম ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বহু জলাভূমি এই ধরনের উত্তোলনের ফলে শুকিয়ে গেছে। জলাভূমি গুলির নিষ্কাশন খালের পলি অপসারণের নামে কখোনো শ্রমিক লাগিয়ে কখোনো যান্ত্রিক ড্রেজার লাগিয়ে এগুলি কেটে অতি নিষ্কাশন করা হয়। । এটাই হলো জলাভূমি সমূহের শুকিয়ে যাওয়া আর পরিবেশের ক্ষতি হবার মূল কারণ। এটি বর্তমানে একটি মারাত্মক সমস্যা। চাষের জমি বৃদ্ধির নামে অতি নিষ্কাশন করায় প্রধানতঃ উত্তর পূর্বাঞ্চলসহ বাংলাদেশের বহু স্থানে অনেক জলাভূমি শুকিয়ে গিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;হাওরের বাঁধ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  হাওর এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্যে নদী তীরে যে বাঁধ নির্মাণ করা হয় তা’ অল্প উচ্চতার হয় এবং তাতে নিষ্কাশন কাঠামো থাকে। হঠাৎ বৃষ্টি হলে বাঁধের ভেতরের পানি এই কাঠামো দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে। কিন্তু গ্রীষ্মের শুরুতে হঠাৎ বন্যা এসে গেলে তা’ এই নিষ্কাশন পথ রোধ করে দেয়। তাই চাষীরা ধান পাকার সময় ভীষণ ঝুঁকির মধ্যে থাকে, কারণ ঐ সময় জলাভূমির বিস্তীর্ণ এলাকা ৩ থেকে ৬ মিটার বৃষ্টির পানি অথবা বন্যার পানিতে কয়েক দিনের মধ্যে ডুবে যেতে পারে। বসন্ত ঋতু শেষ হলেই নদীতে বন্যার পানি আসতে শুরু করে। উত্তর পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকাগুলি খুবই নিচু, সুনামগঞ্জ জেলার ভূমি গড় সমুদ্রতল থেকে মাত্র ২ থেকে ৪ মিটার উপরে অবস্থিত। তাই উত্তর পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধের জন্য গৃহিত ব্যবস্থা (বন্যায় ডুবে যাওয়া বাঁধ) যথাযথ মনে হয়। যেহেতু এলাকাগুলি নিচু, তাই এসব এলাকা কেবল শীতকালেই জেগে ওঠা সম্ভব, যখন নদীতে পানিতে কম থাকে। তাই হাওর এলাকাগুলি বছরে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য একটি ফসলেরই উপযোগী।  [ম. ইনামুল হক]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;আরও দেখুন&#039;&#039;  [[জলাভূমি|জলাভূমি]].&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Haors and Wetlands]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B0_%E0%A6%93_%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF&amp;diff=22021</id>
		<title>হাওর ও জলাভূমি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A6%B0_%E0%A6%93_%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%BF&amp;diff=22021"/>
		<updated>2026-07-04T09:33:59Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;হাওর ও জলাভূমি&#039;&#039;&#039; (Haors and Wetlands) &#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাশয়সমূহ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বর্ষা আসার পরপরই বাংলাদেশের প্লাবনভূমির একটা বিরাট অংশ পানিতে ডুবে যায় এবং প্রায় চার থেকে ছ’মাস পানিতে ডুবে থাকে। যেসকল স্থান সারাবছর পানির নিচে থাকে যথা নদী, হাওর, বাওড় এবং বিল, এগুলি তার অতিরিক্ত। বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ নিম্নভূমিগুলির একেকটি হাওর নামে পরিচিত। এই এলাকা ভূতাত্বিক ’ডাউকী চ্যুতি’র কারণে ক্রমশঃ বসে গিয়ে নিচু হয়ে গেছে। সুদূর অতীতে বঙ্গোপসাগরের তীর মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে এসে ঠেকতো। ব্রহ্মপুত্র নদ এবং উত্তর পূর্বাঞ্চলের নদীগুলি দিয়ে বয়ে আসা পলি এই নিম্নভূমিকে ভরাট করছিলো, কিন্তু ব্রহ্মপুত্র নদ তার প্রবাহ পথ পশ্চিম দিকে সরিয়ে নিয়েছে। হাওর এবং ঐসকল নিম্নভূমিগুলি শীতকালে শুকিয়ে যায়, কিন্তু এদের মধ্যে অনেক বিল আছে, যেগুলি জলাশয় হিসেবে সারা বছর পানিতে ভরা থাকে। বাওড়গুলি হচ্ছে গঙ্গা নদীর বড় বড় শাখানদী যথা ভৈরব, কালিগঙ্গা, গড়াই ও কুমার নদের পরিত্যক্ত বাঁক। এই বাওড়গুলির সাথে অতীতে তাদের মূল নদীর প্রবাহের নিষ্কাশন সংযোগ ছিলো। কিন্তু ঐ মূল নদীগুলির মৃত্যুর কারণে অধিকাংশ বাওড় এখন সংযোগ হারিয়ে বদ্ধ জলাশয়ে পরিণত হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিল নামের নিম্নভূমিগুলি সারা দেশে সর্বত্র ছড়িয়ে আছে, বিশেষ করে বড় নদীগুলোর প্লাবনভূমিতে এবং তাদের বদ্বীপ অঞ্চলে। গঙ্গা নদীর তার গতিপথ পরিবর্তন করে তিনটি বিশাল নিম্নভূমি এলাকা রেখে গেছে, এর একটি উত্তর পশ্চিমে (চলন বিল), অন্যটি মধ্য অঞ্চলে (আড়িয়াল বিল), এবং অন্যটি দক্ষিণ পশ্চিমে (গোপালগঞ্জ এলাকা)। নদীগুলোর গতি পরিবর্তন এবং ভূমি বসে যাওয়া উভয় কারণেই নিম্নভূমিগুলি গঠিত হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদীর গতি পরিবর্তন মেঘনা নদীর গতিপথের দু’ধারে নিম্নভূমি রেখে গেছে। এইসকল এলাকা বর্ষা ও শরৎকালে পানির তলায় চলে যায়। উপকূলীয় নিম্নভূমিগুলির অধিকাংশ বেড়ী বাঁধ দিয়ে ঘিরে পোল্ডার করা থাকে। বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমে সুন্দরবন অবস্থিত যা’ দেশের সবচেয়ে বড় জলাভূমি এলাকা। এখানে অজস্র খাল এবং নদী ছড়িয়ে আছে, যারা জোয়ারের সময় সাগরের লোনা পানি বয়ে নিয়ে আসে। এখানে নানা ধরনের গাছপালা ও গুল্ম জন্মায় যারা লোনা পানি সহ্য করতে পারে। এখানে সাগর এবং খাড়ি উভয় পরিবেশের মাছ পাওয়া যায়, এবং কিছু কিছু জাতের মাছ কেবল এখানেই পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জাতীয় পানিনীতি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  হাওর, বাওড়, এবং বিলগুলি একসময় মাছে পরিপূর্ণ ছিলো এবং জলজ উদ্ভিদ ও অন্যান্য প্রাণীর সমাহারে এই দেশে এক বিশেষ প্রকৃতি ও প্রতিবেশ তৈরী করতো। কিন্তু মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এগুলি নিষ্কাশিত করে চাষযোগ্য করা হয়েছে, এবং আগাম বন্যায় ফসল যাতে না ডুবতে পারে সেজন্যে চারপাশে বাঁধ দিয়ে ঘেরা হয়েছে। এসব প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করেছে, মাছ হারিয়েছে, পাখী এবং জলজ জীবন হারিয়েছে। এই ব্যবস্থা অনেক দু®প্রাপ্য পাখী ও জলজ প্রাণীর বংশ নিশ্চিহ্ন করেছে। বাংলাদেশ সরকার তার জাতীয় পানি নীতি ১৯৯৯ এর ৪.৯ ধারায় হাওর ও জলাভূমির যথাযথ গুরুত্ব দিয়েছে। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের রামসার, ইরান এর জলজপাখী বিষয়ক ঐকমত্য এবং ১৯৯২ সালের রিও, ব্রাজিল এর জীববৈচিত্র বিষয়ক ঐকমত্য এর প্রতি সম্মতি দেয়ায় হারিয়ে যাওয়া প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরে পাওয়ার ব্যাপারে বিশেষ আগ্রহী এবং নিবেদিত। জাতীয় পানি নীতির ৪.১৩ ধারায় হাওর, বাওড় এবং বিলগুলির গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে বলা হয়েছে, এবং এগুলি সংরক্ষণের জন্যে সরকারের নীতি বিবৃত করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;মৌসুমী জলাভূমি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বাংলাদেশে গ্রীষ্ম থেকে বসন্ত বৃষ্টিপাতের কম বেশীর কারণে এর জলাভূমিগুলি আকারও সারাবছর মৌসুমওয়ারী কম বেশী হতে থাকে। শীত ও বসন্তে বৃষ্টিপাত সবচেয়ে কম; তাই মার্চ মাসের মধ্যে সারাদেশের নিম্নভূমি ও হ্রদগুলো থেকে পানি নিষ্কাশিত হয়ে একেবারে তলায় চলে যায়। এপ্রিল মাসে কালবৈশাখীর বৃষ্টিতে আবার এসব নিম্নভূমিগুলি ভরাট হতে শুরু করে। এই মৌসুমে কয়েকদিন ধরে বৃষ্টিপাত হলে উত্তর পূর্বের নদীগুলোতে আগাম বন্যা দেখা দেয়। যেহেতু হাওর এলাকাগুলির ভূমির উচ্চতা অনেক কম, তাই আগাম বন্যা যে সকল স্থানে বাঁধ নেই সেসকল স্থান ভরাট করে ফেলে। যদি বন্যার পানির উচ্চতা বেড়ে যায়, তাহলে অল্প উচ্চতার বাঁধগুলি ডুবে যায়, এবং বাঁধের ভেতরের বোরো ফসল ডুবে যায়, এভাবে দেশের সমূহ ক্ষতি হয়ে যায়। মৌসুমী বন্যা আসে বাংলাদেশের দু’টি বড় নদী, গঙ্গা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানির উচ্চতা বাড়লে। এটি হয় বর্ষা ও শরৎকালে। যদিও বন্যা প্রতিরোধ বাঁধ দেশের বিশাল এলাকা রক্ষা করে, নদীর পানির স্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া বাঁধের বাইরের জমিকে ডুবিয়ে দেয়, যা’ দেশের প্রায় ২০% এলাকা। এভাবে বর্ষা ও শরৎ কালে মৌসুমী জলাভূমি ১০% স্থায়ী জলাভূমির সাথে মিলে দেশের স্বাভাবিক জলাভূমি দাঁড়ায় ৩০% এলাকা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;প্রধান জলাভূমিসমূহ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  দেশের প্রধান জলাভূমিগুলি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত, যেখানে টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের সবচেয়ে নিচু এলাকা। সুনামগঞ্জ জেলার অন্যান্য জলাভূমিগুলির নাম হচ্ছে, সাংগাইর, জেয়ালডোবা, কালনার, খাই, দেখার, নান্দাইর, নলুয়ার, চাপতির, কালিকোটা, ভরমোহনা, হালির, পাগনার, আঙ্গুরালি, করচার, শনির, মাতিয়ান, গুরমের, কানামাইয়া, পশুয়া এবং রুই হাওর। সিলেটের প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, হাইলকার, জিলকার, পাথরচাউলি, জৈনকার, চাউলধানি, বালাই, মুরিয়া, এরালি এবং দামরির হাওর। মৌলবীবাজার জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, হাকালুকি, কাওয়াদিঘি, কারাইয়া এবং হাইল হাওর। হবিগঞ্জ জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, গুইঙ্গাজুরি, মকর, সোনাডুবি এবং আমাদির হাওর। নেত্রকোণা জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, ঘোড়াডোবা, সিঙ্গের, ডিঙ্গাপোতা, মূরালী, এবং করমোহুরী হাওর। কিশোরগঞ্জ জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, বড় দিঘা, ঢাকির, গোপ দিঘী, বাদলা, সোনাবান্ধা, ধনপুর এবং হুমাইপুর হাওর। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার প্রধান জলাভূমি হচ্ছে, মেদির, পত্তন এবং আকাশি শাপলা হাওর। হাওর ছাড়াও দেশব্যাপী বেশ কিছু বড় বিল আছে যথা, চাঁদপুরে ঘুঘুরাজলা, খুলনার বিল ডাকাতিয়া, সাতক্ষীরার মথুরা বিল, বাগেরহাটের কেন্দুয়া বিল, গোপালগঞ্জের বাঘিয়া বিল, পিরোজপুরের চাতার বিল, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভেওয়া বিল, রাজশাহী ও নাটোরের চলন বিল, সিরাজগঞ্জের লাউতরার পাথার, পাবনার ঘুঘুদহ বিল ও গন্ডহস্তী বিল এবং ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জের আড়িয়াল বিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভূমির মাটি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  মৌসুমী জলাভূমিগুলি যেহেতু নদীর প্লাবনভূমি, তাই এগুলি বালিমাটি বা পলিমাটি বা উভয়ের মিশ্রিত মাটিতে পূর্ণ থাকে। এর কোন কোন অংশে কাদামাটি থাকে যা’ নদীবাহিত হয়ে কোন অংশে এসে জমে। কিন্তু বছরব্যাপী জলাভূমিতে থাকে জৈব উপাদানে পরিপূর্ণ কাদামাটির পুরু স্তর। এর কারণ নদী দূরবর্তী উৎস থেকে সুক্ষ্ম কণা ও কাদা বহন করে এনে নদী থেকে দূরে অভ্যন্তরীণ নিম্নভূমিতে জমা করে। বছরব্যাপী জলাভূমিতে আরও জমে ভাসমান জৈব পদার্থ এবং জলজ উদ্ভিদের মরা ফসিল। যে সকল মাটিতে ফসিলের পরিমাণ বেশী সেসকল মাটিকে পিট কয়লা মিশ্রিত মাটি বলা হয়। এগুলি মরা গাছপালার অর্ধকার্বনিকৃত অশক্ত স্তর, যার মধ্যে ৬০% কার্বন এবং ৩০% অক্সিজেন থাকে। দেশের দু’টি এলাকা, যথা, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, নড়াইল, খুলনা, বাগেরহাট এবং পিরোজপুর এলাকা এবং সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ এলাকায় পিট কয়লার মাটি ভূমির কাছাকাছি কয়েক মিটার গভীরেই পাওয়া যায়। পিট কয়লার মাটি কখনো অন্যান্য জলাভূমিগুলির চারপাশেও কিছুটা পলি বা বালিমাটির তলায় পাওয়া যায়। এগুলি হয় যখন পার্শ্ববর্তী নদী তার প্রবাহপথ ত্যাগ করে নিকটে আসে, এবং বন্যার সময় বালি ও পলি বহন করে এনে ফসিল মাটিকে চাপা দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভূমির উদ্ভিদ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  হাওর এলাকার উদ্ভিদ এরকম যে, তারা পানির তলায় বাঁচতে পারে, অথবা দীর্ঘ বন্যায় টিকে থাকতে পারে। কিছু কিছু উদ্ভিদ দেশের অন্যান্য এলাকার নিম্নভূমিতেও পাওয়া যায়। ডুবে যাওয়া উদ্ভিদগুলি হচ্ছে, পানিকোলা, ঘেচু; ভাসমান উদ্ভিদ হচ্ছে, কচুরিপানা, কুরিপানা; শিকড় গাড়া উদ্ভিদ হচ্ছে, শাপলা, পানিফল, মাখনা; প্লাবনভূমির উদ্ভিদ হচ্ছে, বিন্না, খাগ, নলখাগড়া; জলাভূমির বন হচ্ছে, হিজল, করচ, বরুণ ইত্যাদি। বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চল আছে, যেসব স্থান জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাসে ডুবে যায়। এর অধিকাংশ এলাকা বাঁধ দিয়ে ঠেকানো হয়েছে। যেসকল এলাকা ঠেকানো নেই সেখানে বাদাবন আছে। দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সুন্দরবন এই রকমই একটি বন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভুমির পাখি&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  উত্তর পূর্বাঞ্চলের জলাভুমিগুলি পরিযায়ী পাখিদের আবাস স্থল হিসেবে বিশ্ব বিখ্যাত। এই বিখ্যাত জলাভূমিগুলি হচ্ছে, টাঙ্গুয়ার হাওর, পশুয়া বিল, গুরমের হাওর, কাকালুকি হাওর, খালিয়াজুরি এলাকা, কোম্পানীগঞ্জ এলাকা, বড় হাওর, কাওয়াদিঘী হাওর এবং বালাই হাওর। রামসার কনভেনশন যা’ জলজ পাখির আবাসস্থল হিসেবে জলাভূমিগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে, তা’ ছিলো ১৯৭১ সালে ইরানের রামসারে অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক সভার ফল। এই কনভেনশন জলাভূমিতে পাখি গণনার এটি বিশেষ সীমা চূড়ান্ত করে যার ভিত্তিতে কোনগুলিকে আন্তর্জাতিক গুরুত্ব দেয়া যায়। এগুলি হলো যখন কোন জলাভূমি নিয়মিতভাবে ২০,০০০ জলজ পাখি ধারন করে; অথবা নিয়মিতভাবে কয়েকটি পরিবারের বহু সংখ্যক পাখি ধারন করে, যা’ ঐ জলাভূমির গুরুত্বের লক্ষণ, বৈচিত্র এবং ক্ষমতা বিষয় নির্দেশ করে; অথবা যেখানে পাখির গণনা করা হয়, এবং দেখা যায় ঐ জলাভূমি কোন জলজ পাখি পরিবারের ১% পাখির নিয়মিত আবাসস্থল। ফ্লাড একশন প্লান করার সময় (ফ্যাপ ৬) উত্তর পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় ফেব্র“য়ারী-মার্চ ১৯৯২ এবং এপ্রিল-মে ১৯৯২ দু’টি পাখি গণনা করা হয়। দেখা যায়, কেবলমাত্র দু’টি এলাকা যথা, টাঙ্গুয়ার হাওর এবং হাকালুকি হাওর ২০,০০০ এর বেশী জলজ পাখি ধারন করে। টাঙ্গুয়ার হাওর এবং সুন্দরবনকে সংরক্ষণ করার জন্য বর্তমানে তারা রামসার সাইট হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। পরিবেশ অধিদপ্তর ২০০০ সালে হাকালুকি হাওরকে এর জীববৈচিত্র রক্ষার জন্য Environmentally Critical Area হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
Bangladesh Birds Club ১৯৮৭ সাল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পাখি এলাকায় পাখি গণনা করে। এরা ২০০২ থেকে ২০০৪ সালে মোট ৬১টি এই ধরনের সাইটে পাখি গণনা করে যা’ ২০০৭ সালে &#039;&#039;Wetlands International, Malaysia এর Asian Waterbird Census&#039;&#039; শীর্ষক বইয়ে প্রকাশিত হয়েছে। এই ৬১টি সাইটের মধ্যে ২৭টি বরিশাল, ১০টি চট্টগ্রাম, ৭টি ঢাকা, ২টি খুলনা, ৫টি রাজশাহী এবং ১২টি সিলেট বিভাগে অবস্থিত। বাংলাদেশ বার্ডস ক্লাব ২৯৪,৮০৮টি পাখি ২০০২ সালে ৩৩টি সাইটে, ৪২৮,৬৭৪টি পাখি ২০০৩ সালে ৩০টি সাইটে এবং ৫৭০,৮৯৩টি পাখি ২০০৪ সালে ৪২টি সাইটে গণনা করে। তারা এই গণনায় ১০৫টি প্রজাতির জলজ পাখি, ৭টি প্রজাতির মাছরাঙ্গা এবং ১১টি প্রজাতির শিকারী পাখির সন্ধান পায়। তারা দেখে, জলজ পাখিদের প্রধান হুমকিগুলি হচ্ছে অগ্রসরমান কৃষি, জলাভূমির নিষ্কাশন, দেশীয় গাছপালা বিদায় করে দিয়ে বিদেশী গাছপালা লাগানো এবং অবৈধভাবে পাখি ধরা এবং মারা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভূমির ফসল&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  বাংলা পঞ্জিকা একটি স্পষ্ট ফসলী পঞ্জিকা, যা’ চার মাস করে আউশ, আমন এবং রবি নামের তিনটি ফসলী মৌসুমে ভাগ করা আছে। ঐতিহ্যগতভাবে আউশ ফসল উঁচু ভূমিতে চাষ হয়। আমন ফসল চাষ হয় জলাভূমিগুলির আশে পাশে যেসব এলাকা বন্যার সময় ডুবে যায়। নিম্নভূমিগুলির তলা এবং জলাভূমিগুলিতে জৈব উপাদান জমা হওয়ায় প্রচুর উর্বর থাকে। যে সকল ধান শীতকালে হাঁটুপানির জলাভূমি এলাকায় আবাদ করা হয় তাদেরকে বোরো ধান বলা হয়। জলাভূমিগুলি নিষ্কাশিত করে এবং সেখানকার জমি আবাদযোগ্য করে বোরো ধান করার এলাকা বৃদ্ধি করা যায়। এভাবে, বিভিন্ন উচ্চ ফলনশীল জাতের আউশ ধানকেও বাছাই করে রবি মৌসুমের শেষে অথবা আউশ মৌসুমের পূর্বেই লাগানো হয়ে থাকে। এই ধরনের চাষকে এখন বোরো ধানের চাষ হিসেবেই গণ্য করা হয়। এসব ধানে ভূগর্ভস্থ জল তুলে অথবা পার্শ্ববর্তী নদী থেকে পানি তুলে সেচ দেয়া হয়। সমস্যা হলো, যদি দেরী হয়ে হয়ে যায় তা’হলে এই বোরো ধান গ্রীষ্মের আগাম বন্যায় মার খেতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বোরো মৌসুমে যেসকল ধান উৎপন্ন হয়, তাদের মধ্যে হাসি (বিআর-১৭), শাহজালাল (বিআর-১৮) এবং মঙ্গল (বিআর-১৯) প্রজাতির ধান হাওর এলাকায় চাষের জন্যে শ্রেয়। এইসকল প্রজাতির ধানের জীবনকাল কম; তাই, বসন্ত শেষ হবার কালে সম্ভাব্য আগাম বন্যার আগেই কেটে নেয়া যেতে পারে। সাম্প্রতিক কালে বিআর-১৪, বিআর-২৬, বিআর-২৯, ইত্যাদি প্রজাতির কিছু ধান হাওর এলাকায় প্রবেশ করানো হয়েছে, যাদের ফলন অনেক বেশী। কিন্তু এসব ধান চাষে অন্যদের চেয়ে বেশী বন্যার ঝুঁকি নিতে হয়, কারণ তাদের জীবনকাল বেশী। বোরো ধান চাষে উৎপাদন বেশী হয়, যথা এর বর্তমান গড় উৎপাদন ৩.৫৮ টন প্রতি একর, যেখানে আউশ ও আমনের গড় ২.০৬ টন প্রতি একর। এই উৎপাদন ৪.০ থেকে ৫.০ টন প্রতি একর করা যায়, যদি অধিকতর জমিতে বোরো চাষ বিস্তৃত করা যায়, এবং ভালো পানি ব্যবস্থাপনার সাথে প্রতি হেক্টরে বেশী সার দেয়া যায় (৩০০ থেকে ৩৫০ কেজি)। আমাদের দেশে জমিতে সার দেবার বর্তমান গড় পরিমাণ ৬০ কেজি প্রতি হেক্টর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;জলাভূমি সংরক্ষণ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  নদীসমূহের উজানে অবস্থিত জলাভূমি ঐ নদীর জলের উৎস এবং আধার। এইসব জলাভূমির নিষ্কাশন পথ থাকে যা’ নদীদের উৎপত্তি স্থল। সকল নদীমুখে একটি তলানি প্রবাহ থাকে, যা’ এত কম হতে পারে যে তা’ নদীর তলদেশের মাটির তলা দিয়েও প্রবাহিত হতে পারে, এবং ভাটিতে কোথায়ও গিয়ে তা’ বেরিয়ে আসবে। যা’হোক, জলাভূমি গুলোর আধার ক্রমশঃ তাদের তীরবর্তী এলাকায় অতি উত্তোলনের ফলে এবং তাদের বাহির পথ দিয়ে অতি নিষ্কাশনের জন্যে ক্ষীয়মান হয়ে যাচ্ছে। ভূপরিস্থ জলাধার থেকে অতি উত্তোলন সাধারণতঃ সেচের জন্যে করা হয়ে থাকে। আর, কোন জলাধারের পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে সেচ বা জল সরবরাহের জন্যে যদি ভূগর্ভস্থ জলের অতি উত্তোলন করা হয়, তাহলে জলাধারের পানি মাটির গভীরে বেশী প্রবেশ করবে ও জলাধারের পানির উচ্চতা নেমে যাবে। বাংলাদেশের উত্তর, পশ্চিম ও কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বহু জলাভূমি এই ধরনের উত্তোলনের ফলে শুকিয়ে গেছে। জলাভূমি গুলির নিষ্কাশন খালের পলি অপসারণের নামে কখোনো শ্রমিক লাগিয়ে কখোনো যান্ত্রিক ড্রেজার লাগিয়ে এগুলি কেটে অতি নিষ্কাশন করা হয়। । এটাই হলো জলাভূমি সমূহের শুকিয়ে যাওয়া আর পরিবেশের ক্ষতি হবার মূল কারণ। এটি বর্তমানে একটি মারাত্মক সমস্যা। চাষের জমি বৃদ্ধির নামে অতি নিষ্কাশন করায় প্রধানতঃ উত্তর পূর্বাঞ্চলসহ বাংলাদেশের বহু স্থানে অনেক জলাভূমি শুকিয়ে গিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;হাওরের বাঁধ&#039;&#039;&#039;&#039;&#039;  হাওর এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্যে নদী তীরে যে বাঁধ নির্মাণ করা হয় তা’ অল্প উচ্চতার হয় এবং তাতে নিষ্কাশন কাঠামো থাকে। হঠাৎ বৃষ্টি হলে বাঁধের ভেতরের পানি এই কাঠামো দিয়ে বেরিয়ে যেতে পারে। কিন্তু গ্রীষ্মের শুরুতে হঠাৎ বন্যা এসে গেলে তা’ এই নিষ্কাশন পথ রোধ করে দেয়। তাই চাষীরা ধান পাকার সময় ভীষণ ঝুঁকির মধ্যে থাকে, কারণ ঐ সময় জলাভূমির বিস্তীর্ণ এলাকা ৩ থেকে ৬ মিটার বৃষ্টির পানি অথবা বন্যার পানিতে কয়েক দিনের মধ্যে ডুবে যেতে পারে। বসন্ত ঋতু শেষ হলেই নদীতে বন্যার পানি আসতে শুরু করে। উত্তর পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকাগুলি খুবই নিচু, সুনামগঞ্জ জেলার ভূমি গড় সমুদ্রতল থেকে মাত্র ২ থেকে ৪ মিটার উপরে অবস্থিত। তাই উত্তর পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধের জন্য গৃহিত ব্যবস্থা (বন্যায় ডুবে যাওয়া বাঁধ) যথাযথ মনে হয়। যেহেতু এলাকাগুলি নিচু, তাই এসব এলাকা কেবল শীতকালেই জেগে ওঠা সম্ভব, যখন নদীতে পানিতে কম থাকে। তাই হাওর এলাকাগুলি বছরে অত্যন্ত স্বল্প সময়ের জন্য একটি ফসলেরই উপযোগী।  [ম. ইনামুল হক]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;আরও দেখুন&#039;&#039;  [জলাভূমি|জলাভূমি].&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Haors and Wetlands]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE_%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%98%E0%A6%B0&amp;diff=22020</id>
		<title>বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0_%E0%A6%97%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE_%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%98%E0%A6%B0&amp;diff=22020"/>
		<updated>2026-06-28T04:24:29Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর&#039;&#039;&#039; বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাদুঘর। এটি [[বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি|বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি]]র একটি বড় অর্জন। [[রায়, শরৎকুমার|শরৎকুমার রায়]] এবং তাঁর সহযোগী [[মৈত্রেয়, অক্ষয়কুমার|অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়]], [[চন্দ, রমাপ্রসাদ|রমাপ্রসাদ চন্দ]] প্রমুখ প্রত্ন-অনুরাগী এই প্রতিষ্ঠান দুটি গড়ে তোলার জন্য তাঁরা তাঁদের সময় ও শ্রম ব্যয় করেন। তাঁদের সারা জীবনের প্রয়াস ছিল ওই সময়ের টিকে থাকা অমূল্য প্রত্নসম্পদ (বাংলার, বিশেষ করে বরেন্দ্রীর) জনসম্মুখে প্রকাশ করা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:VerandaResearchMuseum.jpg|thumb|400px|right|বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর]]&lt;br /&gt;
অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, [[বন্দ্যোপাধ্যায়, রাখালদাস|রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়]] এবং আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্নস্থল আবিষ্কারের লক্ষ্যে শরৎকুমার ১৯১০ সালের এপ্রিলে দেওপাড়া, পালপাড়া, মালঞ্চ, জগপুর, ইটাহার, চবিবশনগর, মান্দইল, কুমারপুর, খেতুর ও বিজয়নগর পরিদর্শন করেন। তাঁরা মান্দইল থেকে চন্ডীর কয়েকটি প্রমাণসাইজ মূর্তিসহ প্রায় ৩২টি ভাস্কর্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। রাজশাহীতে ফিরে আসার পর শহরের গণ্যমান্য নাগরিকগণ শরৎকুমার ও তাঁর সহকর্মীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন এবং রাজশাহীতে প্রত্নসামগ্রী সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সুতরাং প্রয়োজনের তাগিদে রাজশাহী জাদুঘর (পরবর্তীকালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর) গড়ে ওঠে এবং প্রত্নসামগ্রী সংরক্ষণের জন্য শরৎকুমার মাসে ২০০ টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করেন। ১৯১১ সালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে সংগৃহীত সকল দুষ্প্রাপ্য ও অনন্য নমুনা কলকাতার ভারতীয় জাতীয় জাদুঘর দাবি করলে বরেন্দ্র জাদুঘরের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হয়। বাংলার তৎকালীন গভর্নর লর্ড [[কারমাইকেল, লর্ড|কারমাইকেল]] ১৯১২ সালে রাজশাহীতে এসে সোসাইটির সংগ্রহগুলি দেখে মুগ্ধ হন। এর অল্পকাল পরেই বাংলার গভর্নর ১৯১৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারির ১১ নং প্রজ্ঞাপন দ্বারা স্থানীয় জাদুঘরগুলির সংগঠকদের প্রত্নসম্পদ সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং সাধারণ্যে প্রদর্শনের অনুমতি প্রদান করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শরৎ কুমার নিজ ব্যয়ে তাঁর বড় ভাই দিঘাপতিয়ার রাজা প্রমদানাথ রায়ের দানকৃত জমির উপর জাদুঘরের জন্য ভবন নির্মাণ করেন। ১৯১৬ সালের ১৩ নভেম্বর লর্ড কারমাইকেল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯১৯ সালের ২৭ নভেম্বর সম্পাদিত দানপত্রের মাধ্যমে শরৎকুমার সম্পূর্ণ সুসজ্জিত ভবনটি জাদুঘর ও পাঠাগারের নিমিত্তে সোসাইটিকে প্রদান করেন। একই দিন গভর্নর লর্ড রোনাল্ডসে এটি উদ্বোধন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভাস্কর্য, খোদিত লিপি, [[পান্ডুলিপি|পান্ডুলিপি]], [[মুদ্রা|মুদ্রা]] এবং অন্যান্য মূল্যবান প্রত্নসম্পদ সংগ্রহের জন্য শরৎকুমার ও তাঁর সহযোগীবৃন্দ বাংলার বিভিন্ন জেলায় অনুসন্ধান চালান। তাঁরা বেশ কিছু প্রত্নসম্পদ আবিষ্কার, শনাক্ত ও সংগ্রহ করেন। সাফল্যে অনুপ্রাণীত হয়ে সোসাইটি দেওপাড়ায় প্রদ্যুম্নেশ্বর দিঘি খনন করে এবং এর ভেতর থেকে ৬৪টি ভাস্কর্য এবং তিনটি পোড়ামাটির [[মনসা|মনসা]]-ঘট উদ্ধার করে। ১৯১১ সালে সোসাইটির কয়েকজন সদস্য পশ্চিম দিনাজপুরের বালুরঘাট থেকে ৫ মাইল দূরবর্তী কোসীপুর ঢিবি খনন করে ইটের তৈরি দেয়াল, ঢিবিমুখী একটি ইটের রাস্তা এবং কয়েকটি ভাস্কর্য উন্মুক্ত করেন। ১৯১৬ সালের নভেম্বরে সোসাইটির সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ মাহীসন্তোষ এবং রাজশাহী জেলার কুমারপুর প্রত্নস্থলে খনন কাজ চালিয়ে প্রচুর প্রত্নসম্পদ সংগ্রহ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেবদত্ত রামকৃষ্ণ ভান্ডারকরের নেতৃত্বে ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ১৯২৩ সালে সোসাইটি পাহাড়পুরে খননকাজ শুরু করে। শরৎ কুমার [[কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়|কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়]] কর্তৃপক্ষকে প্রতিবছর ২০০০/- টাকা করে পাঁচ বছর ধরে প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু প্রথম বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পরই বিশ্ববিদ্যালয় এই পরিকল্পনা পরিত্যাগ করে। এরপর প্রত্নতত্ত্ববিভাগ খনন কাজ পরিচালনা করে এবং বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের কিউরেটরের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকেন। জাদুঘর নিজের অংশ হিসেবে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের নিকট থেকে [[পাহাড়পুর|পাহাড়পুর]] উৎখননে প্রাপ্ত প্রত্নসামগ্রী থেকে ২৬৫টি প্রত্নসামগ্রী লাভ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৩৭ সালের ৬ নভেম্বরের এক সরকারি প্রজ্ঞাপন মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ম্যানেজমেন্ট কমিটির নিকট বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি বর্তমান বিল্ডিং-এর উপর এর স্বত্বাধিকার, সকল প্রত্নসংগ্রহ, ছাপানো বই ও পান্ডুলিপি এবং আসবাবপত্র তুলে দেয়। তালিকায় অন্তর্গত ছিল ৭৬০টি প্রস্তর ভাস্কর্য, ৪৭টি ধাতুনির্মিত ভাস্কর্য, ২টি কাঠের ভাস্কর্য, ৪টি মৃন্ময় ভাস্কর্য, ৪টি কামান, ২১১টি অলঙ্কৃত ইট, ৪২টি পোড়ামাটির ফলক, ২৯টি চকচকে টালি, ১৭টি প্রস্তরলিপি, ২৩টি পোড়ামাটির লিপি, ৪টি দলিল (কাগজ), ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে ব্যবহূত ১১১টি পাত্র (ধাতু নির্মিত), ১০টি গহনা, ৪৩৫টি স্বর্ণমুদ্রা এবং ৪টি পোশাক-পরিচ্ছদ। এছাড়া সোসাইটি ১৮৩২টি বই এবং ২৫৩০টি সংস্কৃত ও ১২২৩টি বাংলা পান্ডুলিপি কমিটির হাতে তুলে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাদুঘর এনডাউমেন্ট ও প্রকাশনা তহবিল এবং সবিতা রায় স্মৃতি তহবিল (সংস্কৃত গ্রন্থ প্রকাশের জন্য শরৎকুমার রায় কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত) জাদুঘরের নিয়ন্ত্রণাধীন হয়। ১৯২৩ সালে প্রাদেশিক সরকারের যে অনুদান জাদুঘরের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল তা আবার শুরু হয়, অবশ্য ২০% হ্রাসকৃত হারে। প্রকাশনা ও খননকাজের ব্যয়ের নিমিত্তে সরকারি অনুদানের পরিপূরক হিসেবে শরৎকুমার উদারভাবে অর্থ দান করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৩০ সালে অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় এবং ১৯৪৫ সালে শরৎ কুমার রায়ের মৃত্যুর ফলে জাদুঘরের অপূরণীয় ক্ষতি হয়। ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগ জাদুঘরের অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তোলে। ১৯৪৯ সালে জাদুঘরটিকে মেডিকেল স্কুলে রূপান্তর করা হয়। ১৯৬১ সাল পর্যন্ত জাদুঘরের উত্তরাংশ স্কুলের দখলে ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশ বিভাগের পর থেকে প্রায় ১৯ বছর জাদুঘরটি প্রায় অচল অবস্থায় পড়ে ছিল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একাউনটেন্ট জেনারেল প্রমিজরি নোটসমূহ আটকে দিলে সেগুলি কলকাতা থেকে পূর্বপাকিস্তানে আনা সম্ভব হয় নি। ফলে ট্রাস্টফান্ড থেকে জাদুঘর মাসিক ১১০০ টাকার যে সুদ পেত তা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়। মাঝে মাঝে কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের নিকট থেকে জাদুঘর যে সাময়িক অনুদান পেত তার ওপরই এটি সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। তাই দিয়েই প্রতিষ্ঠানটি তার প্রত্নসংগ্রহ ও লাইব্রেরিতে নতুন সংযোজন চালিয়ে যেতে থাকে। এই সময়ের মধ্যে ১৯৫৮ সালে জাদুঘরটি প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের আনুকূল্যে কেন্দ্রীয় সরকারের নিকট থেকে গবেষণা কর্মের প্রকাশনার জন্য দশ হাজার টাকার একটি অনুদান লাভ করে। একইসূত্রে এবং একই উৎস থেকে জাদুঘর ১৯৬১ সালে ত্রিশ হাজার টাকার একটি অনুদান পায়। এই অর্থপ্রদানের উদ্দেশ্য ছিল একটি লাইব্রেরি ভবন নির্মাণ করা, যাতে জাদুঘরের স্থানাভাব দূর করা যায়। প্রাদেশিক সরকার এই আর্থিক অনুদানের পরিপূরক হিসেবে ১৪০০০ টাকা সুদমুক্ত ঋণ বরাদ্দ করে। ১৯৬১ সালে মেডিকেল স্কুলটি জাদুঘরের উত্তরাংশ জাদুঘরকে প্রত্যর্পণ করলে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে ১৯৬১ সালে বর্তমান লাইব্রেরি ভবনটি নির্মিত হয়। কিউরেটরের বাসভবন এবং অন্যান্য সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের জন্য জাদুঘরের দেয়াল ঘেরা চত্বরে নির্মিত স্কুলের এনাটমি জাদুঘর ভবনটি বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরকে দেওয়া হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশ বিভাগের পরও জাদুঘর-এর কার্যাবলির ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে। কিন্তু জাদুঘরের মতো একটি প্রতিষ্ঠান অনিয়মিত সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভর করে অনির্দিষ্টকাল চলতে পারে না। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার জাদুঘর পরিচালনা পর্ষদের ওপর শর্ত আরোপ করে যে, জাদুঘরটি প্রাদেশিক সরকারের হাতে তুলে দেওয়া না হলে জাদুঘরের উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করা হবে না। পরিচালনা পর্ষদ জাদুঘর সরকারের নিকট অর্পণ করাকে এর উদ্দেশ্য জলাঞ্জলি দেওয়ার নামান্তর বিবেচনা করে জাদুঘরটি সরকারের হাতে তুলে দিতে অস্বীকার করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়|রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়]] ও রাজশাহী জেলা প্রশাসন জাদুঘরটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট অর্পণ করার ব্যাপারে প্রাদেশিক সরকারের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়। হস্তান্তর পত্র যথারীতি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৬৪ সালের ১০ অক্টোবর এটি আইন সম্মত উপায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়। বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘর পরিচালনার সকল আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে পাথর ও ধাতুনির্মিত ভাস্কর্য, খোদিত লিপি, মুদ্রা, মৃৎপাত্র ও পোড়ামাটির ফলক, অস্ত্রশস্ত্র, আরবি ও ফারসি দলিলপত্র, চিত্র, বইপত্র ও সাময়িকী এবং সংস্কৃত ও বাংলা পান্ডুলিপিসমূহ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১নং গ্যালারিতে সাজানো রয়েছে সিন্ধু সভ্যতার (খ্রি.পূ ২৫০০) প্রত্নসম্পদ, বাংলাদেশের পাহাড়পুরে (৮ম-১২শ শতক) উৎখননকৃত প্রত্নসম্পদ, ফারসি [[ফরমান|ফরমান]] ও বাংলা দলিলপত্র, পুরানো বাংলা হরফে সংস্কৃত লিপিসমূহ, চকচকে টালিসমূহ, ইসলামি রীতির ধাতব তৈজসপত্র, হাতে লেখা কুরআন শরীফ, বাংলা ও সংস্কৃত পান্ডুলিপি, মুগল চিত্রকলা, পাথর ও ব্রোঞ্জ নির্মিত বিভিন্ন ভাস্কর্য, বিহারের নালন্দা এবং ভারতের অন্যান্য স্থানে প্রাপ্ত প্রাচীন নিদর্শনাবলি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২নং গ্যালারিতে রয়েছে বৌদ্ধ ও হিন্দু দেবদেবীর প্রস্তর মূর্তি এবং কাঠের আধুনিক ভাস্কর্যসমূহ। ৩নং গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয় হিন্দু ভাস্কর্য: বেশ কয়েকটি সূর্য মূর্তি, শিব মূর্তি, গণেশ মূর্তি এবং বিষ্ণু মূর্তি। ৪নং গ্যালারিতে সাজানো আছে দুর্গা-গৌরী-উমা-পার্বতী, মাতৃকা ও চামুন্ডা মূর্তি। ৫নং গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয় বুদ্ধ মূর্তি, বোধিসত্ত্ব, তারা, জৈন তীর্থঙ্কর এবং হিন্দুধর্মের গৌণ দেব-দেবীর মূর্তিসমূহ। ৬নং গ্যালারিতে সাজানো রয়েছে আরবি, ফারসি, সংস্কৃত এবং প্রাচীন বাংলা প্রস্তর লিপিসমূহ, মুসলিম যুগের খোদিত পাথর, মিহরাব, অলঙ্কৃত চৌকাঠ ও লিন্টেল এবং শেরশাহের আমলে নির্মিত দুটি কামান। বারান্দার উপরের সারিতে পাহাড়পুর থেকে প্রাপ্ত [[পোড়ামাটির ভাস্কর্য ও ম্যুরাল|পোড়ামাটির ফলক]] সাজানো রয়েছে। নিচের সারিতে রয়েছে হিন্দু-বৌদ্ধ ভাস্কর্যরাজি। প্রাঙ্গণে সজ্জিত রয়েছে হিন্দু ও মুসলমান স্থাপত্যনিদর্শন খোদাইকৃত পাথর, পাথরের স্তম্ভ, শিবলিঙ্গ ইত্যাদি। শুরু থেকেই জাদুঘর গ্রন্থাগারটিতে বই-পুস্তক ও সাময়িকী সংগৃহীত হয়ে আসছে। এ সকল বই-পুস্তক ও পত্র-পত্রিকা বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাস এবং শিল্প ও প্রত্নতত্ত্ব সম্পর্কে গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়। [সাইফুদ্দীন চৌধুরী]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Varendra Research Museum]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%80,_%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%87_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%AE&amp;diff=22019</id>
		<title>সিদ্দিকী, নূরে আলম</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%80,_%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A7%87_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A6%AE&amp;diff=22019"/>
		<updated>2026-06-20T09:13:02Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;সিদ্দিকী, নূরে আলম&#039;&#039;&#039; (১৯৪৪-২০২৩) বিশিষ্ট ছাত্র নেতা, ছাত্রলীগের সভাপতি, স্বাধীন বাংনা কেন্দ্রী ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক সংসদ সদস্য এবং কিংবদন্তী বাগ্মী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:SiddiquiNureAlam.jpg|right|thumbnail|200px|নূরে আলম সিদ্দিকী]]&lt;br /&gt;
নূরে আলম সিদ্দিকীর জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৬শে মে। তাঁদের পৈতৃক বাড়ি ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলায়। তাঁর পিতার নাম নূরুন্নবী সিদ্দিকী এবং মাতার নাম নূরুন্নাহার সিদ্দিকী। তাঁর পিতা রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং সোহরাওয়ার্দীর অনুসারী ছিলেন। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর তাঁদের পরিবার যশোর জেলার ঝিনাইদহে চলে আসে এবং স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করে। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নূরে আলম সিদ্দিকীর প্রাথমিক শিক্ষা মুর্শিদাবাদ জেলার কবন্দি গ্রামের স্কুলে। তিনি ঝিনাইদহ মডেল হাই স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন এবং কেশবচন্দ্র পাল (কে.সি পাল) কলেজ খেকে ১৯৬২ সালে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন। ১৯৬৪ সালে তিনি জগন্নাথ কলেজ থেকে বি.এ পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে বাংলা, রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও ইতিহাস বিষয়ে এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৭০ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি আইনশাস্ত্রে ডিগ্রি লাভ করেন।&lt;br /&gt;
পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের মধ্যে নূরে আলম সিদ্দিকী রেড়ে ওঠেন। স্কুল জীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ শুরু। তিনি ১৯৬২ সালে শরীফ শিক্ষা কমিশন ও ১৯৬৪ সালে হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন রিপোর্টবিরোধী আন্দোল, ৬ দফা ১১ দফা আন্দোলন, ৬৯-এ আইয়ুববিরোধী গণঅভূত্থান, ৭০-এর নির্বাচন, ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ থেকে ২৫ শে মার্চ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আহবানে পূর্ব বাংলার সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনে বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। ৬-দফা আন্দোলনকালে তিনি দীর্ঘ সময়ের জন্য কারাবরণ করেন। ১৯৭০-৭২ সাল পর্যন্ত তিনি ছাত্রলীগের সভাপতি এবং ১৯৭১ সালের মার্চের শুরুতে গঠিত ‘স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’-এর তিনি আহবায়ক ছিলেন। তিনি ৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অন্যতম সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। ঐ সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে একাধিকবার তার বক্তৃতা প্রচারিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নূরে আলম সিদ্দিকী উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাসী এবং বামপন্থী রাজনীতির ঘোর বিরোধী ছিলেন। স্বাধীনতা-উত্তর বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাঁর নির্বাচনী এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকা-ের পর ১৯৭৮ সালে তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে মিজানুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত পাল্টা আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মূল আওয়ামী লীগে ফিরে আসেন। উল্লেখ স্বাধীনতা-উত্তর ক্রমশ তিনি ব্যবসার দিকে ঝুঁকে পড়েন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০২৩ সালের ২৯শে মার্চ ঢাকার একটি হাসপাতালে ৭৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁরই নির্মিত সাভারের একটি মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর মৃতদেহ সমাহিত করা হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী পারভীন আলম এবং ১ কন্যা ও ২ প্রত্র সন্তান রেখে যান। তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র তাহজীব আলম সিদ্দিকী বর্তমানে আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।  [হারুন-অর-রশিদ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;তথ্যসূত্র&#039;&#039;&#039;  হারুন-অব রশিদ (সম্পা.), &#039;&#039;বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ&#039;&#039;, ৫ম খণ্ড, (বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি); &#039;&#039;The Daily Star&#039;&#039; (ঢাকা), ৩০ মার্চ ২০২৩.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Siddiqui, Nure Alam]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0,_%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%AC_%E0%A6%88%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0&amp;diff=22017</id>
		<title>সরকার, রায়সাহেব ঈশানচন্দ্র</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0,_%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A7%87%E0%A6%AC_%E0%A6%88%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0&amp;diff=22017"/>
		<updated>2026-06-17T04:29:39Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;Category:বাংলাপিডিয়া &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;সরকার, রায়সাহেব ঈশানচন্দ্র&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;(১৮৪০-১৯১৫)  জমিদার, সমাজসেবী। জন্ম ১৮৪০ সালে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ঈশান গোপালপুরে। জমিদারি থেকে যে আয় হত তার সিংহভা...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;সরকার, রায়সাহেব ঈশানচন্দ্র&#039;&#039;&#039;(১৮৪০-১৯১৫)  জমিদার, সমাজসেবী। জন্ম ১৮৪০ সালে ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানার ঈশান গোপালপুরে। জমিদারি থেকে যে আয় হত তার সিংহভাগই তিনি ব্যয় করতেন জনহিতকর কাজে। তাঁর জনকল্যাণমূলক কাজ শুধু তাঁর নিজ জমিদারি এলাকায়ই সীমাবদ্ধ ছিল না। বৃহত্তর ফরিদপুরবাসীর কল্যাণেও তিনি আত্মনিয়োগ করেন। তখনকার দিনে ঈশান গোপালপুর এলাকায় কোনো চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা ছিল না। ঈশানচন্দ্র সরকার ঈশান গোপালপুরে নিজ বাসভবনে একটি দাতব্য চিকিৎসালয় গড়ে তোলেন। এই চিকিৎসালয়ের ব্যয়ভার তিনিই বহন করতেন। তাঁর মৃত্যুর (১৯১৫) পর ১৯২৫ সালে তাঁর পুত্র ইন্দুভূষণ সরকার তাঁর বাসভবনের অনতিদূরে পিতার নামে প্রতিষ্ঠা করেন ঈশান দাতব্য চিকিৎসালয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঈশানচন্দ্র সরকার ছিলেন শিক্ষানুরাগী। তিনি ১৮৮৫ সালে ফরিদপুর শহরের কেন্দ্রস্থলে ঈশান ইনস্টিটিউশন নামে একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নিজ জমিতে প্রতিষ্ঠিত এ স্কুলে প্রভাতী বিভাগে শুধু মেয়েরা পড়ত এবং দিবা বিভাগে পড়ত ছেলেরা। পরবর্তীকালে একই স্থানে গড়ে উঠেছে মেয়েদের জন্য ঈশান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়।  [জগদীশ চন্দ্র ঘোষ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Sarkar, Raishaheb Eishanchandra]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22016</id>
		<title>শেখ দীন মহম্মদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22016"/>
		<updated>2026-06-16T09:58:55Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;শেখ দীন মহম্মদ&#039;&#039;&#039;  দেখুন [[দীন মহম্মদ, শেখ|দীন মহম্মদ, শেখ]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en: Sake Deen Mahomed]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22015</id>
		<title>শেখ দীন মহম্মদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22015"/>
		<updated>2026-06-16T09:56:34Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;শেখ দীন মহম্মদ&#039;&#039;&#039;  দেখুন [[দীন মহম্মদ, শেখ|শেখ দীন মহম্মদ]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en: Sake Deen Mahomed]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22014</id>
		<title>শেখ দীন মহম্মদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22014"/>
		<updated>2026-06-16T09:55:26Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;শেখ দীন মহম্মদ&#039;&#039;&#039;  দেখুন [[দীন মহম্মদ, শেখ|শেখ দীন মহম্মদ]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
en: [[Sake Deen Mahomed|Deen Mahome, Sake]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22013</id>
		<title>শেখ দীন মহম্মদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22013"/>
		<updated>2026-06-16T09:54:51Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;শেখ দীন মহম্মদ&#039;&#039;&#039;  দেখুন [[দীন মহম্মদ, শেখ|শেখ দীন মহম্মদ]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
en: [[Sake Deen Mahomed]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22012</id>
		<title>শেখ দীন মহম্মদ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%96_%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%A8_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6&amp;diff=22012"/>
		<updated>2026-06-16T09:54:03Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;শেখ দীন মহম্মদ&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  দেখুন শেখ দীন মহম্মদ।&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;শেখ দীন মহম্মদ&#039;&#039;&#039;  দেখুন [[দীন মহম্মদ, শেখ|শেখ দীন মহম্মদ]]।&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF&amp;diff=22011</id>
		<title>বাঙ্গালি সংস্কৃতি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF&amp;diff=22011"/>
		<updated>2026-06-16T08:56:27Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বাঙ্গালি সংস্কৃতি&#039;&#039;&#039;  দেখুন [[বাঙালি সংস্কৃতি|বাঙালি সংস্কৃতি]]।&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF&amp;diff=22010</id>
		<title>বাঙ্গালি সংস্কৃতি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF&amp;diff=22010"/>
		<updated>2026-06-16T08:56:05Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: পাতাকে &amp;#039;Category:বাংলাপিডিয়া &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;বাঙ্গালি সংস্কৃতি&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  দেখুন বাঙালি সংস্কৃতি। en:Bangali Culture  en:Bangali Culture  en:Bangali Culture  en:Bangali Culture  en:Bangali Culture&amp;#039; দিয়ে প্রতিস্থাপিত করা হল&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বাঙ্গালি সংস্কৃতি&#039;&#039;&#039;  দেখুন বাঙালি সংস্কৃতি।&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF&amp;diff=22009</id>
		<title>বাঙালি সংস্কৃতি</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%99%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF_%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF&amp;diff=22009"/>
