প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান


প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান  সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দানের জন্য স্থাপিত প্রতিষ্ঠান। সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রশিক্ষণার্থীদের অধিকাংশই সরকারের বিভিন্ন মমত্রণালয়, বিভাগ এবং অন্যান্য সরকারি অফিসে কর্মরত। এ সকল মমত্রণালয়, বিভাগ বা অফিস তাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মনোনীত করে স্ব স্ব ক্ষেত্র অনুসারে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের জন্য প্রেরণ করে। বিভিন্ন মমত্রণালয়, বিভাগ বা অফিসের কর্মকর্তাদের অফিস পরিচালনা এবং অন্যান্য কাজে সুদক্ষ করে তোলাই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য। এছাড়া কর্মক্ষেত্রে পরিবর্তিত অবস্থার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ দক্ষতা অর্জনও প্রশিক্ষণের লক্ষ্য। দৃষ্টান্তস্বরূপ, টাইপরাইটার ব্যবহারকারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারীতে রূপান্তর করা যায়।

প্রশিক্ষণ যে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির একটি অন্যতম উপায় তা সহজেই বোধগম্য এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বিষয়টি প্রকাশ করা যায়। এর একটি হলো পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া। এতে রয়েছে উপাত্ত (inputs), প্রক্রিয়াকরণ (throughputs) এবং উৎপাদ (output), অর্থাৎ প্রশিক্ষণার্থী, প্রক্রিয়া ও ফলাফল এ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ  উপাদান প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজন। প্রশিক্ষণ বিশেষজ্ঞগণের মতে প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ায় তিনটি পর্যায় রয়েছে: (ক) প্রাক-প্রশিক্ষণ পর্যায় (অধিকতর কর্মদক্ষতা অর্জনের উপলব্ধি); (খ)প্রশিক্ষণ গ্রহণ (কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ উপযোগী জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধ অর্জন) এবং (গ) প্রশিক্ষণ-পরবর্তী পর্যায় (প্রত্যাশিত দক্ষতা অর্জন করে কর্মক্ষেত্রে প্রত্যাবর্তন)। এসব প্রক্রিয়াকে বলা যায় স্বাধীন চলক  (প্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষণার্থী), প্রয়োগকারী চলক (প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান), নির্ভরশীল চলক (প্রশিক্ষণার্থীদের নানাবিধ আচরণ) এবং প্রত্যাশিত প্রাতিষ্ঠানিক কার্যকারিতা।

প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রশিক্ষণার্থীদের চাহিদার নিরিখে তাদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান, দক্ষতা ও মূল্যবোধ অর্জনের উপযোগী প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একজন প্রশিক্ষণার্থীকে তার কাজের উপযোগী করে তোলা যায় এবং কর্মক্ষেত্রে প্রত্যাশিত ফল লাভ করা যায়। তবে কর্মক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীর দক্ষতা যাচাইয়ের মাধ্যমেই প্রশিক্ষিত মানব সম্পদ তৈরির যথার্থতা নিরূপণ করা সম্ভব।

চীন, মিশর ও ভারতীয় সভ্যতার প্রাচীন ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, সে সময়ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হতো (আনু ১০০ খ্রিস্টাব্দ)। প্রাচীন মিশরের আমলাগণও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিলেন (৩১০০-২২০০ খ্রিপূ)। চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াস (আনু ৫৫১-৪৭৯ খ্রিপূ), গ্রিক দার্শনিক প্ল্যাটো (৪২৮-৩৪৭ খ্রিপূ) এবং ভারতের কৌটিল্য (আনু ৩২৪-২৪৮ খ্রিপূ) সরকারি আমলাদের প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। জীবনের উদ্দেশ্য, প্রাথমিক কর্তব্য, শিক্ষার উদ্দেশ্য, বিষয়/পাঠক্রম এবং প্রশিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে তাঁরা নির্দেশনা দিয়েছেন। আধুনিক ভারতে গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি (১৭৯৮-১৮০৫) প্রথমবারের মতো ভারতীয় সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা চালু করেন।

