জনস্বাস্থ্য


জনস্বাস্থ্য (Public Health)  হিন্দু যুগে বৈদ্যশ্রেণী ছিল জনস্বাস্থ্যের ধারক ও বাহক যাঁরা নির্ভর করতেন আয়ুর্বেদিক ঔষধশাস্ত্রের ওপর। আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শাস্ত্রের সঙ্গে মুসলিম আমলে যুক্ত হলো ইউনানি চিকিৎসাবিদ্যা যা হেকিমি চিকিৎসা নামে পরিচিত। এ দুই প্রধান চিকিৎসা পদ্ধতির পাশাপাশি ছিল ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে লোকজ চিকিৎসা। কোম্পানি আমলে জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত পাশ্চাত্য চিকিৎসার তৃতীয় ধারা। ১৭৬৪ সালের শুরুর দিকে  ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্রিটিশ ভারতে ইউরোপীয়দের স্বাস্থ্য তদারকির জন্য ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল সার্ভিস (IMS) গঠন করে। অধস্তন স্বাস্থ্য কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে ১৮৩৫ থেকে ১৮৪৫ সালের মধ্যে তিনটি প্রেসিডেন্সি শহরে মেডিক্যাল কলেজ স্থাপন করা হয়। ১৮৬০ সাল পর্যন্ত IMS-এর কর্মকান্ড মূলত রোগ নিরাময় চিকিৎসাবিদ্যার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

অবশ্য ১৮৩০-এর দশক থেকে দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন শুরু হয় এটাকে ভারতীয়দের মধ্যে পশ্চিমা চিকিৎসা সেবা প্রসারের প্রাথমিক উদ্যোগ বলে ধরা হয়। দাতব্য চিকিৎসালয়গুলি গুটি বসন্তের প্রতিষেধক টিকাদান এবং পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে পশ্চিমা ধ্যানধারণা প্রচারের কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

১৯৪৩ সালের পূর্বপর্যন্ত বাংলা প্রদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা একজন মন্ত্রীর তত্ত্বাবধানে ছিল। বর্ধমান, প্রেসিডেন্সি, রাজশাহী এবং সম্মিলিতভাবে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ এ চার বিভাগের প্রত্যেকটিতে একজন করে সহকারী জনস্বাস্থ্য পরিচালক নিযুক্ত ছিল।

জেলাসমূহের জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকান্ডের দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল জেলা বোর্ডগুলির হাতে। প্রায় ২৬টি জেলার প্রত্যেকটিতে একজন করে সার্বক্ষণিক জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ছিলেন। জেলার প্রতিটি স্বাস্থ্য সার্কেলে তিনজন করে অধস্তন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োজিত থাকতেন, যেমন একজন স্বাস্থ্যবিধি পরিদর্শক, একজন স্বাস্থ্য সহকারী এবং একজন ঔষধবাহক। তা ছাড়া বছরের ছয় মাসের জন্য প্রায় ১০০ জন টিকাদারকে অস্থায়িভাবে নিয়োগ করা হতো। জেলাগুলিতে এ অধস্তন স্বাস্থ্যকর্মীদের সকলেই ছিলেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মচারী।

বাংলা প্রদেশে ১৯৪০-এর দশকে বিদ্যমান জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল যার ফলে জনস্বাস্থ্য সেবার কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। রাস্তাঘাট, পানি সরবরাহ, জনস্বাস্থ্য সেবা, হাসপাতাল ইত্যাদির জন্য ব্যয়ের ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে জেলা বোর্ডসমূহের আয় বাড়ে নি। এসব বোর্ডের কর আদায়ের ক্ষমতা ছিল সীমিত এবং তাদের নির্ভর করতে হতো প্রাদেশিক রাজস্বের অনুদানের ওপর। প্রাদেশিক সরকার নিজেই আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে ছিল বলে জনস্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিতে সক্ষম ছিল না।

এভাবে জনস্বাস্থ্য বিভাগ জনসাধারণের এবং বিশেষত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনের সমস্যাবলির উপরিতল স্পর্শ করতে পেরেছিল মাত্র। ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের সময় এ জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়ে। এমনকি বাংলায় দুর্ভিক্ষের পরবর্তী যুগেও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্বাভাবিক সামর্থ্য পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয় নি।