		<updated>2026-06-16T08:55:11Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;Category:বাংলাপিডিয়া &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;বাঙালি সংস্কৃতি&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; বলতে সাধারণত বোঝানো হয় বিশেষ সমাজের সাহিত্য, সংগীত, ললিত কলা, ক্রিড়া, মানবিকতা, জ্ঞানের উৎকর্ষ ও আরো অনেক শান্তি ও সৌন্দর্যের সমাহা...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;বাঙালি সংস্কৃতি&#039;&#039;&#039; বলতে সাধারণত বোঝানো হয় বিশেষ সমাজের সাহিত্য, সংগীত, ললিত কলা, ক্রিড়া, মানবিকতা, জ্ঞানের উৎকর্ষ ও আরো অনেক শান্তি ও সৌন্দর্যের সমাহার। এর পরও, ব্যাপক দৃষ্টিতে দেখলে সংস্কৃতি হলো মানুষের জ্ঞান, আচার-আচরণ, বিশ্বাস, রীতিনীতি, নীতিবোধ, চিরাচরিত প্রথা, সমষ্টিগত মনোভাব, সামাজিক প্রতিষ্ঠান এবং অর্জিত কীর্তিসমূহ। নৃতাত্ত্বিক দিক দিয়ে সংস্কৃতি আবার ভিন্ন ধরনের একটি জটিল ধারণা। যেহেতু সব সংস্কৃতিই উৎস, বিকাশ, মূল্যবোধ এবং সংগঠনের দিক দিয়ে বিশিষ্ট, তাই বাহ্যিক রূপরেখা, তার বিবিধ প্রকাশ এবং নির্যাসে এক সংস্কৃতি অন্য সংস্কৃতি থেকে যথেষ্ঠ পৃথক। হাজার হাজার বছর ধরে নানা নৃতাত্ত্বিক এবং ধর্মীয় গোষ্ঠী ও শাখা-গোষ্ঠী, নানা শ্রেণির মিলন, পারস্পরিক প্রভাব এবং সমন্বয়ের ফলে গড়ে উঠেছে বঙ্গীয় সংস্কৃতি। বহু শতাব্দী ধরে সংস্কৃতির বিভিন্ন, এমনকি, পরস্পর-বিরোধী উপাদানের সহাবস্থান এবং সমন্বয়ের ফলে বঙ্গীয় অঞ্চলে বাঙালিত্বের এমন এক বৈশিষ্ট্য গড়ে উঠেছে যাকে বলা যায় বঙ্গীয় সংস্কৃতি এবং এক কথায় বলা যায় বঙ্গদেশ ও বাংলাভাষীদের সংস্কৃতি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বাঙালি সংস্কৃতির ভিত্তি&#039;&#039;  বঙ্গীয় সংস্কৃতি যেহেতু বাংলাদেশ এবং বাংলাভাষীদের সংস্কৃতি, সে কারণে ‘বাঙ্গালা’ নামে একটি স্বতন্ত্র অঞ্চল গড়ে ওঠার আগে অথবা বাংলা ভাষা পুরোপুরি বঙ্গীয় বৈশিষ্ট্য লাভ করার আগেকার আঞ্চলিক সংস্কৃতিকে বাঙালি সংস্কৃতি বলে অন্তত তত্ত্বগতভাবে আখ্যায়িত করা যায় না। আবার এও স্বীকার্য যে, সুলতানি আমলের বাঙ্গালা রাজ্য অথবা বাংলা ভাষা গড়ে ওঠার মুহূর্ত থেকে বাঙালি সংস্কৃতির জন্ম হয়নি। বঙ্গীয় সংস্কৃতির ভিত্তি গড়ে উঠেছিলো আরো অনেক আগে থেকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঙ্গালা নামে পরিচিত এই বিরাট এলাকায় ছিলো অনেকগুলি রাজ্য-গৌড়, রাঢ়, দক্ষিণ রাঢ়, সুহ্ম, বরেন্দ্রী, হরিকেল, সমতট এবং বঙ্গ। এছাড়া, বিভিন্ন সময়ে আরও ছোটোখাটো রাজ্য ছিল। ১৩৫০-এর দশকে গৌড়ের সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ সোনারগাঁ জয় করে ‘শাহ-ই বাঙালিয়ান’ অর্থাৎ বাঙালিদের শাহ উপাধি গ্রহণ করেন। বৃহত্তর ‘বাঙ্গালা’র জন্ম তার আগে হয়নি। অন্য দিকে, বাংলা ভাষাও আবার মোটামুটি ওই সময়েই নিজের বৈশিষ্ট্য অর্জন করে স্বতন্ত্র ভাষার রূপ লাভ করে। দুদিক থেকেই বিবেচনা করলে বঙ্গীয় সংস্কৃতির বয়স তাই আট শো অথবা বড় জোর এক হাজার বছর। এর চেয়ে একে পুরানো বলে গণ্য করা যায় না। কিন্তু এই সংস্কৃতি গড়ে উঠেছিল এই অঞ্চলের হাজার হাজার বছরের পুরানো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে। একটা দৃষ্টান্ত দিয়ে বলা যায় যে, খাদ্যাভ্যাসের কারণে বাঙালিদের নাম ‘ভেতো’ বাঙালি। আর্য অথবা মুসলমানরা এ দেশে ধান আনেননি, ধানের চাষ এ অঞ্চলে আরম্ভ হয়েছিল অন্তত পাঁচ হাজার বছর আগে। পরে কখনো আর্য, কখনো সেন, কখনো তুর্কি, কখনো আফগান, কখনো মোগল এবং সবশেষে ইংরেজরা বঙ্গভূমি দখল করেছেন, তবু বাঙালিদের ভাত খাওয়ার অভ্যাসে পরিবর্তন হয়নি। ভাত বাঙ্গালীর একটি সাংস্কৃতিক ভিত্তি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বঙ্গীয় সংস্কৃতির স্বাতন্ত্র্যের কারণ&#039;&#039;  ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যান্য সংস্কৃতির সঙ্গে যথেষ্ট মিল থাকলেও, বঙ্গভূমির ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য এবং বিবিধ নৃতাত্ত্বিক সংমিশ্রণের ফলে এর সংস্কৃতি নিজস্বতা লাভ করেছে। এর অবস্থান দীর্ঘদিনের শাসনকেন্দ্র দিল্লি থেকে শত শত মাইল দূরে ভারতীয় উপমহাদেশের একেবারে এক প্রান্তে। ধর্ম, দর্শন ও ধারণা, সাংস্কৃতিক ধারা ও শাসনকাঠামো - যা কিছু এই প্রান্তিক ভূখন্ডে এসে পৌঁছেছে, তা-ই অল্পকালের মধ্যে বঙ্গীয় চরিত্র দিয়ে প্রভাবিত হয়েছে। তদুপরি জালের মতো বিস্তৃত নদী-শাখা নদী এবং বনভূমি-পরিপূর্ণ বঙ্গদেশ আবার বহু ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে, ফলে এসব অঞ্চলেও সংস্কৃতি খানিকটা স্বাতন্ত্র্য লাভ করেছেন। এসব উপ-সংস্কৃতিও জাতি, ধর্ম, বর্ণ, এবং বহু উপভাষার কারণে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৈদিক, বৌদ্ধ, জৈন এবং ইসলাম ধর্মের মতো প্রধান প্রধান ধর্মের উৎপত্তি-স্থান থেকে বঙ্গভূমি বহু দূরে অবস্থিত, সে কারণে এই সব ধর্মের কোনোটাই তার আদি এবং অকৃত্রিম রূপে এ অঞ্চলে পৌঁছায়নি। তদুপরি, এসব বহিরাগত ধর্মের সঙ্গে স্থানীয় ধর্মীয় বিশ্বাস এবং আচারের সমন্বয় ঘটেছে। এভাবে বঙ্গদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন এবং ইসলাম ধর্ম যেমন বঙ্গীয় বৈশিষ্ট্যপূর্ণ, তেমনি বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীদের মধ্যেও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান এবং সামাজিক রীতিনীতির কিছু মিল লক্ষ করা যায়। সপ্তম শতাব্দীতে চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং লিখেছেন যে, তিনি বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী স্থানীয় লোকদের ধর্মীয় দর্শন, আচার-আচরণ এবং সামাজিক রীতিনীতিতে অনেক সাদৃশ্য দেখেছেন। তিনি আরও লক্ষ করেন যে, বঙ্গীয় বৌদ্ধধর্ম মূল বৌদ্ধধর্ম থেকে অনেকটাই আলাদা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বসতি এবং নৃতত্ত্ব&#039;&#039;  পশ্চিম, উত্তর এবং মধ্যবঙ্গের তুলনামূকভাবে উঁচু এলাকা ছাড়া প্রাচীন বঙ্গভূমির অন্যান্য এলাকায় লোকবসতি ছিল খুব কম। মনে হয়, এখন যেমন জনবসতির একক হিসেবে হাজার হাজার গ্রাম গড়ে উঠেছে, সুলতানি আমলের আগে তা তেমন সংখ্যায় গড়ে ওঠেনি। দশম শতাব্দী থেকে রচিত বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন চর্যাপদে গ্রামের কোনো উল্লেখ নেই। নিরাপত্তা এবং উৎপাদনের জন্যে লোকেরা তখন বোধ হয় ‘পুরী’ এবং ‘নগরে’ বাস করতেন। বসতির এই বৈশিষ্ট্য উপ-নাগরিক সামন্ততান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠার সম্ভবত প্রধান কারণ ছিল। আর নৃতাত্ত্বিক দিক দিয়ে বেশির ভাগ বাঙালিই অস্ট্রো-এশিয়াটিক, কিন্তু দ্রাবিড় গোষ্ঠীও এর মধ্যে মিশিছে। এই দুটি প্রধান নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠী ছাড়া, বাঙালিদের মধ্যে তিববতী-চীনা এবং সেমেটিক রক্তেরও সংমিশ্রণ ঘটেছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সামাজিক গঠন&#039;&#039;  বাঙালি সমাজ আগাগোড়াই পিতৃতান্ত্রিক এবং সোপানভিত্তিক। আর্যরা বঙ্গদেশে আসার আগে পর্যন্ত সামাজিক কাঠামো ঠিক কেমন ছিলো, তা জানা না-গেলেও, প্রাক-আর্যযুগে জাতিভেদ প্রথা ছিলো বলে মনে হয় না। অপর পক্ষে, আর্যরা যে বৈদিক ধর্ম নিয়ে এসেছিলেন, তাতে জাতিভেদ এবং বর্ণভেদ অনুযায়ী গোটা সমাজ চারটি স্তরে বিন্যস্ত ছিলো। এগুলো হলো ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শূদ্র। ব্রাহ্মণদের সংখ্যা কম হলেও, তাঁরাই ছিলেন সমাজে সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় এবং প্রভাবশালী; আর সমাজের বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ - শূদ্ররা ছিলেন সবচেয়ে নিচের তলায় অবস্থিত এবং সবচেয়ে অবহেলিত ও শোষিত। দারুণ বৈষম্যকারী এই বর্ণভেদ প্রথা কেবল ধর্মের দিক দিয়েই বৈষম্য সৃষ্টি করেনি, বরং এ ছিল সামাজিক এবং অর্থনৈতিক বৈষম্যের ধর্মের বিধিবদ্ধ স্থায়ী ব্যবস্থা। বর্ণভেদ প্রথা কার্যত শ্রেণিভেদ প্রথা ছাড়া অন্য কিছু নয়। তা সত্ত্বেও জাতিভেদ-প্রথা সমাজের নিচের তলার লোকেরা নিজেদের মধ্যে কঠোরভাবে পালন করতেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাতিভেদ প্রথা বর্ণভেদেরই বহিঃপ্রকাশ। এই প্রথা অনুযায়ী শূদ্ররা অস্পৃশ্য। ক্ষত্রিয়দের সংখ্যা বঙ্গদেশে খুব কম ছিল। বৈশ্য এবং অন্য কোনো কোনো গোষ্ঠীর হিন্দুদের দিয়ে পরে তৈরি হয় কায়স্থ সম্প্রদায়। এ ছাড়া, বৈদ্য সম্প্রদায় হলেন চিকিৎসা পেশার সঙ্গে জড়িত। তত্ত্বগতভাবে বৌদ্ধ এবং মুসলমানদের মধ্যে কোনো জাতিভেদ প্রথা থাকার কথা নয়, কিন্তু বঙ্গদেশে এসে তাঁরাও এই প্রথা দিয়ে প্রভাবিত হন এবং এক ধরনের জাতিভেদ প্রথার মধ্যে পড়ে যান। সেনরাজাদের সময়ে বৌদ্ধরা শ্রেণিভুক্ত হন শূদ্র হিসেবে এবং তাঁদের বলা হতো ‘নেড়া’ (মাথা মোড়ানো)। মুসলমানরা আসার পর বর্ণহিন্দুরা সাধারণ মুসলমানদেরও গণ্য করতেন শূদ্রদের মতো। মুসলমানরা নিজেরা তাঁদের সমাজকে বিভক্ত করেন আশরাফ এবং আতরাফ এই দুই ভাগে। আতরাফ ছিলেন প্রধানত দেশীয় এবং নিম্নশ্রেণির মুসলমানরা। এই শ্রেণিভেদ প্রথা দিয়ে মুসলমানরা এতোটাই প্রভাবিত হয়েছিলেন যে, তাঁরা মসজিদেও এটা বজায় রাখেন, সেখানে সুলতান এবং তাঁর ঘনিষ্ঠজনদের জন্যে থাকতো উঁচু আসন। এ ছাড়া, আশরাফ এবং আতরাফদের মধ্যে বিবাহ হতো না, অথবা তাঁরা একত্রে ভোজনও করতেন না। বঙ্গসমাজের শতকরা আশি ভাগ অথবা তারও বেশি শূদ্র এবং গ্রামের মুসলমান। তাঁরাই ছিলেন উৎপাদন ব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি জড়িত - চাষী, শ্রমিক এবং নাপিত, জেলে, ছুতোর এবং জোলাদের মতো পেশাদার দক্ষ শ্রমিক।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মধ্যযুগে পরিবারগুলো একক পরিবার ছিল না, যদিও পরিবারের আয়তন ছিলো ছোট। উনিশ শতকের গোড়া থেকে হিন্দুদের মধ্যে একান্নবর্তী পরিবার গড়ে উঠতে থাকে বিশেষ করে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত এবং ছোট-বড় জমিদার পরিবারে। জমির মালিকদের মধ্যে এই প্রথা সম্ভবত গড়ে উঠেছিল ১৭৯৩ সালে প্রণীত চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের অন্যতম ফলাফল হিসেবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;ধর্ম এবং বিশ্বাস&#039;&#039;  খ্রিস্টের জন্মের কয়েক শতাব্দী আগে মোটামুটি একই সময়ে বৈদিক এবং বৌদ্ধধর্ম বঙ্গদেশে পৌছেছিল। তারপর এই দুই ধর্ম স্থানীয় ধর্ম ও বিশ্বাসসমূহকে প্রভাবিত করে। চন্দ্রকেতুগড়ের প্রত্নতাত্ত্বিক ভগ্নাবশেষ থেকে মনে হয় হিন্দু রাজারা দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গ অর্থাৎ দক্ষিণ রাঢ়ে খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয়/দ্বিতীয় শতাব্দীর মধ্যে নিজেদের বেশ শক্ত ভিত্তির ওপর স্থাপিত করেন। অপরপক্ষে, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী থেকে গড়ে ওঠা মহাস্থানগড়ের ভগ্নাবশেষ দেখে মনে হয় বৌদ্ধরা তখনই পুন্ড্রবর্ধন অর্থাৎ উত্তরবঙ্গে বেশ বড়ো রকমের বসতি স্থাপন করেছিলেন। এই দুই ধর্ম এতো প্রবল ছিল যে, এদের প্রভাবে স্থানীয় ধর্মগুলো ধীরে ধীরে প্রায় লোপ পায়। তবে এই দুই ধর্মকেও স্থানীয় ধর্ম এবং আচার-আচারণ যথেষ্ট প্রভাবিত করে। যেমন, বৈদিক ধর্মে স্থানীয় অনেক দেবদেবী ঢুকে পড়েন, যাঁদের অস্তিত্ব মূল বৈদিক ধর্মে ছিল না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বঙ্গদেশের সবচেয়ে পুরানো যে রাজার কথা নিশ্চিতভাবে জানা যায়, তাঁর নাম শশাঙ্ক। সপ্তম শতাব্দীর এই রাজা ছিলেন হিন্দু। অপর পক্ষে, বৌদ্ধ পাল-রাজাদের রাজত্ব আরম্ভ হয় পরের শতাব্দীতে। শশাঙ্ক কেবল হিন্দুধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন না, তিনি বৌদ্ধদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছিলেন। পাল রাজারা কয়েক শতাব্দী ধরে বৌদ্ধধর্মের পৃষ্ঠপোষণা করলেও, হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন করেছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায় না। পালদের পর যে সেন বংশ ক্ষমতায় বসেন, তাঁরা ছিলেন হিন্দুধর্মের উৎসাহী পৃষ্ঠপোষক। বৌদ্ধরা তাঁদের আমলে নির্যাতিত হয়েছিলেন বলে প্রমাণ রয়েছে। তাঁদের শাসনকালে বৌদ্ধ ধর্ম তার গৌরব হারায় এবং বৌদ্ধদের সংখ্যা দ্রুত হ্রাস পায়। সেনরা, তদুপরি, বর্ণভেদ প্রথাকে কঠোরভাবে প্রচলিত করেন এবং সংস্কৃত শাস্ত্র ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষণা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১২০৪ সালে লক্ষ্মণসেনকে পরাজিত করে বখতিয়ার খলজী মুসলিম শাসন প্রবর্তন করলে পরিবর্তনের আরও একটা ঢেউ আসে। খলজীর পরপর বঙ্গভূমিতে এসেছিলেন অনেক মুসলমান ধর্মপ্রচারক। অংশত সুলতানের সহায়তা নিয়ে তাঁরা স্থানীয় লোকদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষা দেওয়ার কাজ উৎসাহের সঙ্গে আরম্ভ করেন। প্রথম দুইশত বছরে ইসলামে দীক্ষা দেওয়ার কাজ কতোটা সাফল্য লাভ করেছিল, তা পরিষ্কার জানা না গেলেও এ সময়ে বৌদ্ধদের সংখ্যা খুবই হ্রাস পায় এবং হিন্দুদের মন্দির নির্মাণের কাজ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সেনরা যে বর্ণভেদ প্রথা জোরালোভাবে চালু করেছিলেন, তার অত্যাচার থেকে রক্ষা পাওয়ার উদ্দেশে বৌদ্ধরা একযোগে ইসলামে দীক্ষা নিয়েছিলেন কিনা, তা অনুমানের বিষয়। তাছাড়া, নিম্নবর্ণের হিন্দুরাও ব্যাপক সংখ্যায় ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন বলে মনে হয়। শক্তি প্রয়োগ করে ইসলাম ধর্মে দীক্ষা দেওয়ার বহু প্রমাণ থাকলেও, অন্তত তত্ত্বগতভাবে ইসলাম ধর্মে যে-সামাজিক সাম্যের কথা বলা হয়েছে, তা বহু সংখ্যক দীক্ষার কারণ হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এর পরবর্তী কয়েক শতাব্দীতে বঙ্গভূমিতে ইসলাম ধর্মের যথেষ্ট বিবর্তন হয়। পারস্য থেকে আসা পীর/দরবেশরা যে-ভক্তিবাদী ইসলাম ধর্ম প্রচার করেছিলেন, স্থানীয় লোকেরা তা দিয়ে আকৃষ্ট হয়েছিলেন। অপরপক্ষে, আরব ধর্মপ্রচারকরা নিয়ে এসেছিলেন মৌলবাদী ইসলাম, যা স্থানীয় লোকেদের আকৃষ্ট করেনি। সতেরো শতক নাগাদ বঙ্গীয় ইসলাম আগেকার বৌদ্ধ এবং হিন্দু ধর্মের মতোই একটা স্থানীয় সমন্বয়ী ধর্মের রূপ লাভ করে এবং সমাজের নিচের তলার লোকেরা এই বঙ্গীয় ইসলাম দিয়েই প্রভাবিত হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইসলাম ধর্মের এই আক্রমণের মুখে হিন্দু ধর্মের মধ্যেও সংস্কার চলতে থাকে। যেমন, দেবীবর ঘটক হিন্দু ধর্মের পবিত্রতা রক্ষার উদ্দেশে বর্ণপ্রথার নিয়মগুলো আরও দৃঢ়ভাবে চালু করতে চেষ্টা করেন। কিন্তু সময়ের ধারা বইছিলো উল্টো খাতে। এই পরিস্থিতিতে ষোলো শতকের গোড়ায় চৈতন্যদেব (১৪৮৬-১৫৩৩) ভক্তি এবং প্রেমের আদর্শের ওপর স্থাপিত বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার করেন। যে জাতিভেদ প্রথা সমাজকে স্থায়ী শ্রেণীতে বিভক্ত করেছিলো এবং যা ছিলো সামাজিক নির্যাতনের প্রধান হাতিয়ার, চৈতন্যদেব তাকে পুরোপুরি অস্বীকার করেন। এই ধর্ম কেবল হিন্দু ধর্মকে ইসলামের আক্রমণ থেকে রক্ষা করেনি, বরং পরবর্তী দু শতাব্দী ধরে বৈষ্ণব ও সামগ্রিকভাবে হিন্দু ধর্মচর্চায় নতুন জোয়ার এনেছিল। তাছাড়া এর প্রভাবে সহজিয়া, বাউল এবং কর্তা-ভজার মতো ভক্তিবাদী সম্প্রদায়ও জন্ম দেয়। এসব সম্প্রদায় প্রথমেই জাতিভেদকে অস্বীকার করে। তদুপরি এরা বিধিবদ্ধ ধর্মের চেয়ে গুরুভক্তি এবং নামহীন এক দেবতার ভজনাকে গুরুত্ব দেয়। বঙ্গভূমির বিচিত্র ধর্মগুলোর মধ্যে যদি কোনো মিল থেকে থাকে, তা হলো এই গোঁড়ামিবর্জিত নমনীয়তা এবং সমন্বয়ধর্মী ভক্তিবাদ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;ভাষা&#039;&#039;  বাংলা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর অন্যতম ভাষা। এ ভাষা বঙ্গভূমির আদি ভাষা ছিল না। তখন বিভিন্ন অঞ্চলের আদিবাসীদের মধ্যে বিভিন্ন ভাষা প্রচলিত ছিলো। আর্যরা সঙ্গে নিয়ে আসেন পূর্বাঞ্চলের প্রাকৃত ভাষা। বৌদ্ধরা এনেছিলেন পালি ভাষা, যা প্রাকৃতের মতো সংস্কৃত ভাষারই একটি মৌখিক রূপ। বহু শতাব্দী ধরে উচ্চারণ ও ব্যাকরণগত বিবর্তনের মধ্য দিয়ে এই প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষা স্বতন্ত্র রূপ লাভ করে। এই ভাষার আদি রূপ খানিকটা পাওয়া যায় দশম শতাব্দী থেকে রচিত চর্যাপদে। তবে বাংলা ভাষা তখনও একেবারে আলাদা ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেনি, মিশে ছিলো অহমিয়া এবং ওড়িয়া ভাষার সঙ্গে। তাই সঠিকভাবে বললে বলতে হয়, চর্যাপদে যে-বাংলা দেখা যায়, তা প্রাক্-বাংলা। আনুমানিক পনেরো শতকে রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন খাঁটি বাংলা ভাষার আদিতম নিদর্শন। মধ্যযুগের অন্যান্য কাব্য থেকেও সেকালের ভাষার আভাস পাওয়া যায় - যদিও এসব কাব্যের আদি পাঠ পাওয়া যায় না। এসব কাব্যের যে পান্ডুলিপি এ পর্যন্ত পাওয়া গেছে, সেগুলো মূল কাব্য রচিত হওয়ার অনেককাল পরের প্রতিলিপি। অপরপক্ষে, সেকালের গদ্যের কোনো নমুনাই বলতে গেলে পাওয়া যায় না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলা ভাষা যেহেতু সংস্কৃত ভাষার মৌখিক রূপ প্রাকৃত থেকে উৎপন্ন, সে কারণে এ ভাষার শব্দাবলীর প্রধান ভাগই হয় সংস্কৃত, নয়তো সংস্কৃত শব্দের বিবর্তিত রূপ (যেমন চন্দ্র থেকে চাঁদ)। তবে এ অঞ্চলের আদি ভাষাগুলোর কিছু শব্দও বাংলায় রয়ে গেছে (যেমন চাউল, ঢেঁকি)। স্থানীয় ভাষার কিছু বৈশিষ্ট্যও বহিরাগত বাংলাকে প্রভাবিত করেছে (যেমন, কোনো কোনো ক্রিয়া-বিভক্তিতে)। মুসলিম শাসন বাংলা ভাষাকে প্রভাবিত করেছিলো দুভাবে। প্রথমত, এ সময়ে বাংলা ভাষায় হাজার হাজার আরবি-ফারসি শব্দ ঢুকে পড়ে। দ্বিতীয়ত, যে বাংলাকে সেনরা অবহেলা করেছেন এবং ব্রাহ্মণরা ঘৃণা করেছেন, সুলতানরা পনেরো শতক থেকে তারই পৃষ্ঠপোষণা করতে আরম্ভ করেন। সতেরো/আঠারো শতকে কিছু পর্তুগিজ শব্দও বাংলা ভাষায় এসে যায় (যেমন  আনানাস)। বিদেশী ভাষার ঢেউ আর একবার বাংলা ভাষায় লাগে ব্রিটিশ রাজত্ব স্থাপিত হওয়ার পর। সেই সুবাদে এখন বাংলায় কয়েক হাজার ইংরেজি শব্দ প্রতিদিনের শব্দে পরিণত হয়েছে। বাক্য-গঠনে এবং যতিচিহ্নেও (যেমন কমা, সেমিকোলোন, আশ্চর্যবোধক চিহ্ন) ইংরেজির প্রভাব রয়েছে। এ ছাড়া, স্থানীয় ভাষা বাংলার চর্চা বাড়িয়ে আইন-আদালতের ভাষা ফারসিকে সরিয়ে দেওয়া যায় কিনা, তারও চেষ্টা ইংরেজ প্রশাসন করেছিল আঠারো শতকের শেষ কয়েক দশক ধরে। বাঙালি সংস্কৃতির অন্যান্য দিকের মতো বাংলা ভাষাও নমনীয় এবং সমন্বয়ধর্মী। ছাপাখানা প্রবর্তিত হওয়ার পর এবং নতুন ধরনের লেখ্য সংস্কৃতির প্রভাবে আঠারো শতকের দ্বিতীয় ভাগ থেকে বাংলা গদ্যচর্চা আগের তুলনায় অনেকটাই বৃদ্ধি পায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সাহিত্য&#039;&#039;  চর্যাপদকে বাংলার নিদর্শন হিসেবে গণ্য করলে বাংলা সাহিত্যের ঐশ্বর্যমন্ডিত ঐতিহ্য প্রায় হাজার বছরের। অন্যান্য ভাষার সাহিত্যের মতো বাংলাও তার যাত্রা শুরু করেছিল ধর্মীয় কাব্য দিয়ে, আরও সঠিক করে বললে, ভক্তিবাদী গান দিয়ে। চর্যাপদ থেকে আরম্ভ করে মধ্যযুগের বিশাল সাহিত্যভান্ডার- এর প্রায় সবটাই হলো ঈশ্বরমুখী এবং এর মধ্যে ছিলো বৌদ্ধ, হিন্দু এবং মুসলমানদের ধর্মীয় সাহিত্য। ব্যতিক্রম দেখা যায় শাহ মুহাম্মদ সগীর, দৌলত কাজী এবং আলাওলের কিছু রোমান্টিক কাব্যে। হিন্দু কবিরা তাঁদের রোমান্টিক অনুভূতি, আবেগ এবং অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন রূপকের মাধ্যমে কেবল রাধাকৃষ্ণের প্রেমের কাহিনী নিয়ে রচিত বৈষ্ণব সাহিত্য। বস্ত্তত, উনিশ শতকের আগে পর্যন্ত বাঙালি কবিরা তাঁদের নিজেদের ‘মনের কথা’ বলতে গেলে প্রকাশই করেননি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মধ্যযুগে সুফিবাদের মতো ভক্তিবাদী দর্শনের উদ্ভব এবং বৈষ্ণব, সহজিয়া, বাউল, কর্তাভজা ও সখীভাবকের মতো ধর্মীয় সম্প্রদায় আত্মপ্রকাশ করার পর সত্যপীর/সত্যনারায়ণ এবং দক্ষিণ রায়/বড় খান গাজীর মতো লৌকিক দেবতার দেখা মেলে। এবং সাহিত্যেও একটা সমন্বয়বাদী ধারার সৃষ্টি হয়। এই সাহিত্য ছিল বাঙালিত্বের ধারণাপুষ্ট। এ রকম এক অর্থে ধর্মনিরপেক্ষ ধর্ম এর আগে কখনও বঙ্গীয় সমাজে ছিল না। এই ক্রান্তিলগ্নে দেব-দেবীরাও মানুষের বেশে দেখা দিতে আরম্ভ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপর উনিশ শতকে ইংরেজি সাহিত্যের প্রভাবে বাঙালি কবি এবং লেখকরা মানবতা এবং নিজেদের ব্যক্তিগত আবেগ ও অনুভূতিকে তাঁদের লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করতে আরম্ভ করেন। এই নতুন সাহিত্য ঈশ্বরমুখী নয়, মানবমুখী। সাহিত্যের বিষয়বস্ত্ত এবং মূল ভাবধারাই এ সময়ে বদলে যায়। