চীনাবাদাম


Mukbil (আলোচনা | অবদান) কর্তৃক ১৫:১৯, ১৬ নভেম্বর ২০১৪ পর্যন্ত সংস্করণে

(পরিবর্তন) ←পুর্বের সংস্করণ | সর্বশেষ সংস্করণ (পরিবর্তন) | পরবর্তী সংস্করণ→ (পরিবর্তন)
চীনাবাদাম

চীনাবাদাম (Groundnut)  Leguminosae গোত্রের Arachis hypogea প্রজাতির ঝোপালো বা লতানো গাছের খোলকতুল্য শুঁটি, যা মাটির নিচে পরিণত অবস্থায় পৌঁছে। সয়াবিনের পর দ্বিতীয় সর্বাধিক পরিমাণ তেলপ্রদায়ী এ ফসল দক্ষিণ আমেরিকায় উৎপন্ন হলেও বর্তমানে ভারত উপমহাদেশ, মধ্য-আফ্রিকা, চীন, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মাদাগাস্কার এবং আরও কয়েকটি উষ্ণমন্ডলীয় ও উপ-উষ্ণমন্ডলীয় দেশে ব্যাপক ভাবে চাষ হচ্ছে।

প্রত্যেকটি শুঁটিতে ১-৪ বীজ থাকে এবং খোল ভেঙে বীজ বের করা হয়। বীজ তেল (৩৫-৫০%), প্রোটিন (২৫-৩০%) এবং ‘বি’ ও ‘ই’ ভিটামিনসমৃদ্ধ। এ তেল রান্নায়, মার্জারিন ও উদ্ভিজ্জ ঘি হিসেবে এবং বিস্কুট ও ঔষধ শিল্পে ব্যবহূত হয়। সাবান ও পিচ্ছিলকারক উপাদান হিসেবেও এর ব্যবহার রয়েছে। ভাজা চীনাবাদাম খুবই জনপ্রিয়। বাংলাদেশে চীনাবাদাম চাষাধীন জমি ও বছরে উৎপন্ন ফসলের পরিমাণ যথাক্রমে প্রায় ৭৩০০০ একর ও ৩৮,০০০ মে টন। বেশির ভাগ চীনাবাদাম জন্মে নোয়াখালী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কিশোরগঞ্জ, পটুয়াখালী ও রংপুর জেলায়। রবি ও খরিফ ফসল হিসেবেই এর চাষ হয়। [মোস্তফা কামাল পাশা]

আরও দেখুন তেলপ্রদায়ী উদ্ভিদ