কবি নজরুল সরকারি কলেজ: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(Added Ennglish article link)
 
সম্পাদনা সারাংশ নেই
 
৮ নং লাইন: ৮ নং লাইন:
ফরাশগঞ্জের মোহিনীমোহন দাস লেনে কলেজ ছাত্রাবাসটি অবস্থিত। এটি স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ ছাত্র শামসুল আলমের নামে নামকরণ করা হয় ‘শহীদ শামসুল আলম ছাত্রাবাস’। কলেজের মোট শিক্ষক সংখ্যা ১০৩ জন। ১৮৭৪ সালে ১৬৯ জন ছাত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ১৪ হাজার।
ফরাশগঞ্জের মোহিনীমোহন দাস লেনে কলেজ ছাত্রাবাসটি অবস্থিত। এটি স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ ছাত্র শামসুল আলমের নামে নামকরণ করা হয় ‘শহীদ শামসুল আলম ছাত্রাবাস’। কলেজের মোট শিক্ষক সংখ্যা ১০৩ জন। ১৮৭৪ সালে ১৬৯ জন ছাত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ১৪ হাজার।


প্রফেসর মুহাম্মদ আবদুল হাই, ড. কাজী দীন মুহম্মদ, সাবেক উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি নুরুল ইসলাম, কবি  [[কায়কোবাদ|কায়কোবাদ]], ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ও সৈয়দ সাজ্জাদ হোসাইন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য  আবুল ফজল, ইতিহাসবিদ সৈয়দ মোহাম্মদ তাইফুর প্রমুখ কৃতবিদ্য ব্যক্তিত্ব এ কলেজের ছাত্র ছিলেন।
প্রফেসর মুহাম্মদ আবদুল হাই, ড. কাজী দীন মুহম্মদ, সাবেক উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি নুরুল ইসলাম, কবি [[কায়কোবাদ|কায়কোবাদ]], ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ও সৈয়দ সাজ্জাদ হোসাইন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য  আবুল ফজল, ইতিহাসবিদ সৈয়দ মোহাম্মদ তাইফুর প্রমুখ কৃতবিদ্য ব্যক্তিত্ব এ কলেজের ছাত্র ছিলেন। [সৈয়দা সেলিনা বেগম]
 
[সৈয়দা সেলিনা বেগম]


[[en:Kabi Nazrul Government College]]
[[en:Kabi Nazrul Government College]]

০৫:০১, ২২ জুলাই ২০১৪ তারিখে সম্পাদিত সর্বশেষ সংস্করণ

কবি নজরুল সরকারি কলেজ   হাজী মুহম্মদ মোহসীন ফান্ডের আর্থিক সহায়তায় ১৮৭৪ সালে ঢাকায়  কলকাতা মাদ্রাসার আদলে মোহসীনিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরে এটি ঢাকা মাদ্রাসা নামে প্রসিদ্ধ হয়। এটি ছিল পূর্ববাংলার মুসলমানদের জন্য প্রথম সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ মাদ্রাসার প্রথম সুপারিনটেন্ডেন্ট ছিলেন পন্ডিত ও ভাষাবিদ বাহারুল উলুম মাওলানা ওবায়দুল্লাহ আল ওবায়দী সোহরাওয়ার্দী। ১৯১৫ সাল পর্যন্ত হাজী মুহম্মদ মোহসীন ফান্ড থেকে এই মাদ্রাসার ব্যয় নির্বাহ করা হয়। উক্ত সালে এটি উচ্চ মাদ্রাসায় রূপান্তরিত হয়। ১৯১৬ সালে মাদ্রাসার অ্যাংলো-পার্সিয়ান বিভাগটি পৃথক হয়ে ঢাকা গভর্নমেন্ট মুসলিম হাইস্কুল নাম ধারণ করে। ১৯২৩ সালে মাদ্রাসা ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজে রূপান্তরিত হয় এবং ১৯৬৮ সালে কলেজের নামকরণ হয় সরকারি ইসলামিয়া কলেজ।

আবার নাম পরিবর্তন করে ১৯৭২ সালে কলেজটির নতুন নামকরণ হয় কবি নজরুল সরকারি কলেজ এবং একই বছর এটি ডিগ্রি কলেজে উন্নীত হয়। ১৯৭৮ সালে কলেজে সহশিক্ষার প্রচলন হয়। ১৯৭৯ সালে কলেজটিতে মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য শাখায় স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষা চালু হয়। ১৯৮৫ সালে কলেজে ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে প্রথম স্নাতক সম্মান কোর্স খোলা হয়। ১৯৯৩ সালে কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আরবি, ইসলামিক স্টাডিজ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ১ম পর্ব মাস্টার্স কোর্স চালু হয়। কলেজটিতে ১৯৮২ সালে বিএনসিসি কন্টিনজেন্ট এবং রোভার স্কাউট ব্যবস্থা চালু হয়।

২০০৪ সালে এই কলেজে বাংলা, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত, প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা ও ভূগোলসহ মোট ১২টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়। ১৯৯৭ সালে হিসাববিজ্ঞানে ১ম পর্ব মাস্টার্স এবং হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা ও ইংরেজি বিষয়ে অনার্স কোর্স খোলা হয়। ২০০৬ সালে বাংলায় ১ম পর্ব স্নাতকোত্তর কোর্স চালু হয়। বর্তমানে কলেজে মোট ১৭টি বিষয়ে অনার্স, ৫টি বিষয়ে ১ম পর্ব মাস্টার্স এবং ৪টি বিষয়ে শেষ পর্ব মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে। কলেজের গ্রন্থাগারটি ৩০,০০০ বইয়ে সমৃদ্ধ।

ফরাশগঞ্জের মোহিনীমোহন দাস লেনে কলেজ ছাত্রাবাসটি অবস্থিত। এটি স্বাধীনতা সংগ্রামে শহীদ ছাত্র শামসুল আলমের নামে নামকরণ করা হয় ‘শহীদ শামসুল আলম ছাত্রাবাস’। কলেজের মোট শিক্ষক সংখ্যা ১০৩ জন। ১৮৭৪ সালে ১৬৯ জন ছাত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী সংখ্যা ১৪ হাজার।

প্রফেসর মুহাম্মদ আবদুল হাই, ড. কাজী দীন মুহম্মদ, সাবেক উপরাষ্ট্রপতি বিচারপতি নুরুল ইসলাম, কবি কায়কোবাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন ও সৈয়দ সাজ্জাদ হোসাইন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য  আবুল ফজল, ইতিহাসবিদ সৈয়দ মোহাম্মদ তাইফুর প্রমুখ কৃতবিদ্য ব্যক্তিত্ব এ কলেজের ছাত্র ছিলেন। [সৈয়দা সেলিনা বেগম]