"চাঁদ রায়"-এর বিভিন্ন সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য


(Text replacement - "\[মুয়ায্যম হুসায়ন খান\]" to "[মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]")
 
৪ নং লাইন: ৪ নং লাইন:
 
জনশ্রুতি ও পৌরাণিক লোককাহিনী চাঁদ রায়ের পরিচয়কে বিতর্কিত করে তুলেছে। শ্রীপুরের জমিদারীতে তাঁর অবস্থান অস্পষ্ট। তাঁকে বিক্রমপুরের জমিদাররূপে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ধারণা করা হয় তাঁর রাজধানী ছিল শ্রীপুর। অথচ প্রায়শ কেদার রায়কে তুলে ধরা হয়েছে জমিদারীর যৌথ-প্রশাসক হিসেবে। জমিদার হিসেবে তাঁর কার্যকাল এবং তাঁর উত্তরাধিকারী কেদার রায়ের কার্যকালের বিস্তৃতি সম্পূর্ণ অস্পষ্ট। আবার কেউ কেউ বলেন, চাঁদ রায় কেদার রায়ের পিতা, পিতৃব্য, কেউ বলেন ভ্রাতা, আবার কেউ তাঁকে শনাক্ত করেছেন কেদার রায়ের পুত্র রূপে। সম্ভবত তিনি যাদব রায়ের পুত্র এবং কেদার রায়ের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা।
 
জনশ্রুতি ও পৌরাণিক লোককাহিনী চাঁদ রায়ের পরিচয়কে বিতর্কিত করে তুলেছে। শ্রীপুরের জমিদারীতে তাঁর অবস্থান অস্পষ্ট। তাঁকে বিক্রমপুরের জমিদাররূপে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ধারণা করা হয় তাঁর রাজধানী ছিল শ্রীপুর। অথচ প্রায়শ কেদার রায়কে তুলে ধরা হয়েছে জমিদারীর যৌথ-প্রশাসক হিসেবে। জমিদার হিসেবে তাঁর কার্যকাল এবং তাঁর উত্তরাধিকারী কেদার রায়ের কার্যকালের বিস্তৃতি সম্পূর্ণ অস্পষ্ট। আবার কেউ কেউ বলেন, চাঁদ রায় কেদার রায়ের পিতা, পিতৃব্য, কেউ বলেন ভ্রাতা, আবার কেউ তাঁকে শনাক্ত করেছেন কেদার রায়ের পুত্র রূপে। সম্ভবত তিনি যাদব রায়ের পুত্র এবং কেদার রায়ের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা।
  
চাঁদ রায় মুগল বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে এবং আরাকানিদের ঝটিকা আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে বীরত্বের পরিচয় দেন। ১৫৯৩ খ্রিস্টাব্দে চাঁদ রায় ও কেদার রায় আফগান নেতা খাজা সুলায়মান লোহানীর সহযোগিতায় মুগল অধিকৃত ভূষণা দুর্গ দখল করেন। দুর্গ অবরোধকালে প্রথম পর্যায়ের সংঘর্ষেই চাঁদ রায় নিহত হন।  [মুয়ায্যম হুসায়ন খান]
+
চাঁদ রায় মুগল বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে এবং আরাকানিদের ঝটিকা আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে বীরত্বের পরিচয় দেন। ১৫৯৩ খ্রিস্টাব্দে চাঁদ রায় ও কেদার রায় আফগান নেতা খাজা সুলায়মান লোহানীর সহযোগিতায় মুগল অধিকৃত ভূষণা দুর্গ দখল করেন। দুর্গ অবরোধকালে প্রথম পর্যায়ের সংঘর্ষেই চাঁদ রায় নিহত হন।  [মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]
  
 
[[en:Chand Rai]]
 
[[en:Chand Rai]]

২২:৩৭, ১৭ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে সম্পাদিত বর্তমান সংস্করণ

চাঁদ রায়  বিক্রমপুরের একজন জমিদার। তিনি পনেরো শতকের গোড়ার দিকে কর্নাট থেকে বিক্রমপুরের আরা ফুলবাড়িয়ায় এসে বসতি স্থাপনকারী জনৈক নিম রায়ের বংশধর বলে কথিত। নিম রায় ছিলেন কায়স্থ হিন্দু। সম্ভবত তিনিই ছিলেন এ বংশের প্রথম ভূঁইয়া এবং পুরুষানুক্রমে ‘ভূইয়া’ উপাধি ধারণের সপক্ষে তৎকালীন শাসকের মঞ্জুরিও তিনি লাভ করেছিলেন।

জনশ্রুতি ও পৌরাণিক লোককাহিনী চাঁদ রায়ের পরিচয়কে বিতর্কিত করে তুলেছে। শ্রীপুরের জমিদারীতে তাঁর অবস্থান অস্পষ্ট। তাঁকে বিক্রমপুরের জমিদাররূপে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ধারণা করা হয় তাঁর রাজধানী ছিল শ্রীপুর। অথচ প্রায়শ কেদার রায়কে তুলে ধরা হয়েছে জমিদারীর যৌথ-প্রশাসক হিসেবে। জমিদার হিসেবে তাঁর কার্যকাল এবং তাঁর উত্তরাধিকারী কেদার রায়ের কার্যকালের বিস্তৃতি সম্পূর্ণ অস্পষ্ট। আবার কেউ কেউ বলেন, চাঁদ রায় কেদার রায়ের পিতা, পিতৃব্য, কেউ বলেন ভ্রাতা, আবার কেউ তাঁকে শনাক্ত করেছেন কেদার রায়ের পুত্র রূপে। সম্ভবত তিনি যাদব রায়ের পুত্র এবং কেদার রায়ের জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা।

চাঁদ রায় মুগল বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে এবং আরাকানিদের ঝটিকা আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষেত্রে বীরত্বের পরিচয় দেন। ১৫৯৩ খ্রিস্টাব্দে চাঁদ রায় ও কেদার রায় আফগান নেতা খাজা সুলায়মান লোহানীর সহযোগিতায় মুগল অধিকৃত ভূষণা দুর্গ দখল করেন। দুর্গ অবরোধকালে প্রথম পর্যায়ের সংঘর্ষেই চাঁদ রায় নিহত হন।  [মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]