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটা একটা যুগান্তর। প্রকৃত পক্ষে, এই মানববাদী নতুন সাহিত্য দিয়েই বঙ্গীয় রেনেসাঁর সূচনা হয়। এতে বিরাট অবদান রেখেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, মাইকেল মধুসূুদন দত্ত, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। হিন্দু পুরাণভিত্তিক সাহিত্য নতুন করে লেখার সময়ে প্রথম দুজন তাদের পুনর্ব্যাখ্যা দান করেন এবং এই পুরাণের দেবদেবীকে মানুষে পরিণত করেন; আর শেষের দুজন একই কাজ করেন, তবে একটু ভিন্ন রীতিতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আনুষ্ঠানিক শিক্ষা-ব্যবস্থার বিকাশ এবং ছাপাখানার প্রতিষ্ঠার ফলে বাংলা সাহিত্যে সৃজনশীলতার এমন স্ফূরণ ঘটে যে, যা এর আগে কখনো এমন ব্যাপকভাবে ঘটেনি। তবে এও সত্য যে, এই মুদ্রিত সাহিত্যের বিকাশ ঘটার ফলে মধ্যযুগে যে লোকসাহিত্য এবং মৌখিক সাহিত্যের শ্রীবৃদ্ধি হয়েছিলো, সেই ধারা দ্রুত শুকিয়ে আসে। তদুপরি, হিন্দু এবং মুসলমানদের মধ্যে নাগরিক সাহিত্যের বিকাশ ঘটে অসমানভাবে, কারণ মুসলমানরা হিন্দুদের তুলনায় ইংরেজি এবং বাংলা - উভয় শিক্ষায় অনেকটাই পিছিয়ে ছিলেন। তবে উনিশ শতকের শেষ দিক থেকে এই দু্ই সম্প্রদায়ের মধ্যে ব্যবধান ক্রমশ কমে আসতে আরম্ভ করে কারণ তখন থেকে আরম্ভ করে বিশ শতকের প্রথম কয়েক দশকের মধ্যে অনেক মুসলমান সাহিত্যিক আত্মপ্রকাশ করেন। এঁদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিলেন মীর মোশরাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম এবং জসীমউদ্দীন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সাহিত্যে আরেকটি ঐতিহাসিক বিকাশ লক্ষ করা যায় তার আঙ্গিকের ক্ষেত্রে। মধ্যযুগে রচিত হয়েছিল কেবল আখ্যানমূলক কাব্য, কিন্তু উনিশ শতকে ইংরেজি সাহিত্য থেকে নতুন আঙ্গিক নিয়ে লেখা হয় মহাকাব্য, পত্রকাব্য, সনেট, খন্ড কবিতা, নাটক, উপন্যাস, ছোটগল্প এবং প্রবন্ধ। আর বিশ শতকে এসে বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথের হাতে আরও উন্নতমানের সাহিত্য রচিত হয় এবং তা বিশ্বমানের মর্যাদা লাভ করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নগরায়ণ এবং নাগরিক সাহিত্য বিকাশ লাভ করায়, লোকসাহিত্য একদিকে যেমন ক্ষয়িষ্ণুতার দিকে এগিয়ে যায়, তেমনি রবীন্দ্রনাথ, দীনেশচন্দ্র সেন এবং অন্যান্য উৎসাহী গবেষকদের সম্মিলিত চেষ্টার ফলে তা আবার লিখিত আকারে সংগৃহীত হয় এবং ব্যাপকতর পাঠকদের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে লোকসাহিত্য ও লোকসঙ্গীত কতোটা ঐশ্বর্যমন্ডিত এবং সুন্দর, শহরের শিক্ষিত পাঠকরা ও শ্রোতারা তা অনুভব করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বঙ্গীয় সমাজ প্রধানত গ্রামীণ বলে উপনিবেশিক আমলের মাঝামাঝি কাল পর্যন্ত বাংলা সাহিত্য খানিকটা সংস্কৃত এবং ফারসি সাহিত্য দিয়ে প্রভাবিত হলেও, তা ছিল মূলত লৌকিক। ইংরেজি শিক্ষা এবং সাহিত্যই একে নাগরিক চরিত্র দান করে। তা সত্ত্বেও লোকসাহিত্যের প্রভাব একটু দুর্বলভাবে হলেও উনিশ ও বিশ শতকেও অব্যাহত থাকে। নাগরিক সম্প্রদায়ের শিকড়ও গভীরভাবে গ্রামে প্রোথিত হওয়ায়, বাংলা সাহিত্যে গ্রামের দিকে ফিরে তাকানোর একটা প্রবণতা লক্ষ করা যায়। যেমন, জীবনানন্দ দাশ এবং বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অথবা জসীমউদ্দীন এবং আল-মাহমুদের রচনায় বারবার গ্রাম ফিরে আসে নানা রূপে। এখনকার অসংখ্য উপন্যাস এবং নাটকেও গ্রামের দিকে ফিরে তাকানোর এই প্রবণতা লক্ষ করা যায়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সঙ্গীত, নাটক, সিনেমা&#039;&#039;  সাহিত্যের মতো বাংলা সঙ্গীতের উত্তরাধিকারও ঐশ্বর্যমন্ডিত। চর্যাপদ এবং মধ্যযুগের সাহিত্যের অনেকটাই ছিল আসলে গান। কোন রাগ এবং তালে গাইতে হবে প্রতিটি চর্যার (শ্রীকৃষ্ণকীর্তনেরও) শুরুতেই তা উল্লিখিত হয়েছে। গৌড় ও বঙ্গাল এবং আরও পরে ভাটিয়ালির মতো রাগসমূহের নাম থেকে বোঝা যায় যে বঙ্গভূমিতে সুবদ্ধ এবং লোকসঙ্গীতের নিজস্ব ধারা সেকালেই গড়ে উঠেছিল। বৈষ্ণব সঙ্গীতজ্ঞরা মধ্যযুগেই রাগ এবং লোকসঙ্গীতের সমন্বয় ঘটিয়ে বঙ্গের নিজস্ব ভক্তিবাদী কীর্তন গানের ধারা প্রবর্তন করেছিলেন এবং তাকে প্রামাণ্য রূপ দিয়েছিলেন। বঙ্গের আর আর-একটি বিশিষ্ট ভক্তিবাদী সঙ্গীতের ধারা হলো বাউল গান। এই বিশেষ শ্রেণির গানের একজন শ্রেষ্ঠ রচয়িতা এবং সুরকার ছিলেন লালন ফকির (১৭৭৪-১৮৯০)। বাউল গান তার সরলতা এবং সৌন্দর্যের জন্যে বিখ্যাত এবং এখন একুশ শতকের গোড়াতেও তার আবেদন হারিয়ে ফেলেনি। বাংলা সঙ্গীতের অন্যান্য ধারার মধ্যে আছে ভাটিয়ালি, ভাওয়াইয়া, কবিগান, জারিগান ইত্যাদি। প্রথম দু ধরনের গান শহর এবং গ্রাম উভয় জায়গায় জনপ্রিয় আর শেষ দু ধারার গান গ্রামে খুবই জনপ্রিয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উনিশ শতকের গোড়ায় বঙ্গদেশে দু ধরনের সুবদ্ধ সঙ্গীতের সূচনা এবং বিকাশ লক্ষ করা যায়- টপ্পা ও আখড়াই এবং বাংলা ধ্রুপদ। তাছাড়া, এ সময়ে বাংলা সঙ্গীতের জগতে ইউরোপীয় বাদ্যযন্ত্র আসতে আরম্ভ করে, বিশেষ করে বেহালা এবং অর্গান, যার সংক্ষিপ্ত রূপ হলো হারমোনিয়াম। বাংলা সাহিত্যের মতো বাংলা সঙ্গীতের ক্ষেত্রে উনিশ শতক থেকে আরম্ভ করে বিশ শতকের প্রথম ভাগ পর্যন্ত সৃজনশীলতার একটা স্ফূরণ ঘটে। এই সময়ে নিধু গুপ্ত, গিরিশচন্দ্র ঘোষ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অতুলপ্রসাদ সেন এবং নজরুল ইসলামের মতো বিখ্যাত গীতিকার ও সুরকারের বিশাল অবদানে বাংলা গানের জগৎ সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে। বাঙালি সংস্কৃতির অন্যান্য শাখার মতো উনিশ শতকে যে গানের ধারা তৈরি হয়, তা ভারতীয় সঙ্গীত থেকে খানিকটা ভিন্ন এবং বঙ্গীয় বৈশিষ্ট্যমন্ডিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বাদ্যযন্ত্রের বলতে গেলে কোনো উল্লেখ নেই। কিন্তু উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে বঙ্গদেশে নিজস্ব বাদ্যযন্ত্রীদের আবির্ভাব ঘটে। আর, বিশ শতকে বাদ্যযন্ত্রীদের সংখ্যাই কেবল বৃদ্ধি পায়নি, বরং আলাউদ্দীন খানের নেতৃত্বে আলি আকবর খান এবং রবিশঙ্করের মতো বিশ্বমানের শিল্পীদেরও বিকাশ ঘটে। বিশ শতকে কণ্ঠ শিল্পীরাও ‘রাগপ্রধান গান’ নামে সুবদ্ধ সঙ্গীতের একটি বিশিষ্ট ধারা গড়ে তোলেন। কিন্তু যে ধারার উদ্ভব এবং বিকাশ সবচেয়ে বেশি মাত্রায় ঘটে, তা হলো আধুনিক গান। এ গান আসলে রাগসঙ্গীত, লোকসঙ্গীত এবং পশ্চিমা সঙ্গীতের এক ধরনের সমন্বয়। এর আদি রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ। তাঁর এসব গান রবীন্দ্রসঙ্গীত নামে বিখ্যাত এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। নজরুল ইসলাম, পঙ্কজ মল্লিক, সলিল চৌধুরী এবং অন্যরা মিলে এই ধারায় নতুন নতুন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসেন। কিন্তু বেশির ভাগ আধুনিক গানেই রবীন্দ্রনাথ প্রবর্তিত দুটি বৈশিষ্ট্য কমবেশি অনুকরণ কর হয়। এই দুই বৈশিষ্ট্য হলো: গানের চারটি তুক বা সুরের স্তবক এবং কথার প্রাধান্য।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গীতগোবিন্দ এবং শ্রীকৃষ্ণকীর্তন থেকে মনে হয়, আদি-মধ্যযুগেও বঙ্গভূমিতে এক ধরনের সাঙ্গীতিক পালা প্রচলিত ছিলো। এ ছাড়া, সে সময়ে মুক্তমঞ্চ যাত্রাপালাও বিকাশ লাভ করতে থাকে। চৈতন্যদেব এ রকমের একটি পালায় অভিনয় করেছিলেন বলে জানা যায়। তার দু শতাব্দী পরে আঠারো শতকে যখন বাংলা গদ্য বিকাশ লাভ করতে থাকে, তখন যাত্রাপালায় কাহিনী এবং গদ্যসংলাপ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে তাতে নাটকীয়তাও বাড়তে থাকে। বাঙালিরা আরও কতো কাল এই যাত্রা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতেন, তা অনুমানের বিষয়। কিন্তু ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি শাসন ভার নেওয়ার আগেই কলকাতায় একটি ইংরেজি থিয়েটার স্থাপিত হয়। কয়েক দশক পরে স্থাপিত হয় আরও বড় এবং আরও উন্নতমানের একটি থিয়েটার। এই দুই থিয়েটার বাঙালিদের জন্যে অনুকরণ করার মতো আদর্শ দান করে। গেরাশিম লেবেদফ নামে কলকাতায় বসবাসকারী একজন রুশ ভদ্রলোক বাঙালিদের উৎসাহ এবং চিন্তাকে আরও উস্কে দেন একটি ইংরেজি নাটক বাংলায় অনুবাদ করে বাঙালি অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সাহায্যে ১৭৯৫ সালের শেষে এবং ১৭৯৬ সালের গোড়ার দিকে মঞ্চস্থ করার মাধ্যমে। এর জন্যে তিনি কলকাতায় একটি মঞ্চ নির্মাণ করিয়ে নিয়েছিলেন। ১৮৩০-এর দশকে প্রসন্নকুমার ঠাকুর এবং নবীন বসু যে একাধিক নাটক অথবা যাত্রা পালা নিজেদের মঞ্চে অভিনয় করিয়েছিলেন, লেবেদফের দৃষ্টান্ত তার পেছনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করা অসম্ভব নয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তবে ১৮৫২ সালের আগে বাংলা ভাষায় কোনো নাটক প্রকাশিত হয়নি। একবার নাটক রচনার ধারা শুরু হবার পরে পরবর্তী কয়েক বছরে আরও অনেকগুলো নাটক প্রকাশিত হয়েছিল। ইতোমধ্যে ১৮৫৭ সাল নাগাদ কলকাতায় ব্যক্তিগত উৎসাহে মঞ্চ নির্মাণ এবং তাতে নাটকের অভিনয় আরম্ভ হয়। প্রথম দিকে প্রধানত সামাজিক ও পৌরাণিক নাটক এবং প্রহসনের অভিনয় জনপ্রিয়তা অর্জন করে। এভাবে একাধিক মঞ্চে বেশ কয়েকটি নাটক ও প্রহসন সাফল্যের সঙ্গে অভিনীত হওয়ার পর শিক্ষিত সমাজ একটি সাধারণ মঞ্চ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। শেষ পর্যন্ত ন্যাশনাল থিয়েটার নামে সেই মঞ্চ স্থাপিত হয় ১৮৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে এবং সেখানে প্রথম অভিনীত হয় নীলচাষীদের ওপর অত্যাচারের কাহিনী নিয়ে রচিত দীনবন্ধু মিত্রের জনপ্রিয় নাটক নীলদর্পণ। তার কয়েক বছরের মধ্যে হিন্দু ন্যাশনাল থিয়েটার, গ্রেট ন্যাশনাল থিয়েটার এবং বেঙ্গল থিয়েটার নামে আরও কয়েকটি থিয়েটার গোষ্ঠী গড়ে ওঠে। সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী থিয়েটার ‘স্টার’ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮৩ সালে। এর পেছনে সবচেয়ে বড়ো ভূমিকা ছিল সেকালের বিখ্যাত অভিনেতা ও নাট্যকার গিরিশচন্দ্র ঘোষ এবং বিখ্যাত অভিনেত্রী বিনোদিনী দাসীর।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিশ শতকে আরও কয়েকটি নামকরা থিয়েটার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং দেখা দেন শিশির ভাদুড়ী ও অহীন্দ্র চৌধুরীর মতো শক্তিশালী অভিনেতা। আর কিছু পরে যাত্রা শুরু হয় সিনেমা এবং টেলিভিশনের। বাংলা থিয়েটার এখনো বিশ্বমানের না হলেও, বিশেষ করে সত্যজিৎ রায়ের কয়েকটি চলচ্চিত্র সারা পৃথিবীতে খ্যাতি লাভ করেছে। সুযোগ এবং সুযোগ্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের অভাবে বাংলাদেশের সিনেমা-শিল্প অবশ্য অনেকটাই পিছিয়ে আছে। ১৯৪০ এর দশকে বহুরূপী নাট্যগোষ্ঠীর যাত্রা শুরু হওয়ার পর থেকে এবং নবান্ন নাটকের অভিনয় থেকে বাংলা থিয়েটার এবং নাটক উভয়েরই যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। মুসলমান সমাজের বিরূপ মনোভাবের কারণে বাংলাদেশে নাটকের অভিনয় দীর্ঘকাল কোনো উৎসাহ পায়নি। কিন্তু স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের থিয়েটারে দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বহু শতাব্দী ধরে বাঙালি সংস্কৃতি পরিশীলিত এবং বৈদগ্ধ্য লাভ করে তা কেবল নাগরিক বৈশিষ্ট্য অর্জন করেনি, বরং একটা আন্তর্জাতিক চরিত্রও অর্জন করেছে। তা সত্ত্বেও সাধারণ বাঙালিরা মূলত লোক উপাদান দিয়ে মুগ্ধ হন। বাংলার লোকসাহিত্য, লোকসঙ্গীত, লোকনৃত্য, লোকনাট্য ইত্যাদির সঙ্গে ভক্তিবাদ বাঙালি মানসকে যথার্থভাবে প্রতিফলিত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসন ও পরিবর্তনের জোয়ার  তেরো থেকে আঠারো শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত মুসলিম শাসনকে এক কথায় বলা যায় শাসকের পরিবর্তন- হিন্দুদের বদলে মুসলমানের। কিন্তু এর ফলে বাঙালি সমাজের সামন্ততান্ত্রিক কাঠামোয় তেমন কোনো মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। ব্রিটিশ শাসনের সময়ে সেই সামন্ততন্ত্রের ভিত্তিতে নাড়া লাগে। ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে প্রজাদের ওপর জমিদারদের পরোক্ষ শাসন বহাল থাকলেও, ব্যবসা-বাণিজ্য, নির্মাণ শিল্প, সেবামূলক শিল্পসহ অর্থনীতির সর্বত্রই দেখা দেয় পুঁজিবাদের প্রকাশ। এ সময়ে যে ব্যবসায়ী, ঋণদাতা এবং চাকুরিজীবী শ্রেণির উদ্ভব ঘটে তাও ঘটেছিল উপনিবেশিক শাসনের প্রয়োজনে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
স্থানীয় জনগণের প্রতি ভালোবাসা থেকে নয়, উপনিবেশিক শাসনের জন্য প্রয়োজনীয় জনবল তৈরি করার উদ্দেশ্যেই স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, টেক্সটবুক সোসাইটি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে আনুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি হয়। বঙ্গীয় সমাজে এ ধরনের শিক্ষা-কাঠামো কখনও ছিল না। বলা যেতে পারে, এই শিক্ষাব্যবস্থা থেকে দেশীয়রা যে লাভবান হন, তা হয়েছিলেন পরোক্ষ ফল হিসেবে। উপনিবেশিক শক্তি যা-কিছু গুরুত্ব দিয়ে শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করে, তা করেছিল শোষণকে আরও ফলপ্রসূ করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু এসব উদ্যোগের ফলে বঙ্গীয় সমাজের ভিত্তিমূলেই প্রবল ধাক্কা লেগেছিলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্রিটিশ আমলে বঙ্গদেশে একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি গড়ে ওঠে। এই শ্রেণিও গড়ে উঠেছিল উপনিবেশিক কারণে। উপনিবেশ থেকে কেন্দ্রে সম্পদ স্থানান্তরিত করা এবং উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থা সুচারুভাবে চালানোর উদ্দেশে একটা স্থানীয় মধ্যবিত্ত শ্রেণির দরকার ছিল-যার একাংশে থাকবে একটি ভূমি-মালিক শ্রেণি, অন্য অংশে থাকবে শিক্ষিত এবং চাকুরেদের একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি। এই মধ্যবিত্ত শ্রেণিই বঙ্গীয় গ্রামীণ সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে এবং বৈদগ্ধ্য দান করে বর্তমান আকারে পৌঁছে দিয়েছে। ধর্মনিরপেক্ষ শাসন-ব্যবস্থা, আগেকার ধর্মীয় শিক্ষার জায়গায় উদারনৈতিক ইংরেজি শিক্ষার প্রসার এবং উন্নতি, পাশ্চাত্য ধ্যানধারণার প্রভাব, নগরায়ন এবং প্রযুক্তি - সবই আধুনিক বাঙালি মনন গঠনে সাহায্য করেছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই পরিবেশ দ্বারকানাথ ঠাকুর থেকে রাধাকান্ত দেব থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পিতার মতো সমাজের সকল ধরনের উদ্যোগী পুরুষের জন্যে বিবিধ সুযোগ-সুবিধার দ্বার খুলে দিয়েছিল। ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮১০ সালের দিকে গ্রাম থেকে প্রথম যৌবনেই কলকাতায় এসেছিলেন ভাগ্যের সন্ধানে। প্রথমে এক দোকানে চাকুরি পেয়েছিলেন দু টাকা বেতনের। তিনি কলকাতায় না এলে এবং উপনিবেশিক শাসনের অধীনে নতুন সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি না হলে বাঙালি সমাজ বিদ্যাসাগর বলে কাউকে পেত না। অথবা রাধাকান্ত দেবের মতো একজন শূদ্র কলকাতার ব্রাহ্মণসহ হিন্দু অভিজাত সমাজের দলপতি হতে পারতেন না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আগেই বলা হয়েছে যে, বর্ণভেদ প্রথা কেবল ধর্মীয় ব্যবস্থা নয়, বরং সমাজ-কাঠামোর ওপরও তা গুরুতর প্রভাব ফেলেছিল। জীবিকার জন্যে একজন ব্যক্তি কী করবে, এই প্রথা স্থায়ীভাবে তা নির্ধারিত করে দিত। এই প্রথা অনুযায়ী জেলের বংশধরেরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম জেলে হবে; একই ভাবে নাপিতের বংশধরেরা নাপিত, জোলার বংশধরেরা জোলা, ঝাড়ুদারের বংশধরেরা ঝাড়ুদার, বৈদ্যের বংশধরেরা বৈদ্য এবং ব্রাহ্মণের বংশধরেরা ধর্মকর্মের কাজ করবে বলে প্রত্যাশা করতো। গ্রামের মুসলমানরাও মোটামুটি এই প্রথাই পালন করতেন। তাই তাঁরা বেশির ভাগ প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে কৃষিকাজে জড়িত ছিলেন। উপনিবেশিক আমলে এই কঠোর প্রথা শিথিল হতে থাকে এবং সমাজে সীমাহীন সচলতা আসে। মুসলমানসহ সমাজের নিচের তলার লোকরা কৌলিক বৃত্তির প্রতি আনুগত্যবশত দীর্ঘকাল ইংরেজি শিক্ষার দিকে এগিয়ে যাননি অথবা সেই সুবাদে নতুন যুগের সুবিধেগুলোর সুযোগ নেননি। ফলে তাঁরা শিক্ষাদীক্ষায় বর্ণহিন্দু এবং উচ্চশ্রেণির হিন্দুদের তুলনায় অনেক পিছিয়ে পড়েন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উপনিবেশিক আমলে বাঙালি সমাজের অগ্রগতি হয়েছিল অসমানভাবে এবং প্রধানত সমাজের ওপর তলার লোকেরাই এর ফলে উপকৃত হয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও উনিশ শতকের সমাজ এবং সংস্কৃতির অনেক দিকেই সৃজনশীলতার একটা অসাধারণ স্ফূরণ ঘটেছিলো। বিশেষ করে ভাষা, সাহিত্য, সঙ্গীত ও নাটকসহ প্রদর্শনমূলক শিল্পকলা, স্থাপত্য, ধর্ম ও সমাজ-সংস্কার, এমন কি, অনেক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেও এই স্ফূরণ লক্ষ করা যায়। রেনেসাঁর কেবল দুটি দিকের কোনো বিকাশ এ সময়ে তেমন দেখা যায় না- চিত্রশিল্প আর ভাস্কর্যের। ছয় শতাব্দীর মুসলিম শাসন এর আংশিক কারণ হতে পারে। স্থাপত্যেরও সেই অর্থে কোনো পুনর্জাগরণ হয়নি, যা হয়েছিল, তা হলো বিশেষ করে কলকাতা নগরীকে কেন্দ্র করে পাশ্চাত্য স্থাপত্যের বিকাশ। রোমান অথবা গ্রিক স্থাপত্যের মতো কোনো আদর্শ বঙ্গদেশে ছিলো না, যার অনুকরণে স্থাপত্যের রেনেসাঁ হতে পারে। বৌদ্ধদের স্থাপত্যরীতি মুসলিম আমলেই বর্জিত হয়েছিল। বৌদ্ধ স্থাপত্যের শ্রীবৃদ্ধি না-ঘটিয়ে তাঁরা নিয়ে এসেছিলেন পারস্য এবং দিল্লির স্থাপত্যের রীতি। কিন্তু ইংরেজরা এনেছিলেন স্থাপত্যের একেবারে নতুন আদর্শ। নতুন শহর কলকাতায় এই স্থাপত্যরীতি অনুকরণ করাও সহজ ছিল, কলকাতা আগে থেকেই নগরীর রূপ নিয়ে থাকলে এটা সম্ভব হতো না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এই যে সংস্কৃতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে সৃজনশীলতার স্ফূরণ, ঐতিহাসিকরা একে সাধারণত বঙ্গীয় রেনেসাঁ বলে থাকেন। এতে অবদান রেখেছিলেন হিন্দু জমিদার শ্রেণি এবং শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী। এ ছিলো ঐতিহাসিক এবং নতুন যুগসৃষ্টিকারী। এই রেনেসন্সের প্রভাবে বাঙালিরা ধর্মনিরপেক্ষতা, যুক্তিবাদ, উদারনৈতিকতা, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, এক কথায় আধুনিকতার ধারণা দিয়ে প্রভাবিত হন। এ থেকে আবার পরের দিকে স্বাজাত্যবোধের জন্ম হয়। তবে বঙ্গীয় রেনেসাঁর প্রকাশ ছিল নিতান্ত আংশিক এবং সীমিত। কারণ রেনেসাঁর প্রধান দুটি ক্ষেত্র - চিত্রকলা এবং স্থাপত্যে এর কোনো প্রকাশ ঘটেনি, বা সমাজের প্রধান ভাগ অর্থাৎ মুসলমান এবং নিম্নবর্ণের হিন্দুরাও এর আলোক থেকে বঞ্চিত হয়েছিলেন। তবে পরে এই প্রক্রিয়া তাঁদেরও ধীরে ধীরে খানিকটা প্রভাবিত করেছিলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আধুনিক বাঙালিদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা এবং বিবাহ ও পরিবারের মতো সামোজিক প্রতিষ্ঠানকেও পশ্চিমা চিন্তাধারা প্রভাবিত করেছিল। উপনিবেশিক আমলের আগে মহিলাদের রাখা হতো অশিক্ষিত এবং অন্তঃপুরে বন্দী করে। আর বিবাহ ছিলো নিতান্তই সন্তান জন্ম দিয়ে পরিবার গড়ে তোলার একটা প্রক্রিয়া। ইংরেজি শিক্ষা এই পুরুষতান্ত্রিক চিন্তাধারাকে পরিবর্তন করে - প্রথমত নাগরিক সমাজে। নগরের শিক্ষিত সমাজে এর ফলে স্ত্রীশিক্ষার প্রচলন হয় এবং পর্দাপ্রথাও ধীরে ধীরে শিথিল হয়। এমনকি মেয়েদের পোশাকেও দ্রুত পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। মোট কথা, উচ্চশ্রেণির নাগরিক সমাজের অনেক মহিলাই যথেষ্ট পরিমাণে আধুনিক হয়ে ওঠেন। রোমান্টিক প্রেমের ধারণাও ক্রমশ দানা বাঁধতে থাকে এবং সমাজও আস্তে আস্তে তা স্বীকার করে নেয়। তবে এখনও তা সামাজিক রীতিতে পরিণত হয়নি। রোমান্টিক প্রেমের উন্মেষের ফলে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক আগের থেকে ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে এবং পারস্পরিক প্রেমের ওপর গড়ে ওঠে, এভাবে পরিবারে মহিলাদের মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। বস্ত্তত, বাঙালি নারীদের বর্তমান অবস্থা, বিশেষ করে শিক্ষিত নাগরিক সমাজের নারীদের অবস্থান মোটামুটি সন্তোষজনক ও ন্যায্য বলে বিবেচিত হতে পারে। কিন্তু এই অবস্থা থেকে উনিশ শতকের প্রথম দিকে তাঁদের অবস্থা কী শোচনীয় ছিলো, তা অনুমান করা অসম্ভব। পরিবর্তিত পরিবেশে পরিবার, সমাজ এবং অর্থনীতিতে নারীরা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগ এবং ১৯৫০ সালের দাঙ্গার পরে পূর্ব বাংলা থেকে ব্যাপকহারে শিক্ষিত হিন্দুদের দেশত্যাগ এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের ফলে নারীদের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তাঁরা আগের তুলনায় গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভূমিকা পালন করার সুযোগ পাচ্ছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;দেশবিভাগের পর সংস্কৃতির পরিবর্তন&#039;&#039;  দেশ থেকে সম্পদ পাচার করা এবং তার ফলে দেশের অর্থনৈতিক দুর্দশা ঘটানো ছাড়া, উপনিবেশিক শাসনের একটা প্রধান কুফল ছিল হিন্দু-মুসলমানের সামাজিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে। তার আগে এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিবাহ এবং ভোজন চলতো না বটে, কিন্তু গ্রামের মধ্যে তারা মোটামুটি শান্তিতে পাশাপাশি বসবাস করতেন শতাব্দীর পর শতাব্দী। তাঁদের মধ্যে গ্রাম-সম্পর্ক গড়ে ওঠার ফলে তাঁরা ছিলেন একটা বড়ো পরিবারের মতো। কিন্তু ব্রিটিশ শাসনের সময়ে দুই সম্পর্কের মধ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদ ক্রমশ জোরদার হতে থাকে। এর প্রধান কারণ দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে অসমান উন্নয়ন। এর ফলে দুই সম্প্রদায়ের পারস্পরিক সম্পর্ক তিক্ত হয়ে ওঠে এবং পরস্পরের প্রতি বৈরিতা জন্ম নেয়। ১৯২৬ সাল থেকে তা সহিংস দাঙ্গার রূপ নেয়। এরই চূড়ান্ত পরিণতি হলো ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বঙ্গ-বিভাগ, কার্যত যা হয়ে দাঁড়ায় বঙ্গ সংস্কৃতি ও সমাজের স্থায়ী বিভাগ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
মধ্যযুগের সাহিত্য থেকে মনে হয় না যে, উনিশ শতকের আগ পর্যন্ত বাঙালিদের মধ্যে রাজনীতি বা দেশপ্রেমের চেতনা জেগেছিল। মধ্যযুগে যেমন সমাজ-সচেতন কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর চন্ডীমঙ্গল থেকে দেখা যায় দেশের রাজা বা সুলতান কে, তিনি তাও সঠিকভাবে জানতেন না। এমনকি, সুলতান কে তা তিনি পরোয়াও করতেন বলে মনে হয় না। বরং ডিহিদার কে, সেটা তাঁর জন্যে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো। গ্রামের লোকদের মধ্যে গ্রামের বাইরের অবস্থা সম্পর্কে তেমন আগ্রহও ছিল না। সাধারণ মানুষরা গোটা জীবন কাটিয়ে দিতেন দু-তিন মাইল ব্যাসার্ধের একটা বৃত্তের মধ্যে। দেশ শাসনে অংশ গ্রহণের সুযোগ উপনিবেশিক শাসন আমলেই সৃষ্টি হয়েছিল, যদিও তারই ফল দেশ-বিভাগ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশবিভাগের দরুণ বঙ্গদেশ স্থায়ীভাবে দু ভাগে বিভক্ত এবং সমাজের প্রধান দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ভেদ বড়ো করে দেখা দিলেও, পূর্ব পাকিস্তানের মুসলমান সম্প্রদায়ের ওপর এর একটা ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। দেশবিভাগ এবং পরে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ফলে পূর্ব পাকিস্তান থেকে উচ্চশ্রেণির হিন্দুরা ব্যাপকভাবে পশ্চিমবঙ্গে চলে যাওয়ায়, শিক্ষা এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমে যে মুসলমান সম্প্রদায় এ যাবৎ হিন্দুদের তুলনায় পিছিয়ে ছিলেন, তাঁরা রাতারাতি সর্বত্রই বিনা প্রতিযোগিতায় উন্নতির পথে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেলেন। ফলে শিক্ষিত এবং ছোট ব্যবসায়ীদের একটি মধ্যবিত্ত শ্রেণি তুলনামূলকভাবে কম সময়ের ভেতর মুসলমানদের মধ্যে গড়ে উঠলো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পাকিস্তান আমলে এক দিকে শিক্ষার বিকাশ এবং অন্য দিকে শোষণ ও বাঙালিদের ওপর ভিন ভাষা আরোপের প্রয়াসের ফলে জন্ম নেয় ভাষা আন্দোলন (১৯৪৮-৫২)। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুত্থানের আগ পর্যন্ত এই ভাষা আন্দোলন দেশের রাজনীতিকে বিপুলভাবে প্রভাবিত করে। তদুপরি পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে কেবল ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে যে মিলন কৃত্রিমভাবে ঘটানো হয়েছিল, তা থেকে অচিরেই বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে একটা স্বরূপের সংকট দেখা দেয়। তাঁরা বাঙালি ছিলেন কিনা, সে বিষয়ে কোনো কালেই তাঁরা নিশ্চিত ছিলেন না, কিন্তু ভাষা আন্দোলনের পর তাঁরাই ভাষাভিত্তিক ধর্মনিরপেক্ষ বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে শরিক হন। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বর্ধিত চর্চায়। শেষ পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের সাহিত্যে প্রামাণ্য বাংলা ভাষা থেকে সামান্য ভিন্ন স্বাদের এক ধরনের বাংলার উন্মেষ লক্ষ করা যায়। তাছাড়া, ইতিবাচক ফল দেখা দেয় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁদের চিরকালের বিতৃষ্ণা, এমনকি, অবিশ্বাস ও ঘৃণা হ্রাস পায়। পশ্চিমবঙ্গেও মুসলমানদের সঙ্গে চাকরি-বাকরির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা কমে যাওয়ায় দেশ বিভাগের কয়েক দশকের মধ্যে মুসলমানদের প্রতি অবিশ্বাস ও ঘৃণাবোধ হ্রাস পায়; যদিও দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা জন্মেনি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দেশ-বিভাগ, স্বাধীন বাংলাদেশের উদ্ভব এবং সেই সঙ্গে জীবন রক্ষাকারী ঔষুধপত্র ও টিকা আবিষ্কারের ফলে দুই বাংলাতেই জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, এবং তার ফলও পড়েছে বঙ্গীয় সমাজের ওপর। ফলে একদিকে বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি পেয়েছে, অন্যদিকে গ্রামের ব্যাপক সংখ্যক লোক কাজের খোঁজে শহরে, এমনকি বিদেশে চলে যাচ্ছেন। উনিশ শতকের শেষ পর্যন্ত কালাপানি পার হয়ে বিদেশে যাওয়াকে লোকাচার অনুযায়ী রীতিমতো নিষিদ্ধ বলে গণ্য করা হতো, কিন্তু এখন যথাসর্বস্বের বিনিময়ে লোকে একবার বিদেশে গিয়ে কোনো কাজ করতে পারলে, তা সে কাজ যতোই তুচ্ছ হোক, জীবনকে ধন্য মনে করে। সেদিন বিগত যখন বাঙালিরা ঘরমুখো ছিলেন এবং বেকার থাকতে ভালোবাসতেন। বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের অভাবে দেশের শতকরা প্রায় পাঁচ ভাগ লোক অন্যান্য দেশে কাজ করছেন, বেশির ভাগই সাধারণ শ্রমিক হিসেবে। তবে দক্ষ কিছু পেশাদারও অন্যান্য দেশে কাজ করছেন, এঁরা বেশির ভাগই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ডাক্তার, আইনজীবী, সরকারী চাকুরে ইত্যাদি। হাজার হাজার বাঙালি বিদেশে সাফল্যের সঙ্গে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং ছোটখাটো শিল্প প্রতিষ্ঠানও গড়ে তুলেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর আর-একটা গোষ্ঠী বড়ো শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন কারণ একটা দেশ এসব ছাড়া চলতে পারে না। মুসলমান সমাজে এটা অভিনব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
