"আহমদ, সুলতানউদ্দিন২"-এর বিভিন্ন সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য


(Added Ennglish article link)
 
(Text replacement - "\[মুয়ায্যম হুসায়ন খান\]" to "[মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]")
 
২ নং লাইন: ২ নং লাইন:
 
'''আহমদ, সুলতানউদ্দিন২''' (১৯৩৫-১৯৭১)  প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ। ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সরকারপাড়া গ্রামে ১৯৩৫ সালে তাঁর জন্ম। তিনি ১৯৫০ সালে চাঁদপুর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৫২ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আই.এসসি পাস করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি ঢাকা আহসানুল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে বি.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (সিভিল) ডিগ্রি লাভ করেন। সুলতানউদ্দিন আহমদ ১৯৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহামা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে এম.এস ডিগ্রি লাভ করেন।
 
'''আহমদ, সুলতানউদ্দিন২''' (১৯৩৫-১৯৭১)  প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ। ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সরকারপাড়া গ্রামে ১৯৩৫ সালে তাঁর জন্ম। তিনি ১৯৫০ সালে চাঁদপুর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৫২ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আই.এসসি পাস করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি ঢাকা আহসানুল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে বি.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (সিভিল) ডিগ্রি লাভ করেন। সুলতানউদ্দিন আহমদ ১৯৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহামা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে এম.এস ডিগ্রি লাভ করেন।
  
সুলতানউদ্দিন আহমদ ১৯৫৯ সালে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ইনস্ট্রাক্টর (সিভিল) হিসেবে শিক্ষাবিভাগে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি অধ্যক্ষ পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং ফরিদপুর টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। এই ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ পদে কর্মরত থাকাকালে তিনি উচ্চতর শিক্ষা লাভের জন্য ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান। যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং ১৯৬৮ সালের মার্চ মাসে যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি সেখানে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল হানাদার পাকবাহিনীর একটি দল তাঁর যশোরস্থ বাসভবনে ঢুকে পরিবারের সকল তরুণ পুরুষ সদস্যসহ তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে।  [মুয়ায্যম হুসায়ন খান]
+
সুলতানউদ্দিন আহমদ ১৯৫৯ সালে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ইনস্ট্রাক্টর (সিভিল) হিসেবে শিক্ষাবিভাগে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি অধ্যক্ষ পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং ফরিদপুর টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। এই ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ পদে কর্মরত থাকাকালে তিনি উচ্চতর শিক্ষা লাভের জন্য ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান। যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং ১৯৬৮ সালের মার্চ মাসে যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি সেখানে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল হানাদার পাকবাহিনীর একটি দল তাঁর যশোরস্থ বাসভবনে ঢুকে পরিবারের সকল তরুণ পুরুষ সদস্যসহ তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে।  [মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]
  
 
[[en:Ahmed, Sultanuddin2]]
 
[[en:Ahmed, Sultanuddin2]]

২২:৩৯, ১৭ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে সম্পাদিত বর্তমান সংস্করণ

আহমদ, সুলতানউদ্দিন২ (১৯৩৫-১৯৭১)  প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ। ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার সরকারপাড়া গ্রামে ১৯৩৫ সালে তাঁর জন্ম। তিনি ১৯৫০ সালে চাঁদপুর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ১৯৫২ সালে ঢাকা কলেজ থেকে আই.এসসি পাস করেন। ১৯৫৯ সালে তিনি ঢাকা আহসানুল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে বি.এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (সিভিল) ডিগ্রি লাভ করেন। সুলতানউদ্দিন আহমদ ১৯৬৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহামা স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কারিগরি শিক্ষা বিষয়ে এম.এস ডিগ্রি লাভ করেন।

সুলতানউদ্দিন আহমদ ১৯৫৯ সালে ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ইনস্ট্রাক্টর (সিভিল) হিসেবে শিক্ষাবিভাগে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৫ সালে তিনি অধ্যক্ষ পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং ফরিদপুর টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। এই ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ পদে কর্মরত থাকাকালে তিনি উচ্চতর শিক্ষা লাভের জন্য ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান। যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়ে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং ১৯৬৮ সালের মার্চ মাসে যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি সেখানে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল হানাদার পাকবাহিনীর একটি দল তাঁর যশোরস্থ বাসভবনে ঢুকে পরিবারের সকল তরুণ পুরুষ সদস্যসহ তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে।  [মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]