পাকিস্তান আমলে জনস্বাস্থ্য  ভারত উপমহাদেশে ব্রিটিশদের আগমনের পূর্বে মূলত এ এলাকায় আয়ুর্বেদীয় এবং ইউনানী চিকিৎসা পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জনস্বাস্থ্য সেবার অবনতি ঘটলে ১৯৪৩ সালে স্যার জোসেফ ভোর-এর (Sir Joseph Bhore) নেতৃত্বে উপমহাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য ‘স্বাস্থ্য জরিপ ও উন্নয়ন কমিটি’ গঠন করা হয়। ভোর কমিটি নামে পরিচিত এ কমিটিতে চিকিৎসক, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, প্রশাসক, প্রকৌশলি এবং আইনবিদগণ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। এ কমিটি সার্বিক জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য কতগুলি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তৈরি করে। ভোর কমিটির সুপারিশমালা বাস্তবায়নের পূর্বেই এ উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে এ কমিটির রিপোর্ট পরবর্তীকালে দু’দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে সন্দেহাতীতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দেশ বিভাগের পরপরই ১৯৪৭ সালে লাহোরে প্রথম নিখিল পাকিস্তান স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অনেকটা ভোর কমিটির রিপোর্টকে ভিত্তি করে এ সম্মেলনে পাকিস্তানের স্বাস্থ্য প্রশাসনের উন্নয়ন ও কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। ১৯৪৯ সালে আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য, কোয়ারেন্টাইন এবং স্বাস্থ্য বিষয়ক আইন ও গবেষণা ব্যতীত স্বাস্থ্য প্রশাসনের সার্বিক ক্ষমতা ও দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের ওপর ন্যস্ত করা হয়।

দ্বিতীয় নিখিল পাকিস্তান স্বাস্থ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় পূর্ব পাকিস্তানের ঢাকায় ১৯৫১ সালে। এ সম্মেলনে ছয় বছর মেয়াদি এক স্বাস্থ্য পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়। এসব পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানো; গ্রামীণ ডিসপেনসারির সংখ্যা বাড়ানো; মেডিক্যাল স্কুলগুলিকে কলেজে রূপান্তর; উভয় প্রদেশে একটি করে ইনস্টিটিউট অব হাইজিন অ্যান্ড প্রিভেনটিভ মেডিসিন (Institute of Hygiene and Preventive Medicine), মেডিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং ঔষধ পরীক্ষার ল্যাবরেটরি (Drug Testing Laboratory) প্রতিষ্ঠা করা; প্রতিরোধমূলক এবং প্রতিকারমূলক চিকিৎসার সমন্বয় সাধন; এবং ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিষ্ঠান স্থাপন। এরপর পূর্ব পাকিস্তানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য প্রশাসন এবং জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এতে প্রতিটি থানায় একটি গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং তিনটি করে উপকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নেয়া হয়। এ ছাড়া ম্যালেরিয়া নির্মূল, পরিবার পরিকল্পনা, গুটিবসন্ত নির্মূল, বিসিজি টিকাদান প্রভৃতি কর্মসূচি গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। স্বাস্থ্য কর্মসূচির জন্য জেলা বোর্ড প্রতি জেলায় একজন জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা নিয়োগ করত। এদের কাজ মূলত রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত। জেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করত জেলা বোর্ড এবং জনস্বাস্থ্য পরিচালক। বলতে গেলে প্রতিকারমূলক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রধান সার্জন জেনারেল এবং জনস্বাস্থ্য পরিচালকের কাজের মধ্যে কোনো সমন্বয় ছিল না। ফলে ১৯৫৮ সালে এ দুটি ব্যবস্থাকে এক প্রশাসনের আওতায় আনা হয় এবং স্বাস্থ্য প্রশাসনের প্রধান পদের নাম দেওয়া হয় ডাইরেক্টর অব হেলথ সার্ভিসেস।

প্রশাসনিক অন্যান্য ব্যবস্থার মতোই পূর্ব পাকিস্তানের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাও পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায় অনেক অবহেলিত ছিল। ১৯৫২ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে মোট চারটি নতুন মেডিক্যাল কলেজ স্থাপিত হয়, এর একটি একান্তভাবে মহিলাদের জন্য। অথচ পূর্ব পাকিস্তানে দ্বিতীয় মেডিক্যাল কলেজ স্থাপিত হয় চট্টগ্রামে এর পাঁচ বছর পর ১৯৫৭ সালে। দেশের একমাত্র ইনস্টিটিউট অব হাইজিন অ্যান্ড প্রিভেন্টিভ মেডিসিন প্রতিষ্ঠিত হয় লাহোরে। নানা দিক থেকে স্বাস্থ্য বিষয়ক সব সরকারি কর্মকান্ডে পূর্ব পাকিস্তান নানাভাবে বঞ্চিত হয়েছে। দীর্ঘদিনেও এখানে স্বাস্থ্য বিষয়ক দক্ষ জনশক্তি গড়ার তেমন অবকাঠামো তৈরি হয় নি। সব মিলে দেশের দুই অংশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গুরুতর বৈষম্য বিরাজ করত।