গ্রাম থেকে ক্রমবর্ধমান মাত্রায় লোকজন শহরে চলে যাওয়ার ফলে জাতিভেদ প্রথা প্রায় লোপ পেয়েছে, কিন্তু তার জায়গায় শ্রেণিবৈষম্য দেখা দিয়েছে প্রবল আকারে। যেমন, নগরীতে এখন অত্যন্ত ধনী এবং বস্তিবাসীরা প্রায় পাশাপাশি বাস করেন। তা ছাড়া, ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে ভেদাভেদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ব্যাপক শিল্পায়ন এবং ট্রেড ইউনিয়নের বিকাশ ঘটার পরে মুনিবদের প্রতি শ্রমিকদের আন্তরিক শ্রদ্ধাবোধ হ্রাস পেয়েছে, তার জায়গায় বৃদ্ধি পেয়েছে ঘৃণা এবং শত্রুতা। গ্রাম-সম্পর্কের মতো কোনো সম্পর্ক নগরীতের গড়ে ওঠে না। শিক্ষার হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং নাগরিক জীবনযাত্রা কেবল নগরবাসীদের ওপরই প্রভাব ফেলছে না, বরং তা শহরে বসবাসকারী গ্রামবাসীদের মাধ্যমে গ্রামেও প্রসারিত হচ্ছে। ফলে জীবনযাত্রাসহ গ্রামীণ সংস্কৃতির সব দিকই ক্রমবর্ধমান মাত্রায় নাগরিক সংস্কৃতি দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সিনেমা এবং ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নতি এবং সাম্প্রতিক বিশ্বায়নের প্রক্রিয়া বিভিন্ন বিরোধী সংস্কৃতিকেও কাছাকাছি নিয়ে আসছে এবং বিভিন্ন ধর্মীয় ও আঞ্চলিক সম্প্রদায়গুলো ঐক্যের দিকে যাচ্ছে। ওদিকে, ভাষার কথা চিন্তা করলে বলতে হয়, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতির ফলে প্রামাণ্য ভাষা আঞ্চলিক ভাষাগুলো দিয়ে এবং আঞ্চলিক ভাষাগুলো প্রামাণ্য ভাষা দিয়ে প্রভাবিত হচ্ছে। মুসলমানপ্রধান বাংলাদেশের ভাষায় যেমন মুসলিম জীবনের সঙ্গে জড়িত শব্দ বৃদ্ধি পাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গের বাংলায় তেমনি বহু হিন্দি পরিভাষা ঢুকে পড়ছে। বলিউডের সিনেমা এবং ধারাবাহিক অনুষ্ঠানগুলিও বাঙালি সংস্কৃতির ওপর প্রভাব ফেলছে, বিশেষ করে পোশাক এবং সঙ্গীতে। পোশাকের পরিবর্তন অবশ্য মহিলাদের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে। মহিলারা চিরদিনের শাড়ি বর্জন করে সালওয়ার-কামিজ পরতে আরম্ভ করেছেন। অথচ ছ‘শো বছরের মুসলিম শাসন এবং দ‘ুশো বছরের ব্রিটিশ শাসনও শাড়িকে বদলাতে পারেনি, যদিও পূর্বোক্ত দুই আমলে পুরুষদের পোশাকে বিরাট পরিবর্তন এসেছিল। খাদ্যাভ্যাসেও এই দুই আমলের প্রভাব পড়েছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;খাদ্যাভ্যাস&#039;&#039;  বাঙালিরা চিরকাল ভেতো বাঙালি বলে পরিচিত হলেও, গত অর্ধশতকে তাঁদের খাদ্যাভ্যাসে বড়ো রকমের পরিবর্তন এসেছে। গরিবরা চালের বদলে শস্তা গমের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছেন, আর ধনীরা বিদেশী খাবারে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছেন, বিশেষ করে চীনা এবং পাশ্চাত্যের খাদ্যে। হ্যামবার্গার এবং হট ডগের মতো পশ্চিমা খাবার এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি চীনা ও থাই খাবার নাগরিক সমাজে এতোই ছড়িয়ে পড়ছে যে, মহিলারা তা বাড়িতেও তৈরি করার কৌশল শিখে ফেলছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অবশ্য এসব পরিবর্তন আসার পরও বাঙালিদের সঙ্গে কতোগুলো খাদ্যকে অভিন্ন করে দেখা হয়। মহিলারা যেমন শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রান্নায় তাঁদের সৃজনশীলতার পরিচয় দিয়ে নানা রকমের মিষ্টান্ন এবং আচার তৈরি করেছেন, যা উপমহাদেশের অন্য কোথাও তৈরি হয় না। তাঁদের মিষ্টির জন্যে বাঙালিরা এতোই সুপরিচিত যে, গোপাল হালদার এক জায়গায় বাঙালি সংস্কৃতিকে রসিকতা করে রসগোল্লা এবং সন্দেশের সংস্কৃতি বলে বর্ণনা দিয়েছেন। কোনো কোনো খাবার আবার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাদে এবং নামে খানিকটা আলাদা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাঙালি হিন্দু ও মুসলমানদের এবং ধনী ও দরিদ্রদের খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে বিরাট পার্থক্য লক্ষ করা যায়। যেমন, উচ্চশ্রেণির মুসলমানরা মাংসের বিশেষ ভক্ত হলেও, হিন্দুরা সাধারণত মাছ এবং সবজি বেশি পছন্দ করেন। হিন্দুদের মধ্যে শাক্তরা অবশ্য মাংসের ভক্ত। আর, দরিদ্র হিন্দু ও মুসলমানদের খাদ্যাভ্যাস কমবেশি একই রকম, তাঁরা যা জোটাতে পারেন, তাই খান। চর্যাপদের একটি পঙ্ক্তি থেকে মনে হয় সেই প্রাচীন কালেও দরিদ্রের মধ্যে ভাতের টানাটানি ছিল, এখনো তাই আছে। দরিদ্রদের প্রধান খাদ্য ভাত আর শাক। মাঝেমধ্যে মাছ এবং ডাল। ডাল এক সময় বঙ্গদেশে ছিল বলে মনে হয় না। কিন্তু এখন ধনী ও গরিব সবাই ডাল পছন্দ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রান্নার পদ্ধতি হিন্দু এবং মুসলমানদের মধ্যে যথেষ্ট আলাদা। ভিন দেশ থেকে আসা উচ্চশ্রেণির মুসলমানরা স্থানীয় রীতিতে রান্না করা খাবার ভালোবাসতেন না। তাঁরা তাঁদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন সেইসব রান্না যা পরে মোগলাই খাবার নামে পরিচিত হয়। সাম্প্রতিক কালের আগ পর্যন্ত অবশ্য তা সাধারণ মুসলমানদের মধ্যেই প্রবেশ করেনি, হিন্দু সমাজে তো নয়ই। পর্তুগিজ এবং ইংরেজরা যখন তাঁদের সঙ্গে নতুন খাদ্য নিয়ে এলেন, তখন তাও ধীরে ধীরে হিন্দু ও মুসলমান উভয় সমাজে প্রবেশ করতে থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বাঙালিত্ব&#039;&#039;  বিশেষ করে আধুনিক কালে বাঙালিদের সংস্কৃতি বিচিত্র রূপ লাভ করলেও, তার মধ্যে কিছু বৈশিষ্ট্য রয়ে গেছে, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাঙালি সমাজে স্থায়ী আসনে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। যেমন, বাঙালি মহিলাদের এখনো উপমহাদেশের এক দল নারীর মধ্যে সহজেই আলাদা করে চিনে নেওয়া যাবে। ক্রমবর্ধমান ব্যস্ত জীবনযাত্রার মধ্যেও বাঙালিরা ঢিলেঢালা জীবনধারা পছন্দ করেন এবং কয়েকজন মিলে আড্ডা দিতে ভালোবাসেন। তাঁদের অনেকেই হুজুগে, দীর্ঘমেয়াদী ফলাফলের কথা না ভেবে সবাই মিলে লাফিয়ে পড়তে পছন্দ করেন। জীবনের বহু ক্ষেত্রে আধুনিক হয়ে উঠলেও, তাঁদের মধ্যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যের বিকাশ ঘটেছে সামান্যই। তাঁদের মধ্যে আত্মীয়তার বন্ধন খুব জোরালো। কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া, বিবাহের আয়োজন করেন পিতামাতারা, এবং তাঁদের মধ্যে বিবাহপূর্ব ও বিবাহ-বহির্ভুত প্রেম সামান্যই দেখা যায়। গ্রামীণ জনগণের মধ্যে দারিদ্র্য এবং ভূমিহীনতা বৃদ্ধি পেলেও মধ্যবিত্ত এবং ধনীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এবং নিজেদের জাহির করার একটা সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিরা আগে কৃষিনির্ভর ছিলেন, কিন্তু বিশ শতকে জনসংখ্যার বিস্ফোরণের ফলে অনেক বাঙালিই এখন গ্রামের বদলে শহরে গিয়ে স্বল্প-দক্ষ বা অদক্ষ শ্রমিকে পরিণত হয়েছেন। বাঙালি চরিত্রের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো তাঁরা সাধারণত নমনীয় মধ্যপন্থায় এবং সমন্বয়ধর্মিতায় বিশ্বাসী। সে কারণে তাঁরা যেকোনো উগ্রবাদের পথ সাধারণত এড়িয়ে চলেন।  [গোলাম মুরশিদ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;গ্রন্থপঞ্জি&#039;&#039;&#039;  সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, বাঙ্গালীর সংস্কৃতি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, ১৯৯৮; শিবনারায়ণ রায়, বাঙালিত্বের খোঁজে এবং অন্যান্য আলোচনা, কলকাতা: দেজ পাবলিশিং, ২০০৪; মুহাম্মদ এনামুল হক, বঙ্গে সূফী-প্রভাব, কলকাতা, মহসিন অ্যান্ড কোং, ১৯৩৫; নীহাররঞ্জন রায়, বাঙ্গালীর ইতিহাস, কলকাতা: দেজ পাবলিশিং, ২০০১; গোপাল হালদার, গোপাল হালদারের শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধ, কলকাতা: কলকাতা, নবার্ক, ১৯৮৫; গোলাম মুরশিদ, হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি, ঢাকা: অবসর, ২০০৬।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;আরও দেখুন&#039;&#039; [[সংস্কৃতি, বস্ত্তগত|সংস্কৃতি, বস্ত্তগত]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Bangali Culture]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9_(%E0%A6%B0%E0%A6%83)%E0%A7%A7&amp;diff=22008</id>
		<title>শাহ নিয়ামতউল্লাহ (রঃ)১</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9_(%E0%A6%B0%E0%A6%83)%E0%A7%A7&amp;diff=22008"/>
		<updated>2026-06-16T06:39:02Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;শাহ নিয়ামতউল্লাহ (রঃ)১&#039;&#039;&#039;  প্রাক মুগল যুগের একজন সুফি-সাধক। প্রকৃতপক্ষে তিনি ছিলেন বাগদাদের একজন শাহজাদা। তিনি বিলাসবহুল জীবন পরিত্যাগ করে সাধকে পরিণত হন এবং ইসলাম প্রচারের জন্য ভারতে চলে আসেন। শেষ পর্যন্ত তিনি বাংলায় আসেন এবং ঢাকায় তাঁর &amp;lt;খানকাহ&amp;gt; প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে তাঁর জেহাদ শুরু করেন এবং বিপুল সংখ্যক মানুষকে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেন। তাঁকে ‘ভুতশেকান’ অর্থাৎ ‘মুর্তিধ্বংসকারী’ বলা হতো। ডি.আই.টি ভবনের পাশে দিলকুশা মসজিদের পাশে তিনি সমাহিত আছেন। অবশ্য সেখানে তিনটি সমাধি আছে, সম্ভবত মাঝেরটি শাহ নিয়ামতুল্লাহ (রঃ)-এর সমাধি।  [মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Shah Niamatullah (R)1]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Shah Niamatullah (R)1]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Shah Niamatullah (R)1]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6&amp;diff=22007</id>
		<title>সম্পাদকবৃন্দ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%83%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6&amp;diff=22007"/>
		<updated>2026-06-08T05:23:32Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;__NOTOC__&lt;br /&gt;
&amp;lt;div class=&amp;quot;alert alert-info&amp;quot;&amp;gt;&amp;lt;h4&amp;gt;দ্বিতীয় সংস্করণ&amp;lt;/h4&amp;gt;&amp;lt;/div&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;h4&amp;gt;সম্পাদনা পরিষদ&amp;lt;/h4&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান সম্পাদক&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;অধ্যাপক সাজাহান মিয়া&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;h4&amp;gt;সদস্য&amp;lt;/h4&amp;gt;&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;table raw-table&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম&lt;br /&gt;
| প্রাক্তন উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী&lt;br /&gt;
| উপাচার্য, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক নজরুল ইসলাম&lt;br /&gt;
| প্রাক্তন চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| বিচারপতি (অব.) কাজী এবাদুল হক&lt;br /&gt;
| বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, অ্যাপিলেট ডিভিশন&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী&lt;br /&gt;
| প্রাক্তন উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক হাফিজ জি.এ সিদ্দিকী&lt;br /&gt;
| উপাচার্য, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আহমেদ কামাল&lt;br /&gt;
| ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ&lt;br /&gt;
| প্রো-উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মাহফুজা খানম&lt;br /&gt;
| সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আ.ন.ম রইছ উদ্দিন&lt;br /&gt;
| ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মেসবাহ-উস-সালেহীন&lt;br /&gt;
| ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক নীরু কুমার চাকমা&lt;br /&gt;
| দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আবদুল মমিন চৌধুরী&lt;br /&gt;
| প্রাক্তন উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক ওয়াকিল আহমদ&lt;br /&gt;
| প্রাক্তন উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এস.এম হুমায়ুন কবির&lt;br /&gt;
| প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এস. এম মাহফুজুর রহমান&lt;br /&gt;
| ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এম মোফাখখারুল ইসলাম&lt;br /&gt;
| প্রাক্তন উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এম.কে.আই কাইয়ুম চৌধুরী&lt;br /&gt;
| ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ ও বারডেম হাসপাতাল&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এম মাহবুবর রহমান&lt;br /&gt;
| পরিচালক, ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদ&lt;br /&gt;
| ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. জাহাঙ্গীর আলম&lt;br /&gt;
| প্রাক্তন মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক সফিক উজ জামান&lt;br /&gt;
| অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আহমেদ আবদুল্লাহ জামাল&lt;br /&gt;
| ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;div class=&amp;quot;alert alert-info&amp;quot;&amp;gt;&amp;lt;h4&amp;gt;প্রথম সংস্করণ&amp;lt;/h4&amp;gt;&amp;lt;/div&amp;gt;&lt;br /&gt;
&amp;lt;h4&amp;gt;সম্পাদনা পরিষদ&amp;lt;/h4&amp;gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
প্রধান সম্পাদক&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;অধ্যাপক সাজাহান মিয়া&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক&lt;br /&gt;
 &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;h4&amp;gt;সদস্য&amp;lt;/h4&amp;gt;&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;table raw-table&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ	 || প্রাক্তন উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. নাজিমউদ্দিন আহমেদ	 || প্রাক্তন পরিচালক, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. নওয়াজেশ আহমদ || 	কৃষিবিজ্ঞানী ও আলোকচিত্র শিল্পী&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক জিয়া উদ্দিন আহমেদ || 	অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমেদ || 	অর্থনীতি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক শরীফ উদ্দিন আহমেদ || 	পরিচালক, বাংলাদেশ জাতীয় আর্কাইভস&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক সুফিয়া আহমদ	 || জাতীয় অধ্যাপক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক সৈয়দ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ	 || লোক প্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক ওয়াকিল আহমদ || 	বাংলা বিভাগ, প্রাক্তন উপ-উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক শিরিন আখতার	 || ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. এ.এম.এম শওকত আলী || 	প্রাক্তন সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মোহাম্মদ আনসার আলী || 	ইতিহাস বিভাগ, জগন্নাথ কলেজ, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এম শমসের আলী   ||  উপাচার্য, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা &lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মীর মোবাশ্বের আলী || 	স্থাপত্য ও পরিকল্পনা বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| সৈয়দ আশরাফ আলী || 	মহাপরিচালক, ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক হামিদা আখতার বেগম	 || মনোবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক দুলাল ভৌমিক	 || সংস্কৃত ও পালি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাস || 	সংস্কৃত ও পালি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক নীরু কুমার চাকমা	 || দর্শন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আবদুল মমিন চৌধুরী	 || উপাচার্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম চৌধুরী || 	অর্থনীতি বিভাগ, প্রাক্তন উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক বজলুল মবিন চৌধুরী	 || উপাচার্য, ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী	 || উপাচার্য, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক সিফাতুল কাদের চৌধুরী	 || ভূতত্ত্ব বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন	 || প্রাক্তন গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এস.জেড হায়দার || 	রসায়ন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ	 || রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| বিচারপতি কাজী এবাদুল হক	 || বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক	 || ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এ.এইচ.এম মুজতবা হোছাইন || 	ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এ.বি.এম হুসেইন || 	প্রফেসর এমেরিটাস, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আবু ইমাম || 	ইতিহাস বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. শহীদুল ইসলাম || 	মহাপরিচালক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম || 	উপাচার্য, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এম আমিনুল ইসলাম || 	প্রাক্তন উপাচার্য, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম || 	প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মোঃ সিরাজুল ইসলাম || 	প্রাক্তন উপাচার্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক নজরুল ইসলাম || 	ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এস.এম হুমায়ুন কবির || প্রাণিবিদ্যা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আবদুল করিম || 	প্রাক্তন উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আবদুল খালেক || 	প্রাক্তন উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. আকবর আলী খান || 	সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আ.ন.ম আবদুল মান্নান খান || 	আরবী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক শরিফা খাতুন	 || শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক ইকবাল মাহমুদ	 || প্রাক্তন উপাচার্য, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আবদুল মান্নান	 || প্রাক্তন উপাচার্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মেসবাহ-উস-সালেহীন || 	ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক কে.এম মোহসীন || 	ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান || 	বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আ.ত.ম মুছলেহ উদ্দীন	 || আরবী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এম হাবিবুর রহমান	 || প্রাক্তন উপাচার্য, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মোঃ মাহবুবর রহমান	 || ইতিহাস বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মুহাম্মদ মানছুরুর রহমান	 || অধ্যক্ষ, সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এস. এম মাহফুজুর রহমান	 || ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক আ.ন.ম রইছ উদ্দিন	 || ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এম হারুনুর রশীদ || 	ইংরেজী বিভাগ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ || 	প্রাক্তন প্রধান নির্বাচন কমিশনার&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক মোঃ সাদুল্লাহ	প্রাক্তন  || অধ্যক্ষ সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা, ঢাকা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক হাফিজ জি.এ সিদ্দিকী	 || উপাচার্য, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. কামাল সিদ্দিকী	 || সচিব, বাংলাদেশ সরকার&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;lt;div class=&amp;quot;alert alert-info&amp;quot;&amp;gt;&amp;lt;h4&amp;gt;বহির্যোগাযোগ সম্পাদক&amp;lt;/h4&amp;gt;&amp;lt;/div&amp;gt;&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;table raw-table&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| শিবলী আজাদ	 || কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক রণবীর চক্রবর্তী || 	কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক সত্যনারায়ণ চক্রবর্তী || 	রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. জন ডিয়েল	 || সিডা, অটোয়া, কানাডা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক পিটার মার্শাল || 	কিংস কলেজ, লন্ডন ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক জন ম্যাকগয়্যার ||  ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক নরিয়াকি নাকাজাতো || 	ইনস্টিটিউট অব ওরিয়েন্টাল কালচার, টোকিও ইউনিভার্সিটি, জাপান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. এভ্রিল এ পাওয়েল || 	স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক এনায়েতুর রহিম || 	জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক সেলিম রশীদ || 	ইলিনয় ইউনিভার্সিটি, আরবানা-শ্যামপেন, যুক্তরাষ্ট্র&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক পবিত্র সরকার || 	বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক ভেলাম ফন শ্যান্ডেল || 	সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট, আমস্টার্ডাম, হল্যান্ড&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক টরস্টেন ||  সোলহয়	বার্গেন ইউনিভার্সিটি, নরওয়ে&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| অধ্যাপক শিনকিচি তানিগুচি || 	হিতোৎসুবাসি ইউনিভার্সিটি, টোকিও, জাপান&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| ড. জন ই উইলসন || 	কিংস কলেজ, লন্ডন ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্য&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Editors]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A7&amp;diff=22006</id>
		<title>লক্ষ্মীন্দরের মেধ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%A7&amp;diff=22006"/>