ব্রিটিশ কর্তৃক প্রবর্তিত বেসামরিক আমলাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা ব্রিটিশ শাসনের শেষ অবধি অক্ষুণ্ণ ছিল এবং ক্রমশ পাকিস্তান আমল, এমনকি বাংলাদেশেও অব্যাহত রয়েছে। লাহোরে অবস্থিত সিভিল সার্ভিস একাডেমী ছিল পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। ষাটের দশকে মার্কিন অর্থ সহায়তায় কুমিল্লা ও পেশোয়ারে দুটি পল্লী একাডেমী এবং ঢাকা, লাহোর ও করাচীতে তিনটি জাতীয় গণপ্রশাসন প্রতিষ্ঠান (NIPA) গড়ে ওঠে।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর নতুন প্রশাসনিক চাহিদার প্রয়োজনে বিপুল সংখ্যক সরকারি আমলা নিয়োগ এবং তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান অত্যাবশ্যক হয়ে পড়ে। তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের গেজেটেড অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমী রূপান্তরিত হয় সিভিল অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমীতে। ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় গণপ্রশাসন প্রতিষ্ঠান এর বহুবিধ কার্যক্রম নিয়ে অপরিবর্তিত থাকে। ১৯৭৭ সালে প্রশিক্ষণের জন্য একটি প্রশাসনিক স্টাফ কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৪ সালে তিনটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান সিভিল অফিসার্স ট্রেনিং একাডেমী, জাতীয় গণপ্রশাসন প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনিক স্টাফ কলেজকে একত্রিত করে ঢাকার সাভারে প্রতিষ্ঠিত হয়  বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এছাড়া প্রথম শ্রেণীর নন এমন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য তৎকালীন চারটি বিভাগীয় সদর দপ্তর চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা ও রাজশাহীতে একটি করে আঞ্চলিক লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।

সাভারের বাংলাদেশ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং সেন্টার তিন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে, যেমন, প্রাথমিক পর্যায়ের আমলাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ (সহকারী সচিব); মধ্যম পর্যায়ের আমলাদের (উপসচিব পর্যায়) প্রশাসন ও উন্নয়নে উচ্চতর প্রশিক্ষণ; উচচপদে অধিষ্ঠিত আমলাদের (যুগ্মসচিব পর্যায়) উচচতর প্রশিক্ষণ। মধ্যম পর্যায়ে পদোন্নতির পূর্বশর্ত বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ। তবে এ পর্যন্ত ৫০% কর্মকর্তা এ প্রশিক্ষণ লাভ করেন নি। প্রাথমিকভাবে লেকচার পদ্ধতিতেই এসব প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি খুব কম প্রয়োগ করা হয়।

অফিসার ব্যতীত অন্যান্য কর্মচারীদের জন্যও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু কার্যত অফিসার বা আমলাদের প্রশিক্ষণের ওপরই অধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে মোট ৩২৫টি সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান রয়েছে যার মধ্যে ২৫টি প্রধান প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত। এগুলো হলো পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমী,  বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী,  বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস  প্রশাসন একাডেমী, বাংলাদেশ সমবায় একাডেমী, বাংলাদেশ শুল্ক আবগারী ও মূসক প্রশিক্ষণ একাডেমী, বাংলাদেশ লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান, প্রশিক্ষণ একাডেমী পরিদপ্তর, আর্থিক ব্যবস্থাপনা একাডেমী, খাদ্য দপ্তর প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, পররাষ্ট্র বিষয়ক একাডেমী, বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, ভূমি প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, পশুসম্পদ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমী, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী, জাতীয় গণশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান, জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান, জাতীয় সমাজসেবা একাডেমী, পুলিশ একাডেমী, পোস্টাল একাডেমী, রেলওয়ে প্রশিক্ষণ একাডেমী, পল্লী উন্নয়ন একাডেমী এবং টেলিযোগাযোগ স্টাফ কলেজ।

বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্স  প্রথম শ্রেণীর সকল কর্মকর্তার জন্য এ কোর্সটি অত্যাবশ্যক। বিসিএস ক্যাডারের সকল কর্মকর্তাকে এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। সাধারণত বিসিএস শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন প্রভৃতি ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নিয়োগের পর গণপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ দান করা হয়। তবে প্রশাসনিক কারণে নবনিয়োগপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তাকে নিয়োগের পর পরই প্রশিক্ষণ দেয়া সম্ভব হয় না, যদিও প্রথমবারের মতো কর্মস্থলে যোগদানের পূর্বে কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ গ্রহণ অপরিহার্য বলে বিবেচিত। কর্মজীবনের প্রারম্ভে কর্মকর্তাদের যথোপযুক্ত ধারণা প্রদানের উপযোগী করে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের বিষয়গুলো নির্বাচন করা হয়।

