"আহমদ, এবিএম শামসুদ্দীন"-এর বিভিন্ন সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য


 
(Text replacement - "\[মুয়ায্যম হুসায়ন খান\]" to "[মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]")
 
৯ নং লাইন: ৯ নং লাইন:
 
শামসুদ্দীন আহমদের বেশসংখ্যক নিবন্ধ বিভিন্ন সাময়িকী ও পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: ইতিহাস সম্পর্কিত রচনাবলী: দিল্লীর সুলতানী আমল (১৯৭৭), আধুনিক ইংল্যান্ডের ইতিহাস (১৯৭৮), বাংলাদেশের ইতিহাস (২০০৬) এবং ইখতিয়ারউদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজী শীর্ষক পুস্তিকা (২০০৪)। তিনি ছিলেন প্রাচীন বিশ্ব ও বাংলাদেশের ইতিহাস গ্রন্থের সম্পাদক এবং ইতিহাস সমিতি পত্রিকার সহ-সম্পাদক (১৯৯৫-১৯৯৭)। শামসুদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ার সহ-সম্পাদক এবং বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ‘কালচারাল সার্ভে অব বাংলাদেশ’ প্রকল্পের গবেষণা সহযোগী পদে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন। ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
 
শামসুদ্দীন আহমদের বেশসংখ্যক নিবন্ধ বিভিন্ন সাময়িকী ও পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: ইতিহাস সম্পর্কিত রচনাবলী: দিল্লীর সুলতানী আমল (১৯৭৭), আধুনিক ইংল্যান্ডের ইতিহাস (১৯৭৮), বাংলাদেশের ইতিহাস (২০০৬) এবং ইখতিয়ারউদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজী শীর্ষক পুস্তিকা (২০০৪)। তিনি ছিলেন প্রাচীন বিশ্ব ও বাংলাদেশের ইতিহাস গ্রন্থের সম্পাদক এবং ইতিহাস সমিতি পত্রিকার সহ-সম্পাদক (১৯৯৫-১৯৯৭)। শামসুদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ার সহ-সম্পাদক এবং বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ‘কালচারাল সার্ভে অব বাংলাদেশ’ প্রকল্পের গবেষণা সহযোগী পদে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন। ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
  
[মুয়ায্যম হুসায়ন খান]
+
[মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]
  
 
[[en:Ahmed, ABM Shamsuddin]]
 
[[en:Ahmed, ABM Shamsuddin]]

২২:৩০, ১৭ এপ্রিল ২০১৫ তারিখে সম্পাদিত বর্তমান সংস্করণ

আহমদ, এবিএম শামসুদ্দীন (১৯৪৪-২০০৯)  শিক্ষাবিদ ও গবেষক। ১৯৪৪ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মাদারীপুরে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা মোল্লা বশিরউদ্দিন আহমদ এবং মাতা শামসুন্নাহার। শামসুদ্দীন আহমদ ১৯৬০ সালে মাদারীপুরের ইউআইএম হাইস্কুল থেকে প্রবেশিকা এবং ১৯৬২ সালে মাদারীপুর কলেজ থেকে আইএ পাস করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে ইতিহাসে বিএ (সম্মান) এবং ১৯৬৬ সালে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি ১৯৮৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর অভিসন্দর্ভের বিষয় ছিল Bengal under the Rule of the Early Ilias Shahi Dynasty।

এবিএম শামসুদ্দীন আহমদ

শামসুদ্দীন আহমদ ঝালকাঠি কলেজে ইতিহাসের অধ্যাপক হিসেবে ১৯৬৭ সালে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ১৯৬৯ সালে তিনি সরকারের শিক্ষা বিভাগে ইতিহাসের প্রভাষক পদে নিয়োগ লাভ করে সিলেট সরকারি কলেজে যোগ দেন। তিনি ১৯৮০ সালে সহকারি অধ্যাপক, ১৯৯১ সালে সহযোগী অধ্যাপক এবং ১৯৯৭ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি মাদারীপুরে সরকারি নাজিমুদ্দীন কলেজে অধ্যক্ষ পদে যোগ দেন। ২০০২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত তিনি ওই পদে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় কারিকুলাম ও টেক্সটবুক বোর্ডে কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ হিসেবে ডেপুটেশনে কর্মরত ছিলেন।

শামসুদ্দীন আহমদ তাঁর চাকুরিকালে কতিপয় পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি জাতীয় শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (NIEAR) থেকে ১৯৭৭ সালে ‘পপুলেশন এডুকেশন’ এবং ১৯৮৬ সালে ইতিহাসে স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৯৬ সালে তিনি মালয়েশিয়ায় ‘কারিকুলাম রিনিউয়াল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়ে ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। শিক্ষকতা ও শিক্ষা প্রশাসনে দক্ষতার জন্য তিনি ১৯৮৮ সালে জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ পুরস্কার এবং ১৯৯৮ সালে জেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ অধ্যক্ষ’ পুরস্কার লাভ করেন। সরকারি চাকুরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি ২০০২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পদে নিয়োগ লাভ করেন এবং ২০০৫ সাল পর্যন্ত ওই পদে কর্মরত ছিলেন।

শামসুদ্দীন আহমদের বেশসংখ্যক নিবন্ধ বিভিন্ন সাময়িকী ও পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে: ইতিহাস সম্পর্কিত রচনাবলী: দিল্লীর সুলতানী আমল (১৯৭৭), আধুনিক ইংল্যান্ডের ইতিহাস (১৯৭৮), বাংলাদেশের ইতিহাস (২০০৬) এবং ইখতিয়ারউদ্দীন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজী শীর্ষক পুস্তিকা (২০০৪)। তিনি ছিলেন প্রাচীন বিশ্ব ও বাংলাদেশের ইতিহাস গ্রন্থের সম্পাদক এবং ইতিহাস সমিতি পত্রিকার সহ-সম্পাদক (১৯৯৫-১৯৯৭)। শামসুদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ার সহ-সম্পাদক এবং বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির ‘কালচারাল সার্ভে অব বাংলাদেশ’ প্রকল্পের গবেষণা সহযোগী পদে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন। ২০০৯ সালের ১০ আগস্ট ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

[মুয়ায্‌যম হুসায়ন খান]