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্য  ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই বাংলাদেশ সরকার জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিগুলিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিভিন্ন সময়ে পাকিস্তান আমলে এবং পরবর্তীতে দেশে জনস্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য Institute of Postgraduate Medicine and Research (IPGMR), জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট (National Institute of Cardiovascular Diseases), জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউট (National Institute of Ophthalmology), বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হসপিটাল (Institute of Diseases of the Chest and Hospital), পঙ্গু হাসপাতাল (Rehabilitation Institute & Hospital for the Disabled),  বারডেমঢাকা শিশু হাসপাতাল, এবং  নিপসম। এসব প্রতিষ্ঠানের কয়েকটিতে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ, ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি কোর্সের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান ছাড়াও সাম্প্রতিককালে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে আরও অনেক চিকিৎসা এবং জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয়েছে। সবার জন্য স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি প্রচেষ্টার পাশাপাশি কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান (NGOs) নানাভাবে সহযোগিতা করছে। বাংলাদেশ সরকার স্বাধীনতার পর থেকে জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যেসব কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তার একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা নিম্নরূপ:

১৯৭২#বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন গঠন। ঢাকা মেডিক্যাল স্কুল এবং মিটফোর্ড হাসপাতালকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রূপান্তর।বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিসিয়ান্স অ্যান্ড সার্জনস প্রতিষ্ঠা। বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা। গ্রামীণ স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিকে থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ উন্নীতকরণ। জাতীয় স্বাস্থ্য পাঠাগার ও ডকুমেন্টেশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা।

১৯৭৩ মেডিক্যাল কাউন্সিল অ্যাক্ট ঘোষণা।
১৯৭৪ জনস্বাস্থ্য, পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা। ফার্মেসি অ্যাক্ট ১৯৫৭ সংশোধন। চিলড্রেন অ্যাক্ট ঘোষণা। ড্রাগ অ্যাক্ট, ১৯৪০ সংশোধন।
১৯৭৫ বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি কাউন্সিল গঠন। অন্ধত্ব প্রতিরোধ অ্যাক্ট ঘোষণা। বাংলাদেশ রেডক্রস সোসাইটি (বর্তমানে বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি) অর্ডার অনুমোদিত; ১৯৮৫ সালে সংশোধিত।
১৯৭৬ Institute of Epidemiology, Disease Control and Research প্রতিষ্ঠা। থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধির প্রকল্প অনুমোদন। ফার্মেসি অর্ডিন্যান্স ঘোষণা।
১৯৭৭ পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ অর্ডিন্যান্স জারি। Directorate of Nursing Service প্রতিষ্ঠা। জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা।
১৯৭৮ সবার জন্য স্বাস্থ্য-২০০০ (HFA 2000) কর্মসূচি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর বাংলাদেশের আলমা আতা ঘোষণায় (Alma-Ata declaration) স্বাক্ষর। জাতীয় চক্ষু ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা। নিপসমে (NIPSOM) আনুষ্ঠানিকভাবে দুইটি কোর্স চালু- ডিপ্লোমা ইন পাবলিক হেলথ (DPH) এবং ডিপ্লোমা ইন কমিউনিটি মেডিসিন (DCM)। জাতীয় হূদরোগ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা।
১৯৭৯ সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (Expanded Programme of Immunization) শুরু।
১৯৮০ ডাইরেক্টর অব হেলথ সাভির্সেস পদটি মহাপরিচালক (Director General of Health Services) পদে উন্নীতকরণ।
১৯৮১ বাংলাদেশে পল্লী চিকিৎসক স্কিম চালু। তবে কয়েক বছর পরে তা পরিত্যক্ত হয়। ছয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যার পাইলট প্রকল্প গ্রহণ।
১৯৮২ প্রাইভেট ক্লিনিক এবং ল্যাবরেটরি অর্ডিন্যান্স সরকার কর্তৃক গৃহীত। থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদ সৃষ্টি। ঔষধনীতি ঘোষণা। ঔষধ (নিয়ন্ত্রণ) অর্ডিন্যান্স ঘোষণা।
১৯৮৩ বাংলাদেশ শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা।
১৯৮৬ জাতীয় ক্যানসার ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা।
১৯৮৯ Bangladesh Breastfeeding Foundation প্রতিষ্ঠা।
১৯৯০ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন (Narcotics Control Act) জারি।
১৯৯২ শিশু-মাতৃ স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা।
১৯৯৮ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
২০০৯ প্রতিটি ওয়ার্ডে কম্যুউনিটি হেলথ কেয়ার স্থাপনের সিদ্ধান্ত।

[এ.আর.এম সাইফুদ্দীন একরাম এবং সুজাতা মুখার্জী]