প্রশাসন ও উন্নয়ন বিষয়ক উচচতর প্রশিক্ষণ কোর্স  এটি উপসচিব ও সমমানের কর্মকর্তাদের জন্য মধ্যম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কোর্স। বুনিয়াদি কোর্সের মতোই এ কোর্স প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত মাসাধিককালব্যাপী পরিচালিত আবাসিক কোর্স। আড়াই মাসের এ পাঠক্রম তিনটি মড্যুলে বিন্যস্ত, যেমন লোকপ্রশাসন, উন্নয়ন অর্থনীতি, ইংরেজি ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ এবং সম্প্রসারিত ভাষণসহ বিবিধ বিষয়।

সিনিয়র স্টাফ কোর্স  এই প্রশিক্ষণ কোর্স যুগ্মসচিব এবং সমপদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জন্য প্রযোজ্য। বুনিয়াদি কোর্স ও উচচতর কোর্সের মতো এটিও আবাসিক, এবং সময়কাল আড়াই মাস। প্রতিটি সিনিয়র স্টাফ কোর্স সুনির্দিষ্ট জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিন্যস্ত। প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে সম্মত বিষয়ের ওপর  একটি প্রবন্ধ শ্রেণীকক্ষে উপস্থাপন করতে হয়। অতিরিক্ত সচিব বা সচিব পর্যায়ের দুজন সিনিয়র কর্মকর্তা এর মূল্যায়ন করেন। মুখ্য প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করে, যেমন শরীরচর্চা, নির্দিষ্ট বিষয় সমীক্ষা, মাঠ পরিদর্শন, ভূমিকা প্রদর্শন প্রভৃতি। সব ধরনের প্রশিক্ষণই মূলত বক্তৃতার মাধ্যমে প্রদান করা হয়। তবে প্রতিটি বক্তৃতার শেষে প্রশ্ন এবং মন্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ থাকার ফলে  অধিবেশনগুলো কিছুটা অংশগ্রহণমূলক হয়ে ওঠে।

প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থসামাজিক প্রকল্পে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের সম্প্রসারিত প্রশিক্ষণ এবং কর্মশালার সুবিধা প্রদান করে। সুতরাং বেসরকারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে অপ্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। প্রশিক্ষণ যে কেবল কর্মকর্তাদের জন্যই প্রযোজ্য তা নয়, বরং সমগ্র দেশে সরকারি অর্থায়নে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পসমূহে নিয়োজিত ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদানও আবশ্যক। এ ধরনের প্রশিক্ষণের দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রকল্প কমিটির উল্লেখ করা যায়। বেসরকারি পর্যায়ে পরিবারের পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে ‘সকলের জন্য প্রশিক্ষণ’-এর দৃষ্টান্ত রয়েছে। এসকল প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানকে সংশ্লিষ্ট মমত্রণালয়, বিভাগ অথবা কর্মএলাকা অনুযায়ী শ্রেণীকরণ করা প্রয়োজন।

প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা সর্বাধিক। এ থেকে ধারণা করা যায় যে, সরকার প্রাথমিক পর্যায়ের প্রশিক্ষণের ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব আরোপ করে। বাংলাদেশে শিক্ষার অনগ্রসরতার প্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ অপরিহার্য। কারণ যথার্থভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকগণই সুযোগ্য ছাত্রছাত্রী গড়ে তুলতে পারেন। এ পর্যায়ে প্রশিক্ষণের মাত্রা ও গুণগত মান বৃদ্ধি করা অপরিহার্য।

বেসরকারি সংস্থা পরিচালিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান  বেসরকারি সংস্থাসমূহ (NGO) প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক পর্যায়ে মাঠকর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। এ ছাড়া স্থায়ী কর্মীদের জন্যও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। বর্তমানে ব্র্যাক (BRAC) বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের প্রশিক্ষণ দানের জন্য সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত। বেসরকারি সংস্থার প্রশিক্ষণের মধ্যে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং দারিদ্য বিমোচন দুটি প্রধান ক্ষেত্র।  [এম আনিসুজ্জামান]