শাহ পরান থানা


শাহ পরান থানা (সিলেট মেট্রোপলিটন)  আয়তন: ৬৩.৫৬ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২৪°৫১´ থেকে ২৪°৫৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°৫৩´ থেকে ৯০°০০´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। সীমানা: উত্তরে বিমানবন্দর থানা ও জৈন্তাপুর উপজেলা, দক্ষিণে দক্ষিণ সুরমা থানা ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে জৈন্তাপুর ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা, পশ্চিমে কোতোয়ালী মডেল থানা।

জনসংখ্যা ৯৯২২৪; পুরুষ ৫২৬১১, মহিলা ৪৬৬১৩। মুসলিম ৯০১৮২, হিন্দু ৮৬৯১, বৌদ্ধ ২১৪, খিস্টান ৯ এবং অন্যান্য ১২৮।

জলাশয় প্রধান নদী: সুরমা।

প্রশাসন ১২ আগস্ট ২০১১ সালে ২টি ইউনিয়ন ও ৪টি ওয়ার্ড নিয়ে শাহপরান থানা গঠিত হয়।

থানা
ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন মহল্লা জনসংখ্যা ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি) শিক্ষার হার (%)
শহর গ্রাম শহর গ্রাম
৪৮ ৩৮৭৯১ ৬০৪৩৩ ১৫৬১ ৬৬.৩৯ ৬০.৩৬
ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন
ওয়ার্ড নম্বর ও ইউনিয়ন আয়তন (বর্গ কিমি) লোকসংখ্যা শিক্ষার হার (%)
পুরুষ মহিলা
ওয়ার্ড  নং ১৯ ০.৯১ ৪৯৮৩ ৪২৮৮ ৬৮.৪০
ওয়ার্ড  নং ২০ ০.৯২ ৫৬৮৩ ৪৮২২ ৬৫.৯৪
ওয়ার্ড  নং ২১ ০.৯৩ ৩৯৬০ ৩৯১১ ৭৪.৪১
ওয়ার্ড  নং ২৪ ০.৯২ ৬০৬৩ ৫০৮১ ৫৬.৮১
খাদিমপাড়া ৪৫.২১ ২৭৫১৮ ২৫০০৩ ৫৬.৯৫
তুলটিকার ১৪.৬৭ ৪৪০৪ ৩৫০৮ ৬৩.৭৭

সূত্র আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

ShahParanThana.jpg

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান  মসজিদ ৫০, মন্দির ২, মাযার ১।

শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৬৪.৩৮%; পুরুষ ৬৭.৬৮% এবং মহিলা ৬০.৫০%। উলে­খযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: সিলেট প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, এম সি কলেজ।

গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা শাহ পরান মাযার, জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট, বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, জাকারিয়া রিসোর্ট পার্ক, ডিআইডি।

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ১১.১২%, অকৃষি শ্রমিক ৩.৬৯%, শিল্প ২.১২%, ব্যবসা ২৩.৪৭%, পরিবহণ ও যোগাযোগ ৯.০৭%, চাকরি ১৭.৩৭%, নির্মাণ ৪.৬১%, ধর্মীয় সেবা ০.৪৮%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ৬.৫% এবং অন্যান্য ২১.৫৭%।

কৃষিভূমির মালিকানা ভূমিমালিক ৩৩.৭৪%, ভূমিহীন ৬৬.২৬%।

প্রধান ফল-ফলাদিব আম, কাঠাল, কলা।

যোগাযোগ বিশেষত্ব পাকারাস্তা ৬৭ কিমি, আধা-পাকারাস্তা ৩২ কিমি, কাঁচারাস্তা ১৩২ কিমি।

বিলুপ্ত বা বিলুপ্ত প্রায় সনাতন বাহন  গরুর গাড়ি, ঘোড়ার গাড়ি।

শিল্প ও কলকারখানা প্লাষ্টিক পাইপ, বিসিক।

হাটবাজার ও মেলা হাটবাজার ১৮। গোদাউরা বাজার, পীরের বাজার, পরগণা বাজার, ইসলামপুর বাজার, বালুচর বাজার, তুলটিকার বাজার উল্লেখযোগ্য।

বিদ্যুৎ ব্যবহার এ থানার সবক’টি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পল্লিবদ্যুতায়ন কর্মসূচির আওতাধীন। তবে ৬৭.২৩% পরিবারের বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।

পানীয়জলের উৎস নলকূপ ৮৪.৪৪%, পুকুর ০.৯৩%, ট্যাপ ১১.৯৬% এবং অন্যান্য ২.৬৭%।

স্যানিটেশন ব্যবস্থা এ থানার ৬৮.৮৬% পরিবার স্বাস্থ্যকর এবং ২৬.২৮% পরিবার অস্বাস্থ্যকর ল্যাট্রিন ব্যবহার করে। ৪.৮৬% পরিবারের কোনো ল্যাট্রিন সুবিধা নেই।

স্বাস্থ্যকেন্দ্র বক্ষব্যাধি হাসপাতাল ১, উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র ১, কমিউনিটি ক্লিনিক ১০, ক্লিনিক ৬।

এনজিও ব্রাক, আশা, এফআইভিডিবি।  [সিরাজুল ইসলাম]

তথ্যসূত্র   আদমশুমারি রিপোর্ট ২০০১, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।