		<updated>2026-06-04T07:10:39Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;Category:বাংলাপিডিয়া &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;লক্ষ্মীন্দরের মেধ&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;  দেখুন গোকুল মেধ।  en:Laksindarer Medh  en:Laksindarer Medh  en:Laksindarer Medh  en:Laksindarer Medh&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;লক্ষ্মীন্দরের মেধ&#039;&#039;&#039;  দেখুন [[গোকুল মেধ|গোকুল মেধ]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Laksindarer Medh]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Laksindarer Medh]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Laksindarer Medh]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Laksindarer Medh]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80,_%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0&amp;diff=22005</id>
		<title>রায়চৌধুরী, শম্ভুচন্দ্র</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%9A%E0%A7%8C%E0%A6%A7%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%80,_%E0%A6%B6%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A7%81%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0&amp;diff=22005"/>
		<updated>2026-06-04T07:07:19Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;রায়চৌধুরী, শম্ভুচন্দ্র&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (১৮০০-১৮৬৮)  জমিদার, কবি ও লেখক। জন্ম ১৮০০ সালে রংপুরের কাকিনায়। তাঁর পিতা রামরূদ্র রায় ছিলেন কাকিনার জমিদার। পিতার মৃত্যুর পর শম্ভুচন্দ্র ১৮...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;রায়চৌধুরী, শম্ভুচন্দ্র&#039;&#039;&#039; (১৮০০-১৮৬৮)  জমিদার, কবি ও লেখক। জন্ম ১৮০০ সালে রংপুরের কাকিনায়। তাঁর পিতা রামরূদ্র রায় ছিলেন কাকিনার জমিদার। পিতার মৃত্যুর পর শম্ভুচন্দ্র ১৮২৩ সালে কাকিনার জমিদারি লাভ করেন। তাঁর আমলে কাকিনায় বহু সুরম্য অট্টালিকা নির্মিত হয় এবং প্রাসাদ সন্নিকটে শম্ভুসাগর নামে এক বৃহৎ দিঘি খনন করা হয় (১৮৬০)। তাঁর আমলে কাকিনায়- ১টি মধ্য ইংরেজি স্কুল, ১টি মধ্য ভার্নাকিউলার স্কুল, ১টি বালিকা বিদ্যালয় এবং রংপুরের মাহিগঞ্জ শহরে প্রয়াত দত্তকপুত্র কৈলাশরঞ্জনের স্মৃতি রক্ষার্থে কৈলাশরঞ্জন মধ্য ভার্নাকিউলার স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রংপুরের প্রথম পত্রিকা রঙ্গপুর বার্তাবহ এর মালিকানা ক্রয় করে রঙ্গপুর দিকপ্রকাশ নামে এর প্রকাশনা অব্যাহত রাখা শম্ভুচন্দ্রের উল্লেখযোগ্য কাজ। রংপুরের কুণ্ডির জমিদার কালীচন্দ্র রায় চৌধুরী ১৮৪৭ সালে রঙ্গপুর বার্তাবহের প্রকাশনা শুরু করেন। ১৮৫৪ সালে তিনি মারা গেলে শম্ভুচন্দ্র ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত পত্রিকার প্রকাশনা অব্যাহত রাখেন। এরপর সরকারি আদেশে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে গেলে ১৮৬০ সালে রঙ্গপুর দিকপ্রকাশ নামে এর প্রকাশনা শুরু করেন। পত্রিকা প্রকাশের জন্য দিকদর্শন নামে একটি প্রেস স্থাপন করেন (কাকিনায়) এবং মধুসূদন ভট্টাচার্যকে পত্রিকার সম্পাদক নিয়োগ করা হয়। বিক্রমাদিত্যের রাজত্বকালে পৌরাণিক পদ্ধতি অবলম্বনে তিনি বিক্রমভারত নামক একটি কাব্য রচনা করেন যেখানে প্রধান দেবতা হিসেবে শিবের মাহাত্ম বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি উর্দু, সংস্কৃত ও ফারসি ভাষায় বুৎপত্তি অর্জন করেন এবং আনন্দসভারঞ্জন চম্পু তাঁর বিখ্যাত কবিতা গ্রন্থ। তিনি বেদান্ত সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখতেন এবং কবিরত্ন শ্রীধরকে নিয়ে কাকিনায় এক মহাপণ্ডিতসভা গঠন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
রচনাবলী  নামক মাসিক পত্রিকা (জানুয়ারি ১৮৬৪) প্রকাশ শম্ভুচন্দ্রের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অবদান। কাকিনা থেকে প্রকাশিত রচনাবলী  হচ্ছে তৎকালীন বঙ্গদেশের প্রথম দিকের গ্রামীণ পত্রিকা যা ১৯০৯ সাল পর্যন্ত চালু ছিল।  [মুহম্মদ মনিরুজ্জামান]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC,_%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%B6%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%A8&amp;diff=22004</id>
		<title>রায়, সতীশচন্দ্র২</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC,_%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%B6%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%A8&amp;diff=22004"/>
		<updated>2026-06-04T07:04:36Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;রায়, সতীশচন্দ্র২ &#039;&#039;&#039;(১৮৮৮-১৯৬০)  শিক্ষাবিদ, বৈষ্ণবাচার্য, গ্রন্থকার। বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জ উপজেলার জলসুকা গ্রামে জমিদার বংশে ১৮৮৮ সালের ২৪ মে সতীশচন্দ্র রায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সূর্যমণি রায় এবং মায়ের নাম ললিতা দাসী। সিলেটে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের পর তিনি কলকাতা হেয়ার স্কুলে শিক্ষা লাভ করেন। পরে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। ছাত্রজীবনে তিনি মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ যতীন্দ্রচন্দ্র পুরস্কার, গিরিশ স্মৃতি পুরস্কার; স্যার এন্ড্রুফেজার স্বর্ণপদকসহ বহু পুরস্কার লাভ করেন। ১৯১০ সালে তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে দর্শনে অনার্স পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে পোস্ট গ্রাজুয়েট স্কলারশিপ ও পিএস স্মিথ প্রাইজ লাভ করেন। পরে তিনি উচ্চ শিক্ষার্থে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেখান থেকে তিনি ১৯১৪ সালে দর্শন শাস্ত্রে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। প্রাচ্যবিদ এইচ ওল্ডেনবার্গ এবং পিডসনের অধীনে ভারতীয় দর্শন বিষয়ে তিনি গবেষণা শুরু করেন। কিন্তু প্রথম মহাযুদ্ধ শুরু হলে গবেষণা অসমাপ্ত রেখে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯১৪-১৯১৫ সাল তিনি কলকাতা সিটি কলেজে অধ্যাপনা করেন। ১৯১৬ সালে তিনি লাহোরের দয়াল সিং কলেজে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। ১৯২১ সালে তিনি লাহোর থেকে চলে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, যোগ দেন দর্শন বিভাগের রিডার পদে। ১৯২৩ সালে ওই পদ ছেড়ে ইন্ডিয়ান এডুকেশন সার্ভিসে যোগদান করেন। প্রথম ভারতীয় আই ইএস হিসেবে তিনি ১৯২৩ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত সুরমা উপত্যকা ও পার্বত্য জেলাসমূহের স্কুল বিভাগীয় পরিদর্শক এবং সুরমা উপত্যকা টেক্সট বুক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৩৪ সালে তিনি গুয়াহাটির কটন কলেজের অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। ১৯৪০ সালের জুলাই মাসে তিনি সিলেটের মুরারিচাঁদ কলেজের অধ্যক্ষ পদে  যোগদান করেন। ১৯৪১ সালের এপ্রিল মাসে তিনি আসামের জনশিক্ষা পরিচালক নিযুক্ত হন। ১৯৪৩ সালে ওই পদ থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি কিছুকাল পরিকল্পনা কমিশনে কাজ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইংল্যান্ড থেকে ফিরে এসে সতীশচন্দ্র রায় ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করলেও অবসর গ্রহণের পর বৈষ্ণবীয় চিন্তা ও আদর্শে আপ্লুত হন। পরে তিনি বৈষ্ণব সন্ন্যাস মন্ত্রে দীক্ষা গ্রহণ করে শ্রীমৎ হরিদাস নামানন্দজী নাম পরিগ্রহ করে শ্রীবৃন্দাবন ধামে বসবাস শুরু করেন। তিনি সেখানকার বৈষ্ণব থিয়োলজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং পরে সেখানকার বৈষ্ণব রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় বৃন্দাবন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শঙ্করদেব চেয়ার অফ বৈষ্ণব ফেইথ এ্যান্ড ফিলজফি’ প্রতিষ্ঠিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, সাহিত্যিক ও দাতা হিসেবে সতীশচন্দ্র রায় বিখ্যাত হয়ে আছেন। পৈতৃক জমিদারি এবং নিজ সম্পত্তির প্রধান অংশ তিনি দুঃস্থ ছাত্র ও বিভিন্ন সংস্থাকে দান করে দিয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সূর্যমণি-ললিতা সাহিত্যভবন থেকে নিজ অর্থানুকূল্যে বহু ধর্মীয় গ্রন্থ তিনি প্রকাশ করেন। তিনি কলকাতায় বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারিণী সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। বৈষ্ণবীয় চিন্তা প্রকাশ ও প্রচার ছিল এই সমিতির উদ্দেশ্য। কর্মজীবনে তিনি রেডক্রস, যক্ষ্মা প্রতিরোধ সমিতি, স্কাউট ও গার্লস গাইড আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি আসাম বয়স্কাউট আন্দোলনের জনক। তিনি শ্রীহট্ট সাহিত্য পরিষৎ-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ শিলং শাখার সভাপতি ছিলেন। বৈষ্ণব ধর্ম বিষয়ে তিনি বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন। সমকালে Indian Messenger, Modern Review, Journal of the Dept. of Letters of the University of Calcutta, তত্ত্বকৌমুদী প্রভৃতি পত্রপত্রিকায় তাঁর বহু প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর রচিত ও প্রকাশিত গ্রন্থাদির মধ্যে উলে­খযোগ্য: অঞ্জলি, স্মৃতিপূজা (প্রথম খন্ড-বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ; দ্বিতীয় খন্ড-ভারতের আধ্যাত্মিক সাধনা, পরমহংস রামকৃষ্ণ, তত্ত্বভূষণ সীতানাথ, ধর্মগুরু শিবনাথ শাস্ত্রী; তৃতীয় খন্ড-পিতৃদেব ও মাতৃদেবী; চতুর্থ খন্ড-স্বদেশপ্রেমিক রমাকান্ত রায়), উপনিষদের মর্মবাণী (১ম ও ২য় খন্ড), ছেলেমেয়েদের প্রার্থনা, উৎসবের প্রণতি, জীবনবীণার বিচিত্রসুর, সোনার গৌরাঙ্গ, নবযুগের শিক্ষা ও সাধনা, সর্বধর্ম সমন্বয়, সাহিত্য সমাজ ও ধর্ম, ভক্তি কুসুমাঞ্জলি, ভগবদগীতি কুসুমাঞ্জলি (দুই খন্ড), Religion and Modern India, Studies in European Philosophy, The Bhagavat Gita and Modern Scholarship (in Four Parts), Introduction to Indian Thought, Indologans and Their Researches, Educational Culture, A Scheme of Extra Mural Culture, Life of Dr. P.K. Roy, The League of Welfare, Training in Leadership and Citizenship for Young India ইত্যাদি। ১৯৬০ সালের ১৭ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।  [নন্দলাল শর্মা]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC,_%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%B6%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%A7&amp;diff=22003</id>
		<title>রায়, সতীশচন্দ্র১</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC,_%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%B6%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%A7&amp;diff=22003"/>
		<updated>2026-06-04T06:56:24Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;রায়, সতীশচন্দ্র১&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (১৮৬৬-১৯৩১)  শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, গবেষক। ১৮৬৬ সালের ১৭ অক্টোবর পাবনা জেলার শাহাজাদপুরে এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম। তিনি ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে প্রবে...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;রায়, সতীশচন্দ্র১&#039;&#039;&#039; (১৮৬৬-১৯৩১)  শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, গবেষক। ১৮৬৬ সালের ১৭ অক্টোবর পাবনা জেলার শাহাজাদপুরে এক জমিদার বংশে তাঁর জন্ম। তিনি ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে প্রবেশিকা, [[ঢাকা কলেজ|ঢাকা কলেজ]] থেকে এফ.এ, কলকাতা জেনারেল অ্যাসেম্‌ব্লিজ থেকে বি.এ এবং সংস্কৃত কলেজ থেকে এম.এ পাস করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকার জগন্নাথ কলেজে অধ্যাপনার মাধ্যমে সতীশচন্দ্রের কর্মজীবন শুরু হয়। পরে অধ্যাপনা ত্যাগ করে তিনি সাহিত্যসাধনা ও গবেষণায় আত্মনিয়োগ করেন। ইতিহাস, ভাষাতত্ত্ব ও প্রত্নতত্ত্বে তাঁর বিশেষ ব্যুৎপত্তি ছিল; হিন্দি ভাষা ও সাহিত্যেও তিনি পারদর্শী ছিলেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সতীশচন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনেক প্রাচীন [[পুথি|পুথি]] সংগ্রহ করেছিলেন, যেগুলি বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত আছে। এসব পুথি নিয়ে তিনি গবেষণাও করেছেন। তিনি ভবানন্দের হরিবংশ নামে একটি প্রাচীন বাংলা [[কাব্য|কাব্য]] সম্পাদনা করেন, যা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রকাশিত হয়। তাঁর সম্পাদিত আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হলো: গোপালচরিতম্, নায়িকারত্নমালা, পদকল্পতরু  ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সতীশচন্দ্র বেশ কয়েকটি সংস্কৃত গ্রন্থের বাংলা পদ্যানুবাদ করেন। সেগুলির মধ্যে কালিদাসের মেঘদূত, জয়দেবের [[গীতগোবিন্দম্|গীতগোবিন্দম্]] এবং কালুদেবের রসমঞ্জরী উল্লেখযোগ্য। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা মোট দশ এবং গবেষণা-প্রবন্ধ চল্লিশ। প্রবন্ধগুলির মধ্যে ছয়-সাতটি হিন্দি ভাষায় রচিত।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সতীশচন্দ্র বঙ্গীয় সাতিহ্য পরিষদের সহসভাপতি ছিলেন। তিনি সঙ্গীতশাস্ত্রেও পারদর্শী ছিলেন এবং মৃদঙ্গ ও &amp;lt;তবলা&amp;gt; বাদক হিসেবে তাঁর খ্যাতি ছিল। ১৯৩১ সালের ২৯ মে নারায়ণগঞ্জ জেলার ধামগড়ে তাঁর মৃত্যু হয়।  [সত্যনারায়ণ চত্রবর্তী]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Roy, Satish Chandra]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC,_%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%B6%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%A8&amp;diff=22001</id>
		<title>রায়, সতীশচন্দ্র২</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC,_%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%B6%E0%A6%9A%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%A8&amp;diff=22001"/>
		<updated>2026-06-04T06:51:30Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;Category:বাংলাপিডিয়া &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;রায়, সতীশচন্দ্র২ &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;(১৮৮৮-১৯৬০)  শিক্ষাবিদ, বৈষ্ণবাচার্য, গ্রন্থকার। বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জ উপজেলার জলসুকা গ্রামে জমিদার বংশে ১৮৮৮ সালের ২৪...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;রায়, সতীশচন্দ্র২ &#039;&#039;&#039;(১৮৮৮-১৯৬০)  শিক্ষাবিদ, বৈষ্ণবাচার্য, গ্রন্থকার। বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার আজমিরিগঞ্জ উপজেলার জলসুকা গ্রামে জমিদার বংশে ১৮৮৮ সালের ২৪ মে সতীশচন্দ্র রায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম সূর্যমণি রায় এবং মায়ের নাম ললিতা দাসী। সিলেটে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণের পর তিনি কলকাতা হেয়ার স্কুলে শিক্ষা লাভ করেন। পরে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন। ছাত্রজীবনে তিনি মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ যতীন্দ্রচন্দ্র পুরস্কার, গিরিশ স্মৃতি পুরস্কার; স্যার এন্ড্রুফেজার স্বর্ণপদকসহ বহু পুরস্কার লাভ করেন। ১৯১০ সালে তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে দর্শনে অনার্স পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে পোস্ট গ্রাজুয়েট স্কলারশিপ ও পিএস স্মিথ প্রাইজ লাভ করেন। পরে তিনি উচ্চ শিক্ষার্থে লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেখান থেকে তিনি ১৯১৪ সালে দর্শন শাস্ত্রে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। প্রাচ্যবিদ এইচ ওল্ডেনবার্গ এবং পিডসনের অধীনে ভারতীয় দর্শন বিষয়ে তিনি গবেষণা শুরু করেন। কিন্তু প্রথম মহাযুদ্ধ শুরু হলে গবেষণা অসমাপ্ত রেখে দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯১৪-১৯১৫ সাল তিনি কলকাতা সিটি কলেজে অধ্যাপনা করেন। ১৯১৬ সালে তিনি লাহোরের দয়াল সিং কলেজে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। ১৯২১ সালে তিনি লাহোর থেকে চলে আসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, যোগ দেন দর্শন বিভাগের রিডার পদে। ১৯২৩ সালে ওই পদ ছেড়ে ইন্ডিয়ান এডুকেশন সার্ভিসে যোগদান করেন। প্রথম ভারতীয় আই ইএস হিসেবে তিনি ১৯২৩ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত সুরমা উপত্যকা ও পার্বত্য জেলাসমূহের স্কুল বিভাগীয় পরিদর্শক এবং সুরমা উপত্যকা টেক্সট বুক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৩৪ সালে তিনি গুয়াহাটির কটন কলেজের অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। ১৯৪০ সালের জুলাই মাসে তিনি সিলেটের মুরারিচাঁদ কলেজের অধ্যক্ষ পদে  যোগদান করেন। ১৯৪১ সালের এপ্রিল মাসে তিনি আসামের জনশিক্ষা পরিচালক নিযুক্ত হন। ১৯৪৩ সালে ওই পদ থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি কিছুকাল পরিকল্পনা কমিশনে কাজ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ইংল্যান্ড থেকে ফিরে এসে সতীশচন্দ্র রায় ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করলেও অবসর গ্রহণের পর বৈষ্ণবীয় চিন্তা ও আদর্শে আপ্লুত হন। পরে তিনি বৈষ্ণব সন্ন্যাস মন্ত্রে দীক্ষা গ্রহণ করে শ্রীমৎ হরিদাস নামানন্দজী নাম পরিগ্রহ করে শ্রীবৃন্দাবন ধামে বসবাস শুরু করেন। তিনি সেখানকার বৈষ্ণব থিয়োলজিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং পরে সেখানকার বৈষ্ণব রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় বৃন্দাবন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শঙ্করদেব চেয়ার অফ বৈষ্ণব ফেইথ এ্যান্ড ফিলজফি’ প্রতিষ্ঠিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, সাহিত্যিক ও দাতা হিসেবে সতীশচন্দ্র রায় বিখ্যাত হয়ে আছেন। পৈতৃক জমিদারি এবং নিজ সম্পত্তির প্রধান অংশ তিনি দুঃস্থ ছাত্র ও বিভিন্ন সংস্থাকে দান করে দিয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সূর্যমণি-ললিতা সাহিত্যভবন থেকে নিজ অর্থানুকূল্যে বহু ধর্মীয় গ্রন্থ তিনি প্রকাশ করেন। তিনি কলকাতায় বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারিণী সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন। বৈষ্ণবীয় চিন্তা প্রকাশ ও প্রচার ছিল এই সমিতির উদ্দেশ্য। কর্মজীবনে তিনি রেডক্রস, যক্ষ্মা প্রতিরোধ সমিতি, স্কাউট ও গার্লস গাইড আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। তিনি আসাম বয়স্কাউট আন্দোলনের জনক। তিনি শ্রীহট্ট সাহিত্য পরিষৎ-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ শিলং শাখার সভাপতি ছিলেন। বৈষ্ণব ধর্ম বিষয়ে তিনি বহু গ্রন্থ রচনা করেছেন। সমকালে Indian Messenger, Modern Review, Journal of the Dept. of Letters of the University of Calcutta, তত্ত্বকৌমুদী প্রভৃতি পত্রপত্রিকায় তাঁর বহু প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর রচিত ও প্রকাশিত গ্রন্থাদির মধ্যে উলে­খযোগ্য: অঞ্জলি, স্মৃতিপূজা (প্রথম খন্ড-বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ; দ্বিতীয় খন্ড-ভারতের আধ্যাত্মিক সাধনা, পরমহংস রামকৃষ্ণ, তত্ত্বভূষণ সীতানাথ, ধর্মগুরু শিবনাথ শাস্ত্রী; তৃতীয় খন্ড-পিতৃদেব ও মাতৃদেবী; চতুর্থ খন্ড-স্বদেশপ্রেমিক রমাকান্ত রায়), উপনিষদের মর্মবাণী (১ম ও ২য় খন্ড), ছেলেমেয়েদের প্রার্থনা, উৎসবের প্রণতি, জীবনবীণার বিচিত্রসুর, সোনার গৌরাঙ্গ, নবযুগের শিক্ষা ও সাধনা, সর্বধর্ম সমন্বয়, সাহিত্য সমাজ ও ধর্ম, ভক্তি কুসুমাঞ্জলি, ভগবদগীতি কুসুমাঞ্জলি (দুই খন্ড), Religion and Modern India, Studies in European Philosophy, The Bhagavat Gita and Modern Scholarship (in Four Parts), Introduction to Indian Thought, Indologans and Their Researches, Educational Culture, A Scheme of Extra Mural Culture, Life of Dr. P.K. Roy, The League of Welfare, Training in Leadership and Citizenship for Young India ইত্যাদি। ১৯৬০ সালের ১৭ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।  [নন্দলাল শর্মা]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Roy, Satish Chandra]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Roy, Satishchandra]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Roy, Satish Chandra]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Roy, Satishchandra]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Roy, Satish Chandra]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Roy, Satishchandra]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Roy, Satish Chandra]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Roy, Satishchandra]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8,_%E0%A6%8F%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0&amp;diff=22000</id>
		<title>রহমান, এহ্তেশামুর</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8,_%E0%A6%8F%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0&amp;diff=22000"/>
		<updated>2026-06-04T06:43:06Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;রহমান,  এহ্তেশামুর&#039;&#039;&#039; দেখুন [[এহ্তেশাম|এহ্তেশাম]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Rahman, Ehtesham]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8,_%E0%A6%8F%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0&amp;diff=21999</id>
		<title>রহমান, এহ্তেশামুর</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8,_%E0%A6%8F%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0&amp;diff=21999"/>
		<updated>2026-06-04T06:41:24Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;রহমান,  এহতেশামুর&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; দেখুন এহ্তেশাম।  en:Rahman, Ehtesham&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;রহমান,  এহতেশামুর&#039;&#039;&#039; দেখুন [[এহ্তেশাম|এহ্তেশাম]]।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Rahman, Ehtesham]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%96%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%AE_%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE&amp;diff=21995</id>
		<title>শাহমখদুম থানা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%AE%E0%A6%96%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%AE_%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE&amp;diff=21995"/>
