"কুতুবউদ্দিন খান কোকাহ"-এর বিভিন্ন সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য


(Added Ennglish article link)
 
(Text replacement - "\[মুয়ায্যম হুসায়ন খান\]" to "[মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]")
 
২ নং লাইন: ২ নং লাইন:
 
'''কুতুবউদ্দিন খান কোকাহ''' বাংলার মুগল সুবাহদার (১৬০৬-১৬০৭)। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ খুবু। শাহজাদা সেলিম তাঁকে ‘কুতুবউদ্দিন খান’ খেতাবে ভূষিত করেন। কুতুবউদ্দিনের মা ছিলেন প্রখ্যাত সুফিসাধক শেখ সলীম চিশতির কন্যা এবং শাহজাদা সেলিমের দুধ-মাতা। শাহজাদা সেলিমের দুধভাই কুতুবউদ্দিন ‘কোকাহ’ (দুধ ভাই) নামেও অভিহিত হতেন। কুতুবউদ্দিন ১৬০৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন।
 
'''কুতুবউদ্দিন খান কোকাহ''' বাংলার মুগল সুবাহদার (১৬০৬-১৬০৭)। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ খুবু। শাহজাদা সেলিম তাঁকে ‘কুতুবউদ্দিন খান’ খেতাবে ভূষিত করেন। কুতুবউদ্দিনের মা ছিলেন প্রখ্যাত সুফিসাধক শেখ সলীম চিশতির কন্যা এবং শাহজাদা সেলিমের দুধ-মাতা। শাহজাদা সেলিমের দুধভাই কুতুবউদ্দিন ‘কোকাহ’ (দুধ ভাই) নামেও অভিহিত হতেন। কুতুবউদ্দিন ১৬০৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন।
  
বাংলার সুবাহদার হিসেবে কুতুবউদ্দিন খানের কার্যক্রম সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা যায় নি। তাঁর সময়ের একটি ঘটনারই উল্লেখ পাওয়া যায়, আর তা হলো বর্ধমানের মুগল ফৌজদার আলী কুলি ইস্তাজলু ওরফে শের আফগানের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব। আলী কুলিকে বর্ধমানের শাসনক্ষমতা থেকে প্রত্যাহারের উদ্দেশ্যে সম্রাট জাহাঙ্গীর সুবাহদার কুতুবউদ্দিন খানকে নির্দেশ দেন যেন আলী কুলিকে শাহী দরবারে প্রেরণ করা হয়। আলী কুলি সম্রাটের এ আদেশ মান্য নাও করতে পারেন এ আশঙ্কায় সুবাহদার তাঁকে রাজী করাবার জন্য স্বয়ং বর্ধমানে যান। আলী কুলি সুবাহদারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মিলিত হন। কুতুবউদ্দিনের পরিকল্পনা ছিল সাক্ষাৎকারকালে আলী কুলিকে বন্দী করার। আলী কুলি সুবাহদারের উদ্দেশ্য অাঁচ করতে পেরে অকস্মাৎ তাঁকে আক্রমণ করেন এবং তাঁর তরবারির আঘাতে সুবাহদার মারাত্মক আহত হন। কুতুবউদ্দিনের সৈন্যরা সঙ্গে সঙ্গে আলী কzুলকে হত্যা করে। আহত কুতুবউদ্দিন খানের ঘটনার দিনই মৃত্যু হয় (৩০ মে ১৬০৭)।  [মুয়ায্যম হুসায়ন খান]
+
বাংলার সুবাহদার হিসেবে কুতুবউদ্দিন খানের কার্যক্রম সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা যায় নি। তাঁর সময়ের একটি ঘটনারই উল্লেখ পাওয়া যায়, আর তা হলো বর্ধমানের মুগল ফৌজদার আলী কুলি ইস্তাজলু ওরফে শের আফগানের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব। আলী কুলিকে বর্ধমানের শাসনক্ষমতা থেকে প্রত্যাহারের উদ্দেশ্যে সম্রাট জাহাঙ্গীর সুবাহদার কুতুবউদ্দিন খানকে নির্দেশ দেন যেন আলী কুলিকে শাহী দরবারে প্রেরণ করা হয়। আলী কুলি সম্রাটের এ আদেশ মান্য নাও করতে পারেন এ আশঙ্কায় সুবাহদার তাঁকে রাজী করাবার জন্য স্বয়ং বর্ধমানে যান। আলী কুলি সুবাহদারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মিলিত হন। কুতুবউদ্দিনের পরিকল্পনা ছিল সাক্ষাৎকারকালে আলী কুলিকে বন্দী করার। আলী কুলি সুবাহদারের উদ্দেশ্য অাঁচ করতে পেরে অকস্মাৎ তাঁকে আক্রমণ করেন এবং তাঁর তরবারির আঘাতে সুবাহদার মারাত্মক আহত হন। কুতুবউদ্দিনের সৈন্যরা সঙ্গে সঙ্গে আলী কzুলকে হত্যা করে। আহত কুতুবউদ্দিন খানের ঘটনার দিনই মৃত্যু হয় (৩০ মে ১৬০৭)।  [মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]
  