		<updated>2026-06-04T06:10:39Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;Category:বাংলাপিডিয়া &amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;শাহমখদুম থানা&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (রাজশাহী মেট্রোপলিটন)  আয়তন: ৪.৪২ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২৪°২২´ থেকে ২৪°২৪´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৩৫´ থেকে ৮৮°৩৭´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উ...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;শাহমখদুম থানা&#039;&#039;&#039; (রাজশাহী মেট্রোপলিটন)  আয়তন: ৪.৪২ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২৪°২২´ থেকে ২৪°২৪´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৩৫´ থেকে ৮৮°৩৭´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিমে পবা উপজেলা, দক্ষিণে বোয়ালিয়া থানা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;জনসংখ্যা&#039;&#039; ২৭৮৬৯; পুরুষ ১৫০৭৪, মহিলা ১২৭৯৫। মুসলিম ২৫২৬৯, হিন্দু ২০৫৩, বৌদ্ধ ২২৯, খ্রিস্টান ১০ এবং অন্যান্য ৩০৮।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;প্রশাসন&#039;&#039; রাজশাহী শহরের পবা উপজেলা ও বোয়ালিয়া থানার অংশবিশেষ নিয়ে ১৯৯২ সালের ১ জুলাই শাহমখদুম থানা গঠিত হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;table table-bordered table-hover&amp;quot;&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| colspan=&amp;quot;7&amp;quot; | থানা&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; | ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন  || rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; | মহল্লা  || colspan=&amp;quot;2&amp;quot;| জনসংখ্যা  || rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; | ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি)  || colspan=&amp;quot;2&amp;quot; | শিক্ষার হার (%)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| শহর  || গ্রাম  || শহর  || গ্রাম&lt;br /&gt;
|- &lt;br /&gt;
| ১+১ (আংশিক)  || ১৫  || ২৭৮৬৯  || -  || ৬৩০৫  || ৬০.৭৯  || -&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
{| class=&amp;quot;table table-bordered table-hover&amp;quot;&lt;br /&gt;
|- &lt;br /&gt;
|  colspan=&amp;quot;5&amp;quot;| ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন&lt;br /&gt;
|- &lt;br /&gt;
| rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; | ওয়ার্ড নম্বর ও ইউনিয়ন  || rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; | আয়তন (বর্গ কিমি)  ||  colspan=&amp;quot;2&amp;quot;| লোকসংখ্যা  || rowspan=&amp;quot;2&amp;quot; | শিক্ষার হার (%)&lt;br /&gt;
|-&lt;br /&gt;
| পুরুষ  || মহিলা&lt;br /&gt;
|- &lt;br /&gt;
| ওয়ার্ড  নং ১৭  || ৩.১৬  || ৭৩১০  || ৬০২৮  || ৬১.১২&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
|- &lt;br /&gt;
| ওয়ার্ড  নং ১৮ (আংশিক)  || ১.২৬  || ৭৭৬৪  || ৬৭৬৭  || ৬০.৪৭&lt;br /&gt;
|}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সূত্র&#039;&#039; আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:ShahMakhdumThana.jpg|thumb|right|400px]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন&#039;&#039; গণকবর ১ (পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের নিকটে)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান&#039;&#039;  মসজিদ ৬৫, মন্দির ২, গির্জা ১।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান&#039;&#039; গড় হার ৬০.৭৯%; পুরুষ ৬১.৭৫%, মহিলা ৫৯.৮৪%। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: বড়গাছা হাইস্কুল (১৯৪৪), বায়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৮৮৭)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী&#039;&#039; অবলুপ্ত: মাসিক আত্-তাহরিখ (আহলে হাদীস সম্প্রদায়ের পত্রিকা)।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান&#039;&#039; ক্লাব ১০, সিনেমা হল ২, মহিলা সংগঠন ২১, খেলার মাঠ ১৭।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা&#039;&#039; বিজিবি ক্যাম্প, পোস্টাল একাডেমী, রাজশাহী টেক্সটাইল মিল, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস&#039;&#039; কৃষি ১৮.৪১%, অকৃষি শ্রমিক ৪.০৪%, শিল্প ১.৮২%, ব্যবসা ১৭.৭৫%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ৯.৭৬%, চাকরি ৩৩.৭৬%, নির্মাণ ২.৯৬%, ধর্মীয় সেবা ০.২৫%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ০.৫১% এবং অন্যান্য ১০.৭৪%।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;কৃষিভূমির মালিকানা&#039;&#039; ভূমিমালিক ৩৪.৩১%, ভূমিহীন ৬৫.৬৯%।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;প্রধান কৃষি ফসল&#039;&#039; ধান, পাট, আলু, গম, শাকসবজি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি&#039;&#039;  মটর, খেসারি, ছোলা, যব।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;প্রধান ফল-ফলাদি&#039;&#039; আম, কাঁঠাল, লিচু, পেঁপে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;মৎস্য, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির খামার&#039;&#039; মৎস্য ৮, হাঁস-মুরগি ২৭।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;যোগাযোগ বিশেষত্ব&#039;&#039; পাকারাস্তা ৪০ কিমি, আধা-পাকারাস্তা ২০ কিমি, কাঁচারাস্তা ৭৫ কিমি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় সনাতন বাহন&#039;&#039; ঘোড়া ও গরুর গাড়ি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;শিল্প ও কলকারখানা&#039;&#039; টেক্সটাইল মিল, কোল্ড স্টোরেজ, চালকল, ওয়েল্ডিং কারখানা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;কুটিরশিল্প&#039;&#039; স্বর্ণশিল্প, তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্প, বাঁশের কাজ, বেতের কাজ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;হাটবাজার ও মেলা&#039;&#039; হাটবাজার ১৩।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;প্রধান রপ্তানিদ্রব্য&#039;&#039;  আম, লিচু, আলু, তৈরি পোশাক, শাকসবজি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;বিদ্যুৎ ব্যবহার&#039;&#039; এ থানার সবক’টি ওয়ার্ড বিদ্যুতায়ন কর্মসূচির আওতাধীন। তবে ৫৮.৭৯% পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;পানীয়জলের উৎস&#039;&#039; নলকূপ ৯১.১৭%, পুকুর ০.০২%, ট্যাপ ৬.৪৭% এবং অন্যান্য ২.৩৪%।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্যানিটেশন ব্যবস্থা&#039;&#039; এ থানার ৬৯.৯২% পরিবার স্বাস্থ্যকর এবং ২০.২৫% পরিবার অস্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহার করে। ৯.৮৩% পরিবারের কোনো ল্যাট্রিন সুবিধা নেই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;স্বাস্থ্যকেন্দ্র&#039;&#039; পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র ৩, ক্লিনিক ৫, দাতব্য চিকিৎসালয় ২।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;এনজিও&#039;&#039; ব্র্যাক, প্রশিকা, কারিতাস।  [মো. মাহবুবর রহমান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;তথ্যসূত্র&#039;&#039;&#039;  আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Shah Makhdum Thana]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Shah Makhdum Thana]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Shah Makhdum Thana]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=21994</id>
		<title>মুরশিদ, নূরজাহান</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=21994"/>
		<updated>2026-05-07T09:35:18Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;মুরশিদ, নূরজাহান&#039;&#039;&#039; (১৯২৪-২০০৩)  নারী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী, রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রীসভার সদস্য। তিনি ১৯২৪ সালের ১৯ মে মুর্শিদাবাদ জেলার তারানগরে জন্মগ্রহণ করেন। নিজ গ্রামেই প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা করেন বরিশালে এবং পরবর্তীতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক খান সরওয়ার মুরশিদের সহধর্মিনী নূরজাহান তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন বরিশালের সায়দুন্নেসা গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি ঢাকার কামরুন্নেসা স্কুল, ভিকারুননিসা নুন স্কুল, হলিক্রস কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৪৭-এ দেশবিভাগের আগে নূরজাহান অল ইন্ডিয়া রেডিও-তে ঘোষিকা হিসেবে কাজ করেছেন। দেশবিভাগের পরও পাকিস্তান রেডিও-তে তাঁর এই পেশা অব্যাহত থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নূরজাহান মুরশিদ ১৯৫০-এর দশকের শুরুর দিকে রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট হন। যুক্তফ্রন্টের মনোনয়ন নিয়ে তিনি ১৯৫৪-এর নির্বাচনে অংশ নেন এবং পূর্ব বাংলার আইন পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইন পরিষদ সচিব (পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি) হিসেবে কাজ করেন। আইন পরিষদের একজন মহিলা সদস্য হিসেবে তিনি আইন প্রণয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। এসময় তিনি হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নূরজাহান মুরশিদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে ভারতীয় বিধানসভার উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে ভারত সরকারের প্রতি আহবান জানান। এর ফলে তাঁর প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে পাকিস্তানের সামরিক জান্তা তাঁকে নিরুদ্দেশ অবস্থাতেই ১৪ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৭২ সালে নূরজাহান মুরশিদ বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৭৩ সালে গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সংসদে একজন সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ মহিলা সমিতির প্রথম সভাপতি ছিলেন। ‘একাল’ নামে তিনি একটি বাংলা সাময়িকী চালু করেছিলেন। এর প্রকাশনা খুব দীর্ঘস্থায়ী ছিল না তবে ‘এদেশ-একাল’ নামে সাময়িকীটির নতুনভাবে প্রকাশ বেশ কয়েক বছর অব্যাহত ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নূরজাহান মুরশিদ ২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।  [মো. মুকবিল হোসেন]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Murshid, Nurjahan]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=21993</id>
		<title>মুরশিদ, নূরজাহান</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6,_%E0%A6%A8%E0%A7%82%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8&amp;diff=21993"/>
		<updated>2026-05-07T09:34:33Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &amp;quot;&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039;মুরশিদ, নূরজাহান&amp;#039;&amp;#039;&amp;#039; (১৯২৪-২০০৩)  নারী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী, রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রীসভার সদস্য। তিনি ১৯২৪ সালের ১৯ মে মুর্শিদ...&amp;quot; দিয়ে পাতা তৈরি&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;মুরশিদ, নূরজাহান&#039;&#039;&#039; (১৯২৪-২০০৩)  নারী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী, রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রীসভার সদস্য। তিনি ১৯২৪ সালের ১৯ মে মুর্শিদাবাদ জেলার তারানগরে জন্মগ্রহণ করেন। নিজ গ্রামেই প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পড়াশোনা করেন বরিশালে এবং পরবর্তীতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক খান সরওয়ার মুরশিদের সহধর্মিনী নূরজাহান তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন বরিশালের সায়দুন্নেসা গার্লস হাই স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি ঢাকার কামরুন্নেসা স্কুল, ভিকারুননিসা নুন স্কুল, হলিক্রস কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৪৭-এ দেশবিভাগের আগে নূরজাহান অল ইন্ডিয়া রেডিও-তে ঘোষিকা হিসেবে কাজ করেছেন। দেশবিভাগের পরও পাকিস্তান রেডিও-তে তাঁর এই পেশা অব্যাহত থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নূরজাহান মুরশিদ ১৯৫০-এর দশকের শুরুর দিকে রাজনীতিতে সংশ্লিষ্ট হন। যুক্তফ্রন্টের মনোনয়ন নিয়ে তিনি ১৯৫৪-এর নির্বাচনে অংশ নেন এবং পূর্ব বাংলার আইন পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইন পরিষদ সচিব (পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি) হিসেবে কাজ করেন। আইন পরিষদের একজন মহিলা সদস্য হিসেবে তিনি আইন প্রণয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন। এসময় তিনি হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নূরজাহান মুরশিদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে ভারতীয় বিধানসভার উভয় কক্ষের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দিয়ে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে ভারত সরকারের প্রতি আহবান জানান। এর ফলে তাঁর প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে পাকিস্তানের সামরিক জান্তা তাঁকে নিরুদ্দেশ অবস্থাতেই ১৪ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত করে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৭২ সালে নূরজাহান মুরশিদ বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৭৩ সালে গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সংসদে একজন সাংসদ নির্বাচিত হন। তিনি বাংলাদেশ মহিলা সমিতির প্রথম সভাপতি ছিলেন। ‘একাল’ নামে তিনি একটি বাংলা সাময়িকী চালু করেছিলেন। এর প্রকাশনা খুব দীর্ঘস্থায়ী ছিল না তবে ‘এদেশ-একাল’ নামে সাময়িকীটির নতুনভাবে প্রকাশ বেশ কয়েক বছর অব্যাহত ছিল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নূরজাহান মুরশিদ ২০০৩ সালের ২ সেপ্টেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।  [মো. মুকবিল হোসেন]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE,_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%AB%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%B2&amp;diff=21992</id>
		<title>করিম, সরদার ফজলুল</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AE,_%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%AB%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%B2&amp;diff=21992"/>
		<updated>2026-04-30T07:15:14Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Image:KarimSarderFazlul.jpg|right|thumbnail|200px|সরদার ফজলুল করিম]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;করিম, সরদার ফজলুল&#039;&#039;&#039; (১৯২৫-২০১৪)  জাতীয় অধ্যাপক। বাংলাদেশের বিশিষ্ট দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও প্রবন্ধকার। সরদার ফজলুল করিম বরিশালের আটিপাড়া গ্রামে এক কৃষক পরিবারে ১৯২৫ সালের ১লা মে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা খবির উদ্দিন সরদার কৃষি কাজ করতেন। মা সফুরা বেগম ছিলেন গৃহিণী। তারা দুই ভাই তিন বোন। সরদার ফজলুল করিমের শৈশবকাল কেটেছে গ্রামে। ক্লাস নাইনে পড়ার সময় তাঁর বন্ধু মোজাম্মেল হক তাঁকে এক রাতের মধ্যে ‘পথের দাবী’ পড়ে শেষ করতে দেন। এ বই থেকেই উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন বিপ্লবী চেতনায়। জেল খেটেছেন, শাসকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ-অনশন করেছেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৪০ সালে তিনি বরিশাল জিলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। এরপর তিনি ঢাকায় আসেন। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডের মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। ১৯৪২ সালে সরদার ফজলুল করিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন বিভাগে ভর্তি হন। বি.এ অনার্সে প্রথম শ্রেণিতে ১ম স্থান অধিকার করেন। ১৯৪৬ সালে এম.এ-তেও প্রথম শ্রেণিতে ১ম হন। পরবর্তীতে এ বিভাগেই তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন। ১৯৪৮ সালে রাজনীতির কারণে স্বেচ্ছায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় তিনি ইস্তফা দেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বামপন্থী আন্দোলনে যুক্ত থাকার পর্যায়ে তিনি দীর্ঘ ১১ বছর কারান্তরালে বাস করেন। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের টিকেটে সরদার ফজলুল করিম প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৫৫ সালে গঠিত পাকিস্তান কনস্টিটিউয়েন্ট  এসেম্বলিরও সদস্য হয়েছিলেন। ১৯৪৯ সালে ঢাকা জেলে কারাবন্দিদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে অন্যান্য বন্দিদের সঙ্গে সরদার ফজলুল করিম একটানা ৫৮ দিন অনশনে অংশগ্রহণ করেন। কারাগার থেকেই তিনি পাকিস্তান কনস্টিটিউয়েন্ট এসেম্বলির সদস্য নির্বাচিত হন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৬২ থেকে ১৯৭১ (৭ই সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত সরদার ফজলুল করিম বাংলা একাডেমিতে অনুবাদ এবং সংস্কৃতি শাখার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে স্বাধীনতার পর সরদার ফজলুল করিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সহকারী অধ্যাপক পদে যোগদান করেন। একই বিভাগে তিনি সহযোগী অধ্যাপক পর্যন্ত পদোন্নতি পেয়েছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সরদার ফজলুল করিম অনেকগুলো মৌলিক গ্রন্থের রচয়িতা। তাঁর রচিত ‘দর্শনকোষ’ দর্শন বিষয়ে তাঁর সুগভীর পাণ্ডিত্যের প্রামাণ্য দলিল। তাঁর আলোচিত উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘রুমীর আম্মা’, ‘চল্লিশের দশকের ঢাকা’, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ’ ও ‘সেই সে কাল’ ইত্যাদি। অনুবাদ সাহিত্যে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। সুদীর্ঘ ৩০ বছর ধরে তিনি প্লেটো, এরিস্টটল, রুশো, এঙ্গেলস প্রমুখ ইউরোপীয় মনীষীর সৃজনশীল কর্ম অনুবাদ করে বাঙালি মননের যোগাযোগ ঘটিয়েছেন। বাংলাদেশের শিক্ষিত সমাজকে গ্রিক দর্শনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরদার ফজলুল করিম বিশিষ্ট ভূমিকা পালন করেন। তাঁর অনূদিত বইগুলোর মধ্যে ‘প্লেটোর সংলাপ’, ‘প্লেটোর রিপাবলিক’, ‘এরিস্টটলের পলিটিক্স’ ছাড়াও রয়েছে ‘এঙ্গেলসের অ্যান্টি ডুরিং’, ‘রুশোর সোস্যাল কন্ট্রাক্ট’ ইত্যাদি। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৫৭ সালের ৪ঠা ফেব্রুয়ারি সুলতানা রাজিয়ার সাথে তিনি বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। তাঁদের এক কন্যা ও দুই পুত্র সন্তান রয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০০০ সালে তাঁকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কারে’ ভূষিত করা হয়। ২০০১ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার থেকে শিক্ষাবিদ হিসেবে শিক্ষা পুরস্কার পান। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২০১৪ সালের ১৫ই জুন তিনি ঢাকায় পরলোক গমন করেন। [সাব্বীর আহমেদ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en: Karim, Sarder Fazlul]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0,_%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6&amp;diff=21991</id>
		<title>মহাস্থবির, সাধনানন্দ</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0,_%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6&amp;diff=21991"/>
		<updated>2026-04-29T08:35:21Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মহাস্থবির, সাধনানন্দ&#039;&#039;&#039; (১৯২০-২০১২)  বৌদ্ধ আধ্যাত্মিক গুরু। জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯২০, রাঙ্গামাটির সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নে। তাঁর পারিবারিক নাম রথীন্দ্র চাকমা, সাধনানন্দ তাঁর অর্পিত নাম। তবে তিনি সমধিক পরিচিত ‘বনভান্তে’ নামে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[Image:MahasthabirSadhanananda.jpg|thumb|right|সাধনানন্দ মহাস্থবির]]&lt;br /&gt;
রথীন্দ্রের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু হয় স্থানীয় একটি প্রাইমারী স্কুলে। কিন্তু পিতাকে তাঁর সাংসারিক কাজে সাহায্য করতে গিয়ে তাকে ওই প্রাইমারিতেই পড়ালেখার ইতি টানতে হয়। রথীন্দ্র স্কুল ছেড়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু বই পড়তে তিনি খুবই ভালোবাসতেন এবং বৌদ্ধধর্মের প্রতি তার ছিল গভীর আগ্রহ। ১৯৪৩ সালে তাঁর পিতা হারু মোহনের মৃত্যু ছিল তাঁর জীবনের এক বড় আঘাত। ছয় ভাইবোনদের মধ্যে সর্বজ্যেষ্ঠ হওয়ায় পরিবারের সব দায়িত্ব তাঁকে বহন করতে হয়। জানা যায়, পরিবারের আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি রাঙ্গামাটির বাজার থেকে রেশম কিনে তা বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে বিক্রি করতেন। ১৯৪৯ সালে, ২৯ বছর বয়সে তাঁর জীবনে এক পট-পরিবর্তন ঘটে। এসময় চট্টগ্রাম নিবাসী বাবু গজেন্দ্র লাল বড়ুয়া নামে এক চিকিৎসকের সহায়তায় তিনি চট্টগ্রাম আসেন এবং এখানকার বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ মহাস্থবির দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের অধীনে ‘শ্রমণ’ অর্থাৎ বৌদ্ধ ভিক্ষুজীবনের শিক্ষানবিস হিসেবে জীবন শুরু করেন। তখন তার নাম হয় রথীন্দ্র শ্রমণ।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শুরু থেকেই বৌদ্ধ সন্ন্যাস জীবনের সব নিয়মনীতি কঠোরভাবে মেনে চলায় খুবই নিষ্ঠাবান ছিলেন রথীন্দ্র। বিহারের অন্য শ্রমণদের মধ্যে ছিল সে নিষ্ঠার অভাব; শুধু তাই নয়, অনেকে নির্দেশিত বিধান লঙ্ঘনও করতেন নির্দ্বিধায়। এরূপ পরিস্থিতে ধ্যানে ব্যাঘাত ঘটে বলে তিনি চট্টগ্রাম ছেড়ে নিজ গ্রামের বাড়ীতে আসেন এবং ধনপাতা নামক স্থানে গভীর অরণ্যে এক নির্জন পরিবেশ তপস্যা শুরু করেন। তিনি আহার সংগ্রহের জন্য দিনে একবার বাইরে আসতেন আর বাকি সময় গভীর ধ্যানে মগ্ন থাকতেন সব রকম প্রতিকুলতাকে উপেক্ষা করে। স্থানীয় লোকজন তাঁর এ সাধনা দেখে অভিভূত হয়ে পড়েন এবং তাঁর জন্যে অরণ্যের পাদদেশে একটি অস্থায়ী কুটির স্থাপন করেন। ১৯৬০ সালে কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী নদীর উপর বাঁধ নির্মাণের ফলে তাঁর ধ্যানের স্থানটি জলমগ্ন হয়ে গেলে তিনি খাগড়াছড়ি জেলার বোয়ালখালিতে চলে যান এবং সেখানেও একইভাবে গভীর অরণ্যে ধ্যানমগ্ন থাকেন। এখানেও স্থানীয় লোকজন তাঁর তপস্যার স্থানে একটি অস্থায়ী কুটির নির্মাণ করেন। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৬১ সালের ২৭ জুন বোয়ালখালীর রাজবিহারে তাঁকে রথীন্দ্র শ্রমণ থেকে বৌদ্ধভিক্ষুতে দীক্ষিত করা হয় এবং নাম দেওয়া হয় সাধনানন্দ ভিক্ষু। বৌদ্ধভিক্ষু হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে বিশ বছর সন্ন্যাসব্রত পালন করার পর রাঙ্গামাটির রাজবন বিহারের এক বৌদ্ধভিক্ষু সম্মেলনে সাধনানন্দ ভিক্ষুকে মহাস্থবির পদে অভিষিক্ত করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বোয়ালখালিতে দশ বছর অবস্থানের পর সাধনানন্দ ১৯৭০ সালে রাঙ্গামাটি জেলার লংগদুতে চলে আসেন এবং তিনটিলা নামক স্থানে গভীর অরণ্যে তাঁর আবাস স্থির করেন। এ তিনটিলা থেকেই বৌদ্ধভিক্ষু হিসেবে তাঁর বিশেষত্ব। জীবনের মাহাত্ম্য, গভীর অরণ্যে ধ্যানমগ্ন থাকার অবিশ্বাস্য কাহিনী ও বৌদ্ধধর্মে তাঁর জ্ঞানের গভীরতা, দেশে এবং দেশের বাইরে ব্যাপক প্রচার ও প্রসার লাভ করে। তখন থেকেই সাধনানন্দ ‘বনভান্তে’ নামে বেশি পরিচিতি ও খ্যাতি লাভ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