 
[[en:Qutbuddin Khan Kokah]]
 
[[en:Qutbuddin Khan Kokah]]

২২:২৭, ১৭ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে সম্পাদিত বর্তমান সংস্করণ

কুতুবউদ্দিন খান কোকাহ বাংলার মুগল সুবাহদার (১৬০৬-১৬০৭)। তাঁর প্রকৃত নাম শেখ খুবু। শাহজাদা সেলিম তাঁকে ‘কুতুবউদ্দিন খান’ খেতাবে ভূষিত করেন। কুতুবউদ্দিনের মা ছিলেন প্রখ্যাত সুফিসাধক শেখ সলীম চিশতির কন্যা এবং শাহজাদা সেলিমের দুধ-মাতা। শাহজাদা সেলিমের দুধভাই কুতুবউদ্দিন ‘কোকাহ’ (দুধ ভাই) নামেও অভিহিত হতেন। কুতুবউদ্দিন ১৬০৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন।

বাংলার সুবাহদার হিসেবে কুতুবউদ্দিন খানের কার্যক্রম সম্পর্কে তেমন কিছুই জানা যায় নি। তাঁর সময়ের একটি ঘটনারই উল্লেখ পাওয়া যায়, আর তা হলো বর্ধমানের মুগল ফৌজদার আলী কুলি ইস্তাজলু ওরফে শের আফগানের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব। আলী কুলিকে বর্ধমানের শাসনক্ষমতা থেকে প্রত্যাহারের উদ্দেশ্যে সম্রাট জাহাঙ্গীর সুবাহদার কুতুবউদ্দিন খানকে নির্দেশ দেন যেন আলী কুলিকে শাহী দরবারে প্রেরণ করা হয়। আলী কুলি সম্রাটের এ আদেশ মান্য নাও করতে পারেন এ আশঙ্কায় সুবাহদার তাঁকে রাজী করাবার জন্য স্বয়ং বর্ধমানে যান। আলী কুলি সুবাহদারের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে মিলিত হন। কুতুবউদ্দিনের পরিকল্পনা ছিল সাক্ষাৎকারকালে আলী কুলিকে বন্দী করার। আলী কুলি সুবাহদারের উদ্দেশ্য অাঁচ করতে পেরে অকস্মাৎ তাঁকে আক্রমণ করেন এবং তাঁর তরবারির আঘাতে সুবাহদার মারাত্মক আহত হন। কুতুবউদ্দিনের সৈন্যরা সঙ্গে সঙ্গে আলী কzুলকে হত্যা করে। আহত কুতুবউদ্দিন খানের ঘটনার দিনই মৃত্যু হয় (৩০ মে ১৬০৭)।  [মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]