চাকমা রাজা ও রাজপরিবারের বিশেষ আগ্রহ ও সহযোগিতায় ১৯৭৬ সালে বনভান্তেকে লংগদু থেকে রাঙ্গামাটিতে নিয়ে আসা হয় এবং রাজবন বিহারে স্থায়ীভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়। বনভান্তে সর্বস্তরের মানুষের এমন ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন যে, তাঁর সাক্ষাৎ ও আশীর্বাদ লাভের জন্য প্রতিদিন রাজবনবিহারে বয়স, ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে অসংখ্য দর্শনার্থীদের ভীড় লেগেই থাকতো। দীর্ঘদিন গভীর সাধনা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সন্ন্যাসজীবন পালনের মধ্য দিয়ে বনভান্তে অর্হত্ব লাভ করেছেন বলে মনে করা হয়। যিনি অর্হত্ব লাভ করেন তিনি সব কলুষ ও দুঃখ-ক্লেশ থেকে মুক্ত হয়ে মৃত্যুতে নির্বাণে প্রবেশ করেন এবং ভবিষ্যতে তাঁর আর পুনর্জন্ম হবার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। ২০১২ সালের ৩০ জানুয়ারি বনভান্তে মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন। তাঁর মরদেহ বর্তমানে রাঙ্গামাটির রাজবন বিহারে কৃত্রিম পদ্ধতিতে রক্ষিত আছে।  [নীরু কুমার চাকমা]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Mahasthabir, Sadhanananda]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Mahasthabir, Sadhanananda]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Mahasthabir, Sadhanananda]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Mahasthabir, Sadhanananda]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Mahasthabir, Sadhanananda]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Mahasthabir, Sadhanananda]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE&amp;diff=21990</id>
		<title>ভূতত্ত্ব শিক্ষা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE&amp;diff=21990"/>
		<updated>2026-04-28T08:15:05Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ভূতত্ত্ব শিক্ষা&#039;&#039;&#039; (Geology Education)  বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে ভূতত্ত্ব শিক্ষা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের প্রাচীনতম ভূতত্ত্ব বিভাগটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত, যা ১৯৪৯ সালের ২৩ এপ্রিল অধ্যাপক এম. ওসমান গণি-কে বিভাগীয় প্রধান করে যাত্রা শুরু করে। ড. এম. ওসমান গণি, যিনি মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগেরও প্রধান ছিলেন, ১৫ এপ্রিল ১৯৫৬ পর্যন্ত ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে এর মধ্যে ১৯৫০ সালের ২২ জুলাই থেকে ১৯৫১ সালের ১৬ জুলাই পর্যন্ত সিডনি থেকে আসা একজন অস্ট্রেলীয়, জনাব সিডনি জেমস মেইন এই বিভাগের প্রধান ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বছরের বিএসসি (পাস) কোর্সের মাধ্যমে ভূতত্ত্বের পাঠদান শুরু হয়। ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবার ছয়জন ছাত্র নিয়ে দুই বছরের এমএসসি কোর্স চালু করা হয়। আর বিএসসি (অনার্স) কোর্স শুরু হয় ১৯৬৭ সালের জুলাই মাস থেকে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৫ সালে ‘ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা’ বিভাগ চালু করে এবং একই বছরের আগস্ট মাস থেকে প্রথম বর্ষ বিএসসি (অনার্স) ক্লাস শুরু হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৫ সালে ‘ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান’ বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে। প্রথম দুই শিক্ষাবর্ষে বিভাগটি কেবল গৌণ (সাবসিডিয়ারি) কোর্স প্রদান করত এবং ১৯৮৭-৮৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞানে সম্মান (অনার্স) কোর্স চালু করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে বিএস (অনার্স), এমএস (মাস্টার্স), এমফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এছাড়া অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি গৌণ কোর্সও অফার করে। বিএস (অনার্স) হলো চার মেয়াদি সমন্বিত প্রোগ্রাম, যাতে প্রধান বিষয় হিসেবে তাত্ত্বিক, ব্যবহারিক, ফিল্ড ম্যাপিং, প্রজেক্ট এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য ১২৬ ক্রেডিট এবং গৌণ বিষয় হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতের জন্য ২০ ক্রেডিট অন্তর্ভুক্ত থাকে। এমএস ডিগ্রি হলো এক বছরের প্রোগ্রাম যা কেবল কোর্স ওয়ার্ক (গ্রুপ এ) অথবা কোর্স ওয়ার্কের পাশাপাশি গবেষণা (গ্রুপ বি) ভিত্তিক। এমএস পর্যায়ে বর্তমানে পাঁচটি প্রধান শাখা চালু রয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের আগ্রহ অনুযায়ী গবেষণার ক্ষেত্র বেছে নিতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূতত্ত্ব বিভাগগুলোতে খনিজবিদ্যা (Mineralogy), শিলাতত্ত্ব (Petrology), জীবাশ্মবিজ্ঞান (Palaeontology), স্তরতত্ত্ব (Stratigraphy), পলিবিজ্ঞান (Sedimentology), ভূ-গাঠনিকতত্ত্ব (Structural Geology) ও ভূ-পদার্থবিদ্যার (Geophysics) মতো মৌলিক বিষয়ের পাশাপাশি ফলিত ভূতত্ত্বের বিভিন্ন শাখা পড়ানো হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: পেট্রোলিয়াম জিওলজি (খনিজ তেল ভূতত্ত্ব), জলভূতত্ত্ব (Hydrogeology), ভূ-রসায়ন (Geochemistry), প্রকৌশল ভূতত্ত্ব (Engineering Geology), পরিবেশ ভূতত্ত্ব (Environmental Geology), রিমোট সেন্সিং ও ফটোজিলজি ইত্যাদি। ভূতত্ত্ব একটি বহুমুখী বিষয়, এর ফলে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, পরিসংখ্যান, রসায়ন ও কম্পিউটিং বিষয়েও পড়াশোনা করতে হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঢাকা, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলোর নিজস্ব গবেষণা কার্যক্রম রয়েছে। গবেষণার উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে: চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের পাললিক ভূতত্ত্ব, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূ-কম্পন অনুসন্ধান, বঙ্গীয় অববাহিকার ভূ-গাঠনিক গবেষণা, ভূ-গর্ভস্থ পানির রসায়ন ও আর্সেনিক দূষণ, বাংলাদেশের গোন্ডওয়ানা কয়লা ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনির ভূতাত্ত্বিক গবেষণা ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনটি বিভাগেই পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে ‘জিওলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এই সমিতির বার্ষিক প্রকাশনা হলো ‘বাংলাদেশ জার্নাল অব জিওলজি’। এই জার্নালে প্রকাশিত অধিকাংশ নিবন্ধই বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞানের গবেষণার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়।  [মনজুর হাসান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Geology Education]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE&amp;diff=21989</id>
		<title>ভূতত্ত্ব শিক্ষা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AD%E0%A7%82%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC_%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE&amp;diff=21989"/>
		<updated>2026-04-28T07:49:25Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;&#039;&#039;&#039;ভূতত্ত্ব শিক্ষা&#039;&#039;&#039; (Geology Education)  বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে ভূতত্ত্ব শিক্ষা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের প্রাচীনতম ভূতত্ত্ব বিভাগটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত, যা ১৯৪৯ সালের ২৩ এপ্রিল অধ্যাপক এম. ওসমান গণি-কে বিভাগীয় প্রধান করে যাত্রা শুরু করে। ড. এম. ওসমান গণি, যিনি মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগেরও প্রধান ছিলেন, ১৫ এপ্রিল ১৯৫৬ পর্যন্ত ভূতত্ত্ব বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে এর মধ্যে ১৯৫০ সালের ২২ জুলাই থেকে ১৯৫১ সালের ১৬ জুলাই পর্যন্ত সিডনি থেকে আসা একজন অস্ট্রেলীয়, জনাব সিডনি জেমস মেইন এই বিভাগের প্রধান ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই বছরের বিএসসি (পাস) কোর্সের মাধ্যমে ভূতত্ত্বের পাঠদান শুরু হয়। ১৯৫৭-৫৮ শিক্ষাবর্ষে প্রথমবার ছয়জন ছাত্র নিয়ে দুই বছরের এমএসসি কোর্স চালু করা হয়। আর বিএসসি (অনার্স) কোর্স শুরু হয় ১৯৬৭ সালের জুলাই মাস থেকে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৫ সালে ‘ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা’ বিভাগ চালু করে এবং একই বছরের আগস্ট মাস থেকে প্রথম বর্ষ বিএসসি (অনার্স) ক্লাস শুরু হয়। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৮৫ সালে ‘ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান’ বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে। প্রথম দুই শিক্ষাবর্ষে বিভাগটি কেবল গৌণ (সাবসিডিয়ারি) কোর্স প্রদান করত এবং ১৯৮৭-৮৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞানে সম্মান (অনার্স) কোর্স চালু করা হয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বর্তমানে ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে বিএস (অনার্স), এমএস (মাস্টার্স), এমফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এছাড়া অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য এটি গৌণ কোর্সও অফার করে। বিএস (অনার্স) হলো চার মেয়াদি সমন্বিত প্রোগ্রাম, যাতে প্রধান বিষয় হিসেবে তাত্ত্বিক, ব্যবহারিক, ফিল্ড ম্যাপিং, প্রজেক্ট এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য ১২৬ ক্রেডিট এবং গৌণ বিষয় হিসেবে পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতের জন্য ২০ ক্রেডিট অন্তর্ভুক্ত থাকে। এমএস ডিগ্রি হলো এক বছরের প্রোগ্রাম যা কেবল কোর্স ওয়ার্ক (গ্রুপ এ) অথবা কোর্স ওয়ার্কের পাশাপাশি গবেষণা (গ্রুপ বি) ভিত্তিক। এমএস পর্যায়ে বর্তমানে পাঁচটি প্রধান শাখা চালু রয়েছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের আগ্রহ অনুযায়ী গবেষণার ক্ষেত্র বেছে নিতে পারেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ভূতত্ত্ব বিভাগগুলোতে খনিজবিদ্যা (গরহবৎধষড়মু), শিলাতত্ত্ব (চবঃৎড়ষড়মু), জীবাশ্মবিজ্ঞান (চধষধবড়হঃড়ষড়মু), স্তরতত্ত্ব (ঝঃৎধঃরমৎধঢ়যু), পলিবিজ্ঞান (ঝবফরসবহঃড়ষড়মু), ভূ-গাঠনিকতত্ত্ব (ঝঃৎঁপঃঁৎধষ এবড়ষড়মু) ও ভূ-পদার্থবিদ্যার (এবড়ঢ়যুংরপং) মতো মৌলিক বিষয়ের পাশাপাশি ফলিত ভূতত্ত্বের বিভিন্ন শাখা পড়ানো হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: পেট্রোলিয়াম জিওলজি (খনিজ তেল ভূতত্ত্ব), জলভূতত্ত্ব (ঐুফৎড়মবড়ষড়মু), ভূ-রসায়ন (এবড়পযবসরংঃৎু), প্রকৌশল ভূতত্ত্ব (ঊহমরহববৎরহম এবড়ষড়মু), পরিবেশ ভূতত্ত্ব (ঊহারৎড়হসবহঃধষ এবড়ষড়মু), রিমোট সেন্সিং ও ফটোজিলজি ইত্যাদি। ভূতত্ত্ব একটি বহুমুখী বিষয়, এর ফলে স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পদার্থবিজ্ঞান, গণিত, পরিসংখ্যান, রসায়ন ও কম্পিউটিং বিষয়েও পড়াশোনা করতে হয়।&lt;br /&gt;
ঢাকা, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগগুলোর নিজস্ব গবেষণা কার্যক্রম রয়েছে। গবেষণার উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে: চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের পাললিক ভূতত্ত্ব, বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূ-কম্পন অনুসন্ধান, বঙ্গীয় অববাহিকার ভূ-গাঠনিক গবেষণা, ভূ-গর্ভস্থ পানির রসায়ন ও আর্সেনিক দূষণ, বাংলাদেশের গোন্ডওয়ানা কয়লা ও মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনির ভূতাত্ত্বিক গবেষণা ইত্যাদি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তিনটি বিভাগেই পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে ‘জিওলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এই সমিতির বার্ষিক প্রকাশনা হলো ‘বাংলাদেশ জার্নাল অব জিওলজি’। এই জার্নালে প্রকাশিত অধিকাংশ নিবন্ধই বাংলাদেশের ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞানের গবেষণার ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়।  [মনজুর হাসান]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Geology Education]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8,_%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%86%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%80&amp;diff=21988</id>
		<title>শরফুদ্দিন, আবদুল্লাহ আল-মুতী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8,_%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%86%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%80&amp;diff=21988"/>
		<updated>2026-04-27T08:57:47Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
[[Image:SharafuddinAbdullahAl-Muti.jpg|thumb|right|400px|আবদুল্লাহ আল-মুতীশরফুদ্দিন]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;শরফুদ্দিন, আবদুল্লাহ আল-মুতী&#039;&#039;&#039; (১৯৩০-১৯৯৮)  জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক, শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক। আবদুল্লাহ আল-মুতী শরফুদ্দিন ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি  [[সিরাজগঞ্জ জেলা|সিরাজগঞ্জ]] জেলার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৩ সালে  [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে এম.এসসি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিষয়ে ১৯৬০ সালে এম.এ ও ১৯৬২ সালে পিএইচ.ডি ডিগ্রি লাভ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সচিব আল-মুতী শরফুদ্দিনের কর্মজীবন শুরু হয় সরকারি কলেজের একজন শিক্ষক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে তিনি শিক্ষক-শিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, জনশিক্ষা পরিচালক (ডিপিআই), বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক কাউন্সিলর, শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি এডিবি-ইউএনডিপি অর্থায়নকৃত মাধ্যমিক বিজ্ঞান শিক্ষা প্রকল্পের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে আল-মুতী শরফুদ্দিনের অবদান অসামান্য। তিনি এদেশে বিজ্ঞানকে ছোটদের মধ্যে জনপ্রিয় করার পথিকৃৎ। তাঁর প্রকাশিত বিজ্ঞান, পরিবেশ ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ২৮। উল্লেখযোগ্য বইগুলির মধ্যে রয়েছে বিজ্ঞান ও মানুষ, এ যুগের বিজ্ঞান, বিপন্ন পরিবেশ, বিজ্ঞান-জিজ্ঞাসা, সাগরের রহস্যপুরী, মেঘ বৃষ্টি রোদ এবং পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞান শিক্ষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি  [[বাংলা একাডেমী|বাংলা একাডেমী]] সাহিত্য পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, একুশে পদক, শিশু একাডেমী পুরস্কার, ইউনেস্কোর কলিঙ্গ পুরস্কার এবং ড. কুদরত-ই-খুদা স্বর্ণপদকসহ এক ডজনের অধিক পুরস্কার লাভ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল-মুতী শরফুদ্দিন বাংলা একাডেমী প্রকাশিত বিজ্ঞান বিশ্বকোষ-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন এবং ‘মুকুল’ নামে ছোটদের ম্যাগাজিনের সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মময় জীবনের মাঝখানেও তিনি সাহিত্য সংসদ, প্রগতি লেখক সংঘ, কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা, [[বাংলাদেশ শিশু একাডেমী|বাংলাদেশ শিশু একাডেমী]], বিজ্ঞান সংস্কৃতি পরিষদ এবং Human Development Foundation-সহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি ছিলেন ইসলামিক একাডেমী অব সাইন্স-এর একজন প্রতিষ্ঠাতা ফেলো; বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ফেলো এবং সভাপতি (১৯৮৮-৯১)। এ ছাড়া তিনি বাংলা একাডেমীর সভাপতি (১৯৮৬-৯০), Foundation for Research on Planning and Development-এর সহ-সভাপতি (১৯৯৩), Bangladesh Association for Science Education-এর সভাপতি (১৯৮৮-৯৫), International Council of Associations for Science Education-এর নির্বাহী সদস্য (১৯৮৯-৯৩) এবং ইউনেস্কোর মহাপরিচালক মনোনীত International Scientific Council-এর সদস্য ছিলেন। আল-মুতী শরফুদ্দিন ১৯৯৮ সালের ৩০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির National Encyclopedia of Bangladesh Project-এর Project Implementation Committee-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  [সাজাহান মিয়া]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Sharafuddin, Abdullah Al-Muti]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Sharafuddin, Abdullah Al-Muti]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Sharafuddin, Abdullah Al-Muti]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8,_%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%86%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%80&amp;diff=21987</id>
		<title>শরফুদ্দিন, আবদুল্লাহ আল-মুতী</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%A8,_%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%86%E0%A6%B2-%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%80&amp;diff=21987"/>
		<updated>2026-04-27T08:54:47Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Mukbil: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;[[Category:বাংলাপিডিয়া]]&lt;br /&gt;
[[Image:SharafuddinAbdullahAl-Muti.jpg|thumb|right|400px|আবদুল্লাহ আল-মুতীশরফুদ্দিন]]&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;শরফুদ্দিন, আবদুল্লাহ আল-মুতী&#039;&#039;&#039; (১৯৩০-১৯৯৮)  জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক, শিক্ষাবিদ ও প্রশাসক। আবদুল­াহ আল-মুতী শরফুদ্দিন ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি  [[সিরাজগঞ্জ জেলা|সিরাজগঞ্জ]] জেলার ফুলবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৩ সালে  [[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়|ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়]] থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে এম.এসসি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা বিষয়ে ১৯৬০ সালে এম.এ ও ১৯৬২ সালে পিএইচ.ডি ডিগ্রি লাভ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন সচিব আল-মুতী শরফুদ্দিনের কর্মজীবন শুরু হয় সরকারি কলেজের একজন শিক্ষক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে তিনি শিক্ষক-শিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক, জনশিক্ষা পরিচালক (ডিপিআই), বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক কাউন্সিলর, শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব, অতিরিক্ত সচিব ও সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি এডিবি-ইউএনডিপি অর্থায়নকৃত মাধ্যমিক বিজ্ঞান শিক্ষা প্রকল্পের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে আল-মুতী শরফুদ্দিনের অবদান অসামান্য। তিনি এদেশে বিজ্ঞানকে ছোটদের মধ্যে জনপ্রিয় করার পথিকৃৎ। তাঁর প্রকাশিত বিজ্ঞান, পরিবেশ ও শিক্ষাবিষয়ক বইয়ের সংখ্যা ২৮। উল্লেখযোগ্য বইগুলির মধ্যে রয়েছে বিজ্ঞান ও মানুষ, এ যুগের বিজ্ঞান, বিপন্ন পরিবেশ, বিজ্ঞান-জিজ্ঞাসা, সাগরের রহস্যপুরী, মেঘ বৃষ্টি রোদ এবং পরিবেশের সংকট ঘনিয়ে আসছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বিজ্ঞান শিক্ষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তিনি  [[বাংলা একাডেমী|বাংলা একাডেমী]] সাহিত্য পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, একুশে পদক, শিশু একাডেমী পুরস্কার, ইউনেস্কোর কলিঙ্গ পুরস্কার এবং ড. কুদরত-ই-খুদা স্বর্ণপদকসহ এক ডজনের অধিক পুরস্কার লাভ করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল-মুতী শরফুদ্দিন বাংলা একাডেমী প্রকাশিত বিজ্ঞান বিশ্বকোষ-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন এবং ‘মুকুল’ নামে ছোটদের ম্যাগাজিনের সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছেন। কর্মময় জীবনের মাঝখানেও তিনি সাহিত্য সংসদ, প্রগতি লেখক সংঘ, কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা, [[বাংলাদেশ শিশু একাডেমী|বাংলাদেশ শিশু একাডেমী]], বিজ্ঞান সংস্কৃতি পরিষদ এবং Human Development Foundation-সহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তিনি ছিলেন ইসলামিক একাডেমী অব সাইন্স-এর একজন প্রতিষ্ঠাতা ফেলো; বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ফেলো এবং সভাপতি (১৯৮৮-৯১)। এ ছাড়া তিনি বাংলা একাডেমীর সভাপতি (১৯৮৬-৯০), Foundation for Research on Planning and Development-এর সহ-সভাপতি (১৯৯৩), Bangladesh Association for Science Education-এর সভাপতি (১৯৮৮-৯৫), International Council of Associations for Science Education-এর নির্বাহী সদস্য (১৯৮৯-৯৩) এবং ইউনেস্কোর মহাপরিচালক মনোনীত International Scientific Council-এর সদস্য ছিলেন। আল-মুতী শরফুদ্দিন ১৯৯৮ সালের ৩০ নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির National Encyclopedia of Bangladesh Project-এর Project Implementation Committee-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  [সাজাহান মিয়া]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Sharafuddin, Abdullah Al-Muti]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Sharafuddin, Abdullah Al-Muti]]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[en:Sharafuddin, Abdullah Al-Muti]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Mukbil</name></author>
	</entry>
</feed>